ঢাকা, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শখের বসে পরিবার নিয়ে ক্যাসিনোতে যেতেন সুজন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০১৯ শনিবার, ১০:১৪ পিএম
শখের বসে পরিবার নিয়ে ক্যাসিনোতে যেতেন সুজন

অবশেষে ক্যাসিনো নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পরিচালক এবং সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ হয়ে সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা সফরে স্থানীয় এক ক্যাসিনোতে ভিডিও ভাইরাল হয় সুজনের। এরপর থেকে এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিশ্চুপ ছিলেন তিনি। 

তবে সম্প্রতি দেশ যখন ওলট-পালট ক্যাসিনো কাণ্ডে, তখন শ্রীলঙ্কার ক্যাসিনোতে ভাইরাল হওয়া ভিডিওর উত্তর দিলেন এই সাবেক ক্রিকেটার। শখের কারণে পরিবার নিয়ে ক্যাসিনোতে যাওয়া হলেও কখনো ক্যাসিনো খেলেননি বলে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন সুজন।   

সুজন বলেন, ‘আগেও বলেছি, আমার ভুল হতে পারে। এমন নয় যে আমি প্রতিদিন ক্যাসিনো খেলে বেড়াই। কখনো কখনো আমি ক্যাসিনোতে গিয়েছিও। এ রকম আরো অনেকেই যায়। এটি আমার অন্যায় হতে পারে। শখে কখনো কখনো পরিবার নিয়েও গিয়েছি।’

শ্রীলঙ্কায় ক্যাসিনোতে জুয়া খেলতে নয় বরং বন্ধুদের ম্যাচের টিকিট দিতেই গিয়েছিলেন সুজন। এছাড়া যদি সে ক্যাসিনো খেলেই থাকতেন তাহলে সেই ভিডিও কেন প্রকাশ হয়নি বলে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়েছেন তিনি।  

‘এটিও স্পষ্ট করা দরকার। আমি গিয়েছিলাম কাজে। কাজ বলতে আমার কিছু বন্ধুবান্ধব গিয়েছিল খেলা দেখতে। টিকিট চেয়েছিল আমার কাছে; কিন্তু টিম হোটেলে এত কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা যে ওরা আসতেই চায়নি। তাই আমিই গিয়ে দিয়ে আসি। মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য গিয়েছিলাম। তাতেই এত ঘটনা! আমার প্রশ্ন, যিনি ভিডিওটি করেছেন, তিনি কেন আমার ক্যাসিনো খেলার ভিডিও দেননি? আমি খেললে নিশ্চয়ই সেটিও তাঁর পক্ষে দেওয়া সম্ভব ছিল। ওই লোকটি অত্যন্ত অন্যায় কাজ করেছেন।’

শুধু শ্রীলঙ্কা সফর নয়, এর আগেও ক্যসিনো কাণ্ডে সুজনের নাম উঠে এসেছিল বেশ কয়েকবার। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ২০১৫ বিশ্বকাপ। ২০১৫ বিশ্বকাপের সময়ও সুজনের ক্যাসিনোতে যাওয়া নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। আগের মতো এবারও খাওয়ার জন্য ক্যাসিনোতে গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

‘সেই সময়ও এর উত্তর দিয়েছি। আবারও দিচ্ছি। মেলবোর্নের ওই জায়গাটায় কোথাও যেতে হলে ক্যাসিনোর ভেতর দিয়েই যেতে হয়। আমরা কয়েকজন যাচ্ছিলাম খেতে। আবারও জিজ্ঞেস করি, আমার ক্যাসিনো খেলার ভিডিও কেউ দিতে পারে না কেন? এই প্রযুক্তির যুগে সেটি তো খুবই সম্ভব।’

বাংলা ইনসাইডার/এসএম