সোশ্যাল থট

‘তখন জয়া আহসানের কথা শুনলে তাঁকে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না’

প্রকাশ: ০৯:০৮ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

হইচই-এ লগ ইন করার ইউজার নেম পাসোয়ার্ড সবে দিন তিনেক হলো পেয়েছি। মন্দার-এর একটি এপিসোড দেখার পর দেখলাম সৃজিতের ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’। এর প্রতিটি এপিসোডই দেখেছি। যে দেশে ক্রাইম সবচেয়ে কম সেই সুইডেনে ক্রাইম ফিকশন খুব জনপ্রিয়, যে সাদামাটা বাংলায় রহস্য বলতে বেশি কিছু নেই, সবই দিনের আলোর মতো পরিস্কার, সেই বাংলায় রহস্য উপন্যাস খুব জনপ্রিয়। ছোটবেলায় রাত জেগে কত শত রহস্য উপন্যাস যে পড়েছি! 

এই সিরিজের যে ব্যাপারটা আমার খুব ভালো লেগেছে তা হলো যেহেতু দুই বাংলার অভিনেতা অভিনেত্রী অভিনয় করছেন, তাই ঘটনা ঘটিয়েছেন বর্ডারের কাছের শহরে। কেউ মুসলমান, কেউ হিন্দু। গল্পে বাংলাদেশ থেকে যে এসেছে, সে বাংলাদেশের অ্যাকসেন্টে বা উচ্চারণে বাংলা বলছে, আর যে পশ্চিমবাংলায় বড় হয়েছে, সে পশ্চিমবাংলা মূলত কলকাতার উচ্চারণে বাংলা বলছে। ব্যতিক্রম বাংলাদেশ থেকে আসা আতর আলীর চরিত্রে অভিনয় করা পশ্চিমবঙ্গের অনির্বাণ ভট্টাচার্য। তিনি এমনই রপ্ত করেছেন বাঙাল উচ্চারণ- যে তাঁকে প্রায় নিখুঁতই বলা যায়। বিরল প্রতিভা বটে। মুসকান জুবেরির চরিত্রে বাঁধন যতই চেষ্টা করুন পশ্চিমবঙ্গের উচ্চারণে বাংলা বলতে, তাঁর বাঙাল উচ্চারণ বেরিয়ে এসেছে। সেই উচ্চারণ মানিয়ে যায়, কারণ গল্পে তাঁর জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশে।

আমাকে অনেক বছর আগে কলকাতার এক চিত্রপরিচালক অনুরোধ করেছিলেন তাঁর ছবিতে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করতে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, চরিত্রটির কোথায় জন্ম, কোথায় বড় হওয়া। চিত্রপরিচালক বলেছিলেন, কলকাতায়। তখন আমি বলে দিয়েছি, আমি অভিনয় করবো না। কারণ আমার উচ্চারণ কলকাতার উচ্চারণের মতো নয়। দীর্ঘদিন কলকাতার মানুষের  সঙ্গে কথা বলে কলকাতার উচ্চারণ সামান্য রপ্ত করেছি বটে, তবে অভিনয় করতে হলে সামান্য হলে চলে না, সবটা হওয়া চাই। আমি ভানু বন্দোপাধ্যায় নই। তিনি দু’টো অঞ্চলের উচ্চারণই সমান দক্ষতার সঙ্গে বলতে পারতেন। দীর্ঘদিন নয়, দীর্ঘযুগ কলকাতায় বাস করার ফল সেটি।

কলকাতার লোকেরা আর ঢাকা ময়মনসিংহের লোকেরা বাংলা বলার সময় মুখের যে পেশি ব্যবহার করে তা ভিন্ন। ফ্রান্সের লোকেরা ফরাসি বলার সময় মুখের যে পেশি ব্যবহার করে, সে পেশি ফরাসি বলার সময় কানাডার ফরাসি-ভাষী নাগরিকেরা বা সুইজারল্যান্ডের বা বেলজিয়ামের ফরাসি-ভাষী নাগরিকেরা ব্যবহার করে না। তাই তাদের ফরাসি শুনতে ফ্রান্সের ফরাসি থেকে আলাদা। জয়া আহসান যখন কলকাতার মেয়ে চরিত্রে অভিনয় করেন, তখন তাঁর কথা শুনলে তাঁকে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। কারণ যতই চেষ্টা তিনি করুন, তিনি যে কলকাতার মেয়ে নন, তা তার উচ্চারণে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)


জয়া-আহসান   তসলিমা-নাসরিন  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

দেশবিরোধী আর সরকারবিরোধী…

প্রকাশ: ০৮:২৮ এএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ইদানিং দেশের এক শ্রেণির মানুষ খুব উৎফুল্ল। গর্ব করে কিছু খবর ও গল্প মানুষের মধ্যে প্রচার করছে। খবরগুলো যদি আসলেই সত্যি হয়, তাহলে তাদের আতঙ্কিত হবার কথা। যদি দেশের প্রতি তাদের ন্যূনতম ভালোবাসা থাকে। তারা গর্ব করে প্রচার করছেন, আজ অমুক প্রতিষ্ঠান কালো তালিকাভুক্ত কাল অমুক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঘোষণা আসছে ইত্যাদি ইত্যাদি … 

যার বিরুদ্ধে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছেন এর সবই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। যারা দেশ চালায়। এই অপপ্রচারকারীরা বুঝতেছে না তারা যদি কোনওদিন ক্ষমতায় আসে তাহলে এই প্রতিষ্ঠানগুলো দিয়েই দেশ চালাতে হবে। মঙ্গলগ্রহ থেকে কোনও প্রতিষ্ঠান তারা ধার করে আনতে পারবেন না। সুতরাং দেশের ইমেজ নষ্ট করা তাদের উচিত না। এই গোষ্ঠী কারা সেটা কি চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিতে হবে? 

বর্তমান সরকারের মেয়াদে এই অপপ্রচারের “আনুষ্ঠানিক” যাত্রা শুরু হয় ২০১৩ সালের ৩০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন টাইমস পত্রিকাতে একটি নিবন্ধ প্রকাশের মধ্য দিয়ে। এর আগে গোপনে তারা লবিস্ট নিযুক্ত করে করেছেন। নিবন্ধটি লিখেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। যে নিবন্ধে তিনি লিখেছিলেন , যুক্তরাষ্ট্রের উচিত পোশাকখাতে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বাতিল করা, বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা, বিশ্বব্যাংক পদ্মা ব্রিজের অর্থায়ন বাতিল করে সঠিক কাজ করেছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে সরকার অন্যায় করেছে ইত্যাদি…চিন্তা করেন দেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী এই কথা লিখেছেন দেশের বিরুদ্ধে। তখনই উচিত ছিল ওনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দেওয়া। 
আর সম্প্রতি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই স্বীকার করেছেন ২০১৫ সাল থেকে তারা দেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইউরোপের লবিস্ট নিয়োগ করেছেন। এই কথা বলে দেশেই বহাল তবিয়তে আছেন। একটা বিষয় বুঝতে পারছি না, তারা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র কেন করছেন। এই দেশটার প্রতি তাদের ক্ষোভ আছে এটা আমরা জানি সেই ১৯৭১ সাল থেকে। তাদের এই ক্ষোভ শেষ হতে আর কত বছর লাগবে জানি না। আওয়ামী লীগ কিংবা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করলে বুঝতাম এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা। 

নাকি কোনটা দেশবিরোধী আর কোনটা সরকারবিরোধী এই পার্থক্যই তারা বুঝেন না?

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

দেশবিরোধী   সরকারবিরোধী   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

সরকারের বদনাম করায় যাত্রীর হাত-পা কেটে ফেলার হুমকি ছাত্রলীগ নেত্রীর, ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশ: ০২:২০ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সরকারের বদনাম করায় বাসের যাত্রীর হাত-পা কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছেন ফাতেমাতুজ জোহরা রিপা নামে এক ছাত্রলীগ নেত্রী। তিনি বাসের এক যাত্রীর বিরুদ্ধে সরকারের বদনাম করার অভিযোগ আনেন। এরপর চিৎকার-চেঁচামেচি করে তার হাত-পা কেটে ফেলার ও ভেঙে ফেলার হুমকি দেন। রিপা বাসে সমালোচনা করার যাত্রীদের বিএনপি জামায়াতের লোক বলেও আখ্যা দেন। ভিডিওটি এরইমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

সরকারের বদনাম করার অভিযোগ এনে প্রথমে রিপা বাসের এক যাত্রীকে তার ‘বাড়ি কই’ জিজ্ঞেস করেন। এসময় যাত্রীরা রিপার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি চিৎকার করে বলেন, ‘আমি কে, এটা বলতে হবে কেন?’

রিপা বলেন, ‘কত বড় সাহস হলে সরকারের বদনাম করে। সবগুলাকে একেবারে গ্রেফতার করাবো।’ তিনি যাত্রীদের ‘তুই’ সম্বোধন করে বলেন, ‘কত বড় সাহস বাসে বসে বসে সরকারের বদনাম করে!’

এসময় প্রতিবাদ করায় এক যাত্রীকে তিনি চিৎকার করে বলেন, ‘তুই চুপ, তোরে একেবারে শেষ করে ফেলবো। সরকারের বদনাম কেন? সরকারের বদনাম করার সাহস হয় কী করে?’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম   ছাত্রলীগ  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

কোথায় আমার ইউএসএ’র সন্তান?

প্রকাশ: ০৯:৫০ এএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিষয়টা হালকাভাবেই নিয়েছিলাম। গতকাল রাতে আমার কাছে একজন একটি আইডি লিংকের পোস্ট শেয়ার করেন। যে লোকের আইডি লিংক পেলাম সেখানে দেখলাম ভদ্রলোকের সকল পোস্টই জিঘাংসামূলক! যাই হোক তার পোস্ট আমার মোটেও কনসার্ন নাহ! আমার কনসার্ন হলো তিনি আমাকে নিয়ে একটি পোস্ট করেছেন যেখানে তিনি বলেছেন আমি অগাধ টাকা, পয়সাসহ আমার স্ত্রীকে গর্ভাবস্থায় ইউএসএ পাঠিয়েছি এবং সেখানে আমার ছেলে জন্মসূত্রে ইউএসএ'র সিটিজেনশিপ পেয়েছে। 

সেখানে এটাও বলা হয়েছে যে, আমার স্ত্রী সেখানে গচ্ছিত আমাদের অঢেল টাকার কোনো সোর্স দেখাতে পারেননি বলে আমার সেই টাকা, পয়সা সেখানে জব্দ করা হয়েছে! এবং আমার স্ত্রী, সন্তানকে ইউএসএ থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে! 

ভদ্রলোক এটাও বলেছেন আমি ডিবিতে ও সিটিটিসিতে দায়িত্ব পালনকালীন অঢেল অর্থের মালিক হয়েছি এবং আমি আমার শ্বশুর ও চাচা শ্বশুরের টাকা নিয়ে বিদেশে গচ্ছিত রেখেছি! একইসাথে অনেক খুনও করেছি!
যদিও একটি বিষয়ের বিপরীতেও তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি এবং তার মত মস্তিষ্ক বিবর্জিতগণ সেই পোস্ট শেয়ারও করে যাচ্ছেন সমানতালে! 

এবার আসেন আপনাকে উন্মুক্ত কিছু প্রশ্ন করি

আমার প্রশ্নসমূহঃ 

১) আমার যে ছেলে ইউএসএ তে জন্ম নিলো তার নাম কি? কবে, কোন হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেছে আমার সেই অজানা সন্তান? প্রমাণ থাকলে দেখান!

(উত্তরঃ আমার ছেলে করোনার প্রথম ওয়েভে পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসক কাশফিয়া নাজনিনের তত্ত্বাবধানে জন্মগ্রহণ করেছে, অসুস্থ মানসিকতার ব্যক্তির সুবিধার্থে উত্তর জানিয়ে দিলাম এবং আমাকে বিয়ে করার পর আমার স্ত্রী একবারও ইউএসএ তে যাননি) 

২) আমার অঢেল যে অর্থ জমা করা হয়েছে ইউএসএ তে!  সেটা কোথায় জমা করা হয়েছে? ইউএসএ এর কোন স্টেটে আমার এতকিছু, আমাকে বলেন আমি সত্যি সেখানে যেতে চাই

(উত্তরঃ আমি জীবনেও ইউএসএ তে যাইনি এবং সেখানে সেটেলড হওয়ার বিন্দু পরিমাণ ইচ্ছে পোষণ করি না, তা চাইলে আমার মা যখন অস্ট্রেলিয়ায় থাকতেন আমি সেখানেই সেটেলড হতে পারতাম যেটা আমি করিনি! কারণ আমার দেশের বাইরে থাকার অভিসন্ধি কখনোই ছিল না) 

৩) আমার স্ত্রী ও সন্তান ইউএসএ থেকে কবে দেশে ফিরে আসলেন? আমার স্ত্রী ইউএসএ গিয়েছে আমার সাথে বিয়ে হওয়ার ৩ বছর পূর্বে! বিয়ে হওয়ার আগেই তাহলে আমার ইউএসএ তে সন্তান কোন আকাশ থেকে পড়লো হে ছল-চাতুরির আশ্রয় নেয়া শ্রেণিগোষ্ঠী?

(আমার দুই সন্তান একজন এভারকেয়ার তৎকালীন এ্যাপোলো হাসপাতালে এবং আরেকজন স্কয়ার হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেছে আলহামদুলিল্লাহ! ইউএসএ'র সন্তানের ছবি প্রকাশ করা হোক) 

৪) কোন স্টেটে আমার এতকিছু তা দলিল ও প্রমাণ সহকারে প্রকাশ করুন যদি নিজের পরিচয় সত্যিই জানা থাকে! আর যদি না পারেন তাহলে ক্ষমা প্রার্থনা করুন! নাহলে যারা এই সর্বৈব মিথ্যা পোস্ট শেয়ার ও পোস্ট করেছেন, প্রত্যেকের ডিটেইলস আমি রেখেছি এবং প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার জন্য যা যা করা লাগে তা আমি করবো। 

শেষ কথা বলি, পুলিশ বিভাগে চাকরিতে ঢুকবার আগে বা পরে কারো কাছ থেকে ৪ আনা পয়সা নিয়েছি, এটা কেউ প্রমাণ করতে পারলে তাৎক্ষণিক চাকরি ছেড়ে দেবো।

আমার সততার সাথে খেলতে এসেন না! আমি হঠাৎ করে উড়ে এসে জুড়ে বসা কোনো পরিবারের সন্তান নই! আমার দাদা ও নানার উভয় দিক থেকেই বিত্তশালী পরিবারে আমার জন্ম। স্বচ্ছলতা দেখেই বড় হয়েছি। মহান রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে কখনো নেইনি শুধু দেয়ার চেষ্টা করেছি। 

মাথায় রাখেন, ইফতেখারকে শতকে, সহস্রে, লাখে তথা কোটিতে কেনা যায় না। ইফতেখারকে শুধু ভালবাসা দিয়ে কেনা যায়। চাকরি করতে চাই ইনশাআল্লাহ! আর এখুনি বলে দেই আমার চাকরি যতদিন চলবে ততদিন আমি এমনই থাকবো ইনশাআল্লাহ! এসব সস্তা খেলা খেলার জন্য আপনাদের মত গন্ধযুক্ত, দুর্নীতিপরায়ণ কাউকে বেছে নিন, আমাকে নয়!

আমার সহজ ও সরল আচরণকে দুর্বলতা ভেবে এই নোংরামি যারা করছেন তাদেরকে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, প্রমাণসহ এসে কথা বলুন। নচেৎ যে গন্ধযুক্ত গর্ত থেকে উদয় হয়েছেন সেখানে ফিরে যান।

(পোস্টটি শেয়ার করে গন্ধযুক্ত, অনৈতিক ব্যক্তিদের দেখার সুযোগ করে দিন)


(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক : এডিসি, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত, ডিএমপি।

ইফতেখারুল ইসলাম   পুলিশ   ইউএসই   অস্ট্রেলিয়া  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

‘একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী’

প্রকাশ: ০১:০৩ পিএম, ২০ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঘুরে ফিরে সেই প্রশ্নটাতেই ফিরে আসতে হচ্ছে – ‘একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী’। আমরা জানি কী হওয়া উচিত। উত্তরটা নর্মেটিভ। ২০১৯ সালে বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী আমাদের সবাইকে এই প্রশ্নটা করেছিলেন। এই প্রশ্নের উত্তর কোন বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে দেয় তাতো আমরা জানি; উপাচার্যদের কথাবার্তায় বোঝা যায়, প্রশাসনের কর্মকাণ্ডে বোঝা যায়, এক শ্রেণির শিক্ষকের আচরণে বোঝা যায়। প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাঁরা কী ভাবেন, যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেন তাঁরা কী ভাবেন। সমাজে এই আলোচনার পরিস্থিতি আছে কীনা, বিরাজমান শাসনব্যবস্থা আপনাকে এই প্রশ্ন তুলতে দিচ্ছে কিনা সেটা ভাবুন।


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

অবশেষে তসলিমা নাসরিনের ফেসবুক থেকে দূর হয়েছে ‘রিমেম্বারিং’

প্রকাশ: ০৯:১৩ এএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

তসলিমা নাসরিনের ফেসবুক আইডিতে আর "রিমেম্বারিং" শব্দটি দেখাচ্ছে না। এরপরই নতুন একটি পোস্ট দিয়েছেন  বাংলাদেশি এই লেখিকা। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'পুনরুত্থান'। 

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে নির্বাসিত এই লেখিকার ভেরিফায়েড আইডিতে ঢুকে দেখা যায়, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত হিসেবে দেখাচ্ছে। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া লেখক তসলিমা নাসরিনের এক পোস্টের ভুল ব্যাখ্যা করে ফেসবুক তাকে 'মৃত' বলে মনে করে। আর তাই তার ফেসবুক প্রোফাইলে নামের আগে 'রিমেম্বারিং' দেখায়। পাশাপাশি ফেসবুকের তরফ থেকে লেখা হয়, 'আমরা আশা করি যারা তসলিমাকে ভালোবাসেন, যারা তসলিমাকে স্মরণ করতে চান তারা তার প্রোফাইলে গিয়ে সান্ত্বনা পাবেন।' মূলত তসলিমা নাসরিন কীভাবে তার মৃত্যুকে পর্যবেক্ষণ করতে চান, সে বিষয়ে একটি পোস্ট প্রকাশের পর এদিন তার অ্যাকাউন্টে এই পরিবর্তন দেখা যায়। 

টাইমলাইনে সেই পোস্টে তসলিমা লিখেছিলেন, 'আমি চাই আমার মৃত্যুর খবর প্রচার হোক চারদিকে। প্রচার হোক যে আমি আমার মরণোত্তর দেহ দান করেছি হাসপাতালে, বিজ্ঞান গবেষণার কাজে। কিছু অঙ্গ প্রতিস্থাপনে কারও জীবন বাঁচুক। কারও চোখ আলো পাক। প্রচার হোক, কিছু  মানুষও যেন  প্রেরণা পায় মরণোত্তর দেহ দানে। অনেকে কবর হোক চান, পুড়ে যাক চান, কেউ কেউ চান তাঁদের শরীর পোড়া ছাই প্রিয় কোনও জায়গায় যেন ছড়িয়ে দেওয়া হয়। কেউ কেউ আশা করেন তাঁদের দেহ মমি করে রাখা হোক। কেউ আবার বরফে ডুবিয়ে রাখতে চান, যদি ভবিষ্যতে প্রাণ দেওয়ার পদ্ধতি আবিষ্কার হয়! অসুখ বিসুখে আমি আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের ওপর নির্ভর করি এবং জীবনের শেষদিন পর্যন্ত  করবো। কোনও প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতে আমার বিন্দুমাত্র বিশ্বাস নেই, ঠিক যেমন বিশ্বাস নেই কোনও কুসংস্কারে। জীবনের একটি মুহূর্তেরও মূল্য অনেক। তাই কোনও মুহূর্তই  হেলায় হারাতে চাই না। মরার পর আমরা কিন্তু কোথাও যাই না। পরকাল বলে কিছু নেই। পূনর্জন্ম বলে কিছু নেই। মৃত্যুতেই জীবনের সমাপ্তি। আমার জীবন আমি সারাজীবন অর্থপূর্ণ করতে চেয়েছি। মৃত্যুটাও চাই অর্থপূর্ণ হোক।'

জীবিত থাকার পরও মৃত দেখানোয় ফেসবুকের প্রতি বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন তসলিমা নাসরিন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে একাধিক টুইট করেন তিনি। একই সঙ্গে সেখানে ফেসবুকের প্রতি নিজের আইডি ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এক টুইটে ফেসবুককে মেনশন করে তিনি লেখেন, আমি খুবই প্রাণবন্ত আছি। কিন্তু তোমরা আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট স্মরণীয় করে দিয়েছ। কী দুঃসংবাদ! এটা কীভাবে করতে পারলে তোমরা? দয়া করে আমার অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দাও।

তসলিমা নাসরিন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন