ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

‘ষোল কোটির পনের’: পেসারদের সহায়তাই মিরাজের মূল কাজ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ মে ২০১৯ বৃহস্পতিবার, ০৯:০৫ এএম
‘ষোল কোটির পনের’: পেসারদের সহায়তাই মিরাজের মূল কাজ

আগামী ৩০ মে থেকে ইংল্যান্ডে শুরু হবে আইসিসি বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিশ্ব আসরকে সামনে রেখে চলছে বাংলা ইনসাইডার-এর বিশেষ আয়োজন ‘বিশ্বকাপে…বিশ্ব কাঁপে’। কাউন্ড ডাউন স্টোরিতে এবার থাকছে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের স্কোয়াডের সদস্যদের নিয়ে পর্যালোচনা ‘ষোল কোটির পনের’। আজ থাকছে বাংলাদেশ দলের তরুণ তুর্কি মেহেদী হাসান মিরাজ।

প্রতিভার সঙ্গে পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের সংমিশ্রণ ঘটলে যা হয়, তার চমৎকার উদাহরণ মেহেদী হাসান মিরাজ। অনূর্ধ্ব-১৫, ১৭ ও ১৮ ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্ব করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে দুইটি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলেছে বাংলাদেশ দল। ২০১৬ সালে ঘরের মাঠে সেমিফাইনালে খেলেছে জুনিয়র টাইগাররা। যুব বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত এটি বাংলাদেশের সেরা সাফল্য। সেবার টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছিলেন মিরাজ।

সময়ের পরিক্রমায় সেই মিরাজ এখন বড় হয়েছেন। খেলতে যাচ্ছেন বড়দের বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষিত ১৫ সদস্যের দলের অন্যতম যোদ্ধা তিনি। সহঅধিনায়ক সাকিব আল হাসানের সঙ্গে দলের স্পিন বিভাগের শক্তি মিরাজ। তাঁর ব্যাটেও রাখা যায় ভরসা। সবমিলিয়ে ২১ বছর বয়সী এই তরুণের উপর দলের অনেক আস্থা।

ওয়ানডে ক্যারিয়ার: ২০১৬ সালে অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু হয় মেহেদী হাসান মিরাজের। আর ওয়ানডে অভিষক হয় শ্রীলংকায়। ২৭ ওয়ানডেতে মাঠে নামলেও ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ১৬ ইনিংস। এতে এক অর্ধশতকে ২৯১ রান করেছেন তিনি। এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ওপেনিং নেমে সবাইকে চমকে দেন তিনি। আর বল হাতেও বেশ সফল তিনি। ২৬ ইনিংস হাত ঘুরিয়ে উইকেট পেয়েছেন ২৮টি। সেরা বোলিং ২৯ রানে চার উইকেট।   

নির্বাচকদের ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ বিশ্বকাপ স্কোয়াডের জন্য যে কজন অ্যাটমেটিক চয়েজ ছিলেন মিরাজ তাদের মধ্য অন্যতম। যদিও অনেকের মতে বাংলাদেশেল স্পিন আক্রমণটাই একটু দূর্বল। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে দলেই কোনো লেগ স্পিনার না থাকা। বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে আছেন শুধুই সাকিব আল হাসান। আর অফ স্পিনার হিসেবে আছেন মিরাজ। তাই স্পিনিং বৈচিত্র্যে বাংলাদেশই সবার চেয়ে পিছিয়ে আছে। কিন্তু সেটা মানতে নারাজ প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। তিনি বলেন, ‘সময়ের সেরা স্পিনাররাই জায়গা পেয়েছে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে।’ আর অ্যাটমেটিক চয়েজ বলে মিরাজকে নিয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি নির্বাচকদের।

মিরাজের লক্ষ্য: নিজের প্রথম বিশ্বকাপে দলের জন্য নিজকে উজাড় করে দিতে চান এই অফস্পিনার। তিনি বলেন, ‘দলের প্রয়োজনে শতভাগ দিতে চাই। দল চায় আমি একটি ভূমিকা পালন করি। বোলিংয়ে যে ভূমিকা থাকে, সেটি পালন করতে চাই। ব্যাটিংয়ে ১৫-২০ রান যদি চায় দল, সেটা দিতে চাই। দল কিভাবে আমার কাছ থেকে উপকৃত হবে, সেটিই আছে আমার ভাবনায়। সেভাবেই করার চেষ্টা করব।’

বাংলা ইনসাইডার/আরইউ