ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

লাইফ সাপোর্ট থেকে ফিরে কেয়ার্নসের ভিডিও প্রকাশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ সোমবার, ০৪:৫২ পিএম
লাইফ সাপোর্ট থেকে ফিরে কেয়ার্নসের ভিডিও প্রকাশ

মাস দেড়েক আগে হৃদযন্ত্রের জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার ক্রিস কেয়ার্নসকে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। কয়েক দিন পর সেখানেই স্ট্রোক করেন তিনি। অসাড় হয়ে যায় কেয়ার্নসের একটি পা। প্রাণ বাঁচাতে ক্রিস কেয়ার্নসের হৃদযন্ত্রে আপত্কালীন অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। সিডনির সেই অস্ত্রোপচারের সময় স্পাইনাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হন কেয়ার্নস। এর ফলে তার পা দুইটি প্যারালাইজড হয়ে পড়ে। আপাতত অস্ট্রেলিয়ায় মেরুদণ্ডের রোগের চিকিত্সা করা হয় এমন এক হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নজরদারিতে থাকেন সাবেক এই ক্রিকেটার।

এর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ক্যানবেরার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কেয়ার্নস। পরে তাকে সিডনির সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতালের লাইফ সাপোর্ট ইউনিটে স্থানান্তরিত করা হয়। তার হৃদযন্ত্রের মূল ধমনীতে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সমস্যা মেটাতে তড়িঘড়ি কেয়ার্নসের হার্ট সার্জারি করা হয়। পুরো ক্রিকেট বিশ্বের সাবেক-বর্তমানরা তখন উদ্বিগ্ন প্রকাশ করে তার সুস্থতা কামনা করেন।

নিউজিল্যান্ডের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের মধ্যে অন্যতম ক্রিস কেয়ার্নস। আগ্রাসী ব্যাটিং ও দুর্দান্ত পেস বোলিং দিয়ে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নিউজিল্যান্ডের জার্সিতে খেলেছেন। ৬২ টেস্টে ৩ হাজার ৩২০ রান তার, রয়েছে ৫ সেঞ্চুরিও। আর উইকেট নিয়েছেন ২১৮টি। ওয়ানডে খেলেছেন ২১৫টি। রান ৪ হাজার ৯৫০, উইকেট ২০১টি। ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে তিনি ধারাভাষ্যকার ও বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেন টিভিতে। ৬ সপ্তাহ পুনর্বাসনে থাকার পর কেয়ার্নস সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এবার আসলেন সবার সামনে। ভক্ত-সমর্থক সহ পাশে থাকা সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে টুইটারে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন তিনি। 

সেখানে তিনি ক্যাপশনে লেখেন, ‘কঠিন ৬টি সপ্তাহ কাটল। গত ৪ আগস্ট আমার একটি ধমনী ছিঁড়ে যায়। এটা অতি বিরল, তবে খুবই ভয়ানক। তাতক্ষণিক অস্ত্রোপচার করাতে হয় আমার। এরপর বেশ কিছু শারীরিক জটিলতার মুখে পড়তে হয় আমাকে এবং স্পাইনাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হই। সামনে অনেক পথ বাকি। তবে এই অবস্থায় ফিরে আসতে পেরে কৃতজ্ঞ।’ ভিডিও বার্তায় কেয়ার্নস তার জীবন বাঁচানোর জন্য ক্যানবেরা থেকে সিডনির সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতালের সব চিকিত্সক, নার্স ও বিশেষজ্ঞদের ধন্যবাদ জানান। এছাড়া সব শুভকাঙ্খি ও তার ভক্ত-সমর্থকদের প্রতি জানিয়েছেন কৃতজ্ঞতা।