ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

বড় জয়, পচা শামুকে আর পা কাটলো না টাইগারদের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ মে ২০১৯ বুধবার, ১১:২৭ পিএম
বড় জয়, পচা শামুকে আর পা কাটলো না টাইগারদের

২৯৩ রানের লক্ষ্যটা বড় হলো না বাংলাদেশের জন্য। এই লক্ষ্য পাড়ি দিতে গিয়ে হোঁচট খেতে হলো না বাংলাদেশের।পচা শামুকে আর পাও কাটলো না টাইগারদের। ২৯৩ রানের এই বিশাল লক্ষ্য হেসেখেলেই পাড়ি দিয়েছে বাংলাদেশ।  স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডকে টাইগাররা হারিয়েছে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে। প্রথম তিন ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল, লিটন দাস ও সাকিব আল হাসানের ফিফটিতে বাংলাদেশ সেটি পেরিয়ে যায় ৪২ বল বাকি থাকতেই।

আগের দুই ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তায় অনায়াসে জয় এসে ধরা দিয়েছে মাশরাফিদের মুঠোয়। তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদদের দুর্দান্ত ব্যাটিংই ৬ উইকেটের বিশাল জয় উপহার দিয়েছে বাংলাদেশকে।

২৯৩ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম ইকবাল আর লিটন দাস উপহার দেন ১১৭ রানের ওপেনিং জুটি।  দুর্দান্ত শুরু বলতে যায় বোঝায়। তামিম তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৪৬তম হাফ সেঞ্চুরি। অন্যাপ্রান্তে লিটনও ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন। এমন সময় ছন্দপতন। রেনকিনের বলে বোল্ড হয়ে যান ৫৩ বলে ৯ বাউন্ডারিতে ৫৭ রান করা দেশসেরা ওপেনার। তার বিদায়ের পর দারুণ খেলছিলেন লিটন। মনে হচ্ছিল, ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটা হয়তো হয়েই যাবে। কিন্তু বিধি বাম। ম্যাককার্থির বলে টাইমিং মিস করে ক্লিন বোল্ড হয়ে শেষ হয় লিটনের ৬৭ বলে ৯ চার ১ ছক্কায় ৭৬ রানের ইনিংসটি।

লিটন দাস আউট হওয়ার পর দলের হাল ধরেন সাকিব আর মুশফিক। এই দুজনের জুটি জমে গিয়েছিল। তবে ৩৩ বলে ৩৫ রান করা মুশফিক রেনকিনের শিকার হলে ৬৪ রানেই অবসান হয় জুটির। এর মাঝেই চোটে পড়েন সাকিব। মাঠেই কিছুক্ষণ শুশ্রুষা নিয়ে ব্যাটিং শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। এর আগে তার সংগ্রহ ৫১ বলে অপরাজিত ৫০* রান। এটি তার ক্যারিয়ারের ৪২তম হাফ সেঞ্চুরি।

এছাড়া মোসাদ্দেক হোসাইন ১৭ বলে ১৪ রান করে আউট হন। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ২৯ বলে ৩৫ ও সাব্বির রহমান ৮ বলে ৬ রান করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

বল হাতে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই পাঁচ উইকেট নেওয়া আবু জায়েদ রাহী হয়েছেন ম্যাচসেরা। 

আগামী ১৭ মে ফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।


বাংলা ইনসাইডার/এমআরএইচ