ঢাকা, রোববার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ৪ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

পক্ষপাতিত্ব করেছেন ভারতীয় ধারাভাষ্যকার!

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ জুন ২০১৯ বৃহস্পতিবার, ০২:২৯ পিএম
পক্ষপাতিত্ব করেছেন ভারতীয় ধারাভাষ্যকার!

কখনও মাঠের আম্পায়ার, কখনও মিডিয়া, কখনও আইসিসি কখনও বা পিচ কিউরেটর নানান সময় বিতর্কে জড়িয়েছে। শুধু পাশে একটা নাম ভারত। ক্রিকেট মাঠে প্রভাবশালী এবং দাপুটে বটে তবে মাঠে বাহিরেও সেই প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে। তবে কতটা সত্য অথবা মিথ্যা তা বিচারে না গিয়ে শুধু অভিযোগের খাতা বের করলেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। ভারতীয় ক্রিকেট কিংবা ক্রিকেটের বাহিরে সংশ্লিষ্টদের বিপক্ষে উঠে এমন অভিযোগ। তবে রাখ ঢাক না রেখে অনেক ক্ষেত্রে এইসব কাজ প্রকাশ্যেই হয়। সমালোচিত হয় ভারতীয় ক্রিকেট। তবে, ক্রিকেট মাঠে যে তার প্রভাব বিস্তর তা মানতেই হয়। কিন্তু তার সাথে যুক্ত হয় ক্রিকেট মাঠের বাহিরের প্রভাব। যা আসলেই অনেক ক্ষেত্রে দৃষ্টি কুটুর। এইবার ক্রিকেট মাঠের বাহিরে সেই প্রভাবই দেখা গেছে। ভারতীয় ধারাভাষ্যকারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে এক দর্শক। শুধু অভিযোগ না সাথে আইসিসিকে চিঠিও দিয়েছেন সেই দর্শক।  

ধারাভাষ্যকার ও ক্রিকেট বিশ্লেষক এবং ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের বিরুদ্ধে উঠেছে এমন অভিযোগ। শুধু এইবারই নয়, তার বিরুদ্ধে প্রায়ই তোলা হয় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ। যা একেবারেই অমূলক বলে উড়িয়ে দেয়া যাবে না। এবার সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেই শেষ করেননি। রীতিমতো আইসিসির কাছে চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছেন আদি কুমার নামের একজন অস্ট্রেলীয় নাগরিক। যেখানে সঞ্জয়ের সমালোচনা করেছেন আদি।  

আইসিসি বরাবর লেখা চিঠির ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে আপলোড করেন আদি। যেখানে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের ধারাভাষ্য শুনে আমি হতাশ। এ কারণে আইসিসির কাছে আমি এ ব্যাপারে লিখেছি।’

চিঠির ভাষ্যমতে আদি অভিযোগ করেন, ‘হেই আইসিসি! সিডনি থেকে ভালোবাসা নিও। তোমাদের ধারাভাষ্য প্যানেলের একজন সঞ্জয় মাঞ্জরেকার, তার ব্যাপারে বলার জন্য এ চিঠি লিখছি। এ বিশ্বকাপে আমি তাকে পুরোপুরি অপেশাদার এবং ভারতের প্রতি পক্ষপাতী হিসেবেই দেখেছি। এছাড়া সে বারবারই নিজের ব্যাপারে কথা বলতে আগ্রহী। এছাড়া বিশ্বকাপটা দারুণ চলছে। ধন্যবাদ।’

আদির কথা এমন অভিযোগের চিঠি ভাইরাল হয়ে গেলে সাড়া পড়ে যায় টুইটারে। তবে এ চিঠির বিপরীতে আইসিসি কিংবা সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আশা করা হচ্ছে আইসিসি পর্যন্ত ঠিকই পৌঁছে গেছে চিঠিটি।

বাংলা ইনসাইডার/এসআরএস