ঢাকা, শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮ , ৩ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

আর্জেন্টিনার ১৮২ গোল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ মে ২০১৮ বৃহস্পতিবার, ০৭:১৮ পিএম
আর্জেন্টিনার ১৮২ গোল

আসন্ন বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে অনেক খেলোয়াড়রাই এবারে ক্লাব মৌসুমকে অনেক গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে। বিশ্বকাপে সুযোগ পেতে এই মৌসুমে ক্লাবের হয়ে পারফর্ম করার কোনো বিকল্প ছিল না। অনেকেই ক্লাবে পারফর্ম করে বিশ্বকাপ উপলক্ষে জাতীয় দলে ইতিমধ্যেই সুযোগ পেয়েছে।

কিন্তু অন্য সব দেশের খেলোয়াড়দের থেকে বিশ্বকাপকে এবার বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে আর্জেন্টিনা দল। এখন পর্যন্ত ক্লাব পর্যায়ে এই মৌসুমে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা রেকর্ড পরিমাণ ১৮২ গোল করেছে। ১৮২ গোলের মধ্যে সবার চেয়ে এগিয়ে মেসি। এরপরের অবস্থানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যান সিটির স্ট্রাইকার আগুয়েরা। হিগুয়ান, ইকার্দি, ডি মারিয়া ও দিবালাও রয়েছেন গোলদাতাদের এই লিস্টে।

মেসি এ পর্যন্ত সব লিগ মিলিয়ে ৪৭ গোল করেছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা আগুয়েরা গোল করেছেন ৩১ টি। এছাড়া ইন্টার মিলানের হয়ে খেলা ইকার্দি এবার গোল করেছেন ২৯টি। ইতালি লিগে জুভেন্টাসের হয়ে খেলেন হিগুয়াইন ও দিবালা। দুজন মিলে জুভেন্টাসের হয়ে গোল করেছেন ৫৩ গোল। হিগুয়াইন করেছেন ২৭ গোল। অন্যদিকে দিবালা অনেকদিন ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে থাকা সত্ত্বেও ২৬ গোল করেছেন। এছাড়া ফ্রেঞ্চ লিগের পিএসজির হয়ে খেলা ডি মারিয়া ২২ গোল করেছেন।

এই ছয় জনের গোল মিলিয়ে গোল সংখ্যা ১৮২ টি। অবাক করা বিষয় হলেও ক্লাব পর্যায়ে সবাই প্রতিবছর এরকম পারফর্ম করে থাকলেও এক মেসি ছাড়া কেউই জাতীয় দলে সেই ভাবে পারফর্ম করতে পারছে না।

লিগে এইরকম পারফর্ম করার পরও আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে জ্বলে উঠতে না পারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব ছাড়া আর কিছুই নয়। সামনে বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে আর্জেন্টিনা দল তাঁদের অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে। বিশ্বকাপে এবার ভালো কিছু করতে হলে অবশ্যই নিজেদের মধ্যে শুরুতেই ফিরিয়ে আনতে হবে সমন্বয়।

তবে ক্লাব পর্যায়ে এই পারফর্মেন্সর অর্ধেকও যদি প্রত্যেক খেলোয়াড় বিশ্বকাপে দেখাতে পারে তাহলে এবার হয়তো দীর্ঘকাল অধরা বিশ্বকাপটি নিজেদের করে নিতে পারবে মেসিরা। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচেই এদের কাউকে না কাউকে জ্বলে উঠতে হবে। সেই সঙ্গে প্রমাণও করতে হবে আর্জেন্টিনা শুধুমাত্র কাগজে কলমে সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যাটাকিং দল নয়।

বাংলা ইনসাইডার/এসএকে/ডিআর