ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

মারিওপোল থেকে জাহাজ বোঝাই ধাতব পদার্থ যাচ্ছে রাশিয়ায়

প্রকাশ: ১০:৫৫ এএম, ২৯ মে, ২০২২


Thumbnail মারিওপোল থেকে জাহাজ বোঝাই ধাতব পদার্থ যাচ্ছে রাশিয়ায়

মারিওপোল বন্দর থেকে রাশিয়ার একটি জাহাজে করে ধাতব পদার্থ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে। 

এদিকে, মারিওপোল বন্দর থেকে ধাতব পদার্থ নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটিকে ‘ছিনতাই’ বলে ঘোষণা করেছে। খবর রয়টার্সের।

বার্তা সংস্থা তাসের কাছে বন্দরের এক মুখপাত্র বলেছেন, সোমবার রাশিয়ার জাহাজটিতে দুই হাজার ৭০০ টন ধাতব পদার্থ বোঝাই করে ১৬০ কিলোমিটার দূরে রাশিয়ার রোস্তভ–অব–ডন শহরের পূর্বাঞ্চলে নেওয়া হবে। তবে এসব ধাতব পদার্থ কোথায় উৎপন্ন হয়েছে তা তিনি বলেননি। 

ইউক্রেনের মানবাধিকার ন্যায়পাল লিউডমিলা ডেনিসোভা বলেছেন, চালানটিতে ইউক্রেন থেকে রাশিয়ার লুটপাটের মালামাল রয়েছে।

টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে দেনিসোভা লিখেছেন, ‘ইউক্রেনের অস্থায়ীভাবে দখলকৃত অঞ্চলে লুটপাট অব্যাহত রয়েছে। ইউক্রেনীয় শস্য চুরির পরে দখলকারীরা মারিউপোল থেকে ধাতব পণ্য লুটে নিতে শুরু করেছে।’

ইউক্রেনের বৃহত্তম ইস্পাতপণ্য নির্মাতা মেটিনভেস্ট গত শুক্রবার বলেছে, মারিউপোলে আটকে থাকা কয়েকটি জাহাগে করে ধাতব পণ্য চুরি করে পাচার করার কাজে ব্যবহার করতে পারে রাশিয়া। এ বিষয়ে তারা উদ্বেগে রয়েছে। রাশিয়া তাদের পণ্য চুরি করে নিতে পারে। তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে দস্যুবৃত্তির অভিযোগ এনেছে। 

মারিওপোল থেকে সরিয়ে নেওয়া ধাতব পদার্থ মেটিনভেস্টের কিনা সে প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র বলেন, ‘হ্যাঁ, মারিউপোল বন্দরে আমাদের পণ্য রয়েছে।’
গত সপ্তাহে মারিওপোল শহরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করে রাশিয়া জানায়, আজভ সাগরের কাছে আজভস্তাল ইস্পাত কারখানায় আশ্রয় নেওয়া ২ হাজার ৪০০ ইউক্রেন সেনা আত্মসমর্পন করেছে। গত বৃহস্পতিবার রাশিয়া জানায়, মারিওপোল বন্দর থেকে সব মাইন সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এটি এখন বাণিজ্যিক বন্দর হিসেবে কার্যক্রম শুরুর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। 

মারিওপোলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ফলে আজভ সাগর উপকূলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন মস্কোর হাতে চলে এসেছে। এখন একটি সেতু তৈরি করে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ক্রিমিয়ার যোগাযোগ স্থাপন সফল হয়েছে। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলে নেয় রাশিয়া।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযানের নামে হাজারো সেনা পাঠায় রাশিয়া। মস্কো বলেছিল, ইউক্রেনকে নিরস্ত্রীকরণ করতে তারা অভিযান চালিয়েছে।

কারণ ইউক্রেনের সেনারা রুশ ভাষাভাষী মানুষের ওপর গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তোলে মস্কো। কিন্তু কিয়েভ ও পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে রাশিয়ার এই আক্রমণের পটভূমির বিষয়টিকে ভিত্তিভীন বলে উড়িয়ে দেওয়া। 

মারিওপোল   ধাতব পদার্থ   জাহাজ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

৬ হাজার ইউক্রেনীয় সেনার আত্নসমর্পনের দাবি রাশিয়ার

প্রকাশ: ০৯:৪৪ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ৬ হাজার ইউক্রেনীয় সেনার আত্নসমর্পনের দাবি রাশিয়ার

ইউক্রেনের ছয় হাজারের বেশি সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছে বলে দাবি করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সংবাদমাধ্যম রিয়া নোভোস্তি নিউজ এজেন্সির সূত্রে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে ছয় হাজারের বেশি সেনা আত্মসমর্পণ করেছেন বা বন্দি হয়েছেন।

ইউক্রেন জানিয়েছে, দেশটির ১৪৪ সেনাকে মুক্তি দিয়েছে রাশিয়া। ওই সেনাদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ইউক্রেনের ১৪৪ সেনাকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি প্রেসিডেন্ট পুতিনের সরাসরি আদেশে হয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনকে আরও ১২০ কোটি ডলার বা ১০০ কোটি পাউন্ড সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করতে ড্রোন এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

ডাউনিং স্ট্রিট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নতুন এই সহায়তার ফলে এখন পর্যন্ত ইউক্রেনকে ব্রিটেনের পক্ষ থেকে মোট সহায়তা দেওয়া হচ্ছে ২৩০ কোটি পাউন্ড। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে ব্রিটেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, ক্রুবিহীন আকাশযান, নতুন যুদ্ধ সরঞ্জাম এবং ইউক্রেনের সৈন্যদের জন্য কয়েক হাজার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সামরিক সহায়তা এই প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এটি ব্রিটেনের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে ইউক্রেনকে বীরত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সহায়তা করবে, যেন তারা রুশ সৈন্যদের হাত থেকে নিজেদের ভূখণ্ডকে রক্ষা করতে পারে।  

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলার পর থেকে এখন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া আরও কয়েক লাখ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

ইউক্রেন   আত্মসমর্পণ   রাশিয়া  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি সঙ্কট সমাধানের দাবিতে রাজপথে চিকিৎসক, ব্যাংককর্মীরা

প্রকাশ: ০৯:২৮ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি সঙ্কট সমাধানের দাবিতে রাজপথে চিকিৎসক, ব্যাংককর্মীরা

অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কায় তীব্র হয়েছে জ্বালানি সঙ্কট। জ্বালানির এই সংকট সমাধানের দাবিতে দেশটির চিকিৎসক, ব্যাংকারসহ শত শত মানুষ রাজপথে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স। 

জানা গেছে, দেশটিতে এখন মাত্র এক সপ্তাহ চলার মতো জ্বালানি রয়েছে। এছাড়া জ্বালানির নতুন চালান আসতে আরো দুই সপ্তাহ লেগে যেতে পারে। এর মধ্যেই মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুসপ্তাহের জন্য ট্রেন, বাস এবং স্বাস্থ্যখাতের মতো জরুরি পরিষেবায় জ্বালানির ব্যবহার সীমিত রাখার ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার।

দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আগামী ২২ জুলাই আমদানিকৃত পেট্রোলের একটি চালান দেশে আসবে। এছাড়া ভারতীয় তেল কর্পোরেশনের একটি ইউনিট লঙ্কা আইওসি আগামী ১৩ জুলাই পেট্রোল ও ডিজেলের আরেকটি চালান পাওয়ার আশা করছে।

এদিকে দেশটির চিকিত্সক, নার্স এবং চিকিৎসা কর্মীরা অভিযোগ করছেন, প্রয়োজনীয় কর্মী মনোনীত হওয়া সত্ত্বেও তারা কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি পাচ্ছেন না।

শ্রীলঙ্কার অন্যতম বৃহত্তম নার্সিং ইউনিয়ন অল আইল্যান্ড নার্সেস ইউনিয়নের সেক্রেটারি এইচ.এম. মেডিওয়াত্তা সাংবাদিকদের বলেন, এটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি। সরকারের অবশ্যই আমাদের সমস্যার সমাধান দিতে হবে।

জনস্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরাও জ্বালানি সঙ্কট সমাধানের দাবিতে চলমান বিক্ষোভে অংশ নেন। কলম্বোর জাতীয় হাসপাতালের ১০০ জনেরও বেশি চিকিৎসাকর্মী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকে মিছিল করে সরকারের কাছে জ্বালানি ও ওষুধের নতুন সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

শ্রীলঙ্কা   চিকিৎসক   জ্বালানি   বিক্ষোভ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিশ্বের ১১০ টি দেশে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্রকাশ: ০৮:১২ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail বিশ্বের ১১০ টি দেশে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বর্তমানে বিশ্বের অন্তত ১১০টি দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় ডব্লিউএইচওর মূল কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওমিক্রন পরিবারের দুই ভাইরাস- ভাইরাস বিএ পয়েন্ট ফোর এবং বিএ পয়েন্ট ফাইভের কারণে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে ১১০ দেশে। এসব দেশে সংক্রমণ বাড়ার কারণে গত এক মাসে বিশ্বজুড়ে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ২০ শতাংশ বেড়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে গেব্রিয়েসুস বলেন, ‘শুরুর সময়ের তুলনায় বর্তমানে করোনাভাইরাসের তেজ কিছুটা কমেছে, কিন্তু মহামারি এখনও শেষ হয়ে যায়নি। বর্তমানে বিশ্বের অন্তত ১১০টি দেশে করোনা সংক্রমণে উর্ধ্বগতি শুরু হয়েছে এবং প্রতিদিন এসব দেশে করোনায় গুরুতর অসুস্থ প্রত্যেক ৬ জনের মধ্যে ৩ জনই মারা যাচ্ছেন।’

‘আরও একটি বিপজ্জনক ব্যাপার হলো, বিশ্বের কয়েকটি অঞ্চলে করোনাভাইরাসের রূপান্তরিত ধরন ওমিক্রনের জেনোমিক সিকোয়েন্স পরিবর্তন হয়েছে।’

‘ফলে একদিকে ভাইরাসটিকে আমাদের ট্র্যাক করার ক্ষমতা যেমন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে এই ভাইরাসটির আরও নতুন পরিবর্তিত ধরনের আগমনের সম্ভাবনাও বাড়ছে।’

মহামারির দুই বছর পেরিয়ে গেলেও টিকাদান কর্মসূচি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে না পারায় খেদ প্রকাশ করেছেন গেব্রিয়েসুস। সংবাদ সম্মেলনে এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘মহামারি নির্মূল করতে হলে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অন্তত ৭০ শতাংশকে অবশ্যই করোনা টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে।’

‘কিন্তু আমাদের হাতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মাত্র ৫৮টি দেশের ৭০ শতাংশ টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন।’

মহাসচিব বলেন, ‘এখনও বিশ্বের অনেক দেশে সাধারণ মানুষ তো দূর—স্বাস্থ্যকর্মী ও বয়স্ক লোকজনও টিকার ডোজ পাননি; অনেক দেশ টিকাদান কর্মসূচি শুরুই করতে পারেনি, কিংবা করলেও টিকার স্বল্পতার কারণে মাঝপথে থামিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। এসব খুবই দুঃখজনক।’ 

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৫৫ কোটি ১৯ লাখ ২৯ হাজার ৫২৮ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬২ জনের।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনায় আক্রান্ত শনাক্তের পর দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

করোনা   বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সীমান্তে করোনা বিধিনিষেধ বাড়াল কানাডা

প্রকাশ: ০৭:৩২ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সীমান্তে করোনা বিধিনিষেধ বাড়াল কানাডা

করোনা প্রকোপের কারণে বিদেশি যাত্রীদের জন্য চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সীমান্ত বিধিনিষেধ বর্ধিত করেছে কানাডা।
বুধবার (২৯ জুন) এক বিবৃতিতে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব বিদেশি যাত্রী কানাডা সরকারের অনুমোদিত যে কোনো করোনা টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন, তারা বিনা বাধায় দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন। আর যারা টিকা নেননি বা টিকার ডোজ সম্পূর্ণ করেননি, তাদেরকে কানাডার বিমানবন্দরে নামার পরপরই বাধ্যতামূলক টেস্ট করাতে হবে।

টিকা নেওয়া যাত্রীদের বিমানবন্দরে টেস্টের পাশাপাশি ১৪ দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের পর অষ্টম দিনে আবারও করাতে হবে টেস্ট।

বিদেশি যাত্রীদের জন্য ‘অ্যারাইভ সিএএন’ নামে একটি অ্যাপ চালু করেছে কানাডার সরকার। এ বিষয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কানাডায় প্রবেশের ৭২ ঘণ্টা আগে এই অ্যাপ নিজেদের মোবাইলে ইনস্টল করতে হবে প্রত্যেক বিদেশি যাত্রীকে এবং সেখানে যেসব প্রশ্ন রয়েছে, সেসবের যথাযথ উত্তর দিতে হবে।

বিমান পরিষেবা সংস্থাগুলোর দাবিতে গত ১১ জুন বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলক করোনা টেস্টের বিধি উঠিয়ে নিয়েছিল কানাডার সরকার। আগামী ১৫ জুলাইয়ের পর থেকে আবারও সেই নিয়ম চালু করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

কানাডার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জিন-ইউভেস ডুক্লোস বলেন, ‘আমাদের স্মরণে রাখা উচিত, মহামারি এখনও বিদায় নেয়নি। বিশ্বজুড়েই যেহেতু করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তাই এই ভাইরাস থেকে নিজের এবং অন্যদের সুরক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধের প্রয়োজনও ফুরিয়ে যায়নি। করোনা সংক্রমণ ও তার ছড়িয়ে পড়া রোধে তাই সরকার আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

২০২০ সালে মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত কানাডায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৩৫ হাজার ৬০৯ জন এবং কোভিডজনিত অসুস্থতায় এ পর্যন্ত দেশটিতে ‍মৃত্যু হয়েছে ৪১ হাজার ৯০৪ জনের।

কানাডা   করোনা   বিধিনিষেধ   সীমান্ত  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভারতে ভূমিধসে নিহত ৫৫

প্রকাশ: ০৬:৫০ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ভারতে ভূমিধসে নিহত ৫৫

ভারতের মনিপুর রাজ্যে ভূমিধসে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে এই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। প্রবল বর্ষণ ও তার ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে ইতোমধ্যে ৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়া বাকিদের মৃতদেহ উদ্ধারে তৎপরতা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।

প্রত্যন্ত পাহাড়ি এই জেলার যে এলাকায় ভূমিধস হয়েছে, সেটি জেলার  ও জঙ্গলাকীর্ণ এলাকা এবং সেখানে রেলপথ নির্মাণ কাজ চলছিল বলে জানিয়েছেন জেলার ম্যাজিস্ট্রেট হাউলিয়ানলাল গুইতে। 

ভূমিধসের পর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হলেও প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে তাদের পৌঁছাতে কিছু বিলম্ব হয়। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে ১৯ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছেন বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি জানিয়েছেন, ‘যখন ভূমিধস ঘটে, সেসময় সেখানে ৮১ জন ছিল। এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে জীবিত ও ৭ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি যে ৫৫ জন রয়েছে, তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।’

চলতি মাসে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ৭ প্রদেশ (সেভেন সিস্টার্স) ও বাংলাদেশে অস্বাভাবিক পর্যায়ের বর্ষণ হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ২০২২ সালের জুন মাসে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে বিগত কোনো বছরে এই মাসে এত বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি।

ইতোমধ্যে প্রবল বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসে সেভেন সিস্টার্স ও বাংলাদেশে দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হতাহতদের লোকালয়ে আনতে সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। 

এদিকে, ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শাখা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ননি জেলার ওই এলাকায় আরও ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দিয়েছে।

ভারত   মনিপুর   ভুমিধস  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন