ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bagan Bangla Insider

রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে নেপালের `প্রথম` জয়

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪ আগস্ট ২০১৮ শনিবার, ১০:৪৯ এএম
রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে নেপালের `প্রথম` জয়

প্রথম ওয়ানডেতে হার দিয়ে নিজেদের নতুন যুগের শুরু করেছিল নেপাল। দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও তীরে এসে ডুবতে বসেছিল নেপালের তরী। কিন্তু দারুণ শেষ ওভারে দলকে অসাধারণ এক জয় এনে দিয়েছেন পরেশ খাড়কা। আর নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসে ওয়ানডেতে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে নেপাল। দ্বিতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ১ রানে জিতছে নেপাল। একই সঙ্গে এই জয় তাঁদের এনে দিয়েছে সিরিজে সমতা। ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে সিরিজ।

এদিন টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বাজে হয় নেপালের। ফ্রেড ক্লাসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৪৭ রানে বিদায় নেয় নেপালের তিন ব্যাটসম্যান। সেখান থেকে দলকে দুইশ ছাড়ানো সংগ্রহ এনে দেন খাড়কা ও সোমপাল কামি। অধিনায়ক খাড়কা ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৬৯ বলে ৫১ রান করে আউট হন। এরপর আটে নেমে ঝড় তোলেন কামি। ৪৬ বলে ৬১ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস খেলে নেপালকে ২১৬ রানের লড়াকু সংগ্রহ এনে দেন। ৪৬ বলে ৩ ছয় ও ৫ চারে এই রান করেন কামি।

অন্যদিকে ৩৮ রানে ৩ উইকেট নেন ক্লাসেন। দুটি করে উইকেট নেন মাইকেল রিপন ও পিটার সিলার।
২১৫ রানের মামুলি রান তাড়ায় ডাচদের শুরুটাও ভালো হয়নি। মাত্র ৩০ রানের মধ্যে দুই উইকেট হারিয়ে বসে তারা। এরপর ডিজে বার্ককে নিয়ে ভেসলি বারেসি দলের বিপর্যয় সামাল দেন। কিন্তু দলীয় ১১৪ রানে বার্কের বিদায়ে ভেঙ্গে যায় ৮৪ রানের জুটি। কিন্তু তখনও উইকেটে থেকে দলকে আশা দেখাচ্ছিলেন বারেসি। কিন্তু তিনিও ব্যক্তিগত ৭১ রানে বিদায় নিলে আশা দেখতে থাকলে নেপাল। তখন ডাচদের স্কোর ৬ উইকেটে ১৪৩ রান। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো নেদারল্যান্ডসকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন টেলএন্ডাররা।

দশম উইকেটে ক্লাসেনের ও ফন মিকেরেন জুটি বাঁধার সময় ডাচদের প্রয়োজন ছিল ৩৯ বলে ৩২ রান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৩০ রানের বেশি তুলতে পারেনি এই জুটি।

জয়ের জন্য শেষ বলে ২ রান প্রয়োজন ছিল ডাচদের। কিন্তু এক রান নেওয়ার চেষ্টায় ক্লাসেন রান আউট হয়ে গেলে হার এড়াতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে নাটকীয় জয়ে মাঠ ছাড়ে নেপাল। ৪১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে নেপালের সেরা বোলার সন্দিপ লামিছানে। ১ উইকেট আর ঝড়ো ইনিংসের জন্য ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন কামি।

বাংলা ইনসাইডার/ডিআর