ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

করোনার প্রকোপে উত্তর কোরিয়ায় ২১ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১১:৩৪ এএম, ১৪ মে, ২০২২


Thumbnail করোনার প্রকোপে উত্তর কোরিয়ায় ২১ জনের মৃত্যু

করোনা মহামারি শুরুর আড়াই বছর পর প্রথমবারের মত অফিশিয়ালি উত্তর কোরিয়া তার দেশে করোনা সংক্রমণের কথা স্বীকার করে। দেশটিতে করোনার প্রকোপ স্বীকার করার দুই দিনের মাঝেই ২১ জনের মৃত্যু খবর সামনে এলো। সেই সাথে দেশজুড়ে আরো কয়েক হাজার মানুষের শরীরে জ্বরের লক্ষণের কথা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার প্রশাসন।

শুক্রবার (১৩ মে) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ায় করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। সাড়ে তিন লাখ মানুষ ইতিমধ্যে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন।

মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে দেশটির শাসক দল ওয়ার্কাস পার্টি জরুরি বৈঠকে বসে। এই বৈঠকে কিম জং উন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সংক্রমণ শুরুর পর তার দেশ ‘ভয়াবহ টালমাটাল’ পরিস্থিতির মধ্যে আছে। তবে কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ায় জ্বরে সর্বমোট ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ রয়েছেন ৫ লাখ ২৪ হাজার ৪৪০ জন। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬৩০ জন সুস্থ হয়েছেন এবং ২ লাখ ৮০ হাজার ৮১০ জন কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। 

এর আগে উত্তর কোরিয়া গত বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস শনাক্তের কথা স্বীকার করে। এর এক দিন পরই প্রথম রোগীর মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে দেশটি।

২০২০ সালে করোনার শুরু থেকেই বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। কিন্তু আশপাশের সব দেশে অমিক্রনের ব্যাপক সংক্রমণ ঘটে। তখন বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ায় সংক্রমণ ছড়ানো সময়ের ব্যাপার মাত্র।

গত এপ্রিলের শেষ থেকে পুরো উত্তর কোরিয়ায় জ্বরের প্রকোপ দেখা যায়, যার কারণ জানা যায়নি। এই আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জন মারা গেছেন, যার একজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছিল। আড়াই কোটি মানুষের দেশটিতে করোনার টিকাও দেওয়া হয়নি।

করোনা   সংক্রমণ   মহামারি   মৃত্যু   উত্তর কোরিয়া  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

দেশত্যাগে বাধার মুখে সাবেক ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট

প্রকাশ: ১০:২১ এএম, ২৯ মে, ২০২২


Thumbnail দেশত্যাগে বাধার মুখে সাবেক ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট

দেশ ছাড়ার জন্য সব ধরনের আনুষ্ঠানিক অনুমতিপত্র থাকলেও দেশত্যাগে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউক্রেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট পেত্রো পোরোশেঙ্কো। ন্যাটোর একটি পর্ষদে বৈঠকে অংশ নেওয়ার জন্য লিথুয়ানিয়া যাওয়ার কথা থাকলেও দেশত্যাগে বাধার মুখে পড়েছেন সাবেক এই ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট। 

স্থানীয় সময় শনিবার ( ২৭ মে) দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করে বলেন, রাশিয়ার আগ্রাসনের পর থেকে সরকার তথাকথিত রাজনৈতিক যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করার অভিযোগ এনে তাকে দেশত্যাগে বাধা দিচ্ছে।  

২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন পোরোশেঙ্কো। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তাকে ঘন ঘন প্রকাশ্যে আসতে দেখা যায়। সাবেক এই প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের একটি মামলা চলছে। পোরোশেঙ্কোর দাবি করেন, ওই মামলা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মিত্রদের সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে। তবে গত জানুয়ারিতে আদালত তাকে মামলা চললেও স্বাধীনভাবে চলাফেরার অনুমতি দেন।

ইউক্রেনের এই সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দেশটির পূর্বাঞ্চলে রাশিয়াপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আর্থিক সহায়তা দিতে ২০১৪ থেকে ২০১৫ সালে অবৈধভাবে কয়লা বিক্রির সঙ্গে জড়িত তিনি। 

ইউক্রেন   সাবেক প্রেসিডেন্ট   দেশত্যাগ   বাঁধা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে গিয়ে কয়লা সঙ্কটে ভারত

প্রকাশ: ০৯:৫৮ এএম, ২৯ মে, ২০২২


Thumbnail বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে গিয়ে কয়লা সঙ্কটে ভারত

ভয়াবহ কয়লা সংকটে পড়তে যাচ্ছে ভারত। বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেশটিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কয়লা। বিদ্যুতের অত্যধিক চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কয়লার এই সংকটের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। 

গত ছয় বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংকট এড়াতে ২০১৫ সালের পর প্রথমবারের মতো কয়লা আমদানি করতে যাচ্ছে কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড (সিআইএল)। সম্প্রতি কয়লা আমদানি বাড়াতে ভারত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার উপর চাপ বাড়িয়েছে। রাজ্য সরকারগুলোর মালিকানাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যদি আমদানির মাধ্যমে কয়লার মজুদ গড়ে না তোলে তাহলে স্থানীয়ভাবে উত্তোলিত কয়লা সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ারও হুমকিতে তারা। 

ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকারি-বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে জুন মাসের মধ্যে এক কোটি ৯০ লাখ টন কয়লা আমদানি করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ভারত সরকার।  

গত এপ্রিলের পর থেকে ভারতে কয়লার মজুদ ১৩ শতাংশ করে কমেছে। গত নয় বছরের মধ্যে এ সময়ে এটি সর্বনিম্ন মজুদ। ঊর্ধ্বমুখী বিদ্যুৎ চাহিদা মজুদ বাড়ানোর প্রচেষ্টাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। ফলে কয়লা আমদানি দেশটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

যদিও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে এমনিতেই জ্বালানিটির সরবরাহ সীমিত। এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য বর্তমানে রেকর্ড সর্বোচ্চ দামে লেনদেন হচ্ছে। ফলে আমদানির মাধ্যমে চাহিদা মেটাতেও হিমশিম অবস্থার মধ্যে পড়তে পারে ভারত।

২৮ মে একটি চিঠি ইস্যু করে দেশটির বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোল ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার-থেকে-সরকার-(জিটুজি) প্রকল্পের মাধ্যমে কয়লা আমদানি করবে এবং রাষ্ট্রীয় ও স্বাধীনভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে সরবরাহ করবে। এই চিঠি কয়লাবিষয়ক সেক্রেটারি, কোল ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যানসহ সমস্ত ইউটিলিটি, শীর্ষ কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বিদ্যুতের চাহিদা অনুযায়ী ভারতের কয়লা দরকার ১৯ কোটি ৭৩ লাখ টন, কিন্তু অভ্যন্তরীণ কয়লা সরবরাহ ১৫ কোটি ৪৭ লাখ টনের বেশি হবে না। এই পরিসংখ্যান বলছে, কয়লার ঘাটতির পরিমাণ তাহলে ৪ কোটি ২৫ লাখ টন।

তীব্র দাবদাহের কারণে বছরের এপ্রিল মাসে ভারতে রেকর্ড পরিমাণে বিদ্যুৎ চাহিদা বেড়ে যায়। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে না পারায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুতহীন থাকতে বাধ্য হন দেশটির মানুষ। বিভিন্ন রাজ্যে বিদ্যুৎ সংকট সামাল দিতে একপর্যায়ে কর্তৃপক্ষ নিয়মিত যাত্রীবাহী ট্রেন বাতিল করে কয়লা পরিবহনে নিয়োগ করতে বাধ্য হয়। ছয় বছরের বেশি সময়ে সবচেয়ে তীব্র এ বিদ্যুৎ সংকট ভারত সরকারকে কয়লা আমদানি কমানোর নীতি থেকে পিছু হটতে বাধ্য করছে। 


কয়লা   ভারত   বিদ্যুৎ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বেতন ও কোনো সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করিনি : শাহবাজ শরীফ

প্রকাশ: ০৯:৩৯ এএম, ২৯ মে, ২০২২


Thumbnail বেতন ও কোনো সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করিনি : শাহবাজ শরীফ

শনিবার (২৮মে) অর্থ পাচারের মামলায় সাক্ষ্য দিতে যান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। ১ হাজার ৬০০ কোটি রুপির অর্থ পাচারের মামলার সাক্ষ্য দেওয়ার সময় শাহবাজ বলেন, পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি কোনো বেতন নেননি। এটি করার জন্য নিজেকে ‘মজনু’ বলে সম্বোধন করেন তিনি। 
শাহবাজ বলেন, ‘আল্লাহ আমাকে দেশের প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছেন। আমি একজন মজনু এবং আমি আমার আইনগত অধিকার, আমার বেতন ও সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করিনি।’ 

২০২০ সালের নভেম্বরে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) শাহবাজ শরিফের দুই ছেলে হামজা শরিফ ও সুলেমান শরিফকেও অভিযুক্ত করে। হামজা শরিফ বর্তমানে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং সুলেমান শরিফ যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।

এফআইএর তদন্ত টিম ২৮টি বেনামি অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করে। অভিযোগ উঠেছে, এসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এক হাজার ৬০০ কোটি রুপি পাচার করে  শাহবাজ শরিফের পরিবার ।  

শুনানি চলাকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সাড়ে ১২ বছরে সরকারের কাছ থেকে কিছুই নিইনি। আমার বিরুদ্ধে আড়াই লাখ রুপির অভিযোগ আনা হয়েছে।  

শাহবাজ শরিফ   আদালত   মামলা   মজনু  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

এবার বিশ্বের ৩৩টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে 'অজানা হেপাটাইটিস'

প্রকাশ: ০৯:০৫ এএম, ২৯ মে, ২০২২


Thumbnail এবার বিশ্বের ৩৩টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে 'অজানা হেপাটাইটিস'

করোনাভাইরাসে প্রাদুর্ভাব কমে আসার পর বিশে দেখা দিয়েছে মাঙ্কিপক্স। এর মধ্যে এবার  বিশ্বের ৩৩ দেশে শনাক্ত হয়েছে অজানা হেপাটাইটিস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, এই রোগটি ধরা পড়েছে ৬৩০ শিশুর মধ্যে। এছাড়া  আরও ৯৯ জন সন্দেহভাজনকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, রোগটি হেপাটাইটিস কিনা তা নিশ্চিতে ব্স্তির তদন্ত শুরু হয়েছে।

গুরুতর ও তীব্র রোগটিকে ‘অ্যাকিউট হেপাটাইটিস’ বা ‘অজানা হেপাটাইটিস’ বলা হচ্ছে। এটি মূলত লিভারের প্রদাহ। যা ধীরে ধীরে লিভারকে অচল করে দিতে পারে। প্রাণঘাতী রোগটি শিশুদের মধ্যে শনাক্ত হচ্ছে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা বলছে, গত ৫ এপ্রিল থেকে ২৬ মে’র মধ্যে ৩৩ দেশে ৬৫০ সম্ভাব্য কেস শনাক্ত হয়েছে। এ তালিকায় ইউরোপের ২২টি দেশের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে। সম্প্রতি রহস্যজনকভাবে অজানা হেপাইটাইটিস আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় তদন্ত শুরু করেছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আর ৩৮ জনের যকৃত প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) বলছে, এ রোগ ছড়ানোর পেছনে করোনা সংক্রমণের কোনও সম্পর্ক আছে কি না, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য রোগজীবাণু ও ওষুধের ঝুঁকির কারণগুলোও খতিয়ে দেখছে সিডিসি।

অজানা হেপাটাইটিস  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

কর্মক্ষেত্রে নারীবান্ধব নতুন নিয়ম করলো উত্তর প্রদেশ

প্রকাশ: ০৯:০৩ এএম, ২৯ মে, ২০২২


Thumbnail কর্মক্ষেত্রে নারীবান্ধব নতুন নিয়ম করলো উত্তর প্রদেশ

রাজি না থাকলে ভারতের উত্তর প্রদেশে কর্মক্ষেত্রে নারীদের সন্ধ্যা ৭টার পর রাখা যাবে না। ভারতের উত্তর প্রদেশে চাকরিজীবি নারীদের জন্য নারীবান্ধব নতুন এই নিয়ম করলো রাজ্যসরকার। শনিবার (২৮মে) রাজ্যসরকারের তরফ থেকে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নারীরা লিখিত অনুমতি না দিলে সন্ধ্যা ৭টার পর এবং সকাল ৬টার আগে তাদের কর্মক্ষেত্রে আসতে বাধ্য করা যাবে না। 

উত্তরপ্রদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান দপ্তরের যুগ্ম সচিব সুরেশ চন্দ্র জানান, নারীদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে তাদের দিয়ে কোনো কাজ করানো যাবে না। তা বাড়ি থেকেই হোক কিংবা অফিসে এসেই হোক। আর নারীরা যদি রাতে অফিসে এসে কাজ করতে ইচ্ছুক হন, তা হলে তাদের জন্য যাতায়াত ও খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে নিয়োগকারী সংস্থাকে।

রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীর তরফে নারী কল্যাণমূলক প্রকল্পে ৭৫ দশমিক ৫০ কোটি রুপি বরাদ্ধ হয়েছে, এ কথা আগেই জানানো হয়েছিল। এবার রাজ্য প্রশাসন জানালো, তাদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে একেবারে জেলাস্তরে ‘সাইবার সহায়তা’ বিভাগ চালু করার কথাও ভাবা হচ্ছে।

এরই পাশাপাশি, কর্মক্ষেত্রে নারীদের ‘কাজের সময়ও’ মেপে দেওয়া হলো। উত্তর প্রদেশ সরকারের বক্তব্য, এই নিয়মের অন্যথা হলে তা শ্রম আইন লঙ্ঘন হিসাবে বিবেচনা করা হবে। 

এ ছাড়াও যোগী সরকারের নির্দেশ, কাজের জায়গায় চার জনের বেশি নারী কর্মী থাকলে তবেই তাদের অফিসে ডাকা যাবে। 

উত্তর প্রদেশে কর্মজীবী নারীর সংখ্যা ১৭ শতাংশ)। এরপরে এবং সবশেষে রয়েছে বিহার। ওই রাজ্যে চাকরিজীবীদের মধ্যে মাত্র ১৪ শতাংশ নারী। 

ভারত   উত্তর প্রদেশ   কর্মজীবী নারী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন