টেক ইনসাইড

বিশ্বব্যাপী হুমকির মুখে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা?

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail বিশ্বব্যাপী হুমকির মুখে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা?

গতকাল বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে পালিত হয়েছে ‘ডাটা প্রাইভেসি ডে’ বা ‘আন্তর্জাতিক তথ্য সুরক্ষা দিবস’। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সংগঠন ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাডের তথ্যমতে, বিশ্বের ১৯৪টি দেশের মধ্যে ১২৮টিতে তথ্য সুরক্ষা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার আইন রয়েছে। অন্যান্য দেশের মতো আমাদের সংবিধানের ৪৩ (খ) নম্বর অনুচ্ছেদেও প্রাইভেসি রাইটস বা ব্যক্তির তথ্য সুরক্ষা ও গোপনীয়তা মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃত। তবে সংবিধানে তথ্য সুরক্ষা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার রক্ষার কথা বলা থাকলেও প্রতিনিয়ত লঙ্ঘিত হচ্ছে ব্যক্তির গোপনীয়তা। ব্যক্তিগত রেষারেষিতে ফোনালাপ ফাঁস থেকে শুরু করে অডিও-ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং মুহূর্তেই তা পৌঁছে যাচ্ছে কোটি মানুষের হাতের নাগালে। রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক, কারও ব্যক্তিগত গোপনীয়তাই আর নিরাপদ থাকছে না। বিশেষ করে দুনিয়া ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করার পর ব্যক্তিগত সব তথ্য চলে যাচ্ছে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর কাছে। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি খাতেও নানাভাবে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ব্যক্তি কোন তথ্যটি দেবেন, বা ব্যক্তির কাছে কতটা তথ্য চাওয়া যায়, সেই বোধ তৈরি না হওয়ার কারণে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা অনেকটাই হুমকির মুখে রয়েছে বলে মনে করেন সামাজিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

কিছুদিন আগে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের একটি টেলিফোন আলাপ ফাঁস নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল । সেই ফোনালাপ ফাঁসের জেরে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিত্বও খোয়াতে হয় তাকে। এর আগেও একাধিক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের টেলিফোন আলাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনা ঘটে। শুধু ফোনালাপ নয়, টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনেকের একান্ত ব্যক্তিগত অডিও-ভিডিওসহ নানা তথ্য প্রকাশের ঘটনাও জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের দু’বছর আগের ফোনালাপ কে বা কারা ফাঁস করলো, এ নিয়ে এখনও তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সাম্প্রতিক সময়ে ফোনালাপ ফাঁসের এই প্রবণতা ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ পর্যায়ের অনেকেই জরুরি বা ব্যক্তিগত নানা আলাপের ক্ষেত্রে ফোনে কথা না বলে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি এর সুরক্ষায় এবং নিরাপত্তার বিষয়ে আইন কি বলে, সে নিয়েও আলোচনা চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। বাড়তে থাকা এ প্রবণতা সংবিধানে একজন নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করার নিশ্চয়তার লঙ্ঘন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

যেভাবে লঙ্ঘিত হয় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা

ব্যক্তি পর্যায় থেকে শুরু করে নানাভাবে লঙ্ঘিত হয় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা। প্রথমত, বিশ্বব্যাপী ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা বা তার সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে সাধারণ নাগরিকের ধারণার ঘাটতি রয়েছে। আমরা আপন ভেবে অনেককেই অনেক কিছু বলি, সরল বিশ্বাসে অনেক কিছু করি। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সবচেয়ে বেশি লঙ্ঘিত হয় কাছের মানুষ দ্বারা। কোনো কিছুতে বনিবনা না হলেই দেখা যায় গোপন বিষয়গুলো বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় অথবা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে বিচ্ছেদ হলে একে অপরকে হেয় করার জন্য নিজেদের ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও অনলাইনে ছেড়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও অহরহ ঘটে থাকে। এর পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিষয়গুলোকে জিম্মি করে মানসিকভাবে নির্যাতনও করার উদাহরণও শত শত। কিছু ক্ষেত্রে নিজের অজান্তে হ্যাকারদের মাধ্যমেও গোপনীয় যেকোনো কিছুই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফেসবুকে এবং অন্যান্য যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অনেক ব্যক্তিগত তথ্য আমরা প্রকাশ করে থাকি। এ থেকেও লঙ্ঘিত হতে পারে নিজেদের গোপনীয়তা। আবার নিজেদের ফোন নম্বর, ই-মেইল, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর এসবও নানাভাবে বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছে চলে যায় ব্যক্তিগত তথ্য। আমাদের আত্মরতি আর লোভকে পুঁজি করে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তির তথ্যকে বাণিজ্যিক বা ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করে। আমরা নিজেরাই স্বপ্রণোদিত হয়ে প্রায় সব তথ্য দিয়ে থাকি। সেগুলোর বিশ্লেষণে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আমাদের মনস্তত্ত্ব নিজেদের থেকেও ভালো জানে।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে বাংলাদেশের আইন কি বলছে?

কোনো ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া তার ব্যক্তিগত ফোনালাপের রেকর্ড করা ও তা ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের ‘চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার’ রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের ৭১ ধারায় টেলিফোনে আড়িপাতাকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ৭১ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি অপর দুই জন ব্যক্তির টেলিফোন আলাপে ইচ্ছাকৃতভাবে আড়ি পাতেন, তা হলে প্রথমোক্ত ব্যক্তির, এই কাজ হবে একটি অপরাধ এবং তার জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ৫ (পাঁচ) কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। 

তবে এসব আইন অবশ্য শর্ত প্রযোজ্য। ধারা ৯৭-ক এর অধীন সরকার হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা, তদন্তকারী সংস্থা বা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থার কোন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে এই ধারার বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ আইনের ৯৭-ক ধারায় রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার জন্য এ কাজের বৈধতা দেওয়া হয়েছে। তবে আইন অনুসারে এসব কাজের জন্য সংস্থাগুলো কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অথবা প্রতিমন্ত্রীর অনুমতি নিতে হবে। যদিও এ আইনে কাদের ফোনে আড়ি পাতা যাবে, কত দিন পর্যন্ত তা করা যাবে, এসবের কোনো উল্লেখ নেই। 

সামাজিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্র নিরাপত্তার জন্য চাইলে আড়ি পাততে পারে। পৃথিবীর সব দেশেই এ সংক্রান্ত আইন আছে। বিশেষ করে নাইন-ইলেভেনের পর পৃথিবীর সব রাষ্ট্রই সনাতনী ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যক্তি পর্যায়ে আড়ি পাতার বিধিবিধান করেছে। কিন্তু এগুলো প্রচার করার অধিকার কারোর-ই নেই। কিন্তু দেশে হরহামেশাই ব্যক্তিগত ফোনালাপের রেকর্ড ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। প্রভাবশালী রাজনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তি, সরকারি আমলা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত বা গোপনীয় ফোনালাপও রেকর্ড এবং ফাঁস হচ্ছে। বিশেষ করে রাজনীতিবিদদের একাধিক ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। সবশেষ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দুই বছর আগের ব্যাক্তিগত ফোনালাপ ফাঁস হয়ে গেল। এর আগে রাজনীতিবিদ মেয়র জাহাঙ্গীরের ফোনালাপ ফাঁস হয়েছিল। এর আগে নিক্সন চৌধুরীর ফোনালাপ ফাঁস হয়েছিল। তারও আগে মামুনুল হক। সমাজেও এর চাহিদা আছে। বিশেষ করে বেআইনী, অশালীন, অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো মানুষের মধ্যে কৌতুহল সৃষ্টি করে। মানুষকে সুড়সুড়ি দেয়। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বেআইনী বিষয়গুলো থেকে আমাদের মধ্যে কিছু মানুষ বিনোদন পায়। এগুলো কোনোভাবেই উৎসাহ দেওয়া উচিত নয় এবং এগুলো বন্ধ করা উচিত বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা   আন্তর্জাতিক তথ্য সুরক্ষা দিবস   মানবাধিকার  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

কর্মীদের বেতন দ্বিগুণ করছে মাইক্রোসফট

প্রকাশ: ১০:৩৪ এএম, ১৮ মে, ২০২২


Thumbnail কর্মীদের বেতন দ্বিগুণ করছে মাইক্রোসফট

মাইক্রোসফট কর্মীদের জন্য রয়েছে সুখবর। কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির জন্য বাজেট 'প্রায় দ্বিগুণ' করার ঘোষণা দিয়েছেন কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সত্য নাদেলা।

কর্মচারীদের ধরে রাখতে এবং মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলায় তাদের সহায়তা করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম গিকওয়্যারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নাদেলা মাইক্রোসফট কর্মীদের কাছে পাঠানো ইমেইলে জানান, মেধাভিত্তিক বর্ধিত মজুরি বৈশ্বিক বাজেটের দ্বিগুণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, মাইক্রোসফট কর্মীদের ক্যারিয়ারের প্রাথমিক ও মধ্য পর্যায়ে আরও অর্থ বিনিয়োগ করবে।

ইমেইলে এই পদক্ষেপের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে মাইক্রোসফটের একজন মুখপাত্র সিএনবিসিকে বলেন, আমাদের মিশন ও সংস্কৃতির কারণে লোকেরা মাইক্রোসফটে আসে এবং কাজ করে। এর মানে তারা তাদের মনের মতো কাজ খুঁজে পায় এবং তারা যাদের সঙ্গে কাজ করে, সেভাবে তারা পুরস্কৃত হয়।

তিনি বলেন, আমাদের বিশ্বব্যাপী এই বর্ধিত বিনিয়োগ ক্ষতিপূরণে চলমান প্রতিশ্রুতির অংশ। আমাদের কর্মীদের জন্য একটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক অভিজ্ঞতা প্রদান করতে হবে।

মাইক্রোসফট ৬৭ এবং নিচের স্তরের কর্মীদের জন্য বার্ষিক স্টক রেঞ্জ কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বাড়াচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে ব্লুমবার্গ।

মাইক্রোসফট   কর্মী   বেতন   দ্বিগুণ  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

দুর্দান্ত ক্যামেরা ও ব্যাটারিসহ বাজারে আসছে রিয়েলমি সি৩৫

প্রকাশ: ০১:৫০ পিএম, ১৫ মে, ২০২২


Thumbnail দুর্দান্ত ক্যামেরা ও ব্যাটারিসহ বাজারে আসছে রিয়েলমি সি৩৫

বাংলাদেশের বাজারে রিয়েলমি নিয়ে আসতে চলেছে তাদের সি সিরিজের আরেকটি মোবাইল সেট। নতুন এই ফোনটির নাম রিয়েলমি সি৩৫ । রিয়েলমি সি৩৫ ফোনে আছে ইউনিসক চিপসেট, ৫,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি রিয়ার ক্যামেরা ও ফুল এইচডি+ ওয়াটার-ড্রপ নচ ডিসপ্লে।

রিয়েলমি সি৩৫ ফোনের সামনে আছে ৬.৬ ইঞ্চির ফুল এইচডি+ (১,০৮০ x ২,৪০০ পিক্সেল) আইপিএস এলসিডি ওয়াটার-ড্রপ নচ ডিসপ্লে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ইউনিসক টি৬১৬ প্রসেসর।

রিয়েলমি সি৩৫ ফোনটি ৪ জিবি এলপিডিডিআর৪এক্স র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি পর্যন্ত ইউএফএস ২.২ ইন্টারনাল স্টোরেজ সহ পাওয়া যেতে পারে।

পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য রিয়েলমি সি৩৫ ফোনটিতে ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট সহ ৫,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি দেওয়া হবে। রিয়েলমি সি৩৫ অ্যান্ড্রয়েড ১১ ভিত্তিক রিয়েলমি ইউআই কাস্টম স্কিনে রান করবে।

রিয়েলমি সি৩৫ ফোনে বর্তমান ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সিস্টেম। এই ক্যামেরাগুলি হল ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রাথমিক সেন্সর , ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো সেন্সর এবং ২ মেগাপিক্সেলের ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট লেন্স৷

এছাড়া রিয়েলমি সি৩৫ ফোনের সামনে সেলফি ভিডিও কলিংয়ের জন্য ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা উপস্থিত।

রিয়েলমি সি৩৫  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

১৫ লাখ অ্যাপ সরিয়ে ফেলছে অ্যাপল-গুগল

প্রকাশ: ০১:৩৪ পিএম, ১৫ মে, ২০২২


Thumbnail ১৫ লাখ অ্যাপ সরিয়ে ফেলছে অ্যাপল-গুগল

মার্কিন ২ প্রযুক্তি টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান গুগল ও অ্যাপল নিজেদের স্টোর থেকে ১৫ লাখ অ্যাপ সরিয়ে নিয়েছে। চলতি বছরের শুরুতেই প্রতিষ্ঠান দুইটি তাদের ডেভেলপারদের এ নির্দেশনা দিয়েছিলো।

নতুন খবর হলো, অ্যাপল তার ডেভেলপারদের কাছে চূড়ান্ত নোটিশ পাঠিয়েছে অ্যাপগুলো তুলে নেওয়ার জন্য। অ্যানালিটিক্স ফার্ম -এর  রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাপ স্টোর এবং প্লে স্টোরের প্রায় ৩০ শতাংশ অ্যাপই তুলে নেওয়া হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, গুগল প্লে স্টোর এবং অ্যাপল অ্যাপ স্টোরের ১.৫ মিলিয়ন অ্যাপ ‘পরিত্যক্ত’ অবস্থায় রয়েছে। এগুলো প্রায় দুই বছর বেশি সময় ধরে আপডেট করা হয়নি। যদিও তালিকায় কোন কোন অ্যাপ রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, অ্যাপ ক্যাটেগরির মধ্যে রয়েছে এডুকেশন, রেফারেন্স এবং গেমস-সহ একাধিক অ্যাপ, যেগুলি মূলত শিশুদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

পিক্সালেট এর আরেকটি প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, প্রায় ৩১৪,০০০টি ‘সুপার অ্যাবানডনড’ অ্যাপ রয়েছে। যেগুলো পাঁচ বছর ধরে কোনো আপডেট করা হয়নি। এদের মধ্যে ৫৮শতাংশ অ্যাপল অ্যাপ স্টোরের এবং ৪২ শতাংশ গুগল প্লে স্টোরের।

এদিকে অ্যাপল ডেভেলপারদের সতর্ক করে বলেছেন, যে অ্যাপগুলো আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আপডেট হবে না, সেগুলো সরিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে গুগল বলছে, প্লে স্টোরে এমনই কিছু অ্যাপ রয়েছে, যারা গত দু’বছর ধরে লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনের অ্যাপিআই লেভেল টার্গেট করেনি। যেগুলো চলতি বছরের ১ নভেম্বর থেকে আর নতুন করে ইনস্টল করা যাবে না।

অ্যাপল   গুগল   অ্যাপ  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

বন্ধ হচ্ছে ফেইসবুকের জনপ্রিয় ফিচার

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ১৪ মে, ২০২২


Thumbnail বন্ধ হচ্ছে ফেইসবুকের জনপ্রিয় ফিচার

সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ফেসবুক। এছাড়াও মেটামালিকাধীন  ব্যবহারকারীদের জন্য একের পর এক নতুন ফিচার যুক্ত করছেন। আবার অনেক ফিচার বন্ধও করে দিচ্ছেন। যার মধ্যে এবার যুক্ত হলো সেভারেল লোকেশন ট্র্যাকিং ফিচার।

ফেসবুক বলছে, জনপ্রিয় হলেও বর্তমানে খুব কমই ব্যবহৃত হচ্ছে এই ফিচারটি। যে কারণেই বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে ফিচারটি। এই সার্ভিস ছাড়াও ফেসবুক অন্য আরও কয়েকটি ফিচার বন্ধ হতে চলেছে কম ব্যবহারের জন্য। এর মধ্যে রয়েছে নিয়ারবাই ফ্রেন্ডস, ওয়েদার অ্যালার্ট, লোকেশন হিস্ট্রি এবং ব্যাকগ্রাউন্ড লোকেশন।

ফেসবুকের পক্ষ থেকে ব্যবহারকারীদের কাছে এ বিষয়ে নোটিফিকেশন যাওয়া শুরু হয়েছে এরই মধ্যে। এসব ফিচারের জন্য আর কোনো ধরনের ডেটা ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে না। গত ৩ মে থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ডেটা সংগ্রহের কাজ।

তবে ফেসবুকের ব্যবহাকারীরা যে কোনো লোকেশন ডেটা দেখতে, ডাউনলোড করতে এবং ডিলিট করতে পারবেন। ফেসবুকের সেটিং এবং প্রাইভেসি মেনুর মাধ্যমে ব্যবহাকারীরা এই কাজ করতে পারবে। ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যবহাকারীদের এই কাজ নিজে থেকেই করতে হবে। কারণ ১ আগস্ট থেকে সমস্ত সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তবে এসব ফিচার বন্ধ করা হলেও ব্যবহারকারীদের কোনো সমস্যা হবে না। কারণ খুবই কম ব্যবহারকারী ফেসবুকের এই ফিচারগুলো ব্যবহার করতেন।

ফেইসবুক   ফিচার   বন্ধ  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

টুইটার কেনা স্থগিত করলেন ইলন মাস্ক

প্রকাশ: ১২:৩৮ পিএম, ১৪ মে, ২০২২


Thumbnail টুইটার কেনা স্থগিত করলেন ইলন মাস্ক

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার কেনার চুক্তি আপাতত স্থগিত করেছেন ইলন মাস্ক। এমন সিদ্ধান্তে টুইটারের শেয়ারের দাম ২০ শতাংশ কমে গেছে।

শুক্রবার এক টুইটে টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক লিখেছেন, ‘টুইটার চুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে’। স্প্যাম এবং জাল অ্যাকাউন্টের জন্য এই ব্যবস্থা নিয়েছেন তিনি। স্প্যাম এবং ভুয়া অ্যাকাউন্ট নিয়ে সর্বশেষ তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য অপেক্ষা করার কথা বলেছেন ইলন মাস্ক।

মে মাসের শুরুতেই টুইটার জানিয়েছিল, এ বছরের প্রথম তিন মাসে তাদের প্ল্যাটফর্মে আর্থিক মূল্যায়নের উপযোগী প্রতিদিনকার নিয়মিত ব্যবহারকারীদের মধ্যে স্প্যাম বা ভুয়া অ্যাকাউন্ট পাঁচ শতাংশেরও কম।

ভুয়া অ্যাকাউন্ট নিয়ে প্রথম থেকেই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে আসছেন মাস্ক। টুইটার কেনার প্রস্তাব দেওয়ার শুরু থেকেই ‘স্প্যাম বট’ মুছে দিয়ে প্ল্যাটফর্মের সেবা আরও উন্নত করার কথা বলে আসছেন তিনি।

প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ভার্জ জানিয়েছে, টুইটারের সর্বশেষ প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন থেকেই জটিলতার সূত্রপাত। কয়েক সপ্তাহ আগে প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানিটি বলেছিল, টানা তিন বছর ধরে প্রতিদিনের নিয়মিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়িয়ে হিসাব করেছে তারা।

টুইটার বলছে, কারিগরি জটিলতার কারণে একই ব্যবহারকারীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক অ্যাকাউন্টকে আলাদা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট হিসেবে গণনা করেছে তারা। এর ফলে, প্রতি প্রান্তিকে ব্যবহারকারীর সংখ্যা অন্তত ১৯ লাখ বাড়িয়ে হিসেব করা হয়েছে।

গত তিন মাসে ১ কোটি ৩০ লাখ নতুন টুইটার ব্যবহারকারী বেড়েছে। যা মহামারী করোনার পর সর্বোচ্চ বলে জানাচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

তার মধ্যে মাস্কের কেনার আগে পর্যন্ত টুইটার বেশ কয়েকটি ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। যেমন, মাস্ক টুইটার কেনার পর বিজ্ঞাপনদাতারা আর টুইটারে ব্যয় করবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়।

গত ২৫ এপ্রিল টুইটারের মালিকানা পান ইলন মাস্ক। প্রায় ৪,৪০০ কোটি ডলারে এই সংস্থাটি কেনেন তিনি। টুইটার কেনার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ ঋণ নিয়েছেন মাস্ক। তা শোধ করার জন্য শেষ পর্যন্ত তাঁকে কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন এই মার্কিন ধনকুবের। পাশাপাশি, খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে সংস্থার কিছু উচ্চপদস্থ কর্মীর বেতনও কমানো হতে পারে বলে ঋণদাতা সংস্থাগুলিকে জানিয়েছিলেন তিনি।

টুইটার   স্থগিত   ইলন মাস্ক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন