সোশ্যাল থট

আবার হলো দেখা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬:৪৬ পিএম, ১৪ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

১৯৬২ সাল। ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, সেক্রেটারি শেখ ফজলুল হক মনি, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সিরাজুল আলম খান, কালচারাল সেক্রেটারি মাহবুব তালুকদার। মাহবুব তালুকদার আবার ইত্তেফাকের বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার এবং ছাত্রলীগের একুশে সংকলনের সম্পাদক। তাঁর সঙ্গে দুজনের `তুই` সম্পর্ক, শেখ মনি আর সিরাজুল আলম খান। ঘনিষ্ঠ বন্ধু তাঁরা।

শেখ মনি আর নেই। মাহবুব আর সিরাজ পরস্পরের সঙ্গে দেখা করার ও কথা বলার আগ্রহ দেখালেন। আমি হলাম অনুঘটক। কাল বিকেলে মাহবুব তালুকদার আমার বাসায় এসে আমাকে তুলে নিয়ে গেলেন সিরাজুল আলম খানের কাছে। বন্ধুর জন্য বই আর ফল নিলেন। আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ও কি মিষ্টি খায়? বললাম, সব খায়। ডায়াবেটিস নেই। পথে পড়ল বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার। বন্ধুর জন্য কিনলেন সন্দেশ।

সকালেই খবর দিয়েছিলাম, শেষ বিকেলে আমরা দুজন আসব। ঘরে ঢুকেই দুজন দুজনের দিকে অপলক তাকিয়ে থাকলেন কিছুক্ষণ। `কীরে, কেমন আছিস` বলে কথা শুরু। দীর্ঘ ৪৫ বছর পর দেখা হলো দুজনার। তৈরি হলো এক আবেগঘন পরিবেশ। দুজন দুজনের মুখে সন্দেশ তুলে দিলেন। তারপর ঘণ্টাখানেক আড্ডা, কফি পান, স্মৃতিচারণ। ফেলে আসা দিনগুলোর কথা- তাঁদের বন্ধুদের আর কে কে বেঁচে আছেন, কোথায় আছেন। আমি একটা অসম্ভব সুন্দর সন্ধ্যার সাক্ষী হয়ে থাকলাম।

জানি না, তাঁদের দুজনের আবার দেখা হবে কি না। দুজনেই আশি পেরিয়েছেন। ভগ্ন স্বাস্থ্য। ছলছল চোখে পরস্পরের কাছ থেকে বিদায় নিলেন তাঁরা।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)



মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

লুঙ্গির নিচে বেশির ভাগই পুরুষই আন্ডারওয়্যার পরে না: তসলিমা নাসরিন

প্রকাশ: ০৪:১৬ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ তো বটে, উপমহাদেশের প্রায় প্রত্যেকে পুরুষের কাছে প্রিয় পোশাকের তালিকায় আছে লুঙ্গি। দিনমজুর থেকে শুরু করে অফিসের বড় বাবুও যখন ঘরে ফেরেন, সবার আগে কাছে টেনে নেন লুঙ্গিকে। ঘরে হোক বা বাইরে, আরামদায়ক বিধায় নিম্নাঙ্গের এই পোশাক যেন নিত্য সঙ্গী পুরুষদের। তবে পুরুষদের সেই প্রিয় পোশাককে নিয়ে এবার কটাক্ষ করলেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। লুঙ্গিকে ‘অশ্লীল পোশাক’ বলে মনে করেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লুঙ্গি নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন তসলিমা। লুঙ্গির নিচে পুরুষেরা আন্ডারওয়্যার পরে না জানিয়ে এই পোশাককে নিয়ে বিদ্রূপ করতে ছাড়েননি তিনি।

নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পোস্টে তসলিমা লেখেন, ‘পুরুষের লুঙ্গিটাকে আমার খুব অশ্লীল পোশাক বলে মনে হয়। ভারতীয় উপমহাদেশে যে পুরুষেরা লুঙ্গি পরে, তাদের বেশির ভাগই কোনো আন্ডারওয়্যার পরে না, লুঙ্গিটাকে অহেতুক খোলে আবার গিঁট দিয়ে বাঁধে। কখনো আবার গিঁট ছুটে গিয়ে হাঁটুর কাছে বা গোড়ালির কাছে চলে যায় লুঙ্গি।’

লুঙ্গিতে অভ্যস্ত পুরুষদের নিয়ে পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘তাছাড়া লুঙ্গি পরার পরই শুরু হয় তাদের অঙ্গ চুলকানো। ডানে বামে পেছনে সামনে এত কেন চুলকোয় কে জানে। সামনে মানুষ থাকলেও তারা অঙ্গ অণ্ড কিছুই চুলকোনো বন্ধ করে না, না চুলকোলেও ওগুলো ধরে রাখার, বা ক্ষণে ক্ষণে ওগুলো আছে কি না পরখ করে দেখার অভ্যাস কিছুতেই ত্যাগ করতে পারে না। পরখ করার ফ্রিকোয়েন্সি অবশ্য মেয়েদের দেখলে বেশ বেড়ে যায়।’

তসলিমার এই পোস্টকে ঘিরে বেশ বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টটির কমেন্টবক্সে এসে অনেকে লুঙ্গি পরার কারণ জানিয়েছেন। অনেকে আবার করেছেন কৌতুকপূর্ণ মন্তব্য। তবে বেশ কয়েকজন তসলিমার সঙ্গে একমত হয়েছেন।

তাদের একজন মাহমুদা শেলি। তসলিমার পোস্টের কমেন্টবক্সে তিনি লেখেন, ‘একদম সত্য কথা গুরু। বদমাইশগুলি ইচ্ছা করেই এসব করে।’ তন্দ্রা ভট্টাচার্য নামে আরেকজনের মন্তব্য, ‘আমার খুব বাজে লাগে।’

তবে একই পোস্টের নিচে লেখক স্বকৃত নোমান জানান, ‘লুঙ্গি না পরলে তো রাতে আমার ঘুমই হয় না, আপা। লুঙ্গির জয় হোক।’ মোহাম্মদ জব্বার নামে আরেকজন কৌতুকচ্ছলে লিখেছেন, ‘অশ্লীল এবং অভদ্র পোশাক! আইন করে বন্ধ করা উচিত!’

কবি চাণক্য বাড়ৈ’র মন্তব্য, ‘হাঁটুর কাছে চলে যাওয়া বা চুলকানো ইত্যাদি আচরণগত ব্যাপার। কিন্তু পোশাক হিসেবে লুঙ্গির মতো আর কিছু হয় না। বিশেষ করে গরমের দিনে। আহা! স্বর্গে লুঙ্গি পরার ব্যবস্থা না থাকলে আমি অন্তত যাব না।’

ইতোমধ্যে তসলিমার পোস্টটিতে রিয়্যাক্ট পড়েছে প্রায় ১৪ হাজার। ৬৬ কমেন্টের পাশাপাশি শেয়ার হয়েছে ৪৮৮। 

তসলিমা নাসরিন  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

দেশবিরোধী আর সরকারবিরোধী…

প্রকাশ: ০৮:২৮ এএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ইদানিং দেশের এক শ্রেণির মানুষ খুব উৎফুল্ল। গর্ব করে কিছু খবর ও গল্প মানুষের মধ্যে প্রচার করছে। খবরগুলো যদি আসলেই সত্যি হয়, তাহলে তাদের আতঙ্কিত হবার কথা। যদি দেশের প্রতি তাদের ন্যূনতম ভালোবাসা থাকে। তারা গর্ব করে প্রচার করছেন, আজ অমুক প্রতিষ্ঠান কালো তালিকাভুক্ত কাল অমুক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঘোষণা আসছে ইত্যাদি ইত্যাদি … 

যার বিরুদ্ধে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছেন এর সবই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। যারা দেশ চালায়। এই অপপ্রচারকারীরা বুঝতেছে না তারা যদি কোনওদিন ক্ষমতায় আসে তাহলে এই প্রতিষ্ঠানগুলো দিয়েই দেশ চালাতে হবে। মঙ্গলগ্রহ থেকে কোনও প্রতিষ্ঠান তারা ধার করে আনতে পারবেন না। সুতরাং দেশের ইমেজ নষ্ট করা তাদের উচিত না। এই গোষ্ঠী কারা সেটা কি চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিতে হবে? 

বর্তমান সরকারের মেয়াদে এই অপপ্রচারের “আনুষ্ঠানিক” যাত্রা শুরু হয় ২০১৩ সালের ৩০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন টাইমস পত্রিকাতে একটি নিবন্ধ প্রকাশের মধ্য দিয়ে। এর আগে গোপনে তারা লবিস্ট নিযুক্ত করে করেছেন। নিবন্ধটি লিখেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। যে নিবন্ধে তিনি লিখেছিলেন , যুক্তরাষ্ট্রের উচিত পোশাকখাতে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বাতিল করা, বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা, বিশ্বব্যাংক পদ্মা ব্রিজের অর্থায়ন বাতিল করে সঠিক কাজ করেছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে সরকার অন্যায় করেছে ইত্যাদি…চিন্তা করেন দেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী এই কথা লিখেছেন দেশের বিরুদ্ধে। তখনই উচিত ছিল ওনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দেওয়া। 
আর সম্প্রতি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই স্বীকার করেছেন ২০১৫ সাল থেকে তারা দেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইউরোপের লবিস্ট নিয়োগ করেছেন। এই কথা বলে দেশেই বহাল তবিয়তে আছেন। একটা বিষয় বুঝতে পারছি না, তারা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র কেন করছেন। এই দেশটার প্রতি তাদের ক্ষোভ আছে এটা আমরা জানি সেই ১৯৭১ সাল থেকে। তাদের এই ক্ষোভ শেষ হতে আর কত বছর লাগবে জানি না। আওয়ামী লীগ কিংবা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করলে বুঝতাম এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা। 

নাকি কোনটা দেশবিরোধী আর কোনটা সরকারবিরোধী এই পার্থক্যই তারা বুঝেন না?

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

দেশবিরোধী   সরকারবিরোধী   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

সরকারের বদনাম করায় যাত্রীর হাত-পা কেটে ফেলার হুমকি ছাত্রলীগ নেত্রীর, ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশ: ০২:২০ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সরকারের বদনাম করায় বাসের যাত্রীর হাত-পা কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছেন ফাতেমাতুজ জোহরা রিপা নামে এক ছাত্রলীগ নেত্রী। তিনি বাসের এক যাত্রীর বিরুদ্ধে সরকারের বদনাম করার অভিযোগ আনেন। এরপর চিৎকার-চেঁচামেচি করে তার হাত-পা কেটে ফেলার ও ভেঙে ফেলার হুমকি দেন। রিপা বাসে সমালোচনা করার যাত্রীদের বিএনপি জামায়াতের লোক বলেও আখ্যা দেন। ভিডিওটি এরইমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

সরকারের বদনাম করার অভিযোগ এনে প্রথমে রিপা বাসের এক যাত্রীকে তার ‘বাড়ি কই’ জিজ্ঞেস করেন। এসময় যাত্রীরা রিপার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি চিৎকার করে বলেন, ‘আমি কে, এটা বলতে হবে কেন?’

রিপা বলেন, ‘কত বড় সাহস হলে সরকারের বদনাম করে। সবগুলাকে একেবারে গ্রেফতার করাবো।’ তিনি যাত্রীদের ‘তুই’ সম্বোধন করে বলেন, ‘কত বড় সাহস বাসে বসে বসে সরকারের বদনাম করে!’

এসময় প্রতিবাদ করায় এক যাত্রীকে তিনি চিৎকার করে বলেন, ‘তুই চুপ, তোরে একেবারে শেষ করে ফেলবো। সরকারের বদনাম কেন? সরকারের বদনাম করার সাহস হয় কী করে?’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম   ছাত্রলীগ  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

কোথায় আমার ইউএসএ’র সন্তান?

প্রকাশ: ০৯:৫০ এএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিষয়টা হালকাভাবেই নিয়েছিলাম। গতকাল রাতে আমার কাছে একজন একটি আইডি লিংকের পোস্ট শেয়ার করেন। যে লোকের আইডি লিংক পেলাম সেখানে দেখলাম ভদ্রলোকের সকল পোস্টই জিঘাংসামূলক! যাই হোক তার পোস্ট আমার মোটেও কনসার্ন নাহ! আমার কনসার্ন হলো তিনি আমাকে নিয়ে একটি পোস্ট করেছেন যেখানে তিনি বলেছেন আমি অগাধ টাকা, পয়সাসহ আমার স্ত্রীকে গর্ভাবস্থায় ইউএসএ পাঠিয়েছি এবং সেখানে আমার ছেলে জন্মসূত্রে ইউএসএ'র সিটিজেনশিপ পেয়েছে। 

সেখানে এটাও বলা হয়েছে যে, আমার স্ত্রী সেখানে গচ্ছিত আমাদের অঢেল টাকার কোনো সোর্স দেখাতে পারেননি বলে আমার সেই টাকা, পয়সা সেখানে জব্দ করা হয়েছে! এবং আমার স্ত্রী, সন্তানকে ইউএসএ থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে! 

ভদ্রলোক এটাও বলেছেন আমি ডিবিতে ও সিটিটিসিতে দায়িত্ব পালনকালীন অঢেল অর্থের মালিক হয়েছি এবং আমি আমার শ্বশুর ও চাচা শ্বশুরের টাকা নিয়ে বিদেশে গচ্ছিত রেখেছি! একইসাথে অনেক খুনও করেছি!
যদিও একটি বিষয়ের বিপরীতেও তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি এবং তার মত মস্তিষ্ক বিবর্জিতগণ সেই পোস্ট শেয়ারও করে যাচ্ছেন সমানতালে! 

এবার আসেন আপনাকে উন্মুক্ত কিছু প্রশ্ন করি

আমার প্রশ্নসমূহঃ 

১) আমার যে ছেলে ইউএসএ তে জন্ম নিলো তার নাম কি? কবে, কোন হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেছে আমার সেই অজানা সন্তান? প্রমাণ থাকলে দেখান!

(উত্তরঃ আমার ছেলে করোনার প্রথম ওয়েভে পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসক কাশফিয়া নাজনিনের তত্ত্বাবধানে জন্মগ্রহণ করেছে, অসুস্থ মানসিকতার ব্যক্তির সুবিধার্থে উত্তর জানিয়ে দিলাম এবং আমাকে বিয়ে করার পর আমার স্ত্রী একবারও ইউএসএ তে যাননি) 

২) আমার অঢেল যে অর্থ জমা করা হয়েছে ইউএসএ তে!  সেটা কোথায় জমা করা হয়েছে? ইউএসএ এর কোন স্টেটে আমার এতকিছু, আমাকে বলেন আমি সত্যি সেখানে যেতে চাই

(উত্তরঃ আমি জীবনেও ইউএসএ তে যাইনি এবং সেখানে সেটেলড হওয়ার বিন্দু পরিমাণ ইচ্ছে পোষণ করি না, তা চাইলে আমার মা যখন অস্ট্রেলিয়ায় থাকতেন আমি সেখানেই সেটেলড হতে পারতাম যেটা আমি করিনি! কারণ আমার দেশের বাইরে থাকার অভিসন্ধি কখনোই ছিল না) 

৩) আমার স্ত্রী ও সন্তান ইউএসএ থেকে কবে দেশে ফিরে আসলেন? আমার স্ত্রী ইউএসএ গিয়েছে আমার সাথে বিয়ে হওয়ার ৩ বছর পূর্বে! বিয়ে হওয়ার আগেই তাহলে আমার ইউএসএ তে সন্তান কোন আকাশ থেকে পড়লো হে ছল-চাতুরির আশ্রয় নেয়া শ্রেণিগোষ্ঠী?

(আমার দুই সন্তান একজন এভারকেয়ার তৎকালীন এ্যাপোলো হাসপাতালে এবং আরেকজন স্কয়ার হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেছে আলহামদুলিল্লাহ! ইউএসএ'র সন্তানের ছবি প্রকাশ করা হোক) 

৪) কোন স্টেটে আমার এতকিছু তা দলিল ও প্রমাণ সহকারে প্রকাশ করুন যদি নিজের পরিচয় সত্যিই জানা থাকে! আর যদি না পারেন তাহলে ক্ষমা প্রার্থনা করুন! নাহলে যারা এই সর্বৈব মিথ্যা পোস্ট শেয়ার ও পোস্ট করেছেন, প্রত্যেকের ডিটেইলস আমি রেখেছি এবং প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার জন্য যা যা করা লাগে তা আমি করবো। 

শেষ কথা বলি, পুলিশ বিভাগে চাকরিতে ঢুকবার আগে বা পরে কারো কাছ থেকে ৪ আনা পয়সা নিয়েছি, এটা কেউ প্রমাণ করতে পারলে তাৎক্ষণিক চাকরি ছেড়ে দেবো।

আমার সততার সাথে খেলতে এসেন না! আমি হঠাৎ করে উড়ে এসে জুড়ে বসা কোনো পরিবারের সন্তান নই! আমার দাদা ও নানার উভয় দিক থেকেই বিত্তশালী পরিবারে আমার জন্ম। স্বচ্ছলতা দেখেই বড় হয়েছি। মহান রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে কখনো নেইনি শুধু দেয়ার চেষ্টা করেছি। 

মাথায় রাখেন, ইফতেখারকে শতকে, সহস্রে, লাখে তথা কোটিতে কেনা যায় না। ইফতেখারকে শুধু ভালবাসা দিয়ে কেনা যায়। চাকরি করতে চাই ইনশাআল্লাহ! আর এখুনি বলে দেই আমার চাকরি যতদিন চলবে ততদিন আমি এমনই থাকবো ইনশাআল্লাহ! এসব সস্তা খেলা খেলার জন্য আপনাদের মত গন্ধযুক্ত, দুর্নীতিপরায়ণ কাউকে বেছে নিন, আমাকে নয়!

আমার সহজ ও সরল আচরণকে দুর্বলতা ভেবে এই নোংরামি যারা করছেন তাদেরকে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, প্রমাণসহ এসে কথা বলুন। নচেৎ যে গন্ধযুক্ত গর্ত থেকে উদয় হয়েছেন সেখানে ফিরে যান।

(পোস্টটি শেয়ার করে গন্ধযুক্ত, অনৈতিক ব্যক্তিদের দেখার সুযোগ করে দিন)


(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক : এডিসি, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত, ডিএমপি।

ইফতেখারুল ইসলাম   পুলিশ   ইউএসই   অস্ট্রেলিয়া  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

‘একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী’

প্রকাশ: ০১:০৩ পিএম, ২০ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঘুরে ফিরে সেই প্রশ্নটাতেই ফিরে আসতে হচ্ছে – ‘একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী’। আমরা জানি কী হওয়া উচিত। উত্তরটা নর্মেটিভ। ২০১৯ সালে বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী আমাদের সবাইকে এই প্রশ্নটা করেছিলেন। এই প্রশ্নের উত্তর কোন বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে দেয় তাতো আমরা জানি; উপাচার্যদের কথাবার্তায় বোঝা যায়, প্রশাসনের কর্মকাণ্ডে বোঝা যায়, এক শ্রেণির শিক্ষকের আচরণে বোঝা যায়। প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাঁরা কী ভাবেন, যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেন তাঁরা কী ভাবেন। সমাজে এই আলোচনার পরিস্থিতি আছে কীনা, বিরাজমান শাসনব্যবস্থা আপনাকে এই প্রশ্ন তুলতে দিচ্ছে কিনা সেটা ভাবুন।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন