টেক ইনসাইড

বড়দিনেই যাত্রা শুরু করলো জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ

প্রকাশ: ০১:৩৯ পিএম, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ক্রিসমাসের দিন মহাকাশে পাড়ি দিলো নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। মহাকাশের জন্মলগ্নের ছবি তুলবে এই টেলিস্কোপ। এখনও পর্যন্ত পৃথিবীর পাঠানো সবথেকে শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপটিক এটি। 

গত শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা বেজে ২০ মিনিটে এই অজানার সন্ধানেই পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরু করে নাসার এই নতুন টেলিস্কোপটি। 

সৌরজগতের অনেকটা জানা হলেও, তার বাইরের মহাবিশ্ব সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানে না মানুষ। হাবল স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে সৌরজগতের বাইরেও পৃথিবী-সম গ্রহের সন্ধান মিলেছে ঠিকই, কিন্তু সেগুলির সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। আর সেই রহস্য জানতেই নাসার এই নতুন উদ্যোগ। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বেশ কিছুটা দেরি হয়েছে। তবে, শেষ পর্যন্ত ক্রিসমাসের দিনেই ফ্রেঞ্চ গায়ানার কৌরো স্পেস সেন্টার থেকে, 'আরিয়ান ৫'  রকেটের মাধ্যমে মহাকাশে পাড়ি দিল জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। 

জেমস ওয়েব নাসার প্রাক্তন ডিরেক্টর। তাঁর নামেই নতুন মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্রটির নাম রাখা হয়েছে। প্রায় তিন দশক ধরে, কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ করে তৈরি করা হয়েছে এই টেলিস্কোপটি। এর আগে ১৯৯০ সালে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল হাবল স্পেস টেলিস্কোপ, যা মহাকাশ চর্চার এক নতুন দিক খুলে দিয়েছিলো। ওয়েব টেলিস্কোপ, কিংবদন্তি হাবলের পদাঙ্ক অনুসরণ করলেও, এটির কক্ষপথ হাবলের থেকে অনেকটাই বড়। হাবল যেখানে পৃথিবীর ৬০০ কিলোমিটার দূরের কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে, সেখানে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের কক্ষপথ পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে। আর এর প্রধান উদ্দেশ্য, জন্মের সময়, অর্থাৎ প্রায় ১৪ বিলিয়ন বা ১৪০০ কোটি বছর আগে মহাবিশ্ব কেমন দেখতে ছিল, সেই ছবি মানুষের সামনে তুলে ধরা।

পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে জটিল ইঞ্জিনিয়ারিং গুলোর একটা এই টেলিস্কোপ। বিশাল সাইজের জন্য এঁকে 'ভাঁজ' করে রকেটে ভরে পাঠানো হচ্ছে। ৩০০এর বেশি সূক্ষ্ম মেকানিকাল পার্টকে ঠিকমতো কাজ করতে হবে এই ভাঁজ খুলতে। একটা পার্ট ফেইল করলেই ১০০০ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই টেলিস্কোপটি অকেজো হয়ে যাবে। এজন্যই এতো বছরের টেস্টিং সূক্ষ্মভাবে বারবার চেক করা হয়েছে। 

কয়েকশো কোটি বছর আগে যখন ছায়াপথ প্রথম তৈরি হয়েছে বা প্রথম নক্ষত্র গঠিত হয়েছে, সেই সময় তাদের থেকে যে দুর্বল আভা নির্গত হয়েছে, তা সনাক্ত করার জন্য এই রকম শক্তিশালী টেলিস্কোপই প্রয়োজন। নাসার বিজ্ঞানীদের আশা, সব প্রক্রিয়া শেষ করে ওয়েব টেলিস্কোপ পুরোদমে কাজ শুরু করতে পারবে ২০২২ সালের জুন মাসেই।


নাসা   মহাকাশ   হাবল টেলিস্কোপ  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

ধীরে ধীরে বাড়ছে দেশের মোবাইল গেম ইন্ডাস্ট্রি

প্রকাশ: ১১:১৩ এএম, ০২ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

একটি পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে, মোবাইল গেম ইন্ডাস্ট্রির ৮০ বিলিয়ন ডলারের বাজার ধরতে বাংলাদেশেই শতাধিক গেমিং কোম্পানি গড়ে উঠছে। সাথে তৈরি হচ্ছে কর্মসংস্থান, লগ্নি করছে বিনিয়োগকারীরা। সম্ভাবনাময় এই বাজারে আমাদে দেশের অবদান মাত্র ৫০-৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা কিনা মাত্র এক শতাংশেরও নিচে। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখানে অনেক সম্ভাবনার সুযোগ রয়েছে। ২০১৯ সালে ভারতের মোবাইল গেমস নির্মাতা কোম্পানি মুনফ্রগ ল্যাবস বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে এবং এখানে তাদের অঙ্গসংগঠন উল্কা গেমস লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করে। সম্প্রতি মুনফ্রগ ল্যাবস এবং উল্কা গেমস লিমিটেডের শতভাগ শেয়ার বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭৫০ কোটি টাকার বিনিময়ে অধিগ্রহণ করেছে সুইডেনভিত্তিক মোবাইল গেমস নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান স্টিলফ্রন্ট গ্রুপ। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের মোবাইল গেমিং কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলো।

ইতিমধ্যে মুনফ্রগ ল্যাবস ও উল্কা গেমস লিমিটেডের লুডো ক্লাব, তিন পাত্তি গোল্ড, আড্ডা, ক্যারম ইত্যাদি গেম বিশ্বব্যাপী বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। আলফা পটেটো, বাংলাদেশের আরেকটি পুরাতন এবং স্বনামধন্য গেম স্টুডিও। তারা তাদের প্রকাশক লায়ন স্টুডিওর সঙ্গে মিলে জনপ্রিয় গেমস আই পিল গুড, আইসিং অন দ্য কেক, পন শপ মাস্টার, প্র্যাঙ্ক মাস্টার থ্রিডি তৈরি করেছে। রাইজ আপ ল্যাবস সর্বপ্রথম তাদের ট্যাপ ট্যাপ অ্যান্ট গেম দিয়ে পরিচিতি লাভ করে। এরা ট্রেজার আইল্যান্ড নামক গেম নিয়ে রবির সঙ্গে এবং মিনা নিয়ে ইউনিসেফের সঙ্গে কাজ করছে। বর্তমানে কোম্পানিটি লুডু খেলা ভিত্তিক গেম নিয়ে কাজ করছে যা বছরের শেষ নাগাদ প্রকাশ পাবে। 

এ ছাড়াও থান্ডার গেমস ও প্লেয়েন্স বিদেশি নামকরা প্রকাশক কোম্পানির সঙ্গে কাজ করছে নতুন নতুন গেম নিয়ে আসার জন্য। 

উল্কা গেমসের প্রধান নির্বাহী জামিলুর রশিদ বলেন, দেশীয় তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো দেশের রাজস্ব বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। প্রতিষ্ঠানগুলো ২০২০-২১ অর্থবছরে ১০ কোটি টাকা ভ্যাট-ট্যাক্স দেবে বলে প্রত্যাশা করছে।

গেম ইন্ডাস্ট্রি  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

এক লাখ ডলারে বিক্রি হলো বিশ্বের প্রথম এসএমএস

প্রকাশ: ০৮:১৪ পিএম, ২২ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিশ্বের এই প্রথম এসএমএস ছিল খুবই ছোট, তাতে লেখা হয়েছিল, 'মেরি ক্রিসমাস'। ভোডাফোন জানিয়েছে, ননফাঞ্জিবল টোকেন(এনএফটি)-এর আকারে এই এসএমএস বিক্রি করা হয়। একটি নিলামের মাধ্যমে এক লাখ ডলারে বিক্রি হয় এসএমএসটি। 

মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) প্যারিসে এই নিলামে হয়। এই নিলাম থেকে পাওয়া পুরো অর্থ ভোডাফোন কোম্পানি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাকে দিয়েছে।

তবে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হওয়া এসএমএসটি যিনি কিনেছেন তার সম্পর্কে কোন কিছু জানা যায়নি। তবে তিনি এক লাখ সাত হাজার ডলারে এই এসএমএস কিনে ডিজিটাল যুগে একটা ইতিহাস তৈরি করেন। তাকে এই এসএমএসের একটা ডিজিটাল ছবি ফ্রেমে বাঁধিয়ে দেয়াও হয়েছে।

প্যারিসের যে নিলাম সংস্থায় প্রথম এসএমএসের নিলাম হয়েছে, তাদের ধারণা ছিল, এটা এক থেকে দুই লাখ ডলারে বিক্রি হবে। এই এসএমএসটি ১৯৯২ সালের ৩ ডিসেম্বর করা হয়েছিল। প্রোগ্রামার নীল প্যাপওয়ার্থ এই মেসেজটি তার সহকর্মী রিচার্ড জার্ভিসকে করেছিলেন। রিচার্ড তখন ক্রিসমাস পার্টিতে ছিলেন।

ভোডাফোন জানিয়েছে, পুরো অর্থ জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর-কে দিয়ে দেয়া হবে। ইউএনএইচসিআরের সার্ভিস হেডকে উদ্ধৃত করে ভোডাফোন জানিয়েছে, প্রযুক্তি সবসময় নতুন কিছু দেয় এবং বিশ্বকে পরিবর্তন করে। আর এই প্রযুক্তির ফল সামাজিক ক্ষেত্রেও পড়া উচিত। ইউএনএইচসিআর শরণার্থীদের সাহায্য করুক। তাদের জীবন পরিবর্তন করুক। সুত্র: ডয়েচে ভেলে 

ভোডাফোন   জাতিসংঘ   শরণার্থী  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

যশোরে শেখ হাসিনা টেকনোলজি পার্ক

প্রকাশ: ০৬:৫৫ পিএম, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

জনগণকে অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল করে তোলার লক্ষ্যে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তথ্য প্রযুক্তি (আইটি) কেন্দ্র হিসেবে যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।

২০১৭ সালে ২৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই পার্ক প্রযুক্তিভিত্তিক কাজের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।

আইটি পার্ক এলাকাটিকে আইটি খাতের প্রবৃদ্ধির জন্য আরো উপযোগী করে তোলা হয় এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আইটি কেন্দ্রে পরিণত হয়।

 চোখ ধাঁধানো সবুজ এবং হ্রদে ঘেরা এই পার্কে বিপুল সংখ্যক উদ্যোক্তার জন্য উদ্যোক্তার অবকাঠামো নির্মিত হচ্ছে, এতে ২ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। কেন্দ্রটি সফটওয়্যার উন্নয়ন, ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং, কল সেন্টার এবং গবেষণা ও উন্নয়নে কাজ করার সুবিধা প্রদান করছে।

পার্ক কর্তৃপক্ষের মতে, মোট ৫৬ জন উদ্যোক্তা ইতোমধ্যে পার্কটিতে বিনিয়োগ করেছে এবং ৪৬ জন বর্তমানে কাজ করছে। এতে ২ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।

যশোর আইটি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাকিব হাসান তার পার্ক অফিসের ২২ জন কর্মচারি নিয়ে আউট সোর্সিং ফার্ম পরিচালনা করছেন, যেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কাজ করছে। গত অর্থ বছরে তার কোম্পানি প্রায় ২ কোটি টাকা রেমিট্যান্স আয় করেছে।
 
রাকিব বলেন, শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের মতো অবকাঠামোগত সুবিধা মূলত উদ্যোক্তাদের জন্য কাজের পরিবেশ তৈরি করেছে এবং নতুন স্টার্টআপ চালু করতে সাহায্য করেছে।

 অ্যাবাকাস সফট বিডি লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং যশোর স্টার্টআপের সভাপতি জহির ইকবালও টেকনোলজি পার্ক থেকে তার কোম্পানি পরিচালনা করছেন যেখানে তার কোম্পানি তরুণদের আইটি প্রশিক্ষণ দেয় এবং ফ্রিল্যান্সিং ভিত্তিতে সফটওয়্যার তৈরি করে।
 
তিনি বলেন, ‘পার্কে আমার দুটি অফিস আছে। আমরা প্রশিক্ষণ এবং সফটওয়্যার ভিত্তিক আইটি পণ্য নিয়ে কাজ করি। আমরা ইতোমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত থেকে কিছু আইটি পণ্য আমদানি করেছি।’

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ও ইউনাইটেড নেশন ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী যুব উদ্যোক্তা জহির বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নামে এমন অবকাঠামো গড়ে তোলার কারণে আমরা অনেক এগিয়েছি। আমার মতো অনেক উদ্যোক্তা এবং স্টার্টআপ এখানে স্থান নিয়েছে এবং সরকারি উদ্যোগে তথ্য-প্রযুক্তি সম্পর্কিত জ্ঞান আহরণ করতে পেরে আমরা গর্বিত।’
 
২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জেলা শহরের বেজপাড়া এলাকায় ১২ দশমিক ১২ একর জমির উপর এই প্রযুক্তি পার্কটি নির্মিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী পরে ২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর তার নামে এই পার্কের উদ্বোধন করেন।

গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি (বিএইচটিসি)-র দেশের প্রথম ন্যাশনাল টায়ার ৪ ডেটা সেন্টারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকআপ প্রদান করে পার্কটিকে তিন পেটাবাইট ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ডিজাস্টার রিকভারি ডেটা সেন্টার’ নামে দেশের দ্বিতীয় ডেটা সেন্টার হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।
 
১৫ তলা এমটিবি বিল্ডিং, ১২ তলা থ্রি স্টার মানের ডরমেটরি ভবন, একটি অত্যাধুনিক কনভেনশন সেন্টার এবং আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংসহ পার্কটিতে ২ লাখ ৩২ হাজার বর্গফুট জায়গা রয়েছে, এখানে ২০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে।

 মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ২৮৫ বর্গফুট জায়গা ইতোমধ্যে ৫৬ উদ্যোক্তাকে ভাড়া দেয়া হয়েছে এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধী ১৫ তলা এমটিবি ভবনে আরো ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৫৫ বর্গফুট জায়গা ভাড়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
 
একটি বেসরকারি সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা কোম্পানি টেকসিটি বাংলাদেশ লিমিটেড পার্কটি পরিচালনা করছে।

যশোর জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান বলেন, দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে পার্কে বিনিয়োগকারী উদ্যোক্তাদের ১০ বছরের জন্য কর-অবকাশ সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, পার্কের উদ্যোক্তরা মূলধনী যন্ত্রপাতির কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ছাড় পাচ্ছেন এবং দক্ষ পেশাদাররা তিন বছরের জন্য আয়কর অবকাশ পাবেন।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে এখন প্রায় ১ হাজার যুবক কাজ করছে, যা বাণিজ্য বহুমুখীকরণে সরকারকে সহায়তা করবে।
 
প্রযুক্তি শিল্প থেকে রফতানি আয় ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার এবং পরিষেবা খাত থেকে আইটি পণ্য রফতানি করে ২০২৫ সাল নাগাদ ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য রয়েছে।

যশোর   শেখ হাসিনা টেকনোলজি পার্ক  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

মঙ্গলগ্রহে পানির সন্ধান

প্রকাশ: ১০:১৭ এএম, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

পৃথিবীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের মতো গিরিখাত মঙ্গলেও আছে। আর এর মধ্যেই পানির সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ইউরোপিয়ান মহাকাশ সংস্থার বিজ্ঞানীরা মঙ্গল গ্রহকে প্রদক্ষিণকারী অরবিটারের মাধ্যমে এ পানির সন্ধান পেয়েছেন। 

২০১৬ সালে ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি এবং রোসকসমসর যৌথভাবে চালু করে ‘দ্য এক্সোমার্স ট্রেস গ্যাস অরবিটার’ মিশন। এর আওতায় মঙ্গলের গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন ‘ভ্যালিস মেরিনেরিস’-এ পানির অস্তিত্ব শনাক্ত হলো। মঙ্গলের ‘ভ্যালিস মেরিনারিস’ গিরিখাত যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের গিরিখাত ‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন’-এর চেয়ে ১০ গুণ দীর্ঘ, ৫ গুণ গভীর ও ২০ গুণ প্রশস্ত। গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন দৈর্ঘ্যে ২৭৭ মাইল, প্রস্থে সর্বোচ্চ ১৮ মাইল ও সর্বোচ্চ গভীরতা ১ মাইলেরও বেশি।

ইউরোপিয়ান মহাকাশ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলের ওই গিরিখাতের পৃষ্ঠতলে পানি রয়েছে। ‘দ্য এক্সোমার্স ট্রেস গ্যাস অরবিটার’-এর ফাইন রেজুলেশন এপিথার্মাল নিউট্রন ডিটেক্টরের মাধ্যমে এ পানি শনাক্ত হয়েছে। এ ডিটেক্টর মঙ্গল পৃষ্ঠের ১ মিটার (৩ দশমিক ২৮ ফুট) গভীরের মাটির হাইড্রোজেন ম্যাপিং করতে সক্ষম। মঙ্গলে বেশিরভাগ পানি মেরু অঞ্চলে বরফ আকারে রয়েছে। তবে ভ্যালিস মেরিনারিস গিরিখাতটি মঙ্গলের বিষুবরেখার ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত। সেখানে যে তাপমাত্রা থাকার কথা তাতে পানি বরফ আকারে থাকার জন্য যথেষ্ট ঠাণ্ডা নয়।

২০১৮ সালের মে থেকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংগ্রহ করা তথ্য বিশ্লেষণ করে এই পানির বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মঙ্গল গ্রহ   পানি  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের উপর নজর হ্যাকাদের

প্রকাশ: ০৩:৪৯ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিভিন্ন আড়ি পাতার সফটওয়্যার তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান ও তাদের গ্রাহকেরা প্রায় ১০০টি দেশের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ৫০ হাজার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীর ওপর নজরদারি করেছে, যার মাঝে ছিলো বাংলাদেশিরাও। 

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) এ–সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা।

আড়ি পাতার এসকল প্রতিষ্ঠানগুলো অধিকারকর্মী, ভিন্ন মতাদর্শের মানুষ ও সাংবাদিকদেরকে নজরদারিতে রেখেছে। এখন এসব প্রতিষ্ঠানসংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট ও পেজগুলো সরিয়ে নিয়েছে মেটা। এরপর ১৭ পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে সাতটি প্রতিষ্ঠানের আড়ি পাতার বা নজরদারির সফটওয়্যার এসব কাজে ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো হলো ইসরায়েলের ব্ল্যাক কিউব, কবওয়েবস টেকনোলজিস, কগনাইট, ব্লুহোয়াক সিআই। এ ছাড়া রয়েছে ভারতের বেলট্রক্স, উত্তর মেসিডোনিয়ার সাইট্রক্স ও চীনের একটি প্রতিষ্ঠান। তবে চীনের প্রতিষ্ঠানটির নাম উল্লেখ করেনি মেটা।

মেটার প্রতিবেদনে বলা হয়, কবওয়েবসের নজরদারিতে রয়েছে বাংলাদেশ, হংকং, যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ড, মেক্সিকো, সৌদি আরব, পোল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকেরা। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, আইনসংশ্লিষ্ট বিষয়-আশায় তারা নজরদারি করত। মেক্সিকো ও হংকংয়ে সরকারের কর্মকর্তা, বিরোধী নেতা, অধিকারকর্মীদের ওপর প্রায়ই নজরদারি করা হতো।

কোন কোন প্রতিষ্ঠান কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে, তারও একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, কবওয়েবসের নিজেদের অ্যাকাউন্ট ও তাঁদের গ্রাহকদের প্রায় ২০০টি অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের অফিস রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার, ফ্লিকার, জনসাধারণ ব্যবহার করে এমন ওয়েবসাইট ও ‘ডার্ক ওয়েবে’ নজরদারি করা যায়, এমন প্রযুক্তি বিক্রি করে কবওয়েবস। এই নজরদারি ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যও সংগ্রহ করা যায় এই কবওয়েবসের প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

মেটার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের প্ল্যাটফর্মগুলোয় থাকা প্রায় দেড় হাজার পেজ ও অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসব পেজ ব্যবহার করে মূলত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হতো। নীতিমালা ভঙ্গের দায়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যেসব ব্যবহারকারীর ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল, তাঁদের বিষয়টি জানানো হয়েছে।


ফেসবুক   ইন্সটাগ্রাম   হ্যাকার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন