টেক ইনসাইড

মেসেঞ্জারের মত একই সুবিধা পাওয়া যাবে হোয়াটসঅ্যাপেও

প্রকাশ: ০১:৩৩ পিএম, ০১ Jun, ২০২২


Thumbnail মেসেঞ্জারের মত একই সুবিধা পাওয়া যাবে হোয়াটসঅ্যাপেও

নিয়মিত ব্যাবহারকারীদের জন্য আপডেট নিয়ে আসছে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। জানা যায়, চলতি বছরের শুরুতেই একাধিক ফিচার যুক্ত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার যুক্ত হচ্ছে অডিও নোট করার সময় পজ ও ফাস্ট ফরোয়ার্ড করার সুবিধা।

একইসঙ্গে এবার টেক্সট মেসেজেও মিডিয়া ফাইলে রিয়্যাকশন যুক্ত হচ্ছে। ফলে এখন মেসেঞ্জার ও ইনস্টগ্রামের মতো হোয়াটসঅ্যাপেও মেসেজে রিয়্যাকশন দেওয়া যাবে।

ইতোমধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপের নতুন এই সুবিধা অনেকের কাছে পৌঁছে গেছে। তবে কেউ কেউ হয়তো এই ফিচার ব্যবহার করতে পারছেন না। কারণ সেভাবে কোনো আইকন যোগ করা হয়নি। ফলে অনেকেই সমস্যায় পড়েছেন। তাহলে চলুন জেনে নিই, কীভাবে আইকনগুলো যুক্ত করবেন-

১। প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপ চালু করুন।

২। যার মেসেজে রিয়্যাকশন যোগ করতে চাইছেন তার চ্যাট ওপেন করুন।

৩। ওই মেসেজে থাকা যেকোনো একটি মেসেজে অথবা সব মেসেজে রিয়্যাকশন যোগ করতে পারেন।

৪। যে মেসেজ অথবা যে মিডিয়ায় রিয়্যাকশন যোগ করবেন সেই টেক্সটের উপর লং প্রেস করুন।

৫। লং প্রেস করলেই সেখানে মোট ৫ টি ইমোজি দেখা যাবে। পছন্দ মতো আপনি কোনো একটি ইমোজি রিয়্যাকশন হিসেবে দিতে পারবেন।

হোয়াটসঅ্যাপের ডেস্কটপ ভার্সন থেকে ইমোজি দিতে চাইলে...

১। প্রথমে চ্যাট উইন্ডো ওপেন করুন। এরপর যে চ্যাটে রিয়্যাকশন যোগ করতে চাইছেন সেই চ্যাটের পাশে মাউস পয়েন্টার নিয়ে গেলে একটি ইমোজি দেখা যাবে।

২। এরপর সেখানে ক্লিক করলেই ৫টি ইমোজি দেখতে পাবেন।

৩। সেখান থেকে পছন্দমতো ইমোজি দিয়ে রিয়্যাকশন দিতে পারেন।

হোয়াটসঅ্যাপ   নতুন ফিচার   রিয়েকশন  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

হ্যাকারদের থেকে বাঁচতে জুম অ্যাপ ব্যবহারে সতর্কতা

প্রকাশ: ১১:১১ এএম, ০৩ Jul, ২০২২


Thumbnail হ্যাকারদের থেকে বাঁচতে জুম অ্যাপ ব্যবহারে সতর্কতা

সময়ের জনপ্রিয় অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম জুম। বিশেষ করে মহামারি করোনাভাইরাসের সময় যখন সব কিছু লকডাউন হয়ে যায় তখনকার জন্য সব থেকে সাহায্যকারী অ্যাপগুলোর মধ্যে ছিলো জুম। শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে নিজেরদের পড়াশোনা, দূরে থাকা পরিবার পরিজনদের সাথে দেখে ভিডিও কলে কথা বলার প্রথন এবং প্রধান মাধ্যম ছিলো জুম অ্যাপ। তবে সম্প্রতি এবার সেই অ্যাপটিকেই টার্গেট করছে হ্যাকাররা।

যদি এই অ্যাপটি আপনার ফোন বা কম্পিউটারে থেকে থাকে তাহলে তা ব্যবহার করে হ্যাকাররা ম্যালওয়ার ইনস্টল করে দিতে পারে। আর তাই এই ব্যাপারে সতর্ক করছেন গুগল প্রজেক্ট জিরোর বিশেষজ্ঞরা।

জানা যায়, সম্প্রতি একটি যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা গিয়েছে এই অ্যাপে। যার কারণেই ব্যবহারকারীরা বিপদে পড়তে পারেন। অ্যান্ড্রয়েড থেকে উইন্ডোজ কিংবা আইফোন, সব ক্ষেত্রেই এই আশঙ্কা রয়েছে। এই অ্যাপে ম্যালওয়ার ইনস্টল করার ক্ষেত্রে একটি মেসেজ পাঠানো হচ্ছে। যা দেখে মনে হচ্ছে, এটি অ্যাপ সম্পর্কিত কোনও মেসেজ। কিন্তু তাতেই লুকিয়ে রয়েছে হ্যাকিং সংকেত।

এটি জানার পর অনেকের মনে বড় প্রশ্ন, এই বিপদ থেকে বাঁচার উপায় কী? চলুন দেখে নেওয়া যাক এর থেকে বাঁচার উপায় কী? এই ঝুঁকি থেকে রক্ষা পেতে অ্যাপের সর্বশেষ আপডেট V5.10.0 ডাউনলোড করে নিতে হবে। সেই সঙ্গে কোনও ধরনের সন্দেহজনক লিঙ্ক দেখলে সাবধান থাকতে হবে। তাহলেই এই বিপদকে এড়ানো সম্ভব হবে।

হ্যাকার   বাঁচতে   জুম অ্যাপ ব্যবহার   সতর্কতা  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

গুগলকে জরিমানা, অ্যাপ ডেভেলপাররা পাচ্ছেন ৯ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০৪:৫৭ পিএম, ০২ Jul, ২০২২


Thumbnail

অবশেষে অ্যাপ ডেভেলপারদের সঙ্গে আইনি বিবাদ মেটাতে ৯ কোটি ডলার অর্থ পরিশোধ করতে সম্মত হয়েছে গুগল। বিশ্বের প্রায় ৪৮ হাজার অ্যাপ ডেভেলপার জরিমানার অংশ থেকে এ অর্থ পাবেন, যার ন্যূনতম পরিমাণ হবে ২৫০ ডলার। 

যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোর ফেডারেল আদালত এ মামলার শুনানি শেষে ৯ কোটি ডলার জরিমানা করেছে গুগলকে। 

গত বৃহস্পতিবার জরিমানা পরিশোধে রাজি হয়ে এক বিবৃতিতে গুগল জানিয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে যেসব ডেভেলপার ২০ লাখ ডলার কিংবা আরও কম আয় করেছেন তাদের আনুপাতিক হারে প্রদান করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি ডেভেলপার, যারা প্লেস্টোর থেকে আয় করেছেন তারা এ অর্থ পাবেন।
পাশাপাশি প্লেস্টোরনির্ভর আয়ের ৩০ শতাংশের পরিবর্তে ১০ লাখ ডলার পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ হারে অর্থ কাটবে গুগল, যা ২০২১ সাল থেকে শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

গুগলের অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর অ্যাপ স্টোর প্লেস্টোর। ডেভেলপাররা তাদের অ্যাপ প্লেস্টোরে রেখে নানাভাবে অর্থ আয়ের সুযোগ পায়। প্লেস্টোরের অ্যাপ থেকে অর্থ আয়ের বড় একটি অংশ কেটে রাখে গুগল। এছাড়া প্লেস্টোরে থাকা যে কোনো অ্যাপের যে কোনো ফিচারের জন্য অর্থ খরচ করতে চাইলে গ্রাহককে গুগলের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই (ইন-অ্যাপ পারচেজ) করতে হয়। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন ডেভেলপাররা। কেননা ডেভেলপারদের আয়ের ৩০ শতাংশ কেটে রাখে গুগল। প্লেস্টোরনির্ভর কেনাকাটায় অর্থ পরিশোধের এই বাধ্যবাধকতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধিতা করে আসছেন ডেভেলপাররা। এ নিয়ে মার্কিন আদালতের দ্বারস্থ হন তারা।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, গুগল স্মার্টফোন নির্মাতাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে অ্যাপ ডাউনলোডে কারিগরি বাধা সৃষ্টির পাশাপাশি ইন-অ্যাপ পারচেজে বাধ্য করে আয়ের ৩০ শতাংশ কেটে নিচ্ছে। 

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, প্লেস্টোরে কোনো অ্যাপ থাকলেও ওই অ্যাপটি বাইরের কোনো উৎস থেকে ডাউনলোডের সুযোগের পাশাপাশি কেনাকাটার অর্থ পরিশোধের সুযোগ দিতে হবে। গুগল ইতোমধ্যে এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে।

এর আগে গত বছর মামলার ফাঁদে পড়ে ছোট ডেভেলপারদের জন্য ইন-অ্যাপ পারচেজ বাধ্যবাধকতা তুলে নেয় প্ল্যাটফর্মটি। ওই সময় অ্যাপল জরিমানা হিসেবে ১০ কোটি ডলার শোধ করে। 

সূত্র: রয়টার্স

গুগল   জরিমানা  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা বিটিআরসি'র

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা বিটিআরসি'র

গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। মানসম্মত সেবা দিতে না পারায় এই নির্দেশ দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। 

বুধবার (২৯ জুন) দুপুরে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের পর বিটিআরসি এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা গ্রামীণফোনে পাঠিয়েছে।

এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, যতদিন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সেবার মান না বাড়াবে ততদিন এই নিষেধাজ্ঞা চলবে। কারণ এর আগেও তাদের অনেকবার সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।

গত ৩১ মার্চ সবশেষ নিলামে সবচেয়ে বেশি তরঙ্গ (৬০ মেগাহার্টজ) কিনেছে গ্রামীণফোন। বর্তমানে এক মেগাহার্টজ তরঙ্গে ১৪ লাখ গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে গ্রামীণফোন। অন্যান্য অপারেটরের চেয়েও যা বেশি।

এর আগে গ্রামীণফোনের হাতে ছিল ৪৭ দশমিক ৪০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ। সব মিলিয়ে অপারেটরটির তরঙ্গের পরিমাণ ১০৭ দশমিক ৪০ মেগাহার্টজ হয়েছে। যদিও বাকি অপারেটরদের মতো গ্রামীণফোনও নতুন বরাদ্দ পাওয়া তরঙ্গ ব্যবহার করতে পারছে না। আগামী ডিসেম্বর থেকে অপারেটরগুলো তরঙ্গ ব্যবহার করতে পারবে বলে জানা গেছে।

বিটিআরসি’র প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত মে পর্যন্ত গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা ৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার।

গ্রামীনফোন   নিষেধাজ্ঞা   বিটিআরসি  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

র‌্যানসমওয়্যার থেকে নিরাপদ থাকার ৫ উপায়

প্রকাশ: ০৯:০৯ এএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail র‌্যানসমওয়্যার থেকে নিরাপদ থাকার ৫ উপায়

ক্ষতিকর সফটওয়্যার র‌্যানসামওয়্যারে আক্রান্তদের সংখ্যা বিশ্বে দিন দিন বেড়ে চলেছে। ২০১৩ সালে প্রথম ক্রিপ্টোলকারের আবির্ভাবের পর থেকে আমরা র‍্যানসমওয়্যার এর একটি নতুন যুগ দেখতে পাচ্ছি, যেখানে বিভিন্ন ধরনের স্প্যাম মেসেজ এবং এক্সপ্লয়িট কিট এর মাধ্যমে উদ্দেশমূলকভাবে র‍্যানসমওয়্যার সমৃদ্ধ এনক্রিপ্টেড ফাইল ছড়ানো হচ্ছে। এই ক্ষেত্রে প্রধান লক্ষ্য হল যেকোনো ব্যবহারকারী এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া।

বহু প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার এই সাইবার হামলায় অচল হয়ে পড়েছে। হ্যাকারা অচল কম্পিউটার সচল করার জন্য মুক্তিপণ হিসেবে দাবী করেছে বিটকয়েন।। এইক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ফাইলগুলোতে অ্যাক্সেস না করতে পারা এবং পরে এরজন্য যে মুক্তিপণ দিতে হয়, তা যেকোনো প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতাকে ব্যাহত করে। বিশ্বব্যাপী, সোফোসের প্রকাশিত ‘দ্য স্টেট অফ র‍্যানসমওয়্যার রিপোর্ট ২০২২’ এ দেখা যায় যে, ২০২১ সালে বছর জুড়ে শতকরা ৬৬ ভাগ এরও বেশি সংস্থা র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের শিকার হয়েছিল, যা কিনা ২০২০ সালেও ছিল শতকরা ৩৭ ভাগ। ফলে, এসব সংস্থাকে তাদের এনক্রিপ্টেড ডেটা ফিরে পেতে ৮,১২,৩৬০ ডলার গড় মুক্তিপণ প্রদান করতে হয়েছিল, এর মধ্যে আবার শতকরা ১১ ভাগ ভুক্তভোগীকে ১ মিলিয়ন ডলার বা তার বেশি মুক্তিপণ দিতে হয়েছিল।

ভারতে সোফোস ‘দ্য স্টেট অফ র‍্যানসমওয়্যার রিপোর্ট ২০২২’ প্রকাশ করেছে যা গত বছরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের র‍্যানসমওয়্যার এর আক্রমণ সম্পর্কে জানান দেয়। গত বছর ভারতে ৭৮ শতাংশের বেশি প্রতিষ্ঠান র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের শিকার হয়েছে, যা ২০২০ সালে ছিল ৬৮ শতাংশ। এইজন্য র‍্যানসমওয়্যার থেকে সুরক্ষিত থাকতে প্রতিষ্ঠানগুলোতে সর্বোত্তম ব্যবস্থা গ্রহণ করা অপরিহার্য এবং তা নিচে দেয়া হলো-

১. নিয়মিত ব্যাকআপ রাখুন

র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের ক্ষেত্রে এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ যেকোনো প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান সময় ও আর্থিক সংস্থান বাঁচাতে পারে। এজন্য অফলাইন ও অফসাইটে নিয়মিত ব্যাকআপ এবং আপডেট রাখা জরুরি। এটি আরও নিশ্চিত করবে ডিভাইসটি ভুল হাতে পড়লেও কোনো চিন্তা করতে হবে না।

২. ফাইল এক্সটেনশন চালু করুন

ডিফল্ট উইন্ডো সেটিংস-এ ফাইল এক্সটেনশন চালু করা থাকে না, ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এটি সনাক্ত করতে থাম্বনেইলের ওপর নির্ভর করতে হয়। এক্সটেনশন চালু করা থাকলে যেকোনো ফাইল সনাক্ত করা আরও সহজ হয়, যেগুলো সাধারণত ব্যবহারকারীকে পাঠানো হয়না। যেমন- জাভাস্ক্রিপ্ট।

৩. অযাচিত অ্যাটাচমেন্ট থেকে সতর্ক থাকুন

র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণকারীদের কাছ থেকে সুরক্ষিত থাকতে ব্যবহারকারীদের সম্পূর্ণ নিশ্চিত না হয়ে কোনো অ্যাটাচম্টে ওপেন করা উচিত নয়। কোনো মেইলের নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মেইলটি ওপেন না করা এবং সন্দেহজনক কনটেন্ট হলে সে সম্পর্কে রিপোর্ট করার অভ্যাস তৈরি করতে হবে।

৪. অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের অধিকার পর্যবেক্ষণ

আইটি বিভাগের নিশ্চিত করা উচিত যে, তারা ক্রমাগত অ্যাডমিনস্ট্রেটর এবং তাদের অধিকারসমূহ পর্যালোচনা করছে। সেই সঙ্গে কার কাছে সেগুলো রয়েছে এবং যাদের প্রয়োজন নেই তাদের অধিকারগুলো যাতে থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া অ্যাডমিনস্ট্রেটর হিসেবে কেউ যেন প্রয়োজনের বেশি লগইন করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এমনকি কেউ অ্যাডমিন হিসেবে থাকা অবস্থায় অযথা ব্রাউজিং, যেকোনো ফাইল খোলা বা অন্য কাজ যাতে না করে সেবিষয়ে ও লক্ষ্য রাখতে হবে।

৫. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দেয়া

যদিও এটি তুচ্ছ শোনাচ্ছে, কিন্তু এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যেকোনো দুর্বল এবং অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড হ্যাকারদের খুব সহজেই প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার সুযোগ প্রদান করে। এজন্য সুপারিশ করা হয়, যেকোনো পাসওয়ার্ড যেন কমপক্ষে ১২ অক্ষরের হয়, একই সঙ্গে এটি ক্যাপিটাল, স্মল লেটার, যতিচিহ্ন, সংখ্যা বা কোনো বিশেষ ক্যারেক্টারের মিশ্রণে হওয়া উচিত, যেমন: Ju5t.LiKE#Th1s!@। তাহলে যেকেউ সহজে অনুমান করতে পারবে না।

র‌্যানসমওয়্যার   নিরাপদ   উপায়  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

চরমপন্থা ঠেকাতে বাংলাদেশে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়েছে ফেসবুক

প্রকাশ: ০৯:৩৩ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail চরমপন্থা ঠেকাতে বাংলাদেশে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়েছে ফেসবুকে

ফেসবুকে চরমপন্থী চিন্তাধারার প্রচার মোকাবিলা করতে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি বোঝেন এমন বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি। 

মেটা এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের সন্ত্রাসবিরোধী ও বিপজ্জনক সংগঠনবিষয়ক প্রধান নাওয়াব ওসমান সোমবার (২৭ জুন) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে নাওয়াব ওসমান বলেন, ‌‘আমাদের প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যা দেখা যাচ্ছে তা এখানকার (বাংলাদেশের) অফলাইন বাস্তবতার প্রতিফলন।’

ব্যবহারকারীদের মধ্যে সহনশীলতা বাড়াতে মেটা নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং সুশীল সমাজও এর অন্তর্ভুক্ত আছে বলে জানান তিনি।

একই সঙ্গে মেটার নিজস্ব প্রযুক্তি ও অ্যালগরিদম এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, ফেসবুকে বাংলাদেশের অফলাইন বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটছে বলেও জানান ওসমান। 

ফেসবুক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন