টেক ইনসাইড

বন্ধ করা হলো টুইটারে ব্লু টিক সুবিধা

প্রকাশ: ০১:৩৩ পিএম, ২২ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

এবার অর্থ খরচ করে টুইটারে ব্লু টিক সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ইলন মাস্ক। সোমবার (২১ নভেম্বর) এক ঘোষণায় তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন।

এক টুইট বার্তায় মাস্ক বলেন, যতদিন পর্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষার ছন্দবেশ বন্ধ না হবে ততদিন পর্যন্ত ব্লু টিক সুবিধা বন্ধ থাকবে।

টুইটারের ব্লু টিক সুবিধা রাজনীতি, জনসম্মুখে পরিচিত ব্যক্তি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন মহলের ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল।

তবে টুইটারের আয় বাড়ানোর জন্য ইলন মাস্ক সম্প্রতি ব্লু টিকের জন্য অর্থ ধার্য করেন এবং এর জন্য তিনি ৮ ডলার নির্ধারণ করেন।

পুনরায় এ সুবিধা বন্ধ করার কারণ হিসেবে ভুয়া অ্যাকউন্টকে দায়ী করা হয়েছে। বলা হয়েছে ভুয়া অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করার কাজ সম্পন্ন হলে আগামী ২৯ নভেম্বর থেকে ব্লু টিক সুবিধা পুনরায় চালু করা হবে।


টুইটার   ব্লু টিক   ইলন মাস্ক  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

আজ গুগলের ২৫তম জন্মদিন

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

দেখতে দেখতে ২৫ বছর হয়ে গেলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের। আজ, বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) গুগলের ২৫তম জন্মদিন। এ উপলক্ষ্যে গুগল বিশেষ ডুডল তৈরি করেছে। এই ডুডলে গুগলের শুরুটা হয়েছিল কীভাবে তার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ই-কমার্স, ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে এখন ১ ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি গুগল।

১৯৯৮ সালে ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিনের হাত ধরে যাত্রা শুরু হয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের। বিশ্বে বিভিন্ন ডেটা সেন্টারে এক মিলিয়ন সার্ভার চালায় গুগল। দিনে পাঁচশো কোটির বেশি অনুসন্ধানের জবাব দেয় এই গুগল।

মজার ব্যাপার হলো, গুগল সার্চ ইঞ্জিনের শুরুতে নাম রাখা হয়েছিল গুগোল (googol)। কিন্তু কোম্পানি নিবন্ধনের সময় বানান ভুল হওয়ার কারণে এর নাম গুগল (Google) হয়ে যায়। ১৯৯৮ সালে গুগল এক লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে। সেই বিনিয়োগ করেছিলেন সান মাইক্রোসিস্টেমের সহপ্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ডি বেসটোলসহাইম।

সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে আরও নতুন নতুন ফিচার নিয়ে গ্রাহকের কাছে হাজির হয়েছে গুগল। গুগলের পণ্য ও সবার মধ্যে রয়েছে ই-মেইল সেবা জিমেইল, মানচিত্র ওয়েজ ও ম্যাপস, ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা ক্লাউড, ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার ক্রোম, ভিডিও দেখার ওয়েবসাইট ইউটিউব, ওয়ার্কস্পেস, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম, ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণের ড্রাইভ, অনুবাদের জন্য ট্রান্সলেট, ছবি রাখার জন্য ফটোজ, ভিডিও কল করার মিট, স্মার্ট বাড়ির জন্য নেস্ট, পিক্সেল স্মার্টফোন, পরিধেয় প্রযুক্তি পিক্সেল ওয়াচ ও ফিটবিট, গান শোনার ওয়েবসাইট ইউটিউব মিউজিক, ভিডিওর জন্য ইউটিউব টিভি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট, মেশিন লার্নিং এপিআই টেনসরফ্লো, এআই চিপস টিপিইউ।

প্রায়ই নিত্যনতুন ফিচার নিয়ে আসছে এই প্রযুক্তি গুগল। অচিরেই হয়তো আবারও নতুন কিছু নিয়ে হাজির হয়ে যাবে।


ইন্টারনেট   তথ্য প্রযুক্তি   প্রযুক্তি   গুগল   জন্মদিন  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

এখন থেকে কথা বলা যাবে চ্যাটজিপিটি-এর সাথে

প্রকাশ: ০১:৫১ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

এখন থেকে চ্যাটজিপিটি -এর সাথে কথাও বলা যাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত এ চ্যাটবট সব কথাবার্তা শুনতে পারবে। জনপ্রিয় চ্যাটবট-এর পিছনের স্টার্টআপ ‘ওপেনএআই’, গত সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এ ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণায় বলা হয়েছে যে এতে নতুন বৈশিষ্ট্যগুলি সংযুক্ত করা হয়েছে যাতে ব্যবহারকারীরা চ্যাটজিপিটি-এর সাথে কথা বলতে পারে।

সোমবার একটি কোম্পানির ব্লগ পোস্টে, ওপেনএআই জানায় যে কীভাবে এই নতুন বৈশিষ্ট্যটি "পরিবারের জন্য একটি শয়নকালীন গল্পের অনুরোধ করতে বা ডিনার টেবিলের বিতর্ক নিষ্পত্তি করতে" ব্যবহার করা যেতে পারে।

এদিকে ওপেনএআই -এর নতুন ভয়েস বৈশিষ্ট্যগুলির সাথে বর্তমানে অ্যামাজনের এর অ্যালেক্সা বা অ্যাপেলের ছিরি ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টদের গুলির সাথে মিল রয়েছে৷

ওপেনএআই দ্বারা শেয়ার করা নতুন আপডেটের একটি ডেমোতে দেখা যায়, একজন ব্যবহারকারী চ্যাটজিপিটি--কে "ল্যারি নামের সুপার-ডুপার সূর্যমূখী তেল" সম্পর্কে একটি গল্প নিয়ে কথা বলতে বলেন। দেখা যায় যে, চ্যাটবট উচ্চস্বরে মানব শব্দযুক্ত কণ্ঠস্বরে একটি গল্প বর্ণনা করতে সক্ষম যা এইসব প্রশ্নেরও উত্তর দিতে পারে। যেমন, "তার বাড়িটি কেমন ছিল?" এবং "তার সবচেয়ে ভালো বন্ধু কে?"

ওপেনএআই ব্লগপোস্টে বলেছে, চ্যাটজিপিটি -এর ভয়েস ক্ষমতা একটি নতুন টেক্সট-টু-স্পিচ মডেল দ্বারা চালিত, যা কোনো লেখা থেকে মানুষের মতো অডিও তৈরি করতে পারবে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে। সংস্থাটি যোগ করেছে যে এটি পেশাদার ভয়েস অভিনেতাদের সাথে পাঁচটি ভিন্ন ভয়েস তৈরি করতে সহযোগিতা করেছে, যা চ্যাটবটকে অ্যানিমেট করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

জানা গেছে, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে অ্যাপটিতে নতুন বৈশিষ্ট্যগুলি যুক্ত করা হবে চ্যাটজিপিটি প্লাস এবং এন্টারপ্রাইজ পরিষেবার অর্থপ্রদানকারী সাবস্ক্রাইবারদের জন্য (প্লাস পরিষেবার সদস্যরা প্রতি মাসে ২০ ডলার এবং এর এন্টারপ্রাইজ পরিষেবা বর্তমানে শুধুমাত্র ব্যবসায়িক ক্লায়েন্টদের জন্য দেওয়া হচ্ছে)।


চ্যাটজিপিটি   ওপেনএআই  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

সামনে এল এআই প্রযুক্তির আরও ভয়ংকর রূপ, ছড়িয়ে পড়ছে ডিপফেক!

প্রকাশ: ০২:০৩ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই প্রযুক্তি নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বেশ কয়েক বছর ধরেই বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এই এআই প্রযুক্তি। তবে যেকোনো সময়ই এটি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে- এমন শঙ্কা আগে থেকেই করে আসছিলেন বিশেষজ্ঞরা। অতীতে বিভিন্ন ঘটনায় এর প্রমাণও হয়েছে। এবার প্রকাশ্যে এলো আরো ভয়ঙ্কর তথ্য। এআই প্রযুক্তি দিয়ে মানুষের হাইপার-রিয়ালিস্টিক প্রতিরূপ তৈরির প্রযুক্তি ডিপফেক ক্রমশ বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেটে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

স্পেনের বাদাহো প্রদেশে এআই দিয়ে তৈরি অপ্রাপ্তবয়স্কদের নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর ডিপফেকের ভয়াবহ প্রভাব আবারও সামনে এসেছে। ইউরোপিয়ান টেলিকমিউনিকেশনস স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউট (ইটিএসআই) ভুয়া কনটেন্ট তৈরিতে এআই ব্যবহারের ক্রমশ সহজলভ্যতার বিষয়ে সতর্ক করেছে।

এক প্রতিবেদনে এটি জানিয়েছে, এআই ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তির সম্মানহানি থেকে শুরু করে ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা বা জনমত পরিবর্তনে প্রচারণা চালানো সবই করা সম্ভব।

২০১৯ সালে ডিপট্রেস নামক একটি প্রতিষ্ঠান ডিপফেক নিয়ে বিস্তারিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তারা ইন্টারনেটে প্রায় পাঁচ লাখ ভুয়া ফাইল খুঁজে পায়। কোম্পানিটির আগের প্রতিবেদনের তুলনায় ওই বছরের প্রতিবেদনে অনলাইনে ডিপফেক ছড়িয়ে পড়ার হার প্রায় শতগুণ বৃদ্ধি বলে উল্লেখ করা হয়।

কিন্তু এটি কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনের তথ্য। ডিপফেক কনটেন্টের প্রকৃত পরিমাণ নিয়ে কারো ধারণা নেই। তবে জানা গেছে, ডিপফেক ভিডিওর ৯৬ শতাংশ পর্নোগ্রাফি সম্পর্কিত। আর বর্তমানে ছবি, কণ্ঠস্বর, লেখা, নথিপত্র, ফেসিয়াল রেকগনিশন এবং এসবের সমন্বয় এআই দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে।

বর্তমানে পর্নোগ্রাফি, জনমত বদলাতে ভুল তথ্য ছড়ানো, প্রকৃত কোনোকিছুকে ভুল প্রমাণ, ইন্টারনেট নিরাপত্তা আঘাত, নকল লেখক-অভিনেতা দিয়ে সিনেমা তৈরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ডিপফেকের বেশি ব্যবহার হচ্ছে।

সূত্র: এল পাইস


ইন্টারনেট   ডিপফেক   এআই প্রযুক্তি  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুর্ঘটনা রোধে হটলাইন নম্বর চালু

প্রকাশ: ০৮:৪৫ এএম, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

কয়েক ঘণ্টার প্রবল বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তায় জমে থাকা পানিতে বৈদ্যুতিক লাইন ছিঁড়ে থাকলে অথবা যে কোনো দুর্ঘটনা রোধে হটলাইন নম্বর চালু করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে মন্ত্রণালয়ের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বলা হয়েছে, রাস্তায় জমে থাকা পানিতে বৈদ্যুতিক লাইন ছিঁড়ে থাকলে বা কোনো দুর্ঘটনার আশংকা থাকলে হটলাইন ১৬৯৯৯ নম্বরে কল করে জানান।

এর আগে, মিরপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে একই পরিবারের তিন জনসহ মোট চার জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুর মডেল থানার সিরাজিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা হাজী রোড ঝিলপাড় বস্তির বিপরীত পাশে রাস্তার ওপর এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, প্রবল বৃষ্টিতে ওই এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তখন বজ্রপাত হলে পানিতে পরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে পাঁচ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠালে চার জন মারা যান।

নিহতরা হলেন- মো. মিজান (৩০), তার স্ত্রী  মুক্তা বেগম (২৫), মেয়ে লিমা (০৭) এবং তাদের উদ্ধার করতে যাওয়া মোহাম্মদ অনিক (২০)। মিজানের আরেক ছেলে হোসাইন (০৭ মাস) বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মিরপুরের ঢাকা কমার্স কলেজ এলাকার রাস্তার পাশের বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার এরশাদ বলেন, আজ রাত প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে খবর আসে ঢাকা কমার্স কলেজ এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চার জন নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


বিদ্যুৎস্পৃষ্ট   দুর্ঘটনা   হটলাইন  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

সময় থাকতে দাবানল শনাক্ত করার অভিনব প্রযুক্তি

প্রকাশ: ১০:১১ এএম, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

চলতি বছর অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশি এবং ভয়াবহ দাবানল দেখেছে বিশ্ব। এতে লাখ লাখ হেক্টর জঙ্গল ধ্বংস হয়েছে। প্রতিবছর দাবানলে প্রায় ৮০০ কোটি টন কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমনও ঘটে, যা বিশ্বব্যাপী সিওটু নির্গমনের প্রায় ২০ শতাংশের সমান। দাবানলের কারণে পরিবেশ বিপর্যয়ের পাশাপাশি বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষতিও হয়। আধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে এমন বিপর্যয় এড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করছে একদল মানুষ।

ড্রিয়াড নেটওয়ার্ক্সের কর্ণধার কার্স্টেন ব্রিংকশুল্টে, বলেন, ‘‘২০১৮ সালে আমি প্রথমবার টেলিভিশনের পর্দা, সংবাদমাধ্যমে অ্যামাজন অঞ্চল, অস্ট্রেলিয়ার বিশাল দাবানল দেখেছিলাম। ফ্রাইডেস ফর ফিউচার আন্দোলন পথে নেমেছিল, আমার নিজের মেয়েও তাতে শামিল হয়েছিল। সেই প্রাথমিক ধাক্কা খেয়ে মনে হয়েছিল, আমাকে কিছু একটা করতেই হবে।”

যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। বিজ্ঞানী, সফ্টওয়্যার ও কম্পিউটার বিশেষজ্ঞদের এক টিম গড়ে তুলে তিনি যতটা আগে সম্ভব দাবানল শনাক্ত করার লক্ষ্যে নতুন এক সিস্টেম সৃষ্টি করেন। গন্ধ টের পায় এমন বিশেষ সেন্সর আলট্রা আর্লি ডিটেকশন সম্ভব করে। এক অর্থে সেগুলো অত্যন্ত উন্নত যান্ত্রিক নাক।

কৃষিবিজ্ঞানী হিসেবে ইয়ুর্গেন ম্যুলার অনেক বছর ধরে একই ধরনের সিস্টেম নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। এক পরীক্ষামূলক জঙ্গলে তিনি নতুন সেন্সরের কার্যকারিতা পরীক্ষা করছেন। তিন মিটার উচ্চতায় দক্ষিণ দিকে মুখ করে সৌরশক্তিচালিত সেন্সর বসানো আছে। অত্যন্ত কম আলো থাকলেও সেটি কাজ করে। ছায়ায় ঢাকা জঙ্গলে সেটা খুব জরুরি। কন্ডেন্সরের সাহায্যে সেই ‘ইন্টেলিজেন্ট নোজ’ এমনকি রাতে ও বৃষ্টির সময়েও কাজ করে। কিন্তু ক্ষুদ্র সবুজ বস্তুটি ঠিক কীসের গন্ধ পায়?

ফরেস্ট ইকোলজিস্ট ড. ইয়ুর্গেন ম্যুলার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘‘বাতাসে নানা ধরনের উপাদান রয়েছে৷ কার্বন-ডাই-অক্সাইড, কার্বন মোনোক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড, সালফেট এবং নোবেল গ্যাস। সেন্সর সে সব পরিমাপ করে। যে মুহূর্তে বাতাস থেকে অক্সিজেন শুষে নেওয়া হয়, সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসের মিশ্রণও স্বাভাবিকভাবে বদলে যায়। পাঁচ মিনিটেরও কম সময়ে নির্দিষ্ট অবস্থান জানিয়ে দেয়। এই প্রণালী আদর্শভাবে কাজে লাগাতে হলে জঙ্গলজুড়ে একশ’ মিটার দূরত্বে একটি করে সেন্সর বসাতে হবে।

নিজস্ব উদ্যোগে তৈরি এক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লাউড সার্ভারে তথ্য পাঠানো হয়। কাগজে কলমে সেই প্রযুক্তি ‘ইন্টারনেট অব থিংস’ নামে পরিচিত হলেও কার্স্টেন ব্রিংকশুল্টে ভালোবেসে সেটির নাম রেখেছেন ‘ইন্টারনেট অব ট্রিস’৷ কার্স্টেন ব্রিংকশুল্টে মনে করিয়ে দেন, ‘‘বিশ্বের বড় জঙ্গলগুলোতে সাধারণত টেলিকম কোম্পানিগুলোর কোনো টাওয়ার থাকে না। অর্থাৎ ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীল কোনো প্রযুক্তি সেখানে প্রয়োগের অর্থ নেই। আমাদের নিজেদের যোগাযোগের অবকাঠামোর প্রয়োজন। সেটি আবার সৌরশক্তিচালিত হতে হবে। তাছাড়া বড় এলাকাজুড়ে সেটা কার্যকর হতে হবে। এই মেশ-গেটওয়ের মাধ্যমে আমরা ঠিক সেটাই সম্ভব করেছি। এর মাধ্যমে আমরা জঙ্গলের মধ্যে দুই কিলোমিটার রেঞ্জে যোগাযোগের ব্যবস্থা করেছি। এবার ধাপে ধাপে জঙ্গলের আরো গভীরে প্রবেশ করবো।

ছোট ও বুদ্ধিমান যান্ত্রিক নাক লোকবল ছাড়াই অনেক কাজ করতে পারে। কাজও বেশ দ্রুত করে৷ ড. ইয়ুর্গেন ম্যুলার বলেন, “কনট্রোল রুমে সহকর্মীরা এই গন্ধ চিনতে পারেননি। আমি পরীক্ষা চালালে কনট্রোল রুমে জানিয়ে দিই। তারপর কিছুটা ধূর্ত হয়ে প্রশ্ন করি, তোমরা কি আগুন দেখেছো? দেখোনি? অর্থাৎ অপটিকাল সিস্টেম তখনই ধোঁয়া চিন্তে পারে, যখন সেই ধোঁয়া গাছের মগডালের উপর উঠে যায়।”



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন