ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২০, ২৩ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Bangla Insider

মাঠ সামলানোর সঙ্গে জানেন প্রেম করাটাও

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ শুক্রবার, ১২:৩৯ পিএম
মাঠ সামলানোর সঙ্গে জানেন প্রেম করাটাও

ভালোবাসা শব্দটা অদ্ভূত! মানে না কোন বাঁধা, নেই কোন সীমানা, জাত-ধর্ম এমনকি সময়। পবিত্র এই ভালোবাসার জন্য প্রতিবছর পালিত হয় ভালোবাসা দিবস। আর বিশ্বের সকলের মতো এই দিনটি উদযাপন করে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ভালবাসায় সফল হওয়া চার তারকা জুটি।

ভালোবাসা দিবসে ‘বাংলা ইনসাইডার’ টাইগার ক্রিকেটের চারটি সফল ভালোবাসার গল্প নিয়েই করেছে আজকের এই প্রতিবেদন।

টাইগার ক্রিকেটের পোস্টার বয়

আমেরিকায় থাকলেও বাংলাদেশী চ্যানেল দেখতেন উম্মে আহমেদ শিশির৷ প্রায়ই একটা ছেলের মুখ দেখতে পেতেন। ২০১১ সালের বিশ্বকাপের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে ছেলেটাকে আবারও দেখলেন রিক্সায় চড়ে মাঠ ঘুরছেন। ক্রিকেট না বুঝলেও তত দিনে বাংলাদেশের অধিনায়ককে ঠিকই চিনে ফেলেছেন। দেখতেও ‘হ্যান্ডসাম’। সেখান থেকেই কাউন্টি খেলতে যাওয়া ফয়সালের সাথে প্রথমবারের মতোন দেখা করা। দুজনের মনের মিল থেকে ভালোবাসার আদান-প্রদান। ২০১২ সালের ডিসেম্বরের ১২ তারিখে ম্যাজিকাল ডে তে বিয়ে। ৮ বছরের বিয়েতে কোলজুড়ে এসেছে আদরের মেয়ে আলাইনা।

টাইগার দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা

বাংলাদেশের জাতীয় দলে তখন নতুন তারকা হ্যাংলা-পাতলা গড়নের কৌশিক। পেস বোলিংয়ে রীতিমতো তান্ডব ঘটাতেন। ঐদিকে নড়াইলের ছোট্ট এক গ্রামে সুমির অপেক্ষার প্রহর শুরু, আশেপাশের অনেকেই বলতো, কৌশিক এখন বড় তারকা, তোকে ভুলে যাবে। কিন্তু সুমি জানতো তার ভালোবাসা পবিত্র, কৌশিক তাকে ঠকাবেনা। ঠিকই ভালোবাসাকে বিবাহে রূপান্তরিত করেছিলো এই জুটি। সেদিনের সেই সুমি-কৌশিকই আজকের মাশরাফি বিন মর্তুজা ও তাঁর প্রিয় সহধর্মিণী।

খানসাহেব

চট্টগ্রামের খান সাহেব তামিম ইকবালের প্রেমের শুরুটা ছিল একপাক্ষিক। প্রথম দেখাতেই আয়েশাকে ভালো লেগেছিলো তামিম ইকবালের। কিন্তু আয়েশা আবার প্রেম শব্দটাকেও নিতে পারতোনা। সে স্রেফ বিরক্তির সাথে প্রস্তাব টা উড়িয়ে দিলো। কিন্তু চট্টগ্রামের খান সাহেব যে একদম নাছোড়বান্দা। পিছে লেগেই থাকলেন। একসময় বাড়িয়ে দিলেন বন্ধুত্বের হাত। আয়েশারও বন্ধু হতে সমস্যা নাই। সেই বন্ধুত্ব থেকে কবে যে তামিম কে মনের গভীরে জায়গা দয়ে ফেলেছিলেন তা সে নিজেও জানতেন না। পড়ালেখার জন্য মালয়েশিয়া যাওয়ার দূরে যাওয়ার কষ্ট হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছিলেন।

হালের ক্রেজ তাসকিন

স্কুলজীবনে তাসকিনকে সহ্য করতে পারতেন না সৈয়দা রাবেয়া নাইমা। অথচ চঞ্চল তাসকিন ঠিকই নানা ছু্ঁতোয় নাইমার সাথে কথা বলার সুযোগ খুঁজতেন। কখনো নোট নেওয়ার জন্য, কখনোবা পড়া বুঝে নেওয়ার জন্য৷ সেখান থেকেই প্রেমের শুরু। ততোদিনে স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে দেশের হয়ে লড়তে শিখে গেছেন তাসকিন আহমেদ তাজিম। জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য, খেলে ফেলেছেন একটা বিশ্বকাপও। চারদিকের মেয়েরা যখন তাসকিন বলতে পাগল, তাসকিন তখন শুধুই মজে ছিলেন নাইমাতে। প্রায় ৮ বছরের প্রেমকে বিয়েতে পরিনত করেছেন ২০১৭ র শেষদিকে।

বাংলা ইনসাইডার/এসএম