ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

চীন থেকে ২৩০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা পাচ্ছে পাকিস্তান

প্রকাশ: ০১:৫৫ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail

চলমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় দীর্ঘদিনের বন্ধু চীন থেকে ২৩০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা পেতে চলেছে পাকিস্তান। দেশটিতে পড়তে থাকা রিজার্ভ ঘাটতি ও মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঠেকাতে এই ঋণ সহায়তা কাজে দিবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।  

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই।

চীনের একাধিক ব্যাংকের কনসোর্টিয়াম এবং পাকিস্তান আগেই ২.৩ বিলিয়ন বা ২৩০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি ঋণ সুবিধা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। এর ফলে ‘কয়েক দিনের মধ্যে’ চীনের কাছ থেকে বিপুল এই অর্থ হাতে পাবে পাকিস্তান।  

এই অর্থ সহায়তার বিষয়ে চীনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বুধবার (২২ জুন) পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মিফতাহ ইসমাইল বলেছেন, ঋণ চুক্তির অধীনে চীন থেকে নগদ এই অর্থপ্রবাহ কয়েক দিনের মধ্যেই চলে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। 

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিও চীনকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং চীনের জনগণের প্রতি (পাকিস্তান) কৃতজ্ঞ। চীনা কনসোর্টিয়াম অব ব্যাংক আজ ১৫০০ কোটি আরএমবি ঋণ সুবিধা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। চীন হলো আমাদের সব সময়ের বন্ধু এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে অব্যাহত সমর্থনের জন্য পাকিস্তানের জনগণ কৃতজ্ঞ।’

টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় অর্থমন্ত্রী মিফতাহ ইসমাইল বলেছেন, ‘চীনা ব্যাংকের কনসোর্টিয়াম আজকে ১৫০০ কোটি আরএমবি (চীনা মুদ্রা) ঋণ সুবিধা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পাকিস্তান স্বাক্ষর সম্পন্ন করেছে গতকাল। কয়েকদিনের মধ্যেই নগদ অর্থ চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই লেনদেন সহজতর করার জন্য আমরা চীনা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’

পাকিস্তানের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভের অবস্থা খুবই খারাপ জায়গায় এসে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের মুদ্রার মূল্যও ভয়ংকরভাবে কমে গেছে। এই সংকট থেকে উদ্ধার করতে চীনের একাধিক ব্যাংকের কনসোর্টিয়াম ইসলামাবাদকে ২৩০ কোটি মার্কিন ডলার দিচ্ছে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, গত ১০ জুনের হিসেব অনুযায়ী, পাকিস্তানের স্টেট ব্যাংকের কাছে ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার আছে, তা দিয়ে মাত্র ছয় সপ্তাহের আমদানির খরচ মেটানো সম্ভব। তাই চীনের থেকে ২৩০ কোটি ডলার পাওয়া পাকিস্তানের জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল।

এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গেও পাকিস্তানের আলোচনা চলছে। তারা যাতে আগের মতো এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফেসিলিটি দেয় তা নিয়ে আলোচনা অনেকদূর এগিয়েছে।

বুধবার রাতে আইএমএফ ও পাকিস্তান ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। সেখানে কীভাবে খরচ কমানো হবে এবং আয় বাড়ানো হবে, তা নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছেছে উভয় পক্ষই।

দ্য ডন জানিয়েছে, সমঝোতা অনুযায়ী প্রতি মাসে পাঁচ রুপি করে পেট্রোলিয়াম লেভি বসানো হবে। ১০ মাস লেভি বসবে। কর আদায়ের টার্গেট করা হয়েছে ৪২ হাজার ২০০ কোটি রুপি। সংস্থাগুলোকে পভার্টি ট্যাক্স দিতে হবে। অতিরিক্ত বেতন ও পেনশনের জন্য যে তহবিল রাখা হয়েছিল, সেটাও বন্ধ করা হবে।

পাকিস্তান   চীন   ঋণ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

জনসনকে দাঁতভাঙা জবাব দিলেন পুতিন

প্রকাশ: ০৮:১৮ এএম, ০১ Jul, ২০২২


Thumbnail জনসনকে দাঁতভাঙা জবাব দিলেন পুতিন

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মন্তব্যের দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর আগে বরিস জনসন মন্তব্য করেছিলেন, পুতিন একজন নারী হলে কখনোই ইউক্রেনে হামলা চালাতেন না।

আর এরপরই কঠোর প্রতিক্রিয়ায় পুতিন বলেছেন, ১৯৮২ সালে ব্রিটেনের তৎকালীন নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার আর্জেন্টিনার ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে হামলা চালিয়েছিলেন। জনসনের বক্তব্য অনুযায়ী কি এখন ধরে নিতে হবে থ্যাচার তাহলে পুরুষ ছিলেন?

সম্প্রতি শিল্পোন্নত সাত জাতিগোষ্ঠী জিসেভেনের শীর্ষ সম্মেলনের অবকাশে বরিস জনসন দাবি করেন, ‘বিষাক্ত পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা’ থেকে পুতিন ইউক্রেনে সেনা অভিযান চালাচ্ছেন। তাই তিনি নারীর ক্ষমতায়নের ওপর জোর দেন। 

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বাভারিয়ায় জি-৭ সম্মেলনের পর একটি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বরিস এসব কথা বলেন।

এর জবাবে ১৯৮২ সালে থ্যাচারের নির্দেশে আর্জেন্টিনার ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে ব্রিটিশ আগ্রাসনের কথা স্মরণ করেন পুতিন। তিনি বলেন, “আমি সমসাময়িক ইতিহাসের একটি ঘটনা স্মরণ করতে চাই যেখানে মার্গারেট থ্যাচার আর্জেন্টিনার ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে সামরিক অভিযান চালিয়েছিলেন। তাহলে দেখা যাচ্ছে একজন নারী সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।”

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “কাজেই আজ যা ঘটছে সে সম্পর্কে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যে রেফারেন্স দিচ্ছেন তা সঠিক নয়। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ বিশ্ব মানচিত্রের কোথায় আর ব্রিটেনের অবস্থান সেখান থেকে কত দূরে? থ্যাচার যা করেছিলেন তা সাম্রাজ্যবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করা ছাড়া আর কিছু ছিল না।”

গণমাধ্যমে বহু আগে প্রকাশিত পুতিনের খালি গায়ে ঘোরসওয়ার করার একটি ছবির প্রতি ইঙ্গিত করে মঙ্গলবারের সাক্ষাৎকারে জনসন আরও বলেছিলেন, জিসেভেনের নেতারাও বাভারিয়ার পাহাড়ে উঠে নিজেদের জামা খুলে একথার প্রমাণ দিতে পারেন যে, তারা ‘পুতিনের চেয়ে বেশি লৌহমানব।’

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যেরও জবাব দিতে ছাড়েননি রুশ প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছেন, পশ্চিমা নেতারা কখনওই তার মতো হতে পারবেন না  কারণ, তারা শরীরচর্চা করেন না এবং অতিরিক্ত মাত্রায় মদ্যপান করেন। পুতিন বলেন, পশ্চিমা নেতারা যদি জামা খোলেন তাহলে এক ‘জঘন্য দৃশ্যের অবতারণা’ হবে। 

সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি


পুতিন   বরিস জনসন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

৬ হাজার ইউক্রেনীয় সেনার আত্নসমর্পনের দাবি রাশিয়ার

প্রকাশ: ০৯:৪৪ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ৬ হাজার ইউক্রেনীয় সেনার আত্নসমর্পনের দাবি রাশিয়ার

ইউক্রেনের ছয় হাজারের বেশি সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছে বলে দাবি করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সংবাদমাধ্যম রিয়া নোভোস্তি নিউজ এজেন্সির সূত্রে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে ছয় হাজারের বেশি সেনা আত্মসমর্পণ করেছেন বা বন্দি হয়েছেন।

ইউক্রেন জানিয়েছে, দেশটির ১৪৪ সেনাকে মুক্তি দিয়েছে রাশিয়া। ওই সেনাদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ইউক্রেনের ১৪৪ সেনাকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি প্রেসিডেন্ট পুতিনের সরাসরি আদেশে হয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনকে আরও ১২০ কোটি ডলার বা ১০০ কোটি পাউন্ড সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করতে ড্রোন এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

ডাউনিং স্ট্রিট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নতুন এই সহায়তার ফলে এখন পর্যন্ত ইউক্রেনকে ব্রিটেনের পক্ষ থেকে মোট সহায়তা দেওয়া হচ্ছে ২৩০ কোটি পাউন্ড। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে ব্রিটেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, ক্রুবিহীন আকাশযান, নতুন যুদ্ধ সরঞ্জাম এবং ইউক্রেনের সৈন্যদের জন্য কয়েক হাজার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সামরিক সহায়তা এই প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এটি ব্রিটেনের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে ইউক্রেনকে বীরত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সহায়তা করবে, যেন তারা রুশ সৈন্যদের হাত থেকে নিজেদের ভূখণ্ডকে রক্ষা করতে পারে।  

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলার পর থেকে এখন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া আরও কয়েক লাখ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

ইউক্রেন   আত্মসমর্পণ   রাশিয়া  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি সঙ্কট সমাধানের দাবিতে রাজপথে চিকিৎসক, ব্যাংককর্মীরা

প্রকাশ: ০৯:২৮ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি সঙ্কট সমাধানের দাবিতে রাজপথে চিকিৎসক, ব্যাংককর্মীরা

অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কায় তীব্র হয়েছে জ্বালানি সঙ্কট। জ্বালানির এই সংকট সমাধানের দাবিতে দেশটির চিকিৎসক, ব্যাংকারসহ শত শত মানুষ রাজপথে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স। 

জানা গেছে, দেশটিতে এখন মাত্র এক সপ্তাহ চলার মতো জ্বালানি রয়েছে। এছাড়া জ্বালানির নতুন চালান আসতে আরো দুই সপ্তাহ লেগে যেতে পারে। এর মধ্যেই মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুসপ্তাহের জন্য ট্রেন, বাস এবং স্বাস্থ্যখাতের মতো জরুরি পরিষেবায় জ্বালানির ব্যবহার সীমিত রাখার ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার।

দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আগামী ২২ জুলাই আমদানিকৃত পেট্রোলের একটি চালান দেশে আসবে। এছাড়া ভারতীয় তেল কর্পোরেশনের একটি ইউনিট লঙ্কা আইওসি আগামী ১৩ জুলাই পেট্রোল ও ডিজেলের আরেকটি চালান পাওয়ার আশা করছে।

এদিকে দেশটির চিকিত্সক, নার্স এবং চিকিৎসা কর্মীরা অভিযোগ করছেন, প্রয়োজনীয় কর্মী মনোনীত হওয়া সত্ত্বেও তারা কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি পাচ্ছেন না।

শ্রীলঙ্কার অন্যতম বৃহত্তম নার্সিং ইউনিয়ন অল আইল্যান্ড নার্সেস ইউনিয়নের সেক্রেটারি এইচ.এম. মেডিওয়াত্তা সাংবাদিকদের বলেন, এটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি। সরকারের অবশ্যই আমাদের সমস্যার সমাধান দিতে হবে।

জনস্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরাও জ্বালানি সঙ্কট সমাধানের দাবিতে চলমান বিক্ষোভে অংশ নেন। কলম্বোর জাতীয় হাসপাতালের ১০০ জনেরও বেশি চিকিৎসাকর্মী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকে মিছিল করে সরকারের কাছে জ্বালানি ও ওষুধের নতুন সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

শ্রীলঙ্কা   চিকিৎসক   জ্বালানি   বিক্ষোভ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিশ্বের ১১০ টি দেশে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্রকাশ: ০৮:১২ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail বিশ্বের ১১০ টি দেশে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বর্তমানে বিশ্বের অন্তত ১১০টি দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় ডব্লিউএইচওর মূল কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওমিক্রন পরিবারের দুই ভাইরাস- ভাইরাস বিএ পয়েন্ট ফোর এবং বিএ পয়েন্ট ফাইভের কারণে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে ১১০ দেশে। এসব দেশে সংক্রমণ বাড়ার কারণে গত এক মাসে বিশ্বজুড়ে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ২০ শতাংশ বেড়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে গেব্রিয়েসুস বলেন, ‘শুরুর সময়ের তুলনায় বর্তমানে করোনাভাইরাসের তেজ কিছুটা কমেছে, কিন্তু মহামারি এখনও শেষ হয়ে যায়নি। বর্তমানে বিশ্বের অন্তত ১১০টি দেশে করোনা সংক্রমণে উর্ধ্বগতি শুরু হয়েছে এবং প্রতিদিন এসব দেশে করোনায় গুরুতর অসুস্থ প্রত্যেক ৬ জনের মধ্যে ৩ জনই মারা যাচ্ছেন।’

‘আরও একটি বিপজ্জনক ব্যাপার হলো, বিশ্বের কয়েকটি অঞ্চলে করোনাভাইরাসের রূপান্তরিত ধরন ওমিক্রনের জেনোমিক সিকোয়েন্স পরিবর্তন হয়েছে।’

‘ফলে একদিকে ভাইরাসটিকে আমাদের ট্র্যাক করার ক্ষমতা যেমন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে এই ভাইরাসটির আরও নতুন পরিবর্তিত ধরনের আগমনের সম্ভাবনাও বাড়ছে।’

মহামারির দুই বছর পেরিয়ে গেলেও টিকাদান কর্মসূচি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে না পারায় খেদ প্রকাশ করেছেন গেব্রিয়েসুস। সংবাদ সম্মেলনে এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘মহামারি নির্মূল করতে হলে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অন্তত ৭০ শতাংশকে অবশ্যই করোনা টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে।’

‘কিন্তু আমাদের হাতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মাত্র ৫৮টি দেশের ৭০ শতাংশ টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন।’

মহাসচিব বলেন, ‘এখনও বিশ্বের অনেক দেশে সাধারণ মানুষ তো দূর—স্বাস্থ্যকর্মী ও বয়স্ক লোকজনও টিকার ডোজ পাননি; অনেক দেশ টিকাদান কর্মসূচি শুরুই করতে পারেনি, কিংবা করলেও টিকার স্বল্পতার কারণে মাঝপথে থামিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। এসব খুবই দুঃখজনক।’ 

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৫৫ কোটি ১৯ লাখ ২৯ হাজার ৫২৮ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬২ জনের।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনায় আক্রান্ত শনাক্তের পর দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

করোনা   বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সীমান্তে করোনা বিধিনিষেধ বাড়াল কানাডা

প্রকাশ: ০৭:৩২ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সীমান্তে করোনা বিধিনিষেধ বাড়াল কানাডা

করোনা প্রকোপের কারণে বিদেশি যাত্রীদের জন্য চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সীমান্ত বিধিনিষেধ বর্ধিত করেছে কানাডা।
বুধবার (২৯ জুন) এক বিবৃতিতে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব বিদেশি যাত্রী কানাডা সরকারের অনুমোদিত যে কোনো করোনা টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন, তারা বিনা বাধায় দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন। আর যারা টিকা নেননি বা টিকার ডোজ সম্পূর্ণ করেননি, তাদেরকে কানাডার বিমানবন্দরে নামার পরপরই বাধ্যতামূলক টেস্ট করাতে হবে।

টিকা নেওয়া যাত্রীদের বিমানবন্দরে টেস্টের পাশাপাশি ১৪ দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের পর অষ্টম দিনে আবারও করাতে হবে টেস্ট।

বিদেশি যাত্রীদের জন্য ‘অ্যারাইভ সিএএন’ নামে একটি অ্যাপ চালু করেছে কানাডার সরকার। এ বিষয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কানাডায় প্রবেশের ৭২ ঘণ্টা আগে এই অ্যাপ নিজেদের মোবাইলে ইনস্টল করতে হবে প্রত্যেক বিদেশি যাত্রীকে এবং সেখানে যেসব প্রশ্ন রয়েছে, সেসবের যথাযথ উত্তর দিতে হবে।

বিমান পরিষেবা সংস্থাগুলোর দাবিতে গত ১১ জুন বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলক করোনা টেস্টের বিধি উঠিয়ে নিয়েছিল কানাডার সরকার। আগামী ১৫ জুলাইয়ের পর থেকে আবারও সেই নিয়ম চালু করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

কানাডার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জিন-ইউভেস ডুক্লোস বলেন, ‘আমাদের স্মরণে রাখা উচিত, মহামারি এখনও বিদায় নেয়নি। বিশ্বজুড়েই যেহেতু করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তাই এই ভাইরাস থেকে নিজের এবং অন্যদের সুরক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধের প্রয়োজনও ফুরিয়ে যায়নি। করোনা সংক্রমণ ও তার ছড়িয়ে পড়া রোধে তাই সরকার আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

২০২০ সালে মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত কানাডায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৩৫ হাজার ৬০৯ জন এবং কোভিডজনিত অসুস্থতায় এ পর্যন্ত দেশটিতে ‍মৃত্যু হয়েছে ৪১ হাজার ৯০৪ জনের।

কানাডা   করোনা   বিধিনিষেধ   সীমান্ত  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন