ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

টনটনের লড়াইটা হবে মনস্তাত্ত্বিক

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন ২০১৯ সোমবার, ০৯:০২ এএম
টনটনের লড়াইটা হবে মনস্তাত্ত্বিক

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করে ক্যারিবীয়রা। এরপর অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের কাছে হার ও দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে বৃষ্টিতে পয়েন্ট ভাগ করে নিতে হয় গেইলদের। আজকের ম্যাচটি হবে সমারসেটের কাউন্টি গ্রাউন্ড টনটনে। যেখানে বাউন্ডারি লাইন আকারে অন্য ভেন্যুর চেয়ে ছোট। পাওয়ার হিট ও উইকেটে বাউন্স থাকায় ক্যারিবীয়রা উজ্জীবিত থাকবে।

তবে বাংলাদেশকে লড়তে হবে সমানে সমান। মানসিকতা ধরে রাখতে হবে। তিন ম্যচে বড় স্কোর না করার আক্ষেপ রয়েছে তামিমের। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে টাইগারদের হয়ে এ ম্যাচে ভালো স্কোর গড়ার প্রত্যাশা এ বাঁহাতি ওপেনারের। নিজের দিন যে কোনো বোলারকে শাসন করতে পারেন সৌম্য। তাই ওপেনিং জুটিতে বড় স্কোর গড়ার চেষ্টা করবে বাংলাদেশ। সে ক্ষেত্রে উইকেট শুরুতে বোলিং সহায়ক হলেও ক্রিজে জমে যাওয়ার লক্ষ্য দুজনের।

সাকিব-মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর রয়েছে বড় ম্যাচে বড় স্কোরের অভিজ্ঞতা। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে বড় স্কোর গড়তে হলে মিডল অর্ডারে তাদের দিকে চেয়ে থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীরা। সাকিব তো তিন ম্যাচ খেলে প্রতিটিতে পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস খেলেছেন। সেঞ্চুরি পেয়েছেন একটি। মুশফিকও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭৮ রানের একটি ইনিংস খেলেন। মাহমুদউল্লাহর রয়েছেও গত বিশ্বকাপ দুটি সেঞ্চুরি। বড় মঞ্চে এ তিজনের রান উঠলে ক্যারিবীয় পেসারদের চাপে ফেলতে পারবে মুশফিকরা। এজন্য শর্ট বল ভালো করে সামলাতে হবে তাদের।

বড় স্কোর গড়তে পারলে বোলিংয়ে আত্মবিশ্বাস পাবে মাশরাফিরা। অথবা শুরুতে বোলিং পেলে বড় দায়িত্ব থাকবে স্পিনারদের। ক্যারিবীয়দের স্পিন দুর্বলতা দেখা গেছে বেশ কয়েকটি ম্যাচে। সাকিব, মিরাজ, মোসাদ্দেকরা বিপদে ফেলতে পারে উইন্ডিজদের। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত চারবারের দেখায় কোনোটিতে জিততে পারেনি টাইগার শিবির। তবে বর্তমান ভিন্ন। কদিন আগেও আয়ারল্যান্ডে ক্যারিবীয়দের টানা দুইবার হারিয়ে জিতেছে ত্রিদেশীয় সিরিজ। সাকিব-মাশরাফিরা ভাল করেই জানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দূর্বলতাগুলো।
গেইলদের দূর্বলতা স্পিনে,বাংলাদেশের শক্তি স্পিনে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের শক্তি গতি আর বাউন্সারে, টাইগাররা সবসময়ই ভঙ্গুর পেস বোলিং এর সামনে। আজকের ম্যাচের লড়াইটা যে শুধু মাঠের লড়াই এমন না, বাংলাদেশকে জিততে হলে লড়তে হবে মাঠে এবং মনে।


বাংলা ইনসাইডার/এসএম