ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ডেল্টার সংক্রমণে আবারো যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি

প্রকাশ: ১২:২১ পিএম, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

টিকা এবং কিছু কার্যকরী লকডাউনে যুক্তরাষ্ট্রের করোনার প্রকোপ কিছুটা কমে আসলে দেশটিতে আবারো হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যুহার। তবে সংক্রমণ বৃদ্ধি ও মৃত্যুহারের জন্য করোনার নতুন ধরণ ওমিক্রনের প্রভাব নেই, এর পেছনে করোনার পুরনো ধরণ ডেল্টাকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ, গবেষণা ও প্রতিরোধ সংস্থা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)। 

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) সিডিসির পরিচালক রশেল ওয়ালেনস্কি এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন। 

রশেল ওয়ালেনস্কি জানিয়েছে, ওমক্রিনের প্রভাবে দেশে সংক্রমণে উল্লম্ফন ঘটলেও করোনায় সাম্প্রতিক মৃত্যুহার বৃদ্ধির জন্য মূলত দায়ী ভাইরাসটির অতি সংক্রামক ধরন ডেল্টা।

তিনি বলেন, ‘ওমিক্রনে আক্রান্তদের কয়েকজন ইতোমধ্যে মারা গেছেন-  এটি সত্য, কিন্তু আমাদের বিশ্বাস, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে যে উচ্চ মৃত্যুহার দেখা যাচ্ছে, তার জন্য দায়ী ডেল্টা।’

তবে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের সংখ্যা যে ওমিক্রনের কারণে বাড়ছে, সংবাদ সম্মেলনে তা স্বীকার করেছেন সিডিসির পরিচালক। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে যারা করোনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, তাদের ৯০ শতাংশই ওমিক্রনে আক্রান্ত।’

যুক্তরাষ্ট্র   করোনা   ওমিক্রন   ডেল্টা   টিকা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্ত

প্রকাশ: ০৮:৫৬ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বে করোনা মহামারিতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। তবে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন প্রায় ৬ হাজার মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে  প্রায় ২০ লাখে।

আজ মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫ হাজার ৯২২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১৩০০। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৬ লাখ ২২ হাজার ৪৪ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে ফ্রান্স, ইতালি, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও কলম্বিয়া। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩৫ কোটি ৪৮ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৬ লাখ ২২ হাজার।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২২ হাজার ৪৬১ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় দেড় লাখ। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ কোটি ৪৮ লাখ ৮ হাজার ১৯৩ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৬০ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ১৯১ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৭ কোটি ২৯ লাখ ৪৯ হাজার ২৩২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৮ লাখ ৯১ হাজার ৫৮৯ জন মারা গেছেন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৫৫ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৬৫ হাজার ১০৯ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ১১ লাখ ৭৩ হাজার ৩০০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৭৬৭ জনের।

করোনা   মৃত্যু   শনাক্ত   বিশ্ব  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

দ্রুত দূতাবাস কর্মীদের পরিবারকে ইউক্রেন ছাড়ার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশ: ১১:২৮ এএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রাশিয়ার ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন চালাতে যাচ্ছে এমন এক উত্তেজনাকর অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে নিজ দেশের দূতাবাস কর্মীদের পরিবারকে ইউক্রেন ছাড়ার নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। 

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স ও সংবাদমাধ্যম বিবিসি। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের মার্কিন দূতাবাসে নিযুক্ত কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ছাড়ার ব্যাপারে স্থানীয় সময় রোববার নির্দেশনা জারি করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর। এছাড়া দূতাবাসে অবস্থান করা অপ্রয়োজনীয় কর্মীদেরও ইউক্রেন ছাড়তে বলা হয়েছে। এমনকি ইউক্রেনে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদেরও দেশটি ছাড়ার কথা বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছে ওয়াশিংটন। 

যদিও রাশিয়া বরাবরই বলে আসছে, ইউক্রেনে আক্রমণ চালানোর পরিকল্পনা তাদের নেই; তবে এরপরও ইউক্রেন ও রাশিয়া ভ্রমণের ব্যাপারে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। দপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সম্প্রতি উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় এসব দেশে ‘যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা হয়রানির শিকার হতে পারেন’।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, দূতাবাস খোলা থাকবে। তবে প্রেসিডেন্ট কার্যালয় হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে, যেকোনো সময় ইউক্রেনে হামলা চালাতে পারে রাশিয়া। এই কর্মকর্তারা বলেছেন, এমন আকস্মিক ঘটনা ঘটলে নিজেদের নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার মতো অবস্থায় নাও থাকতে পারে সরকার।

রাশিয়া হামলা চালানোর পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করলেও ইউক্রেন সীমান্তে সেনা উপস্থিতি বাড়িয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রায় এক লাখ রুশ সেনা ইউক্রেন সীমান্তে অবস্থান নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবেলায় ইউক্রেনকে প্রস্তুত রাখতে দেশটির সামরিক বাহিনীর জন্য গোলাবারুদসহ ৯০ হাজার কেজি সামরিক সহযোগিতা পাঠিয়েছে।


রাশিয়া   ইউক্রেন   ভ্লাদিমির পুতিন   যুক্তরাষ্ট্র   ব্রিটেন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পুতিনের ইউক্রেন দখলে নেওয়ার চেষ্টা করার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

প্রকাশ: ১০:৩১ এএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ইউক্রেনের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে সরিয়ে রাশিয়া এমন এক ব্যক্তিকে সেদেশের সরকারের মাথায় বসাতে চাইছে, যার সাহায্যে ইউক্রেন দখল করা সহজ হয়। রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের সীমান্ত নিয়ে জটিলতার মাঝেই এমন চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গোয়েন্দারা। 

ইউক্রেনের সাথে রাশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি অনেক বেশি ঘোলাটে অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বৈঠকও কোন রকম মীমাংসা ছাড়াই শেষ হয়েছে। এর মাঝে ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের এমন প্রতিবেদনকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জো বাইডেন প্রশাসন।

ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের তালিকায় রয়েছে বেশ কয়েকজন রাজনীতিকের নাম। যার একেবারে উপরে রয়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন এমপি ইয়েভগেন মুরায়েভ। রুশ গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে মুরায়েভ সমানে গোপনে যোগাযোগ রেখে চলেছেন বলে দাবি করেছেন ব্রিটিশ গোয়েন্দারা। 

২০১৯ সালের নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন মুরায়েভ। বরাবরই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মুরায়েভ একটি টিভি চ্যানেলের মালিক। ন্যাশ নামের ওই চ্যানেলে রাশিয়াপন্থী খবর প্রচার করা হয় বলে আগেই অভিযোগ করেছে ইউক্রেন। 

তবে মুরায়েভের নাম প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি অস্বীকার করেছে রাশিয়া। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের টুইট, মুরায়েভের নাম নিয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। গোটা বিষয়টি ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর মস্তিষ্কপ্রসূত।

মুরায়েভের পাশাপাশি, আরও কয়েকজন রাজনীতিকের নাম প্রকাশ্যে এনেছেন ব্রিটিশ গোয়েন্দারা। তারা হলেন, মায়কোলা আজারভ, সেরগি আরবুজভ, অ্যান্ড্রি ক্লুয়েভ এবং ভোলোদিমির সিভকোভিচ। তাদের মধ্যে আজারভ এক সময়ে ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন। সিভকোভিচ ছিলেন ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের প্রাক্তন উপসচিব। আরবুজভ এবং ক্লুয়েভ উভয়েই ইউক্রেনের মস্কোপন্থী প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের আমলে উপপ্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন।

রাশিয়া   ইউক্রেন   ভ্লাদিমির পুতিন   যুক্তরাষ্ট্র   ব্রিটেন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত কমলো

প্রকাশ: ০৮:১০ এএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বজুড়ে চলমান করোনা মহামারিতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও কমেছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে পৌনে ২২ লাখের নিচে।

আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪ হাজার ৬২৭ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে দেড় হাজারের বেশি। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৬ লাখ ১৪ হাজার ৫১২ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ফ্রান্সে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, মেক্সিকো, ব্রাজিল ও কলম্বিয়া। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩৫ কোটি ১৯ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৬ লাখ ১৪ হাজার।
 
একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ লাখ ৬৬ হাজার ৯১৬ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ কোটি ১৯ লাখ ৯১ হাজার ৯৫৯ জনে।

করোনা   মৃত্যু   শনাক্ত   বিশ্ব  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ওমিক্রন প্রকোপে বাতিল হলো নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বিয়ে

প্রকাশ: ১০:২৪ এএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো নিউজিল্যান্ডেও ওমিক্রন প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণে নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান বাতিল করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। আজ রোববার (২৩ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের কিউই প্রধানমন্ত্রী নিজেই একথা জানিয়েছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

রয়টার্স প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ৯ জন করোনার অতিসংক্রামক ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হন বলে শনাক্ত হয়েছেন। এরপরই রোববার মধ্যরাত থেকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহার এবং জনসমাগমের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ডের প্রশাসন।

রয়টার্স বলছে, নিউজিল্যান্ডের নর্থ আইল্যান্ডে একটি বিয়ে ও এ সম্পর্কিত অন্যান্য অনুষ্ঠান সেরে বিমানে করে সাউথ আইল্যান্ডের নেলসনে ফিরে আসে একটি পরিবার। পরে ওই পরিবার ও তাদের ভ্রমণ করা ফ্লাইটের একজন অ্যাটেনডেন্ট করোনায় আক্রান্ত বলে শনাক্ত হন।

এরপর নিউজিল্যান্ডজুড়ে করোনা বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। 

তিনি বলেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে আরও বেশি মানুষকে মাস্ক পরতে হবে। বার ও রেস্টুরেন্টগুলোতে এবং বিয়ের মতো ঘরোয়া অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন না। 

এমনকি এসব ভেন্যুতে যদি ভ্যাকসিন পাস ব্যবহার করা না হয় তাহলে উপস্থিতির এই সীমা ২৫ জনে নেমে আসবে বলেও জানান তিনি।

রোববার সাংবাদিকদের জেসিন্ডা আরডার্ন বলেন, আমার বিয়ের অনুষ্ঠানও হচ্ছে না। একই ধরনের পরিস্থিতিতে পড়া সবার জন্যই তিনি দুঃখিত বলেও জানান কিউই প্রধানমন্ত্রী। আরডার্ন অবশ্য তার বিয়ের তারিখ প্রকাশ করেননি। তবে শিগগিরই তার বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হতে পারে বলে গুজব ছিল।

দীর্ঘদিনের সঙ্গী ও জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক ক্লার্ক গেফোর্ডের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্নের বাগদান হয় দুই বছরেরও বেশি সময় আগে। তারপর তাদের বিয়ে কথা থাকলেও নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। অবশ্য বিয়ে না হলেও নেভ নামে তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

বিয়ের অনুষ্ঠান বাতিলের পর কেমন লাগছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন বলেন, এটিই জীবন। আমি এর থেকে আলাদা নই। আমি সাহস করে বলতে পারি যে, করোনা মহামারি আরও হাজার হাজার নিউজিল্যান্ডবাসীর ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। এমনকি কখনও কখনও এমনও হয় যে, কেউ গুরুতর অসুস্থ হলে তারা তাদের প্রিয়জনের সাথে থাকতে পারেন না। আর এটিই আমাকে বেশি কষ্ট দেয়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুন মাসে জেসিন্ডা আরডার্ন প্রথম সন্তানের জন্ম দেন। বিশ্বের ইতিহাসে প্রধানমন্ত্রীর মতো পদে থেকে মা হওয়ার দ্বিতীয় ঘটনা ছিল এটি। প্রথম জন ছিলেন পাকিস্তানের দুই বারের প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।

নিউজিল্যান্ড   ওমিক্রন   জেসিন্ডা আরডার্ন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন