সোশ্যাল থট

ফেসবুকে পেজ খুলে প্রচারণা চালাচ্ছেন তৈমুর

প্রকাশ: ০১:২৮ পিএম, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের নির্বাচনের সব ধরনের তথ্য সরবরাহের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পেজ খোলা হয়েছে। সেই পেজটির নাম ‘ভোট ফর তৈমুর’।

তৈমুর আলম খন্দকারের মিডিয়া সেল কর্তৃক ‘ভোট ফর তৈমুর’ নামে পেজটি খোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তৈমুর।

তৈমুর আলম জানান, আমি প্রতিদিন কোথায় যাব, কোন ওয়ার্ডে কর্মসূচি পালন করবো তা আগের দিন সেখানে জানিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া প্রতিদিন সব কর্মসূচির তথ্য, ছবি নাসিকের সব ভোটার ও সংবাদকর্মীদের জন্য সেখানে দেওয়া হবে। আশা করছি, নগরবাসী পেজটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে আমার পাশে থাকবেন।

নাসিক   তৈমুর আলম   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

‘একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী’

প্রকাশ: ০১:০৩ পিএম, ২০ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঘুরে ফিরে সেই প্রশ্নটাতেই ফিরে আসতে হচ্ছে – ‘একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী’। আমরা জানি কী হওয়া উচিত। উত্তরটা নর্মেটিভ। ২০১৯ সালে বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী আমাদের সবাইকে এই প্রশ্নটা করেছিলেন। এই প্রশ্নের উত্তর কোন বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে দেয় তাতো আমরা জানি; উপাচার্যদের কথাবার্তায় বোঝা যায়, প্রশাসনের কর্মকাণ্ডে বোঝা যায়, এক শ্রেণির শিক্ষকের আচরণে বোঝা যায়। প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাঁরা কী ভাবেন, যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেন তাঁরা কী ভাবেন। সমাজে এই আলোচনার পরিস্থিতি আছে কীনা, বিরাজমান শাসনব্যবস্থা আপনাকে এই প্রশ্ন তুলতে দিচ্ছে কিনা সেটা ভাবুন।


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

অবশেষে তসলিমা নাসরিনের ফেসবুক থেকে দূর হয়েছে ‘রিমেম্বারিং’

প্রকাশ: ০৯:১৩ এএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

তসলিমা নাসরিনের ফেসবুক আইডিতে আর "রিমেম্বারিং" শব্দটি দেখাচ্ছে না। এরপরই নতুন একটি পোস্ট দিয়েছেন  বাংলাদেশি এই লেখিকা। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'পুনরুত্থান'। 

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে নির্বাসিত এই লেখিকার ভেরিফায়েড আইডিতে ঢুকে দেখা যায়, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত হিসেবে দেখাচ্ছে। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া লেখক তসলিমা নাসরিনের এক পোস্টের ভুল ব্যাখ্যা করে ফেসবুক তাকে 'মৃত' বলে মনে করে। আর তাই তার ফেসবুক প্রোফাইলে নামের আগে 'রিমেম্বারিং' দেখায়। পাশাপাশি ফেসবুকের তরফ থেকে লেখা হয়, 'আমরা আশা করি যারা তসলিমাকে ভালোবাসেন, যারা তসলিমাকে স্মরণ করতে চান তারা তার প্রোফাইলে গিয়ে সান্ত্বনা পাবেন।' মূলত তসলিমা নাসরিন কীভাবে তার মৃত্যুকে পর্যবেক্ষণ করতে চান, সে বিষয়ে একটি পোস্ট প্রকাশের পর এদিন তার অ্যাকাউন্টে এই পরিবর্তন দেখা যায়। 

টাইমলাইনে সেই পোস্টে তসলিমা লিখেছিলেন, 'আমি চাই আমার মৃত্যুর খবর প্রচার হোক চারদিকে। প্রচার হোক যে আমি আমার মরণোত্তর দেহ দান করেছি হাসপাতালে, বিজ্ঞান গবেষণার কাজে। কিছু অঙ্গ প্রতিস্থাপনে কারও জীবন বাঁচুক। কারও চোখ আলো পাক। প্রচার হোক, কিছু  মানুষও যেন  প্রেরণা পায় মরণোত্তর দেহ দানে। অনেকে কবর হোক চান, পুড়ে যাক চান, কেউ কেউ চান তাঁদের শরীর পোড়া ছাই প্রিয় কোনও জায়গায় যেন ছড়িয়ে দেওয়া হয়। কেউ কেউ আশা করেন তাঁদের দেহ মমি করে রাখা হোক। কেউ আবার বরফে ডুবিয়ে রাখতে চান, যদি ভবিষ্যতে প্রাণ দেওয়ার পদ্ধতি আবিষ্কার হয়! অসুখ বিসুখে আমি আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের ওপর নির্ভর করি এবং জীবনের শেষদিন পর্যন্ত  করবো। কোনও প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতে আমার বিন্দুমাত্র বিশ্বাস নেই, ঠিক যেমন বিশ্বাস নেই কোনও কুসংস্কারে। জীবনের একটি মুহূর্তেরও মূল্য অনেক। তাই কোনও মুহূর্তই  হেলায় হারাতে চাই না। মরার পর আমরা কিন্তু কোথাও যাই না। পরকাল বলে কিছু নেই। পূনর্জন্ম বলে কিছু নেই। মৃত্যুতেই জীবনের সমাপ্তি। আমার জীবন আমি সারাজীবন অর্থপূর্ণ করতে চেয়েছি। মৃত্যুটাও চাই অর্থপূর্ণ হোক।'

জীবিত থাকার পরও মৃত দেখানোয় ফেসবুকের প্রতি বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন তসলিমা নাসরিন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে একাধিক টুইট করেন তিনি। একই সঙ্গে সেখানে ফেসবুকের প্রতি নিজের আইডি ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এক টুইটে ফেসবুককে মেনশন করে তিনি লেখেন, আমি খুবই প্রাণবন্ত আছি। কিন্তু তোমরা আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট স্মরণীয় করে দিয়েছ। কী দুঃসংবাদ! এটা কীভাবে করতে পারলে তোমরা? দয়া করে আমার অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দাও।

তসলিমা নাসরিন  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

আমি জীবিত, বললেন তসলিমা নাসরিন

প্রকাশ: ০৯:৩৫ পিএম, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তসলিমা নাসরিনকে মৃত দেখানোয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভারতে নির্বাসিত এ বাংলাদেশি লেখিকা। আরেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে নিজেকে জীবিত উল্লেখ করে একাধিক টুইটে আইডি ফেরত দিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের প্রতি তিনি আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে নির্বাসিত এই লেখিকার ভেরিফায়েড আইডিতে ঢুকে দেখা যায়, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত দেখাচ্ছে।
 
জীবিত থাকার পরও মৃত দেখানো ফেসবুকের এ আচরণে বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন তসলিমা নাসরিন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে তিনি একাধিক টুইট করেছেন। সেখানে ফেসবুকের প্রতি নিজের আইডি ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এক টুইটে ফেসবুককে মেনশন করে তিনি লিখেছেন, ‘আমি খুবই প্রাণবন্ত আছি। কিন্তু তোমরা আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট স্মরণীয় করে দিয়েছ। কী দুঃসংবাদ! এটা কীভাবে করতে পারলে তোমরা? দয়া করে আমার অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দাও।’

আরেক টুইটে তিনি বলেছেন, ফেসবুক আমাকে মেরে ফেলেছে। আমি জীবিত আছি। এমনকি আমি অসুস্থ কিংবা শয্যাশায়ী কিংবা হাসপাতালেও ভর্তি নই, কিন্তু ফেসবুক আমার অ্যাকাউন্ট স্মরণীয় করে রেখেছে।

এর আগে, ‘রিমেম্বারিং তসলিমা নাসরিন’ ট্যাগ যুক্ত করে বাংলাদেশি এই লেখিকার প্রোফাইলে ফেসবুক লিখেছে, ‘আমরা আশা করি যারা তসলিমা নাসরিনকে ভালোবাসেন, তারা তাকে স্মরণ ও সম্মানিত করার জন্য তার প্রোফাইল পরিদর্শন করে সান্ত্বনা খুঁজে পাবেন।’

তসলিমা নাসরিন   ফেসবুক  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

আমার দেখা ওয়ান ইলেভেন

প্রকাশ: ০১:৪৫ পিএম, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

দেড় মাসের মাথায় ওয়ান ইলেভেন এর সরকারের মুখোশ উন্মোচিত হলো। তারা সদ্য ক্ষমতাচ্যুত বিএনপি নেতৃবৃন্দ থেকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের প্রতি খড়গহস্ত হল। এরই মাঝে নাসিম দিনে রাতে আগের চেয়ে ব্যস্ত হয়ে গেলেন এবং সরকারিভাবে সংযুক্ত না হয়েও নেত্রীর সাথে কাজ করতে থাকেন। 

২০০৭ এর মার্চে নাসিমসহ সুধাসদনে গেলাম। নাসিম তার কাজ করছিলেন, তখন নেত্রী আমাকে বললেন, আলাউদ্দিন যেন বাসায় না থাকে। আমি সবাইকে বলে দিয়েছি কোন কারণে গ্রেফতার হলে যেখানে সাইন করতে বলে, যা লিখতে বলে লিখে দিতে। এগুলোর কোন মূল্য নেই আমার কাছে। কথাগুলো শুনে আমার ভেতরে মোচড় দিয়ে উঠল। বললাম, ‌‘না আপা। সে কখনো আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানিয়ে বলবে না।’ 

তারপর থেকে তো আর সে বাসায় থাকত না। প্রথম কিছুদিন বিজিএমইএ নেতা সোহেল ভাইয়ের বাসাতে পরে সফিকুল ইসলাম (রামগঞ্জ) ভাইয়ের ডিওএইচএস-এর বাসাতে থাকত। আমি নাইট ডিউটির কথা বলে ওর সাথে লুকিয়ে দেখা করতে যেতাম। নেত্রী গ্রেফতার হওয়ার পর জুলাই মাসের ২৫ তারিখ নাসিম আমাকে বলল ইংল্যান্ড, আমেরিকা ও কানাডার ভিসা ও সরকারি জিও নিয়ে রেখেছি। যে কোনোদিন চলে যাব। পরদিন রাতে কোন এক অজানা নাম্বার থেকে ফোনে জানাল দেশের বাইরে যাচ্ছে সে। কোন দেশে কয়টায় ফ্লাইট কিছুই বলল না। ১ দিন পরেই লন্ডন হতে ফোনে কথা বলল। 

সেপ্টেম্বরের দিকে আমি আর রাকা কানাডা গেলাম। বোন নীনার বাসায় উঠলাম। নাসিম কানাডায় যাওয়ার পর কিছুটা স্বস্তি হল। ১ মাস পর ঠিক হল আমরা বাসা নেব। বাসা নেওয়ার সময় রাকার স্কুল কত দূরে দেখছিলাম। যে বাসা দেখি সেটাই স্কুল থেকে ১-২ মাইল দূরে, তখনই রাকা উত্তেজিত হয়ে বলত “আমি হেঁটে হেঁটে যেতে পারব।” ওকে বোঝাতে পারছিলাম না যে প্রচণ্ড শীতে হেঁটে যাওয়া সম্ভব না।

চলবে...
(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক: অধ্যাপক, কার্ডিওলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়


ওয়ান ইলেভেন   আওয়ামী লীগ   শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

আমি তুহিন ভেসে আসি নাই...

প্রকাশ: ০১:০৩ পিএম, ০৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে রাজপথে মিছিল করেছি। শৈশব-কৈশোর আমার রাজপথে কেঁটেছে। আপনি মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নিজের যা মন চায় করবেন তা আমি কি মেনে নিবো?? আমি তুহিন ভেসে আসি নাই তার জবাব দিবো। আপনি পারলে আমার রাজনীতি বন্ধ করবেন।

আমি সামনের কর্মসূচিতে থাকবো দেখি আপনি পথ রুদ্ধ করেন কি করে। আপনার নতুন লাঠিয়াল বাহিনী যারা রাজপথে দুর্দিনে যুব মহিলা লীগ কে এগিয়ে নিতে পারে নাই, আজ তারা গরম ভাত খাবে, তা হবে না।আমার মেয়েদের আরেকবার বইলেন হাত দিতে তখন কি জবাব দেই দেখবেন। আমার কর্মীদের মেরে হাত বড় হয়ে গেছে। তাই না আল্লাহ্ আপনার পতন শুরু করেছে দেখবেন। কত পাপিয়া যে আপনি তৈরি করছেন যাদের এমন সব প্রমাণ আছে মানুষ দেখলে লজ্জায় মুখ লুকাবে। পদ দিয়ে এদের কে অপকর্ম সুযোগ করে দিবেন আবার বলবেন অমুকের সাথে তার ছবি আছে। আমি যাদের ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছি প্রমাণ পাওয়ার পর তাদের আপনি কি করেছেন গ্রুপিং এর জন্য বুকে তুলে নিয়েছেন। পাপিয়া গ্রেফতার আগ মুহূর্তে আপনার বুকেই স্থান নিয়েছিল। টোকন সাহেব বিচার দিল আপনাকে কেনো?? আপনি কেনো তার পক্ষ্যে ফোন দিলেন?? আপনি ২০১৯ সালে গ্রেফতার আগ মুহূর্তে যখন তার আচরণ পরিবর্তনশীল নরসিংদীতে মানুষ আটকিয়েছে তখন আপনি কেনো তাকে জড়িয়ে নিলেন নতুন করে তাকে দায়িত্ব দিলেন??

নরসিংদী কমিটি কি আমার দায়িত্ব প্রাপ্ত এলাকা?? পাপিয়ার সাথে বাংলাদেশের অনেক মানুষের সাথে সামাজিক সম্পর্ক থাকতে পারে তাই বলে তো এরজন্য তাদের জবাবদিহি করতে হয় নাই। জবাবদিহি করতে হচ্ছে আপনি তাকে পদে দিয়েছেন বলে। এতোবড় গুরুত্বপূর্ণ পদে দিবেন তার কোন খবর নিবেন না আর অন্যরা মিশলে দোষ। আমার সাথে তার যোগাযোগ ছিল ২০১৭ থেকে ২০১৮ আর আমার সাথে গ্রেফতার আগ পর্যন্ত দীর্ঘ ১ বছর যোগাযোগ ছিল না কারণ সে আপনার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকা নরসিংদী তাই আপনার সাথে ছিল। আপনার অধীনে থাকার পর তার চরম অধঃপতন হয়েছে ওয়েসটিনে সে সময় সে রুম নিয়েছে তাই দায় এড়াবেন কি করে।
পাপিয়া কে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পুনরায় এনে অধিক জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি তবে সব বের হয়ে যাবে।ওয়েসটিনসহ যেসব জায়গায় সে অপকর্ম করেছে সে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ প্রকাশ করা হোক দেখি কে কে জড়িত। আগে নিজের ব্যর্থতা বলেন তারপর অন্যেরটা বলবেন। আমি কখন শরীরে হাত তুলেছি সে জবাব দিতে প্রস্তুত থাকেন আমি এতো সহজে হাল ছাড়বো না। পরিশেষে বলতে চাই যুব মহিলা লীগে আছি, থাকবো।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

তুরিন   পাপিয়া  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন