সোশ্যাল থট

পদ্মা সেতু শুধু একটি স্থাপনা নয়, বাংলাদেশের গর্ব: সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রকাশ: ১১:২৪ এএম, ১৬ জুন, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতু শুধু একটি স্থাপনা নয়, বাংলাদেশের গর্ব: সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, ‘পদ্মা সেতু শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি এখন বাঙালি জাতি তথা বাংলাদেশের গর্ব, আত্মমর্যাদা ও অহংকারের প্রতীক। এই সেতু নির্মাণের কৃতিত্ব প্রতিটি বাঙালির, আপনার-আমার-আমাদের সবার। এই সেতু নির্মাণের ফলে দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নদীবেষ্টিত ভূখণ্ড সরাসরি রাজধানীর সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। পদ্মা সেতু যেমন দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের প্রায় পাঁচ কোটি মানুষের জীবনে অর্থনৈতিক সুবাতাস বয়ে আনবে, তেমনি কমপক্ষে ১.৫ শতাংশ জাতীয় আয় বৃদ্ধিও নিশ্চিত করবে। ফলে লাভবান হবে পুরো দেশের মানুষ। প্রসার হবে ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটনের। ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নির্মাণে এই সেতুর প্রভাব অনেক।’

ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই মেগা প্রকল্পের ওপর নির্মিত একটি ভিডিও শেয়ার করে  সজীব ওয়াজেদ জয় আরও লিখেছেন, ‘বিশ্বের অন্যতম খরস্রোতা পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে নান্দনিক একটি সেতু- পদ্মা সেতু। বহুমাত্রিক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও জটিল রকমের প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে আপনার-আমার-আমাদের নিজেদের অর্থেই নির্মিত হয়েছে এই সেতুটি।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‌‘দক্ষিণ এশিয়ার কোনো উন্নয়নশীল দেশের মানুষ যে নিজেদের উদ্যোগে এরকম দৃষ্টিনন্দন ও টেকসই স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে, তা এক সময় ভাবতেও পারতো না বিশ্ব। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অদম্য আত্মবিশ্বাস ও দূরদর্শী পরিকল্পনায় এবং বাঙালি জাতির অদম্য প্রচেষ্টায় তা আজ বাস্তবে পরিণত হয়েছে। এখন বাংলাদেশকে স্যালুট দিচ্ছে সবাই। ২৫ জুন উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা পদ্মা সেতু এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।’

সজীব ওয়াজেদ জয়   পদ্মা সেতু  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

বাংলাদেশের এই রবীন্দ্রপ্রেম আমার বেশ ভালো লেগেছে

প্রকাশ: ০৭:১৯ পিএম, ২৮ জুলাই, ২০২২


Thumbnail বাংলাদেশের এই রবীন্দ্রপ্রেম আমার বেশ ভালো লেগেছে

বাংলাদেশের হিরো আলম ও রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

তসলিমা নাসরিন এর ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

রবীন্দ্রসঙ্গীতকে কুরুচি আর বিকৃতির হাত থেকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ, এগিয়ে আসেনি পশ্চিমবঙ্গ। তাই বাংলাদেশের হিরো আলমকে পুলিশের কাছে গিয়ে মুচলেকা দিতে হয়েছে বিকৃত সুরে এবং ভুল উচ্চারণে রবীন্দ্রসঙ্গীত সে আর গাইবে না। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের রোদ্দুর রায়কে এ কারণে পুলিশেরা তলব করেনি, তাকে এ ধরনের কোনও মুচলেকাও দিতে হয়নি। 

এ থেকে কী বোঝা গেল? বোঝা গেল যেমন ইচ্ছে তেমন করে গান গাওয়ার অধিকার পশ্চিমবঙ্গে বেশি, এমনকী রবীন্দ্রসঙ্গীতও রুচিহীন ভাবে গাওয়ার অধিকার মানুষের আছে। কিন্তু বাংলাদেশে বিকৃত সুরে ভুল উচ্চারণে অন্য যে কোনও গান গাওয়ার যে কারও অধিকার থাকুক, রবীন্দ্রসঙ্গীত গাওয়ার অধিকার নেই। 

লোকে যে যাই বলুক, বাংলাদেশের এই রবীন্দ্রপ্রেম আমার বেশ ভালো লেগেছে।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

তসলিমা নাসরিন  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

‘একটু বোঝার চেষ্টা করছি, আর কত দিক থেকে আক্রমণ হতে পারে’

প্রকাশ: ০৯:১১ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২২


Thumbnail ‘একটু বোঝার চেষ্টা করছি, আর কত দিক থেকে আক্রমণ হতে পারে’

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টকে কেন্দ্র করে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে সেখানকার হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকটি বাড়ি, দোকান ও মন্দিরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা নিয়ে রোববার (১৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক এবং নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।

মাশরাফি বিন মর্তুজা এর ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

একটু বোঝার চেষ্টা করছি, আর কত দিক থেকে আক্রমণ হতে পারে। প্রথম আক্রমণের কথা হয়তো সবাই ভুলে গেছে, তাই মনে করিয়ে দিচ্ছি। প্রথম ঝামেলা করলো তারা মাওলানা মামুনুলকে (মামুনুল হক) নিয়ে। তাকে যখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিষেধাজ্ঞা দিলো, তখন ওয়াজ করার জন্য তাকে নড়াইলে আনা হলো। কথা হলো, যখন ওয়াজ মাহফিল হয়, সেটার পারমিশন দিয়ে থাকেন ডিসি, নিরাপত্তার ব্যাপার দেখেন এসপি। এখানে এমপিদের কোনো কাজই নাই।

কিন্তু ডিসি বা এসপি থেকে আমাকে বিন্দুমাত্র না জানিয়ে ওয়াজ মাহফিল দেওয়া হলো নোয়াগ্রামে, যেখানে আমার শ্বশুরবাড়ি। তাকে আগেই বলা হলো যে ওয়াজ মাহফিলের অনুমতি নেওয়া আছে, আপনি চলে আসেন। অথচ কালনাঘাট পর্যন্ত আনার পর তবেই কেবল ডিসিকে জানালো, এসপিকে জানালো। ঘাট থেকে যখন তাকে বলা হলো যে, ‘আপনার চিঠি কোথায়?’ সে দিতে পারলো না। মাহফিল কর্তৃপক্ষ তখন আমাকে ফোন করে বললো, ‘আপনি সমস্যা ঠিক করেন।’ কথা হলো, তখন এই সমস্যার সমাধান করা কীভাবে সম্ভব? এটা তো পুরোটাই একটা প্রক্রিয়া, যা আরও সাতদিন আগে থেকে করতে হয়!



তখন ওই লোকগুলো বলা শুরু করে দিলো, আমি নাকি ওয়াজ মাহফিল হতে দিচ্ছি না। পুরো খেলাটা খেলেছে এমনভাবে, তাকে আমার শ্বশুরবাড়ি এলাকায় এনে সরকারের কাছে প্রমাণ করতে চেয়েছে যে, আমি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মানছি না। আর যদি না আসতে পারে, তাহলে প্রচার করা হবে যে, মাশরাফি ওয়াজ করতে দেয় না। দুদিক থেকেই তাদের জয়। আর দুই পক্ষের কাছেই আমাকে খারাপ বানাবে।

তবে যাই হোক, আল্লাহ মালিক, সত্য আর চাপা থাকেনি। সবাই কম-বেশি জেনেছে সত্যিটা, আর যারা জানে না, তারা ভুল বুঝেই আছে।

এবার উল্টো খেলা খেললো তারা। সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের ওপর আক্রমণ করে তাদের বিপদে ফেলা, পাশাপাশি আমাকেও বিপদে ঠেলে দেওয়া। এমনকি, কিছুদিন আগে কালিয়ার মির্জাপুরে সম্মানিত একজন শিক্ষককে অপমানের ঘটনায়ও আমাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে, অথচ ওটা আমার আসনের ভেতর নয়।

যাক, আপনারা সব তো করলেন। এবার আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ, পেছন থেকে আঘাত করতে করতে আপনারা ক্লান্ত হয়ে যাবেন। তো আসুন, সামনে থেকে আঘাত করুন। আমার সঙ্গে সরাসরি লড়াই করুন। আমি সাধুবাদ জানাবো।

কিন্তু আমাকে ভোগানোর জন্য দয়া করে সাধারণ ও অসহায় মানুষের আর ক্ষতি করবেন না। মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিন, লড়াই আমার সঙ্গে করুন। আমি জানি, নড়াইলে রাজনীতি যাদের কাছে পেশা, তাদের কাছে আমি এখন নেশা...।


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

‘টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেলেন সুস্মিতা?’

প্রকাশ: ০৩:৩২ পিএম, ১৬ জুলাই, ২০২২


Thumbnail ‘টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেলেন সুস্মিতা?’

সাবেক মিস ইউনিভার্স ও বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনকে নিয়ে শনিবার (১৬ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

তসলিমা নাসরিন এর ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

সুস্মিতা সেনের সঙ্গে আমার একবারই দেখা হয়েছিল। দেখা হয়েছিল কলকাতা বিমান বন্দরে। আমাকে জড়িয়ে ধরে তিনি বলেছিলেন ভালোবাসি। আমার চেয়েও দীর্ঘাঙ্গী খুব তো কেউ নেই এ অঞ্চলে, তাই পাশে দাঁড়িয়ে নিজেকে হঠাৎ বেঁটে বলে বোধ হয়েছিল। তাঁর সৌন্দর্য থেকে মুগ্ধতার চোখ সহজে  সরিয়ে নিতে পারিনি।

আমার সবচেয়ে ভালো লাগতো, সুস্মিতা সেনের ব্যক্তিত্ব। অল্প বয়সেই দুটো মেয়েকে দত্তক নিয়েছেন। ভালো লাগতো তাঁর সততা, সাহসিকতা, সচেতনতা, স্বনির্ভরতা, ভালো লাগতো তাঁর দৃঢ়তা, ঋজুতা। কিন্তু নানা কিসিমের অপরাধে জড়িত অত্যন্ত অনাকর্ষনীয় এক লোকের সঙ্গে সুস্মিতা এখন সময় কাটাচ্ছেন। লোকটি প্রচণ্ড ধনী বলেই কি? তাহলে কি টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেলেন তিনি?

হতে পারে তিনি প্রেমে পড়েছেন লোকটির। কিন্তু বিশ্বাস হতে চায় না যে তিনি প্রেমে পড়েছেন। টাকার প্রেমে যাঁরা পড়েন, তাঁদের ওপর থেকে,  আমার খুব দ্রুতই শ্রদ্ধা চলে যায়।


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

কোন প্রকার পদোন্নতি অথবা নতুন দায়িত্ব নয়


Thumbnail কোন প্রকার পদোন্নতি অথবা নতুন দায়িত্ব নয়

ফেসবুকে একটি খবর অনেকে পোস্ট করেছেন। খবরের বিষয়টি সম্পর্কে সকলকে স্পষ্ট করা দরকার। আমি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত ২১তম জাতীয় কাউন্সিলের পর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে কাজ করছি। সংগঠন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সংরক্ষণ করা এবং তথ্য হালনাগাদ করা আমার সাংগঠনিক দায়িত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 

আজ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা ছিল। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদের। তিনি আমাদের সংগঠনের তথ্যভাণ্ডারের সকল সাংগঠনিক তথ্য হালনাগাদ করার জন্য দপ্তর বিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করেন। এটি আমার সাংগঠনিক দায়িত্বের একটি নিয়মিত কাজ। এটি কোন নতুন দায়িত্ব নয় অথবা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে আমাকে অর্পণ করা কোন পদোন্নতি নয়। কিন্তু কোন কোন সংবাদ মাধ্যম এভাবে সংবাদ পরিবেশন করেছে, আমি যেন কোন নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। একইভাবে ফেসবুকে আমার রাজনৈতিক বন্ধু-শুভার্থীরা এমনভাবে প্রচার করেছেন যেন আমার হালনাগাদ করার কাজটি একটি অতিরিক্ত দায়িত্ব। আমি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছি। সাংবাদিক বন্ধুদের উচিত ছিল এ প্রসঙ্গে আমার বক্তব্য গ্রহণ করা। আমার নিয়মিত রাজনৈতিক দায়িত্বের বিষয়টি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমাকে আজ স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন মাত্র। কোন প্রকার পদোন্নতি অথবা নতুন দায়িত্ব নয়। 

আশা করি আমাকে যারা চিনেন জানেন তারা বিষয়টি অনুধাবন করতে পারবেন এবং বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে অথবা ফেসবুক পোস্ট করা থেকে বিরত থাকবেন। ভবিষ্যতে সাংবাদিক বন্ধুগণ কোন প্রকার সংবাদ প্রকাশের আগে আমার সাথে যোগাযোগ করলে কৃতার্থ হবো। সবাইকে ধন্যবাদ।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, রাজনৈতিক দলের মুখোশ: জয়

প্রকাশ: ১২:০৭ পিএম, ২৩ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, রাজনৈতিক দলের মুখোশ: জয়

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, প্রকৃতপক্ষে বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি আসলে রাজনৈতিক দলের মুখোশ।

শুক্রবার (২২ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে তিনি এ বিষয়ে লিখেন।

সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো; 'বিএনপি ও জাতীয় পার্টির জন্মই হয়েছে রাতারাতি সরকারি দল হিসেবে। সংবিধান ও সেনা বাহিনীর নিয়ম ভঙ্গ করে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ভূ-লুণ্ঠিত করে যারা অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল, তাদের পিঠ বাঁচানোর ঢাল হিসেবে গঠন করা হয়েছিল দল দুটি। একারণে এই দুই দলের কোনো শক্ত জনভিত্তি নেই। ফলে দেশের গণতন্ত্রের বিকাশে বিরোধী দল হিসেবে এদের ভূমিকা শূন্য।   

প্রকৃতপক্ষে বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি আসলে রাজনৈতিক দলের মুখোশ। এই মুখোশ পড়ে দুর্বৃত্তরা দেশের সম্পদ লুট ও অর্থ পাচার করে বিদেশে। দেশের ভেতরে তারা উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিস্তার ঘটায়। এই দল প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যেমন জনসম্পৃক্ততার সম্পর্ক শূন্য, তেমনি এই দলের নেতাদের সঙ্গেও কর্মীদের সম্পর্ক হয় অর্থ লেনদেনের বিনিময়ে। তারেক রহমানকে চাহিদা মতো টাকা না দিলে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান না নিজ দলের নেতাকর্মীরাও। তাই সরকারে থাকলে সাধারণ মানুষের ওপর লুটপাট ও নির্যাতন এবং বিরোধী দলে থাকলে বিদেশিদের কাছে নালিশ ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে দলটি।'

জয়   সজীব ওয়াজেদ জয়   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন