ইনসাইড গ্রাউন্ড

টাইগারদের কাছে ধবলধোলাই স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:১৮ পিএম, ২০ জুলাই, ২০২১


Thumbnail

স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে ৫ উইকেটে জিতে  ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ। এর আগে টসে জিতে প্রথমে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। রেগিস চাকাবার ৮৪ রানের সুবাদে তাদের ইনিংস দাঁড়ায় ২৯৮ রানের। ২৯৯ রানের টার্গেটে স্বাগতিকদের বাংলাওয়াশ করতে বাংলাদেশ দল দায়িত্বশীল ব্যাট করে চলে। বিনা উইকেটে ১১ওভারে ৬৫ রান তোলার পরে হুট করেই তামিম ব্যাটে ঝড় তুলেন। টেন্ডাই চাতারার এক ওভারেই নিয়ে নেন ১৯ রান। প্রথমে পুল করে ছয়ের পর তামিম মেরেছেন দুটি চার- প্রথমটি পাঞ্চ করে, পরেরটি স্ল্যাশ করে কাভার পয়েন্ট দিয়ে। সাবধানী শুরু করা বাংলাদেশের দুই ওপেনার তবে সময় বাড়তে থাকলে রানের চাকা দ্রুত ঘুরতে শুরু করে। মাত্র ৪৬ বলে তামিম তুলে নেন সিরিজে নিজের প্রথম অর্ধশতক। অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যান লিটন ৩২ রানে মারুমানির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়ে উঠার দিনে সাকিব আল হাসান ব্যক্তিগত ৩০ রান করার পরে পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে ফিরে গেলে দলীয় ১৪৭ রানের মাথায় হয় দ্বিতীয় উইকেটের পতন। দলীয় ৩০তম ওভারে টেন্ডাই চাতারাকে চার মেরে ক্যারিয়ারের ১৪তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল। মাইলফলক গড়তে তুলতে আটটি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন দেশ সেরা এই ওপেনার। মাত্র ৮৭ বলেই মাইলফলকে গেলেন তিনি। গত বছর মার্চে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ওয়ানডেতে সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিম। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে তামিম তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৪তম শতক। এর কিছুক্ষণ পরেই পানি-পানের বিরতিতে যায় টাইগাররা।  ফিরে এসে ডোনাল্ড তিরিপানোর বলে খোঁচা দিয়ে থার্ডম্যানের দিকে খেলতে চেয়ে আউট হয়ে যান পেছনে। ৯৭ বলে ১১২ রান করে ফিরে যান এই ওপেনার। এর ঠিক পরের বলে কট-বিহাইন্ড হয়ে ফিরে যান মাহমুদউল্লাহও। তিরিপানোর বলে ইনসাইড-এজড হয়ে রানের খাতা খোলার আগেই নীচু মাথায় প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি। 

পঞ্চম উইকেটে নুরুল হাসান সোহান এবং মোহাম্মদ মিথুন ভরসা জুগিয়ে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। একমাত্র মাহমুদউল্লাহর সাথে জুটিটা ছাড়া সব গুলো জুটিই পেরিয়েছে পঞ্চাশ রানের। সর্বশেষটি নুরুল হাসান ও মোহাম্মদ মিঠুনের জুটি টাইগারদের জয়ের বন্দরে অনেকটাই পৌছে দেয়। কিন্ত সেই জুটির পরপরেই ওয়েসলি মাধভেরেকে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে একেবারে সীমানার কাছে টেন্ডাই চাতারার তালুবন্দি হয়ে ৫৭ বলে ৩০ রান করে ফিরে যান মিঠুন। ভেঙে যায় নুরুলের সঙ্গে তাঁর ৬৪ রানের জুটি। তখন বাংলাদেশের প্রয়োজন ৬ ওভারে ৩০ রান। আফিফ হোসাইন মাঠে নেমে ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করলে জয় থাকে শুধু সময়ের অপেক্ষায়। দলীয় ৪৮তম ওভারে ছুকা মেরে স্কোর সমান করার পরে লুক জঙ্গির বলে ৪ মেরে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দীর্ঘ ১২ বছর পরে বিদেশের মাটিতে আবারও কোন দলকে ধবলধোলাই করে টাইগাররা। 



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বাংলাদেশের সঙ্গে সবাই খেলতে চাচ্ছে: পাপন

প্রকাশ: ১০:২০ এএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বাংলাদেশের সঙ্গে সবাই খেলতে চাচ্ছে: পাপন

সম্প্রতি ২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম (এফটিপি) চূড়ান্ত করেছে বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থ্যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। নির্ধারিত এই চক্রে মোট ৫৪টি সিরিজ খেলবেবাংলাদেশ।

বাংলাদেশে আগামী বছরের নতুন চক্র শুরু করবে আয়ারল্যান্ড সফর দিয়ে। তিন ওয়ানডে ও চার টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হবে আইরিশদের সাথে। চক্র শেষ হবে ২০২৭ সালের মার্চে অস্ট্রেলিয়া সফরের দুই টেস্টের মধ্য দিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে হোম- এওয়ে মিলিয়ে রয়েছে ৩৪ টেস্ট, ৫৯ ওয়ানডে ও ৫৭ টি-টোয়েন্টি। 

আইসিসি কর্তৃক প্রকাশিত নতুন সূচিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে সবচেয়ে বেশি ১৫০ ম‍্যাচ খেলবে টাইগাররা। নতুন এই এফটিপিকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য বিরাট অর্জন বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তার মতে, সব দলই এখন বাংলাদেশের সঙ্গে খেলতে চাচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বৃহস্পতিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘এফটিপিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ এখন আমাদের। এখনকার এফটিপি অবিশ্বাস্য। আমরা সৌভাগ্যবান। ক্রিকেটার শুধু নয়, কোচিং স্টাফদের কথা চিন্তা করুন, কেউ নিঃশ্বাস ফেলার সময় পাবে না।‘

হোম সিরিজের পাশাপাশি বিদেশের মাটিতেও রয়েছে বেশ কিছু সিরিজ। ২০১৯ এরপর আবার ভারত সিরিজের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া তে টেস্ট সিরিজ নিয়ে পাপন আরো বলেন,’ যে পরিমাণ খেলা পেলাম, এতে অনেকগুলো ব্যাপার ফুটে ওঠে। আইসিসি বলেন বা অন্য দেশগুলো, তারা বাংলাদেশকে এখন গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদের সঙ্গে খেলতে চাচ্ছে।’

প্রসঙ্গত,  আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রামের পূর্বের চক্রে ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৫৭ ম্যাচ ছিলো। যেখানে পাঁচ বছরে টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা ছিলো ৪৫টি। ওয়ানডে ৭২টি, দেশের বাইরে ৪৫, ঘরের মাঠে ২৭টি এবং টি-টোয়েন্টি ৫৮টি।


ক্রিকেট   বিসিবি   এফিটিপি   আইসিসি   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের দাপুটে জয়

প্রকাশ: ০৯:২৫ এএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের দাপুটে জয়

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে দাপুটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ‘এ’ দল ৪৪ রানে হারিয়েছে ক্যারিবীয়দের। এতে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে সফরকারীরা। বাংলাদেশের দেওয়া ২৭৭ রানের জবাবে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৩৩ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

সেন্ট লুসিয়াতে টস হেরে ব্যাটিং করতে নামেন সৌম্য সরকার ও নাঈম শেখ। তবে শুরুটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। আনঅফিসিয়াল প্রথম ওয়ানডের মতো এদিনও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন সৌম্য সরকার। প্রথম ম্যাচে ১৫ রান করা সৌম্য এদিন আউট হয়েছেন ৬ রানে।

আর নাঈম শেখ সেঞ্চুরি করেই সাজঘরে ফেরেন। ১১৭ বলে তিনি করেন ১০৩ রান। অধিনায়ক মিঠুন করেন ২৮ রান। এদিন রানের দেখা পেয়েছেন প্রথম ওয়ানডেতে তিন রান করা সাব্বির রহমানও। যদিও হাফ সেঞ্চুরির পর সাজঘরে ফিরে যেতে হয় তাকে। উড়িয়ে মারতে গিয়ে ডানহাতি এই ব্যাটার আউট হয়েছেন ৬২ রানের ইনিংস খেলে।

সাব্বিরকে সঙ্গ দেয়া জাকের আলি অনিক অপরাজিত ছিলেন ১৮ রানে। শেষপর্যন্ত বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৭৭ রানের সংগ্রহ পায়।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন চার্লস ও লুইস।

২৭৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দারুণভাবে শুরু করে ক্যারিবীয় দুই ওপেনার তাগেনারাইন চন্দরপল ও জসুয়া দা সিলভা। ৬৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন সিলভা। এছাড়া ৩৮ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন চন্দরপুল। ৪৩ বলে ৩১ রান করেন টেডি বিসপ। ব্রায়ান চার্লস ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন।

টাইগারদের হয়ে মুকিদুল ইসলাম নেন তিনটি ইউকেট। এছাড়া রেজাউর রহমান রেজা দুটি এবং রাকিবুল, খালেদ ও সৌম্য নেন একটি করে ইউকেট।

এর আগে প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে ৮০ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। বাংলাদেশ হারে ৪ উইকেটে। মিঠুন বাহিনীর দেওয়া ৮১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিক দল।

ক্যারিবীয়   বাংলাদেশ   ‘এ’ দল   জয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

এশিয়া কাপে দেখা মিলবে নতুন বাংলাদেশের

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail এশিয়া কাপে দেখা মিলবে নতুন বাংলাদেশের

টি-টোয়েন্টি সংস্করণের ক্রিকেটে ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে কিছুতেই বের হতে পারছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সম্প্রতি অধিনায়কত্বে আনা হয়েছে পরিবর্তন। দলের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে ক্রিকেটারদের মানসিকতায়ও পরিবর্তন আনতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন এশিয়া কাপে নতুন এক বাংলাদেশ দল দেখা যাবে, এমনটাই দাবি করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

তামিম টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেয়ার পর তৈরি হয় ওপেনিং স্পট নিয়ে জটিলতা। সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর থেকে ওপেনিং পজিশনের জন্যই বেশ কয়েকজন ব্যাটারকে দিয়ে চেষ্টা করেছে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট। এই তালিকায় আছেন মুনিম শাহরিয়ার, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাইফ হাসান কিংবা নাঈম শেখদের মতো ক্রিকেটারের নাম। কেউই তামিম এর নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। অথচ আসন্ন এশিয়া কাপের স্কোয়াডে তাদের কেউই জায়গা পাননি। ওপেনিং পজিশনের এমন বেহাল দশা দলের একটা খন্ডচিত্র মাত্র।

সর্বশেষ ১৫ ম্যাচের পরিসংখ্যান দেখলে এই ওপেনিং পজিশনে যতজন ব্যাটার খেলেছেন, ততগুলো ম্যাচও জেতেনি বাংলাদেশ। ১৩টি ম্যাচ হারের বিপরীতে টাইগারদের জয় মাত্র ২ ম্যাচে। এই সংস্করণের ক্রিকেটে বাংলাদেশের এখনও বেশ কিছু জায়গায় ঘটতি আছে। বিশেষ করে ব্যাটিং বিভাগে তো আরো জটিলতা। নেই পাওয়ার হিটিং ব্যাটসম্যান, নেই দ্রুত গতিতে রান তোলার মত দক্ষতা। তারপরও দলের মানসিকতা এবং পরিকল্পনায় পরিবর্তন এনে নতুন কিছু করতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট।

এই প্রসঙ্গে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, 'টি-টোয়েন্টিতে আমরা শক্তিশালী না। কি করা যায় এটা নিয়ে ভাবতে গিয়ে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই এশিয়া কাপে (দলের) পুরো মানসিকতা, চিন্তাধারা সব কিছু হঠাৎ করে বদলে ফেলতে চাচ্ছি। এতে করে আমরা দেখতে চাই নতুন করে শুরু করা যায় কিনা।'

সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবি হয়েছিল বাংলাদেশের। শুরুটা হয়েছিল স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হার দিয়ে। এরপর যতই সময় গড়িয়েছে ব্যর্থতার পাল্লা ততটাই ভারী হয়েছে। আরব আমিরাতের মাটিতে দুই ম্যাচ জিতে বাছাই পর্ব পার হয় বাংলাদেশ। কিন্তু সুপার টুয়েলভ পর্বে কোনো ম্যাচই জয়ের দেখা পায়নি দল। এই পর্বে সব ম্যাচে ব্যর্থ টাইগারদের অবস্থা ছিল রীতিমতো 'ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি'।

বিশ্বকাপের পর সামনে আরও একটি বড় আসর। তবে দলের সাম্প্রতিক ফর্ম আর সামর্থ্য বিবেচনায় খুব বেশি আশাবাদী হওয়ার সুযোগ নেই আসন্ন এশিয়া কাপে। গত বিশ্বকাপের মতো এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের এই লড়াই অনুষ্ঠিত হবে আরব আমিরাতের মাটিতে। যেখানে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান কেবলই হতাশার। 

আসন্ন এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি বলেন, 'এশিয়া কাপ কিন্তু বিশ্বকাপের পরেই (বড় আসর)। গত বিশ্বকাপে আমাদের পারফরম্যান্স খুবই খারাপ ছিল। হঠাৎ করে এখন এত তাড়াতাড়ি বের হতে পারব কিনা জানি না।'


এশিয়া কাপ   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ব্যর্থতার বৃত্তেই আটকে আছে সৌম্য সরকার

প্রকাশ: ০৮:৪৯ এএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ব্যর্থতার বৃত্তেই আটকে আছে সৌম্য সরকার

ব্যর্থতার বৃত্ত যেনো ভাঙতেই পারছেন না সৌম্য সরকার । কোনো দেশের বিপক্ষে বা ঘরোয়া ক্রিকেটে কোথাও প্রত্যাশিত রান করতে পারছেন না তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় বড় ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও তা কাজে লাগাতে পারছেন না তিনি। এই সৌম্য সরকারের দুর্দান্ত ব্যাটিং এ টাইগারদের অনেক ম্যাচ জিততে সহায়তা করেছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে হাসছে না তার সেই ব্যাট।

ফর্মহীনতায় জাতীয় দল থেকে বাদ যাওয়ার পর ঘরোয়া ক্রিকেটেও বলার মতো তেমন রান করতে পারেননি তিনি। এমনকি রান করতে না পারায় ঘরোয়া ক্রিকেটে একাদশের বাইরে রাখা হয়েছিল তাকে। তবে নিজেকে ফিরে পেতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন সৌম্য।

বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে তাকে খেলতে পাঠানো হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু সেখানেও ব্যাট হাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে ৬ রানে আউট হন সৌম্য। এর আগে প্রথম ওয়ানডেতে করেছিলেন মাত্র ১৫ রান।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলকে ৪৪ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। এতে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে সফরকারীরা। বাংলাদেশের দেওয়া ২৭৭ রানের জবাবে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৩৩ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

সৌম্য সরকার   ব্যর্থতা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

চার ম্যাচের একটিতেও হলো না ১০০ রান

প্রকাশ: ০৯:২০ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail চার ম্যাচের একটিতেও হলো না ১০০ রান

সম্প্রতি সিলেটে শুরু হয়েছে নারীদের ১২তম জাতীয় ক্রিকেট লিগ। ৮ বিভাগের এই লড়াইয়ে প্রথম দিন জয় পেয়েছে খুলনা, রাজশাহী, রংপুর ও স্বাগতিক সিলেট।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আলাদা দুই ম্যাচে মুখোমুখি হয় বরিশাল-খুলনা ও চট্টগ্রাম-সিলেট।

প্রথম ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করা বরিশাল ৬ উইকেট হারিয়ে ৮৫ রানের সংগ্রহ পায়। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ৪৬ বল খেলে করেন ৩১ রান। এ ছাড়া সমান ১৬ রান করেন মিষ্টি রানী ও দিশা বিশ্বাস।

৮৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শেষ বলে গিয়ে জয় নিশ্চিত করে খুলনা বিভাগ। ৫ উইকেট হারিয়ে জয় পাওয়ার পথে ৫৯ বলে ৩৪ রান ওপেনার শম্পার। ৩৬ বলে ২ চারে ২৯ রান আসে রুমানা আহমেদের ব্যাটে, ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের আরেক ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করা চট্টগ্রামের নারীরা ৫০ রানও তুলতে পারেনি স্কোরবোর্ডে। তমালিকা সুমনা ছাড়া আর কোনো ব্যাটার পাননি দুই অঙ্কের দেখা, সুমনা করেন ১০ রান। ৩.১ ওভারে ৫ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন সিলেটের দিপা খাতুনের।

এই লক্ষ্যে পৌঁছাতেও ১৪ ওভার খেলতে হয়েছে সিলেটকে, হারিয়েছে ৫ উইকেট। বল হাতে আলো ছড়ানো দিপা খাতুন ব্যাত হাতেও সর্বোচ্চ ১৭ রান করেন, হয়েছেন ম্যাচ সেরা।

পাশের সিলেট একাডেমি গ্রাউন্ডে দুই ম্যাচে লড়ে ময়মনসিং-রংপুর ও ঢাকা-রাজশাহী। প্রথমটিতে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় রংপুর বিভাগ। পুরো ২০ ওভার খেলে অলআউট হওয়ার আগে ৫৭ রানের বেশি করতে পারেনি ময়মনসিংহ বিভাগ। দলের পক্ষে একমাত্র ব্যাটার হিসেবে দুই অঙ্ক ছোঁয়া মিশু খান করেছেন ১৮ রান। রংপুরের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ফারিহা তৃষ্ণার।

জবাবে দুই ওপেনার মুর্শিদা খাতুন ও সাথি রানীর ব্যাটে ১২ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় রংপুর। ১০ উইকেটের জয়ে মুর্শিদা ৩৫ বলে ২০ ও সাথি ৩৭ বলে ২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। ম্যাচ সেরার পুরষ্কার জিতেছেন রংপুরের পেসার ফারিহা তৃষ্ণা।

এই মাঠের অন্য ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করে ঢাকা বিভাগ ৫ উইকেটে ৮৫ রানের সংগ্রহ পায়। ৪১ বলে ৫ চারে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন ফারজানা হক। ২৪ রান করেন রিতু মনি। ঢাকার ৫ উইকেটের ৪টিই রান আউট। একমাত্র উইকেট শিকারি বোলার নাহিদা আক্তার।

রাজশাহী জয়ের লক্ষ্য পৌঁছাতে হারায় ৫ উইকেট। ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন ম্যাচ সেরা নাহিদা। ১৩ রান করেন ফারজানা আক্তার। ঢাকা বিভাগের হয়ে ৩ উইকেট নেন রূপা আবেদিন।


লীগ   ক্রিকেট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন