ঢাকা, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

বার্সার শীর্ষ পাঁচ পরাজয়

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২০ শনিবার, ১২:৪৯ পিএম
বার্সার শীর্ষ পাঁচ পরাজয়

ইউরোপ সেরার মুকুটটা সবশেষ পরা হয়েছিল সেই ২০১৫ সালে। এরপর কখনো জুভেন্টাস, কখনো রোমা কিংবা কখনো লিভারপুলের কাছে মন ভেঙ্গেছে বার্সেলোনার। যার সবশেষ সংযোজন গতকাল রাতে লিসবনের স্তাদিও দা লুজে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৮-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বাদ পড়া। ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে নক আউট রাউন্ডে এত বড় ব্যবধানে এর আগে হারেনি কেউ। ৯০ মিনিটে দুই হালি গোল হজম করাটা তো আর চাট্টিখানি কথা না। সেই অসাধ্য সাধন করেই শেষ ৮০ বছরে যেকোন লড়াইয়ের যেকোন পর্যায়ে এটাই বার্সেলোনার সবথেকে বড় হার।

কাতালান এই ক্লাবটি অবশ্য এরকম লজ্জার পরাজয় অহরহ দেখে না। ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটি নিজেদের ১২০ বছরের ইতিহাসে সবথেকে লজ্জার যে পাঁচ পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে সেগুলো নিয়েই এই প্রতিবেদন।

সেভিয়া ১১-১ বার্সেলোনা (লা লিগা, ১৯৪০)

১৯৪০-৪১ মৌসুমে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে থেকে শেষ করেছিল বার্সেলোনা। সেই মৌসুমে সেভিয়ার কাছে ১১-১ গোলের ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয় কাতালান ক্লাবটি। ম্যাচের ২৩ তম মিনিট থেকে ৮৩ তম মিনিটের মাঝেই এই ১১ টি গোল করে সেভিয়া। যা কিনা বার্সার ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যবধানের পরাজয়।

রিয়াল মাদ্রিদ ৮-২ বার্সেলোনা (লা লিগা ১৯৩৫)

নির্দিষ্ট একটি এল ক্লাসিকো ম্যাচে একজন ফুটবলারের সর্বোচ্চ গোল সংখ্যা ৪ টি। আর সে রেকর্ড রিয়ালের সাবেক ফুটবলার ফার্নান্দো সানুদোর। ১৯৩৫ সালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সার বিপক্ষে একাই চার গোল করেন, সঙ্গে রিয়ালের আরেক খেলোয়াড় জেমি ল্যাজকানো করেন হ্যাটট্রিক। আর এই ম্যাচেই রিয়াল তাঁদের ক্লাসিকো ইতিহাসের সবথেকে বড় জয় পায়।

বায়ার্ন মিউনিখ ৮-২ বার্সেলোনা (চ্যাম্পিয়নস লিগ, ২০২০)

এরপর গতরাতের লজ্জার পরাজয়। লিসবনে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে মেসিদের ৮-২ গোলে বিধ্বস্ত করে বায়ার্ন। গত ৮০ বছরে যেকোন টুর্নামেন্টে এত বড় পরাজয়ের মুখ দেখেনি কাতালান ক্লাবটি। এই ম্যাচেই ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় সবথেকে বড় পরাজয়ের মুখ দেখে বার্সা। ম্যাচের উভয় অর্ধে সমান চারটি করে গোল হজম করে বার্সেলোনা, যেখানে লুইস সুয়ারেজ আর বায়ার্নের আত্মঘাতী গোলে বার্সা দেয় দুটি গোল।

লিভারপুল ৪-০ বার্সেলোনা (চ্যাম্পিয়নস লিগ, ২০১৯)

গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম লেগে ৩-০ গোলে এগিয়ে থাকার পরেও এনফিল্ডে গিয়ে ৪-০ গোলে হেরে সেমিফাইনালে বিদায় নেয় বার্সেলোনা। তাও আবার লিভারপুল খেলেছিল তাঁদের অন্যতম দুই অস্ত্র ফিরমিনো এবং মো সালাহকে ছাড়া।

এসি মিলান ৪-০ বার্সেলোনা (চ্যাম্পিয়নস লিগ, ১৯৯৪)

১৯৯৪ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের আগে ইতালিয়ান ক্লাব এসি মিলানের সামনে বার্সেলোনাই ছিল ফেভারিট। তবে কাউন্টার এটাকিং ফুটবলে ম্যাচের শুরু থেকেই বার্সাকে হতবাক করে দেয় মিলান। যার ফলে প্রথমার্ধেই ২-০ তে এগিয়ে যায় ইতালিয়ান ক্লাবটি। এরপর ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে আরো দুই গোল করে চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা তুলে নেয় এসি মিলান, আর বার্সা ফাইনালে এক হালি গোল হজম করে সন্তুষ্ট থাকতে হয় রানার্স আপ হয়ে।

বাংলা ইনসাইডার/এসএম