ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলে নতুন দলের ক্যাপ্টেন হতে ইচ্ছুক ওয়ার্নার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:৪০ এএম, ১৪ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ তো বটেই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সেরা ব্যাটম্যানদের তালিকাতেও থাকবেন ডেভিড ওয়ার্নার। অধিনায়ক হিসেবেও হায়দরাবাদকে সাফল্য এনে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ এই ওপেনার। ২০১৬ সালে ওয়ার্নারের ক্যাপ্টেন্সিতেই আইপিএল জিতেছিল হায়দরাবাদ। গত মৌসুম থেকে টিমের হাল খারাপ। ওয়ার্নার তাও রান পেয়েছিলেন গতবার। কিন্তু এবার কার্যত রানই পাননি অজি ব্যাটসম্যান। সেই কারণেই সাফল্য পায়নি হায়দরাবাদ। মাঝপথে ক্যাপ্টেন্সি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে টিম থেকেও বাদ পড়েন।

আইপিএলের এবারের আসরেও দলটির অধিনায়ক হিসেবে ছিলেন ওয়ার্নার। তবে দল হিসেবে শুরুটা ভালো করতে না পারায় অধিনায়কত্ব হারান তিনি। এ প্রসঙ্গে ওয়ার্নার বলেন, ‘আমি কি কারণে হায়দরাবাদের অধিনায়কত্ব হারিয়েছি সেটার ব্যাখ্যা জানি না।’

যার কারণেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করে ফেলেছেন তিনি। আর তা নিয়ে ডেভিড ওয়ার্নারের অভিযোগ থেকে অভিমান সবই রয়েছে। অজি ক্রিকেটার এরই মধ্যে আগামী আইপিএল নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করে দিয়েছেন। পরের মৌসুমে নতুন কোনও টিমে যে তিনি যাবেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। একই সঙ্গে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকরা তাকে ক্যাপ্টেনও করতে চাইছেন।

সেই ওয়ার্নারই বলছেন, আগামী মৌসুমে আইপিএলে দুইটি নতুন টিম আসছে। কারা টিম দুইটি কিনছে, তা অবশ্য এখনও ঠিক হয়নি। প্রশ্ন হল, এই রকম কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি যদি আমাকে ক্যাপ্টেন্সি দিতে চায়, রাজি হব আমি? এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, আমি ভীষণভাবে ক্যাপ্টেন্সি পছন্দ করি, উপভোগ করি। ক্যাপ্টেন হিসেবে মাঠে যখন নামি, তখন কিন্তু বেশিমাত্রায় ভালো খেলি। অনেক বেশি দায়িত্ব নিই।’



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ০৩:০০ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাতার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নেমেছিলো আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রেলিয়া। বাঁচা মরার সে লড়াইয়ে কাগজে-কলমে ইউরোপের দলটির থেকে এগিয়ে থেকেই মাঠের লড়াইয়ে নেমেছিলো আলবিসিলেস্তেরা। তবে শঙ্কাও ছিলো পথ হারানোর। তবে সব সমীকরণ উতরে নানা নাটকীয়তার পর ২-১ গোলে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রাখার চেষ্টা করতে থাকে আর্জেন্টিনা। আর ম্যাচের শুরু থেকেই লিওনেল মেসিকে কড়া মার্কিংয়ে রাখেন প্রতিপক্ষের ফুটবলাররা। ম্যাচের ৯ মিনিটে মাঝমাঠের একটু সামনে থেকে দারুণ এক ডিফেন্স চেরা পাস দিয়েছিলেন নিকোলাস ওতামেন্দি। তবে তার বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেন নি জুলিয়ান আলভারেজ।

১৫ মিনিটে মার্কাস আকুনাকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন জ্যাকসন আরভিন। ১৭ মিনিটে গোলমুখে প্রথম শট নেন পাপু গোমেজ। তবে তার শট পোষ্টে নয় চলে যায় গ্যালারিতে। ২৩ মিনিটে আর্জেন্টিনার রক্ষণে প্রথম আক্রমণ চালায়। তবে লেকির নেয়া শট কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করেন আকুনা। ২৭ মিনিটে লম্বা পাস ধরে আবার আক্রমণের চেষ্টা করে সকারুরা। তবে বিপদমুক্ত করেন ওতামেন্দি।

২৮ মিনিটে দ্বিতীয় কর্নার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ৩৫ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে পাপু গোমেজকে ফাউল করেন আজিজ বেহিচ। সেখান থেকে সুবিধাজনক স্থানে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির নেয়া বাকানো শট সরাসরি জালের দিকে গেলে অজি গোলরক্ষক। সেখান থেকে বল পান ম্যাক অ্যালিস্টার। তার বাড়ানো বল ধরে মাটি কামড়ানো শটে অজি ডিফেন্ডারদের ফাঁক গলিয়ে বল জালে জড়ান লিওনেল মেসি।

বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে এটিই মেসির প্রথম গোল।

৩৮ মিনিটে আবারো আকুনাকে ফাউল করে ম্যাচের দ্বিতীয় হরুদ কার্ড দেখেন ডেগনেক। ম্যাচের বাকি সময়ে আর গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোন দলই।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর ৫ মিনিট পরই দলে পরিবর্তন আনে আর্জেন্টিনা। পাপু গোমেজের বদলি হিসেবে লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে নামান স্কালোনি। ৫১ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণে ভাল সুযোগ পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তবে তার দুর্বল শটটি ধরতে গোলরক্ষককে কষ্ট করতে হয়নি। দুই মিনিট পর বিপদ হতে পারতো আর্জেন্টিনার। আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের ভুল ব্যাক পাস থেকে বল প্রায় ছিনিয়ে নিচ্ছিলো অস্ট্রেলিয়া। তবে দ্বিতীয়বারের মত বিপদমুক্ত করেন মার্টিনেজ।

উল্টো ৫৭ মিনিটে তেমনই এক ভুলে দ্বিতীয় গোল খেয়ে বসে অস্ট্রেলিয়া। সুন্দর এক ব্যাক হিলে গোলরক্ষকে বোকা বানান জুলিয়ান আলভারেজ। বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে গোলর দেখা পেলেন তিনি। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা। ৫৮ মিনিটে একাদশে জোড়া পরিবর্তন আনে অস্ট্রেলিয়াও। ৬৫ মিনিটে ম্যাচে একক প্রচেষ্টায় চারজনকে কাটিয়ে বল নিয়ে বের হয়ে যায় মেসি। তবে সেখান থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। এর কিছু সময় পর জুলিয়ান আলভারেজ ও আকুনার বদলে মাঠে নামে লাউতারো এবং তাগলিয়াফিকোকে। ৭৫ মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে আক্রমণে যান তাগলিয়াফিকো। তবে পোষ্টে নেয়া তার শটে পা ছোয়ানোর মতো দুরত্বে ছিরেন না তার কোন সতীর্থ ফুটবলার।

তবে ৭৭ মিনিটে ম্যাচে ফেরার আভাস দেয় অস্ট্রেলিয়া। ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শট নেন বদলি হিসেবে নামা গুডউইন। তার দূরপাল্লার শট এনজো ফার্নান্দেজের মাথায় লেগে গতিমুখ পরিবর্তন হয়ে যায় বলের। সেকেন্ড পোষ্ট ধরে জালে জড়ায় বল। আর আত্নঘাতী এই গোলে ব্যবধান কমিয়ে ২-১ এ নিয়ে আসে সকারুরা। যা বিশ্বকাপের চলতি আসরে দ্বিতীয় আত্নঘাতী গোল।

গোলের আশায় ৮০ মিনিটে আরো দুটি পরিবর্তন করে স্কালোনি। মলিনা ও ম্যাকঅ্যালিস্টারকে বসিয়ে দেন স্কালোনি। তাদের পরিবর্তে মাঠে নামে প্যালাসিও-মন্ট্রিয়েল। ৮১ মিনিটে সমতায় ফিরেই গিয়েছিলো অস্ট্রেলিয়া। তবে দূর থেকে দৌড়ে এসে দারুণ ক্ষিপ্রতায় সে বল ক্লিয়ার করেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। বেঁচে যায় আকাশি-নীলরা।

ম্যাচের বাকিটা সময় গোল মিসের মহড়া বসায় বদলি হিসেবে নামা লাউতারো মার্টিনেজ। মেসির বানিয়ে দেয়া তিনটি সুযোগ নষ্ট করেন বেখেয়ালিপনায়। ৯০ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে বাঁকানো এক শট নেন মেসি। বারের কয়েক ইঞ্চি পাশ দিয়ে তা বাইরে চলে গেলে হতাশা বাড়ে লিওনেল মেসিদের। তবে নকআউটে আর্জেন্টিনার জয়ের অন্যতম কারিগর বলা যায় গোলরক্ষক ইমিলিয়ানো মার্টিনেজকে। ম্যাচের অন্তিম মুহুর্তে গোলের নিশ্চিত সুযোগ হারান অস্ট্রেলিয়ার কুউল। ফাঁকা পোষ্ট পেয়েও ইমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করতে পারেন নি তিনি। এক হাতে তার বল আটকে দিয়ে পরের নিজেই তা গ্লাভসবন্দী করলে জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার।

শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে জয়োধ্বনিতে কম্পমিত হয় পুরো আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়াম। দ্বিতীয় দল হিসেবে ২২তম বিশ্বকাপে শেষ আটে পা রাখে লিওনেল মেসি-দি পলরা। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।


কাতার বিশ্বকাপ   আর্জেন্টিনা   অস্ট্রেলিয়া   আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ব্যবধান কমালো অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশ: ০২:৪৫ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

৭৭ মিনিটে দারুণ এক শট নেন বদলি হিসেবে নামা গুডউইন। তার দূরপাল্লার শট এনজো ফার্নান্দেজের মাথায় লেগে গতিমুখ পরিবর্তন হয়ে যায় বলের। সেকেন্ড পোষ্ট ধরে জালে জড়ায় বল। ব্যবধান কমিয়ে ২-১ এ নিয়ে আসে সকারুরা।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আলভারেজের গোলে ব্যবধান বাড়ালো আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ০২:২৪ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

৫১ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণে ভাল সুযোগ পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তবে তার দুর্বল শটটি ধরতে গোলরক্ষককে কষ্ট করতে হয়নি। দুই মিনিট পর বিপদ হতে পারতো আর্জেন্টিনার। আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের ভুল ব্যাক পাস থেকে বল প্রায় ছিনিয়ে নিচ্ছিলো অস্ট্রেলিয়া। তবে দ্বিতীয়বারের মত বিপদমুক্ত করেন মার্টিনেজ। 

উল্টো ৫৭ মিনিটে তেমনই এক ভুলে দ্বিতীয় গোল খেয়ে বসে অস্ট্রেলিয়া। সুন্দর এক ব্যাক হিলে গোলরক্ষকে বোকা বানান জুলিয়ান আলভারেজ। বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে গোলর দেখা পেলেন তিনি। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা।


কাতার বিশ্বকাপ   আর্জেন্টিনা   অস্ট্রেলিয়া   আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

প্রথমার্ধ শেষে এগিয়ে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ০১:৫৮ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

রাউন্ড অব সিক্সটিনের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে এগিয়ে রয়েছে আর্জেন্টিনা। ক্যারিয়ারের পঞ্চম বিশ্বকাপে এসে নকআউট পর্বে প্রথম গোলের দেখা পেলেন লিওনেল মেসি। তার একমাত্র গোলেই এগিয়ে থেকে বিরতিতে গিয়েছে আকাশি-নীলরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রাখার চেষ্টা করতে থাকে আর্জেন্টিনা। আর ম্যাচের শুরু থেকেই লিওনেল মেসিকে কড়া মার্কিংয়ে রাখেন প্রতিপক্ষের ফুটবলাররা। ম্যাচের ৯ মিনিটে মাঝমাঠের একটু সামনে থেকে দারুণ এক ডিফেন্স চেরা পাস দিয়েছিলেন নিকোলাস ওতামেন্দি। তবে তার বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেন নি জুলিয়ান আলভারেজ।

১৫ মিনিটে মার্কাস আকুনাকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন জ্যাকসন আরভিন। ১৭ মিনিটে গোলমুখে প্রথম শট নেন পাপু গোমেজ। তবে তার শট পোষ্টে নয় চলে যায় গ্যালারিতে। ২৩ মিনিটে আর্জেন্টিনার রক্ষণে প্রথম আক্রমণ চালায়। তবে লেকির নেয়া শট কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করেন আকুনা। ২৭ মিনিটে লম্বা পাস ধরে আবার আক্রমণের চেষ্টা করে সকারুরা। তবে বিপদমুক্ত করেন ওতামেন্দি।

২৮ মিনিটে দ্বিতীয় কর্নার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ৩৫ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে পাপু গোমেজকে ফাউল করেন আজিজ বেহিচ। সেখান থেকে সুবিধাজনক স্থানে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির নেয়া বাকানো শট সরাসরি জালের দিকে গেলে অজি গোলরক্ষক। সেখান থেকে বল পান ম্যাক অ্যালিস্টার। তার বাড়ানো বল ধরে মাটি কামড়ানো শটে অজি ডিফেন্ডারদের ফাঁক গলিয়ে বল জালে জড়ান লিওনেল মেসি।

বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে এটিই মেসির প্রথম গোল।

৩৮ মিনিটে আবারো আকুনাকে ফাউল করে ম্যাচের দ্বিতীয় হরুদ কার্ড দেখেন ডেগনেক। ম্যাচের বাকি সময়ে আর গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোন দলই। 


কাতার বিশ্বকাপ   আর্জেন্টিনা   অস্ট্রেলিয়া   আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

নকআউটে মেসির প্রথম গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ০১:৪৪ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রাখার চেষ্টা করতে থাকে আর্জেন্টিনা। আর ম্যাচের শুরু থেকেই লিওনেল মেসিকে কড়া মার্কিংয়ে রাখেন প্রতিপক্ষের ফুটবলাররা। ম্যাচের ৯ মিনিটে মাঝমাঠের একটু সামনে থেকে দারুণ এক ডিফেন্স চেরা পাস দিয়েছিলেন নিকোলাস ওতামেন্দি। তবে তার বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেন নি জুলিয়ান আলভারেজ।

১৫ মিনিটে মার্কাস আকুনাকে পা।ুল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন জ্যাকসন আরভিন। ১৭ মিনিটে গোলমুখে প্রথম শট নেন পাপু গোমেজ। তবে তার শট পোষ্টে নয় চলে যায় গ্যালারিতে। ২৩ মিনিটে আর্জেন্টিনার রক্ষণে প্রথম আক্রমণ চালায়। তবে লেকির নেয়া শট কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করেন আকুনা। ২৭ মিনিটে লম্বা পাস ধরে আবার আক্রমণের চেষ্টা করে সকারুরা। তবে বিপদমুক্ত করেন ওতামেন্দি।

২৮ মিনিটে দ্বিতীয় কর্নার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ৩৫ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে পাপু গোমেজকে ফাউল করেন আজিজ বেহিচ। সেখান থেকে সুবিধাজনক স্থানে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির নেয়া বাকানো শট সরাসরি জালের দিকে গেলে অজি গোলরক্ষক। সেখান থেকে বল পান ম্যাক অ্যালিস্টার। তার বাড়ানো বল ধরে মাটি কামড়ানো শটে অজি ডিফেন্ডারদের ফাঁক গলিয়ে বল জালে জড়ান লিওনেল মেসি।

বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে এটিই মেসির প্রথম গোল। 


কাতার বিশ্বকাপ   আর্জেন্টিনা   অস্ট্রেলিয়া   আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়াম।  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন