সোশ্যাল থট

কোথায় আমার ইউএসএ’র সন্তান?

প্রকাশ: ০৯:৫০ এএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail কোথায় আমার ইউএসএ’র সন্তান?

বিষয়টা হালকাভাবেই নিয়েছিলাম। গতকাল রাতে আমার কাছে একজন একটি আইডি লিংকের পোস্ট শেয়ার করেন। যে লোকের আইডি লিংক পেলাম সেখানে দেখলাম ভদ্রলোকের সকল পোস্টই জিঘাংসামূলক! যাই হোক তার পোস্ট আমার মোটেও কনসার্ন নাহ! আমার কনসার্ন হলো তিনি আমাকে নিয়ে একটি পোস্ট করেছেন যেখানে তিনি বলেছেন আমি অগাধ টাকা, পয়সাসহ আমার স্ত্রীকে গর্ভাবস্থায় ইউএসএ পাঠিয়েছি এবং সেখানে আমার ছেলে জন্মসূত্রে ইউএসএ'র সিটিজেনশিপ পেয়েছে। 

সেখানে এটাও বলা হয়েছে যে, আমার স্ত্রী সেখানে গচ্ছিত আমাদের অঢেল টাকার কোনো সোর্স দেখাতে পারেননি বলে আমার সেই টাকা, পয়সা সেখানে জব্দ করা হয়েছে! এবং আমার স্ত্রী, সন্তানকে ইউএসএ থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে! 

ভদ্রলোক এটাও বলেছেন আমি ডিবিতে ও সিটিটিসিতে দায়িত্ব পালনকালীন অঢেল অর্থের মালিক হয়েছি এবং আমি আমার শ্বশুর ও চাচা শ্বশুরের টাকা নিয়ে বিদেশে গচ্ছিত রেখেছি! একইসাথে অনেক খুনও করেছি!
যদিও একটি বিষয়ের বিপরীতেও তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি এবং তার মত মস্তিষ্ক বিবর্জিতগণ সেই পোস্ট শেয়ারও করে যাচ্ছেন সমানতালে! 

এবার আসেন আপনাকে উন্মুক্ত কিছু প্রশ্ন করি

আমার প্রশ্নসমূহঃ 

১) আমার যে ছেলে ইউএসএ তে জন্ম নিলো তার নাম কি? কবে, কোন হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেছে আমার সেই অজানা সন্তান? প্রমাণ থাকলে দেখান!

(উত্তরঃ আমার ছেলে করোনার প্রথম ওয়েভে পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসক কাশফিয়া নাজনিনের তত্ত্বাবধানে জন্মগ্রহণ করেছে, অসুস্থ মানসিকতার ব্যক্তির সুবিধার্থে উত্তর জানিয়ে দিলাম এবং আমাকে বিয়ে করার পর আমার স্ত্রী একবারও ইউএসএ তে যাননি) 

২) আমার অঢেল যে অর্থ জমা করা হয়েছে ইউএসএ তে!  সেটা কোথায় জমা করা হয়েছে? ইউএসএ এর কোন স্টেটে আমার এতকিছু, আমাকে বলেন আমি সত্যি সেখানে যেতে চাই

(উত্তরঃ আমি জীবনেও ইউএসএ তে যাইনি এবং সেখানে সেটেলড হওয়ার বিন্দু পরিমাণ ইচ্ছে পোষণ করি না, তা চাইলে আমার মা যখন অস্ট্রেলিয়ায় থাকতেন আমি সেখানেই সেটেলড হতে পারতাম যেটা আমি করিনি! কারণ আমার দেশের বাইরে থাকার অভিসন্ধি কখনোই ছিল না) 

৩) আমার স্ত্রী ও সন্তান ইউএসএ থেকে কবে দেশে ফিরে আসলেন? আমার স্ত্রী ইউএসএ গিয়েছে আমার সাথে বিয়ে হওয়ার ৩ বছর পূর্বে! বিয়ে হওয়ার আগেই তাহলে আমার ইউএসএ তে সন্তান কোন আকাশ থেকে পড়লো হে ছল-চাতুরির আশ্রয় নেয়া শ্রেণিগোষ্ঠী?

(আমার দুই সন্তান একজন এভারকেয়ার তৎকালীন এ্যাপোলো হাসপাতালে এবং আরেকজন স্কয়ার হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেছে আলহামদুলিল্লাহ! ইউএসএ'র সন্তানের ছবি প্রকাশ করা হোক) 

৪) কোন স্টেটে আমার এতকিছু তা দলিল ও প্রমাণ সহকারে প্রকাশ করুন যদি নিজের পরিচয় সত্যিই জানা থাকে! আর যদি না পারেন তাহলে ক্ষমা প্রার্থনা করুন! নাহলে যারা এই সর্বৈব মিথ্যা পোস্ট শেয়ার ও পোস্ট করেছেন, প্রত্যেকের ডিটেইলস আমি রেখেছি এবং প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার জন্য যা যা করা লাগে তা আমি করবো। 

শেষ কথা বলি, পুলিশ বিভাগে চাকরিতে ঢুকবার আগে বা পরে কারো কাছ থেকে ৪ আনা পয়সা নিয়েছি, এটা কেউ প্রমাণ করতে পারলে তাৎক্ষণিক চাকরি ছেড়ে দেবো।

আমার সততার সাথে খেলতে এসেন না! আমি হঠাৎ করে উড়ে এসে জুড়ে বসা কোনো পরিবারের সন্তান নই! আমার দাদা ও নানার উভয় দিক থেকেই বিত্তশালী পরিবারে আমার জন্ম। স্বচ্ছলতা দেখেই বড় হয়েছি। মহান রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে কখনো নেইনি শুধু দেয়ার চেষ্টা করেছি। 

মাথায় রাখেন, ইফতেখারকে শতকে, সহস্রে, লাখে তথা কোটিতে কেনা যায় না। ইফতেখারকে শুধু ভালবাসা দিয়ে কেনা যায়। চাকরি করতে চাই ইনশাআল্লাহ! আর এখুনি বলে দেই আমার চাকরি যতদিন চলবে ততদিন আমি এমনই থাকবো ইনশাআল্লাহ! এসব সস্তা খেলা খেলার জন্য আপনাদের মত গন্ধযুক্ত, দুর্নীতিপরায়ণ কাউকে বেছে নিন, আমাকে নয়!

আমার সহজ ও সরল আচরণকে দুর্বলতা ভেবে এই নোংরামি যারা করছেন তাদেরকে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, প্রমাণসহ এসে কথা বলুন। নচেৎ যে গন্ধযুক্ত গর্ত থেকে উদয় হয়েছেন সেখানে ফিরে যান।

(পোস্টটি শেয়ার করে গন্ধযুক্ত, অনৈতিক ব্যক্তিদের দেখার সুযোগ করে দিন)


(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক : এডিসি, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত, ডিএমপি।

ইফতেখারুল ইসলাম   পুলিশ   ইউএসই   অস্ট্রেলিয়া  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

কোন প্রকার পদোন্নতি অথবা নতুন দায়িত্ব নয়


Thumbnail কোন প্রকার পদোন্নতি অথবা নতুন দায়িত্ব নয়

ফেসবুকে একটি খবর অনেকে পোস্ট করেছেন। খবরের বিষয়টি সম্পর্কে সকলকে স্পষ্ট করা দরকার। আমি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত ২১তম জাতীয় কাউন্সিলের পর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে কাজ করছি। সংগঠন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সংরক্ষণ করা এবং তথ্য হালনাগাদ করা আমার সাংগঠনিক দায়িত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 

আজ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা ছিল। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদের। তিনি আমাদের সংগঠনের তথ্যভাণ্ডারের সকল সাংগঠনিক তথ্য হালনাগাদ করার জন্য দপ্তর বিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করেন। এটি আমার সাংগঠনিক দায়িত্বের একটি নিয়মিত কাজ। এটি কোন নতুন দায়িত্ব নয় অথবা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে আমাকে অর্পণ করা কোন পদোন্নতি নয়। কিন্তু কোন কোন সংবাদ মাধ্যম এভাবে সংবাদ পরিবেশন করেছে, আমি যেন কোন নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। একইভাবে ফেসবুকে আমার রাজনৈতিক বন্ধু-শুভার্থীরা এমনভাবে প্রচার করেছেন যেন আমার হালনাগাদ করার কাজটি একটি অতিরিক্ত দায়িত্ব। আমি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছি। সাংবাদিক বন্ধুদের উচিত ছিল এ প্রসঙ্গে আমার বক্তব্য গ্রহণ করা। আমার নিয়মিত রাজনৈতিক দায়িত্বের বিষয়টি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমাকে আজ স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন মাত্র। কোন প্রকার পদোন্নতি অথবা নতুন দায়িত্ব নয়। 

আশা করি আমাকে যারা চিনেন জানেন তারা বিষয়টি অনুধাবন করতে পারবেন এবং বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে অথবা ফেসবুক পোস্ট করা থেকে বিরত থাকবেন। ভবিষ্যতে সাংবাদিক বন্ধুগণ কোন প্রকার সংবাদ প্রকাশের আগে আমার সাথে যোগাযোগ করলে কৃতার্থ হবো। সবাইকে ধন্যবাদ।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, রাজনৈতিক দলের মুখোশ: জয়

প্রকাশ: ১২:০৭ পিএম, ২৩ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, রাজনৈতিক দলের মুখোশ: জয়

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, প্রকৃতপক্ষে বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি আসলে রাজনৈতিক দলের মুখোশ।

শুক্রবার (২২ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে তিনি এ বিষয়ে লিখেন।

সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো; 'বিএনপি ও জাতীয় পার্টির জন্মই হয়েছে রাতারাতি সরকারি দল হিসেবে। সংবিধান ও সেনা বাহিনীর নিয়ম ভঙ্গ করে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ভূ-লুণ্ঠিত করে যারা অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল, তাদের পিঠ বাঁচানোর ঢাল হিসেবে গঠন করা হয়েছিল দল দুটি। একারণে এই দুই দলের কোনো শক্ত জনভিত্তি নেই। ফলে দেশের গণতন্ত্রের বিকাশে বিরোধী দল হিসেবে এদের ভূমিকা শূন্য।   

প্রকৃতপক্ষে বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি আসলে রাজনৈতিক দলের মুখোশ। এই মুখোশ পড়ে দুর্বৃত্তরা দেশের সম্পদ লুট ও অর্থ পাচার করে বিদেশে। দেশের ভেতরে তারা উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিস্তার ঘটায়। এই দল প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যেমন জনসম্পৃক্ততার সম্পর্ক শূন্য, তেমনি এই দলের নেতাদের সঙ্গেও কর্মীদের সম্পর্ক হয় অর্থ লেনদেনের বিনিময়ে। তারেক রহমানকে চাহিদা মতো টাকা না দিলে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান না নিজ দলের নেতাকর্মীরাও। তাই সরকারে থাকলে সাধারণ মানুষের ওপর লুটপাট ও নির্যাতন এবং বিরোধী দলে থাকলে বিদেশিদের কাছে নালিশ ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে দলটি।'

জয়   সজীব ওয়াজেদ জয়   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

‘আমার মন খারাপ’ পোস্ট দিলে শাস্তি, খবরটি জঘন্য মিথ্যাচার’

প্রকাশ: ০৬:৫২ পিএম, ১৮ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail ‘আমার মন খারাপ’ পোস্ট দিলে শাস্তি, খবরটি জঘন্য মিথ্যাচার’

‘আজ আমার মন খারাপ’ স্ট্যাটাস দিলে শাস্তি হতে পারে- একটি জাতীয় দৈনিকের এমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়লেও খসড়া নীতিমালায় এমন কোনো বাক্য নেই বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

সোমবার (১৮ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক ওয়ালে এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানান তিনি।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘‘গত দুদিন ধরে ফেসবুকে একটি দৈনিক পত্রিকার খবর অনুসারে ট্রল করা হচ্ছে যে ফেসবুকে ‘আমার মন খারাপ’ পোস্ট দিলে শাস্তি হবে। এই খবরটি একটি জঘন্য মিথ্যাচার ও অপপ্রচার। খসড়া নীতিমালায় এমন কোনো বাক্য নেই। যারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন তাদের জন্য জানাচ্ছি যে, বিটিআরসি একটি নীতিমালার প্রথম খসড়া তৈরি করেছে যার ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল অপরাধ প্রতিরোধ করা যায়। এটি উচ্চ আদালতের নির্দেশে করা হয়েছে। এর ওপর মতামত দিতে বলা হয়েছিল। এখন অংশীজনদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। এরপর এটি আদালতে পেশ করা হবে এবং আদালত এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’’


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

টিপ পরা ছবি ফেসবুকে দিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর প্রতিবাদ

প্রকাশ: ০৮:৫৭ পিএম, ০৪ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail টিপ পরা ছবি ফেসবুকে দিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর প্রতিবাদ

রাজধানীর এক কলেজ শিক্ষিকা টিপ পরায় পুলিশ সদস্যের হেনস্তা করার ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন পর্যায়ের নারীরা কপালে টিপ পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি পোস্ট করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। জাতীয় সংসদেও ওই ঘটনা নিয়ে হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীও টিপ পরা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন প্রতিবাদ।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে টিপ পরা কয়েকটি ছবি দিয়ে লিখেছেন ‘আমি মানুষ, আমি মুসলমান, আমি বাঙালি, আমি নারী।’

তাঁর এই স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে অনেকেই ওই নারীকে হেনস্তা করার ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সুর মিলিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৌমিত্র শেখর লিখেছেন ‘এভাবেই প্রতিবাদ হোক, তীক্ষ্ণতর হোক আমাদের ভাষা, এভাবেই এগিয়ে আসুক মুক্তিযুদ্ধস্নাত বাঙালির আশা।’

উল্লেখ্য, টিপ পরায় গত শনিবার ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় হয়রানির শিকার হন তেজগাঁও কলেজের থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক লতা সমাদ্দার। এ বিষয়ে ওই দিনই শেরেবাংলা নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। এর ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত কনস্টেবল নাজমুল তারেককে শনাক্ত করেছে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ। নাজমুল তারেক ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রোটেকশন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তাঁকে সাময়িকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী   ডা. দীপু মনি  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

সহধর্মিণীকে অপমান করা হচ্ছে! আপনি কী করবেন?

প্রকাশ: ০৮:৩১ এএম, ২৯ মার্চ, ২০২২


Thumbnail সহধর্মিণীকে অপমান করা হচ্ছে! আপনি কী করবেন?

ঠিক, বেঠিকের বিষয়ে পরে আসছি...। নিজেকে তাঁর (উইল স্মিথ) জায়গায় দাঁড় করান, তারপর চিন্তা করেন ভরা মজলিসে আপনারই সামনে আপনারই সহধর্মিণীকে অপমান করা হচ্ছে! আপনি কী করবেন? মাথা ঠাণ্ডা রেখে কথা বলবেন? শতকরা কত ভাগ মানুষ এটা পারেন? যারা পারেন তাঁরা আসলেই অসাধারণ!

এই ঘটনায় আমি ঘুরেফিরে রক্ত মাংসের এক সাধারণ মানুষকে খুঁজে পেয়েছি! আইনগত জায়গা থেকে এটি’র ব্যাখ্যা অবশ্যই ভিন্ন, তবে হ্যাকলিংয়ের নামে চরম অপমাণিত হয়ে যাওয়ার পর আইন আবার দুর্দান্ত ফলাফল এনে দিতে পারে খুব কম!

যাই হোক, ভিনদেশ বাদ দিয়ে নিজ দেশের দিকে তাকালে দেখা যাবে, এখানে স্ত্রী অপমানিত হলে স্বামী বলবে হাত থাকতে মুখে কি। যে কোনো শারীরিক আঘাতের বিপক্ষে থাকার পাশাপাশি হ্যাকলিংয়ের নামে যে কোনো ধরণের অসুস্থ অপমানেরও বিরোধিতা করা উচিত সকলের।

(বি. দ্র. আমি চিন্তা করছিলাম কাজটা তিনি (উইল স্মিথ) না করে অন্য কোনো অভিনেতা করলে তাঁর প্রতিক্রিয়া আসলে কি দাঁড়াতো?)

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক : এডিসি, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত, ডিএমপি।

উইল স্মিথ   হ্যাকলিং  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন