ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

কলকাতায় শিবশংকর নামে আত্মগোপনে ছিলেন পি কে হালদার

প্রকাশ: ০৫:৩৬ পিএম, ১৪ মে, ২০২২


Thumbnail কলকাতায় শিবশংকর নামে আত্মগোপনে ছিলেন পি কে হালদার

প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পলাতক প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার) এবং তাঁর কিছু সহযোগী পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সম্পত্তিতে অভিযান চালিয়েছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। অন্য সহযোগীদের মধ্যে আছেন প্রীতিশ কুমার হালদার ও প্রাণেশ কুমার হালদারসহ আরও কয়েকজন। আজ শনিবারও এসব অভিযান চলছে বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার (১৪ মে) পি কে হালদারকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে ভারত থেকে কূটনীতিক সূত্র গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।

পি কে হালদার নিজেকে শিবশংকর হালদার পরিচয় দিয়ে ভারতের বেশ কিছু সরকারি পরিচয়পত্র জোগাড় করেছিলেন। এর মধ্যে আছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রেশন কার্ড, ভারতের ভোটার পরিচয়পত্র, আয়কর দপ্তরের পরিচয়পত্র পি এ এন (প্যান), নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র আধার ইত্যাদি বিভিন্ন পরিচয়। প্রশান্ত হালদারের অন্য সহযোগীরা একই কাজ করেছিলেন বলেও জানিয়েছে ইডি।

এ পরিচয়পত্রের সাহায্যে ভারতে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বেশ কিছু সংস্থা (কোম্পানি) এঁরা খুলেছিলেন। এঁরা বিভিন্ন জায়গায় জমিজমাও কিনেছিলেন। কলকাতার কিছু অভিজাত এলাকাতেও এঁদের বেশ কিছু বাড়ি রয়েছে। এসবই ইডি তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে।

পি কে হালদার বাংলাদেশে বহু কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলেও ইডি তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে। তারা বলেছে, এই টাকা বিরাট পরিমাণে ভারতসহ অন্যান্য দেশে ঢোকানো হয়েছে।

এ মুহূর্তে অন্তত ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। প্রধানত আর্থিক কেলেঙ্কারি, বেআইনিভাবে টাকা দেশে ঢোকানো এবং বিদেশে পাচার করা এবং আইনবহির্ভূত সম্পত্তির বিষয় নিয়ে তদন্ত করে ইডি।

২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ইডি পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে, মূলত উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা এবং কলকাতাতে পি কে হালদারের বিভিন্ন সম্পত্তিতে অভিযান চালাচ্ছে। এ বিষয়ে তদন্ত ক্রমেই এগোবে বলেও জানিয়েছে ইডি।


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিশ্ব খাদ্য সংকটের জন্য রাশিয়াকে দায়ী করলো জি-৭


Thumbnail বিশ্ব খাদ্য সংকটের জন্য রাশিয়াকে দায়ী করলো জি-৭

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে খাদ্য ও জ্বালানী সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে বিবৃতি দিয়েছে মহাশক্তিধর সাত দেশের সম্মিলিত সংঘ জি-৭। তারা জানিয়েছেন বর্তমান বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল দেশগুলোতে সৃষ্ট সংকট থেকে উত্তরণের জন্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য মস্কোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। 

বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের জন্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে দায়ী করে জার্মানীর পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালীনা বায়েরবক গত শনিবার জি-৭ এর সম্মেলনে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ না হলে আগত দিনগুলোতে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষ ভয়াবহ খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হবে।"

জি-৭ এর তিনদিন ব্যাপী সভায় এর নেতারা আগত দিনগুলোতে বৈশ্বিক সংকটের জন্য সবাইকে প্রস্তুত হতে বলেছেন এবং তাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। 

"রাশিয়ার আগ্রসী মনোভাব এই বৈশ্বিক সংকটের জন্য দায়ী। যা বিগত কয়েক দশকের সকল ভয়াবহতা অতিক্রম করবে এবং খাদ্য ও জ্বালানী সংকট সৃষ্টি করবে। এতে করে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে বিশ্বের দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোর জনগণ",  দাবী জি-৭ নেতৃবৃন্দের। 

কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জলি বলেছেন, "কানাডা বিশ্বের অন্যতম কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিকারক দেশ, এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য ইউরোপিয়ান বন্দরগুলোতে জাহাজ পাঠতে প্রস্তুত।" তিনি আরও বলেন, "আমাদের এখনই এইসব সংকট সমাধান করা জরুরি, নইলে বিশ্বের শত শত কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন হবে।"

এর আগে গত শুক্রবার ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা সামরিক সহযোহিতার জন্য ইউক্রেনের বন্ধু রাষ্ট্রদের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, "তিনি ও তার সরকার রাশিয়ার সাথে বৈঠকে বসতে আগ্রহী, কিন্তু মস্কো থেকে ইউক্রেন কোন সারা পায়নি।" 

জার্মান চ্যান্সেলর ওলফ শলয এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, "পুতিন তার সামরিক লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন, এবং এই যুদ্ধে যতোধিক সৈন্য নিহত হয়েছে তা রাশিয়ার আফগানিস্তান যুদ্ধের থেকেও বেশি।"

"আশাকরি পুতিন ইতোমধ্যে বুঝতে পারছেন যে এই সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় ইউক্রেনের সাথে আলোচনা শুরু করে সমাধান করা", যোগ করেন শলয। 

এই যুদ্ধের সকল ক্ষয়ক্ষতির দায়ভার রাশিয়াকেই নিতে হবে জানিয়েছেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বায়েরবক। তিনি আরও জানান যে, এই সকল ক্ষয়ক্ষতির জন্য রাশিয়াকে চরম মূল্য দিতে হবে।  



রাশিয়া-ইউক্রেন   জি-৭   খাদ্য সংকট   জ্বালানী   মস্কো   অর্থনীতি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সোমালিয়ায় ফিরছে মার্কিন সৈন্যবাহিনী

প্রকাশ: ০৪:১৮ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail সোমালিয়ায় ফিরছে মার্কিন সৈন্যবাহিনী

সোমালিয়ার শান্তি রক্ষায় আবারও সৈন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ২০২০ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সোমালিয়া থেকে মার্কিন সৈন্য অপসরণ নীতি থেকে সরে এসে আবারও সেখানে সৈন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সরকার, এমনটাই জানানো হয়েছে পেন্টাগন থেকে। 

হাসান শেখ মাহমুদ, গত পড়শু সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার পর পরই এমন ঘোষণা আসে। সোমালিয়ায় দীর্ঘদিন থেকেই আল-সাবাব নামের একটি ইসলামী চরমপন্থি গোষ্ঠী দেশটির ক্ষমতা নিতে বিভিন্ন তৎপরতা চালিয়ে আসছিল। সোমালিয়ায় শান্তি ফিরিয়ে আনতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন।

২০২০ সালে সোমালিয়া থেকে ট্রাম্পের সৈন্য অপসারণের সময় বিশ্বের অনেক দেশই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। আমেরিকার নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র আদ্রিয়ানে ওয়াটসন বলেছেন, "পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে এবার নতুন করে কয়েক দফার আপাতাত ৫০০ সৈন্য মোতায়ন করা হবে।"

গত কয়েক দশক ধরেই দুর্বল রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং  অব্যবস্থাপনা, এবং দুর্ভিক্ষ সহ বিভিন্ন রকম সমস্যায় জর্জরিত সোমালিয়া। এখন দেখার বিষয় নতুন রাষ্ট্রপ্রধান দেশটি পুনর্গঠনে কি ভূমিকা রাখতে পারেন। 


সোমালিয়া   মার্কিন সৈন্যবাহিনী   শান্তি রক্ষা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

রাশিয়ার সীমান্তের কাছে ন্যাটো জোটের মহড়া শুরু

প্রকাশ: ০৪:০৫ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail রাশিয়ার সীমান্তের কাছে ন্যাটো জোটের মহড়া শুরু

রাশিয়া সীমান্তের কাছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো সামরিক জোটের বিশাল মহড়া শুরু হয়েছে। এস্তোনিয়ার ভূখণ্ডে শুরু হওয়া এই মহড়ায় আমেরিকা, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, জর্জিয়া এবং ইউক্রেনসহ ১৪টি দেশ অংশ নিচ্ছে। 

সোমবার (১৬ মে) এই সামরিক মহড়া শুরু হয়। বাল্টিক দেশগুলোর ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় সামরিক মহড়া। 

‘হেজহগ’ নামের এ মহড়ায় ন্যাটো জোটের সদস্য এবং তাদের মিত্র ১৪ দেশের ১৫ হাজার সেনা অংশ নিচ্ছে।

ফিনল্যান্ডের গণমাধ্যম জানিয়েছে, চলতি মহড়ায় সামরিক বাহিনীর সব শাখা অংশ নেবে এবং স্থল, সমুদ্র ও আকাশে মহড়া চালানো হবে। পাশাপাশি সাইবার ওয়ারফেয়ারের মহড়াও চলবে।

রুশ সীমান্ত থেকে মাত্র ৬০ কিলোমিটার দূরে এ মহড়া চলছে। তবে মহড়ার কমান্ডার ও এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপপ্রধান মেজর জেনারেল ভিকো-ভেলো বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযানের সঙ্গে এই মহড়ার কোনো সম্পর্ক নেই।  

ন্যাটো জোটে যোগ দেয়ার বিষয়ে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়ার একদিন পর এই মহড়া শুরু হলো। সূত্র: পার্সটুডে

রাশিয়া   ইউক্রেন   ন্যাটো   যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভারতে ১০ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার

প্রকাশ: ০৩:৫৭ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail ভারতে ১০ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার

কয়েক হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা ও আত্মসাৎ ঘটনার হোতা প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এখন পর্যন্ত ১৫০ কোটি টাকার সম্পত্তির সন্ধান পেয়েছে ইডি।

এর আগে তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ মঙ্গলবার (১৭ মে) কলকাতার ব্যাংকশাল আদালতে (স্পেশাল কোর্ট) তোলা হয় পি কে হালদারকে। এ সময় ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করে ইডি।

এদিন সকালে ইডির আঞ্চলিক দপ্তর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে পিকে হালদারকে নিয়ে যাওয়ার বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে মেডিকেল চেকআপ করে ফের ৯.৩০ নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্স নিয়ে আসা হয়। এসময় গণমাধ্যমের কর্মীরা প্রশ্ন করলে একটি প্রশ্নেরও উত্তর দেননি পি কে।

১০ হাজার কোটি টাকা তছরুপের মামলার এই হাইপ্রোফাইল আসামি প্রায় ১০০ ঘণ্টার বেশি রয়েছেন এক পোশাকে। ইডি সূত্রে বলা হচ্ছে, তার নিকটাত্মীয় বা পরিচিত পরিচয়ে কেউ এগিয়ে এসে তার বা তার সাথীদের পোশাক দিতে আসেননি। তাই এক পোশাকেই তাদের দিন পার হচ্ছে।

গত শুক্রবার (১৩ মে) পশ্চিমবঙ্গের ১১টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পি কেসহ মোট ৬ জনকে আটক করা হয়। শনিবার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাদের হেফাজতে নেয় ইডি।

২০০২ সালের ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ (পিএমএলএ) এর অধীন গ্রেপ্তার হওয়া পি কে হালদার ছাড়াও অন্য নাগরিকরা হলেন প্রাণেশ কুমার হালদার, স্বপন মিত্র ওরফে স্বপন মিস্ত্রি, উত্তম মৈত্র ওরফে উত্তম মিস্ত্রি, ইমাম হোসেন ওরফে ইমন হালদার এবং আমানা সুলতানা ওরফে শারমিন হালদার। গ্রেপ্তারকৃত ৬ জনকেই রোববার পিএমএলএ' এর আওতাধীন বিশেষ আদালতে তোলা হলে ৫ জনকে ইডির রিমান্ডে নেয়া হয় একজনকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। 


ভারতে ১০ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সহিংসতার পর শ্রীলংকায় প্রথম সংসদ অধিবেশন

প্রকাশ: ০৩:৫২ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail সহিংসতার পর শ্রীলংকায় প্রথম সংসদ অধিবেশন

শ্রীলংকায় সহিংসতার পর প্রথমবারের মতো সংসদ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধিবেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি উঠে আসে। 

অধিবেশনে গত সপ্তাহের সহিংসতা, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগসহ বর্তমান সময়ে পেট্রোল সংকট নিয়েও সতর্ক থাকার কথা জানান নতুন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এই মুহূর্তে মাত্র একদিনের পেট্রোল মজুদ রয়েছে। আগামী কয়েকমাস আমাদের জন্য সবচেয়ে কঠিন' 

অধিবেশনে তিনি আরো বলেন, বিদেশ রিজার্ভ শূন্যের কাছাকাছি। ৭৫মিলিয়ন রিজার্ভের বিপরিতে মাত্র ৭.৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার নিয়ে সামনের কঠিন দিনগুলো পার কারতে হবে।' 

চলমান সহিংস পরিস্থিতি এবং এর বিভিন্ন প্রভাবসমূহই ছিল সংসদ অভিবেশনে আলোচনার মূল বিষয়। 

সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কার সরকার ও সাধারণ জনগণের রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় ৯ জনের মৃত্যুর খবর জানা পাওয়া যায় এরই সাথে আহতের সংখ্যা প্রায় ৩শতাধিক।

শ্রীলঙ্কা   পার্লামেন্ট   সহিংসতা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন