ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১, ১৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

আম্পায়ার বিতর্ক নাকি নিরপেক্ষ ম্যাচ ?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ জুন ২০১৭ মঙ্গলবার, ০৪:৪৮ পিএম
আম্পায়ার বিতর্ক নাকি নিরপেক্ষ ম্যাচ ?

 

মনে আছে ২০১৫ বিশ্বকাপের কথা? নিশ্চয়ই আছে। বাংলাদেশের কোনো সমর্থকের এটা ভুলে যাবার কথা নয়। সেই বার অস্ট্রেলিয়া সঙ্গে গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যাক্ত হবার পর ইংল্যান্ডের সঙ্গে দুর্দান্ত এক জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল টাইগাররা। শেষ আটে প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটি বৃষ্টিতে পণ্ড হল এবং পরের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে টাইগাররা। এবারও প্রতিপক্ষ সেই ভারত।

বিগত বিশ্বকাপের ম্যাচে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের শেষ ছিল না। আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তগুলো সব ভারতের পক্ষে যাচ্ছিল এটা খালি চোখেই মানুষ বুঝতে পেরেছে। সেই ম্যাচ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি। ওটাই কিন্তু একমাত্র না, এর আগেও বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে আম্পায়ারিং নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি।

 

 

আগামী ১৫ জুনের ম্যাচকে সামনে রেখে আবার ডালপালা মেলতে শুরু করেছে এসব বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় এখন এটাই। বাংলাদেশের এক সমর্থক ওসামা জিয়া টুইট করেছেন, ‘আশা করছি একটি সুস্থ লড়াই হবে।’


বিগত এক দশক ধরে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। রোববার রাতে ভারত সেমিফাইনালে ওঠার পর থেকেই দু’দেশের সাবেক ক্রিকেটার ও সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে কথার লড়াই শুরু হয়ে গেছে। ২০১২ এশিয়া কাপে শচীন টেন্ডুলকারের শততম সেঞ্চুরির উপলক্ষটাকে ম্লান করে দারুণ জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের বিতর্কের রেশ এখনও নাড়া দেয় মাঝেমধ্যে। বিশ্বকাপের পর দেশের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ইতিহাস গড়া সিরিজেও ছিল বিতর্কের ঝাঁজ। আর গত বছর টি ২০ বিশ্বকাপে সেই হৃদয়ভাঙ্গা পরাজয়। তাই সব মিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ মানেই উত্তেজনার পারদ ওপরে ওঠা।


এদিকে বীরেন্দর শেবাগ তো ভারতের সামনে বাংলাদেশকে গোনার খাতাতেই রাখেননি। সেমিফাইনাল পার না হওয়ার আগেই তিনি ভারতের ফাইনাল নিয়ে ভাবনা শুরু করে দিয়েছেন। রোববার কোহলিরা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর পর ভারতের এই সাবেক ওপেনার টুইট করেছেন, ‘দারুণ এক জয় ভারতের। দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। সেমিফাইনাল ও ফাইনালের জন্য শুভ কামনা।’ এটাই প্রথম না, সেহওয়াগ খেলোয়াড়ি জীবনেও বাংলাদেশ সফরে এসে টাইগারদের অবজ্ঞার চোখে দেখেছেন।


বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে টাইগাররা। এই ম্যাচে সকলেই একটি সুস্থ লড়াই দেখার প্রত্যাশা করছে। কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকেই যায়, সাধারন মানুষের প্রত্যাশা কি পূরণ হবে নাকি বিশ্ব ক্রিকেট আবার কলঙ্কিত হবে?


বাংলা ইনসাইডার/আরএ