ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

৭১ রানের বড় জয় পেল কলকাতা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৮ মঙ্গলবার, ১২:৪৪ এএম
৭১ রানের বড় জয় পেল কলকাতা

জয়ে ফিরল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ঘরের মাঠে দিল্লিকে ৭১ রানের বড় ব্যবধানে হারাল দুইবারের শিরোপাজয়ী দলটি। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে গম্ভীরের দিল্লিকে ২০১ রানের টার্গেট দেয় কার্তিকের কেকেআর। জবাবে মাত্র ১৪.২ ওভারে ১২৯ রানেই থামে দিল্লির ইনিংস। আর দিল্লির এই ধসের পছনে মূল ভূমিকা সুনিল নারিনে ও কুলদিপ যাদবের। এই দুই স্পিনার তিন উইকেট করে নেন।

কঠিন লক্ষ্য সামনে রেখে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি দিল্লির। দলীয় ২৪ রানের মাথায় দলের টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারায় তারা। আজ গম্ভীরের ওপর অনেক আশা করেছিলো দিল্লির সমর্থকরা। কিন্তু মাত্র আট রামন করেই সাঝঘরে ফিরে যান তিনি। জেসন রয় ও আইয়ারও কিছু করতে পারেননি। এরপর চতুর্থ উইকেটে রিশাভ পান্ট ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল দলের হাল ধরেন। গড়েন ৬২ রানের জুটি। কিন্তু দলীয় ৮৬ রানে পান্ট ব্যাক্তিগত ৪৩ রানে আউট হয়ে যান। এর কিছুক্ষন পরেই দলীয় ৯৭ রানে  সদ্য ক্রিজে আসা তেওয়াটিয়াকে আউট করেন পান্টকে সাঝঘরে ফেরানো যাদব। মূলত এখান থেকেই দিল্লির ধস শুরু হয়।  তবে তখনও দিল্লির আশা ম্যাক্সওয়েল উইকেটে ছিলেন। কিন্তু দলীয় ১১৩ রানে এই অজিও আউট হলে সব আশা শেষ হইয়ে যায় দিল্লির। এরপর ১৬ রানের মধ্যেই শেষ তিন উইকেট হারায় দিল্লি। কেকেআরের হয়ে নারিন ১৮ রানে  ও যাদব ৩২ রানে  তিনটি করে উইকেট নেন। সেই সুবাদে মোট সাত উইকেট নিয়ে পার্পল ক্যাপ এখন নারিনের।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি কলকাতার। দলীয় সাত রানের মাথায় তারা নারিনকে হারায়। এরপর উথাপ্পাকে নিয়ে দলের বিপদ সামাল দেন ক্রিস লিন। দ্বিতীয় উইকেটে এই জুটি ৫৫ রান যোগ করে। উথাপ্পা ৩৫ রান করে আউট হলে উইকেটে আসেন রানা। কিন্তু রানার সঙ্গে লিনের জুটিটা বেশিদূর যায়নি। দলীয় ৮২ রানেই ব্যাক্তিগত ৩১ রানে লিন আউট হন। এপর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক কার্তিক কিন্তু তিনিও ১৯ রান করে দলীয় ১১৭ রানে সাঝঘরে ফিরে যান। তবে ফিরে যাওয়ার আগে আইপিএল ক্যারিয়ারে ৩০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন কার্তিক। পঞ্চম উইকেটে রাসেল নামলে শুরু হয় চার-ছক্কার খেলা। চলে রাসেল টর্নেডো। রাসেল ১২ বলে ৪১ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলে সাঝঘরে ফিরে যান। তখন দলের রান ১৭৮। এরপর স্কোর বোর্ডে ২৫ রান যোগ করে ব্যাক্তিগত ৫৯ রানে আউট হন রানা। তখন দলীয় স্কোর ১৯৩, হাতে বল আছে আরও ৯টি। কিন্তু পরে নামা কোনো ব্যাটসম্যানই এই নয়টি বলকাজে লাগাতে পারেনি। যদি পারতো তাহলে কলকাতার সংগ্রহ আরও বেশি হত। দিল্লির হয়ে টুয়েটা ৩টি এবং বোল্ট ও মরিস দুইটি করে উইকেট নেন।


বাংলা ইনসাইডার/ডিআর