ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

প্রতারণার অভিযোগে স্যামসাং কে জরিমানা ৯৭ লাখ ডলার

প্রকাশ: ০৩:৫০ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail প্রতারণার অভিযোগে স্যামসাং কে জরিমানা ৯৭ লাখ ডলার

প্রতারণার অভিযোগে স্মার্টফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্যামসাং কে ৯৭ লাখ মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৯০ কোটি টাকা। মিথ্যা পানি-প্রতিরোধক দাবির কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে এই জরিমানা করেছে অস্ট্রেলিয়ার একটি আদালত। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলেছে, স্যামসাং ইকেট্রনিক্সের স্থানীয় একটি ইউনিটকে (005930.KS) এক কোটি ৪০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার (৯৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার) জরিমানা করেছে অস্ট্রেলিয়ার একটি আদালত। মূলত স্যামসাংয়ের কিছু স্মার্টফোনে পানি-প্রতিরোধক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে প্রতারণাপূর্ণ দাবির জন্য জরিমানার নির্দেশ দেয় ওই আদালত।

অস্ট্রেলিয়ান কম্পিটিশন অ্যান্ড কনজিউমার কমিশন (এসিসিসি) জানিয়েছে, স্যামসাং অস্ট্রেলিয়া তার কিছু ‘গ্যালাক্সি’ ফোনের ক্রেতাদের পানি-প্রতিরোধের (ওয়াটার রেসিস্ট্যান্স) মাত্রা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করার কথা স্বীকার করেছে। এর আগে ২০১৯ সালের জুলাইয়ে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে মামলা করেছিল অস্ট্রেলিয়ার এই নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

অস্ট্রেলিয়ান এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, ২০১৬ সালের মার্চ মাস থেকে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসের মধ্যে নিজেদের স্মার্টফোনের পানি প্রতিরোধক ক্ষমতা সম্পর্কে দোকানে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন চালায় কোম্পানিটি। প্রচারিত সেসব বিজ্ঞাপনে সেসময় স্যামসাং দাবি করেছিল, তাদের স্মার্টফোনগুলো সুইমিং পুল অথবা সমুদ্রের পানির মধ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে।

তবে অসংখ্য ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন, স্মার্টফোনগুলো সঠিকভাবে কাজ করে না বা এমনকি পানির সংস্পর্শে আসার পরে এসব স্মার্টফোন সম্পূর্ণরূপে কাজ করা বন্ধ করে দেয়।

অস্ট্রেলিয়ান কম্পিটিশন অ্যান্ড কনজিউমার কমিশনের প্রধান জিনা ক্যাস-গটলিয়েব বলেছেন, সুইমিং পুল অথবা সমুদ্রের পানির মধ্যে স্মার্টফোন ব্যবহারের এই দাবিগুলো মূলত গ্যালাক্সি ফোনগুলোর বিক্রির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে। গ্যালাক্সি ফোন কেনা অনেক গ্রাহক নতুন একটি ফোন কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের মুখোমুখি হয়ে থাকতে পারেন।

তবে এ বিষয়ে স্যামসাং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

স্যামসাং   জরিমানা   প্রতারণা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

রেকর্ড দরপতনে ডলারের বিপরীতে ৭৯ তে নামলো ভারতীয় রুপি

প্রকাশ: ০৬:০৩ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail রেকর্ড দরপতনে ডলারের বিপরীতে ৭৯ তে নামলো ভারতীয় রুপি

মার্কিন ডলারের বিপরীতে রেকর্ড পরিমাণ দর কমে ৭৯ রুপিতে নামলো ভারতীয় মুদ্রার মান। বুধবার (২৯ জুন) টানা ছয় সেশনে সর্বকালের সর্বনিম্ন রেকর্ড গড়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি ডলারের বিপরীতে ৭৯ রুপির নিচে নেমেছে ভারতীয় মুদ্রা। সূত্র: এনডিটিভি

বুধবার (২৯ জুন) লেনদেনের শুরুতে প্রতি ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান ছিল ৭৮ দশমিক ৮৬। কিন্তু দিনশেষে আরও ১৮ পয়সা কমে এর মান দাঁড়ায় ৭৯ দশমিক ০৩ রুপি, যা ভারতীয় মুদ্রার ক্ষেত্রে সর্বকালের নতুন সর্বনিম্ন রেকর্ড। এমনকি লেনদেনের একপর্যায়ে মার্কিন মুদ্রার বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান ৭৯ দশমিক ০৫-এ নেমে গিয়েছিল, যা এবারই প্রথম। মঙ্গলবার (২৮ জুন) ৪৮ পয়সা কমে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মান দাঁড়িয়েছিল রেকর্ড ৭৮ দশমিক ৮৫ রুপিতে। এই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৯ জুন) টানা ছয় সেশনে দর পতনের নতুন রেকর্ড গড়লো দেশটি। 

অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানিপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক সুদের হার বাড়ানোর কারণে ভারতীয় রুপির দরপতন ঘটছে। অবশ্য শুধু ভারতেরই নয়, এশিয়ার প্রায় সব দেশের মুদ্রার মানই বর্তমানে নিম্নমুখী। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, এমনকি চীন-জাপানের মুদ্রারও অবমূল্যায়ন ঘটেছে।

এইচডিএফসি সিকিউরিটিজের বিশ্লেষক দিলীপ পারমার পিটিআই’কে বলেছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় রুপির জন্য তেমন কোনো সুখবর নেই। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এর মান আরও কমে ৭৯ দশমিক ১০ রুপি দেখা যেতে পারে।

রুপির দরপতন ঠেকাতে সম্প্রতি হস্তক্ষেপ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে বাজার বিশ্লেষকদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলেছে, রুপির দরপতন ঠেকাতে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) নীতি পরিবর্তন করা দরকার। তাদের মতে, আরবিআইর নীতি রুপির দরপতনকে আরও ত্বরান্বিত করছে।

ভারত   রুপি   দরপতন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনের স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার

প্রকাশ: ০৪:২২ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনের স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার

ইউক্রেনের স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে রাশিয়া এমনটাই জানিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। 

ইউক্রেন কর্তৃপক্ষও রাশিয়ার সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, স্নেক দ্বীপে এখন আর কোনো রুশ সেনা নেই। 

রুশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ভালো আচরণ হিসেবে রাশিয়া আজ পরিপূর্ণভাবে স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।’

খাদ্য সরবরাহ নির্বিঘ্ন করতে স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। 

এদিকে রুশ সেনা প্রত্যাহারের ঘটনায় ইউক্রেনীয় সেনাদের কৃতিত্বের কথা জানিয়েছে ইউক্রেন প্রশাসন। কয়েকদিন ধরে দ্বীপটিকে রক্ষার চেষ্টা করেছিল ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। রুশ সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য ইউক্রেন সরকার সব কৃতিত্ব দিয়েছে ইউক্রেন সেনাদের।

ইউক্রেন   স্নেক দ্বীপ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

চীনকে হুমকি হিসাবে দেখছে ন্যাটো

প্রকাশ: ০৪:০৪ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail চীনকে হুমকি হিসাবে দেখছে ন্যাটো

প্রথমবারে মতো চীনকে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ন্যাটো। চীনের জবরদস্তিমূলক নীতি ও ‍উচ্চাভিলাষের জন্য পশ্চিমা এই সামরিক জোট চীনকে তাদের কৌশলগত তালিকায় জায়গা দিয়েছে।

মাদ্রিদের ন্যাটো সম্মেলন থেকে প্রকাশিত একটি তালিকায় দেখা গেছে, রাশিয়াকে শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য প্রত্যক্ষ ও গুরুত্বপূর্ণ হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ন্যাটো।

অন্যদিকে, তাইওয়ানের সাথে সংঘাতের কারণে চীনকেও  সামরিক উচ্চাভিলাষী ও কৌশলগত হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে ন্যাটো। ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টোলেনবার্গ বলেন, ‘পরমাণু অস্ত্র, প্রতিবেশীদের হেনস্তা, তাইওয়ানকে হুমকি দেওয়াসহ চীন তাদের সামরিক শক্তি ক্রমাগত বাড়িয়ে চলেছে। এছাড়াও নিজেদের নাগরিকদেরও নজদারির মতো কর্মকাণ্ড ও নিয়ন্ত্রণ করে চীন। সাথে রাশিয়ার মতো চীনও মিথ্যা তথ্য ছড়ায়।’ 

ন্যাটো মহাসচিব আরও বলেন, ‘চীন আমাদের প্রতিপক্ষ নয় কিন্তু আমরা চীনের সৃষ্টি করা চ্যালেঞ্জকে গুরুত্বের সাথেই চোখ রাখছি।’


সূত্র: আল জাজিরা


ন্যাটো   চীন   রাশিয়া   আমেরিকা   বিশ্বরাজনীতি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

১৪৪ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে মুক্তি দিয়েছে রাশিয়া

প্রকাশ: ০২:৫৬ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ১৪৪ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে মুক্তি দিয়েছে রাশিয়া

বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে ইউক্রেনের ১৪৪ জন সেনাকে মুক্তি দিয়েছে রাশিয়া। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

রাশিয়ার কাছ থেকে ছাড়া পাওয়া এসব সেনাদের মধ্যে মারিউপোলের সেই আজভস্টাল ইস্পাত কারখানা থেকে আটক যোদ্ধাদের ৯৫ জন রয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা সংক্ষিপ্তভাবে জিইউআর নামে পরিচিত। বুধবার (২৯ জুন) টেলিগ্রামে সংস্থাটি জানায়, মুক্তি পাওয়া ইউক্রেনীয় সেনাদের বেশিরভাগই গুরুতরভাবে আহত। তাদের কেউ বন্দুকের গুলি, বিস্ফোরণের আঘাত, পোড়া, হাড় ভেঙ্গে যাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত।

রয়টার্স বলছে, বন্দি বিনিময় নিয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে পূর্ব ইউক্রেনের স্ব-ঘোষিত দোনেতস্ক পিপলস রিপাবলিকের প্রধান বলেছেন, তারা নিজেদের যোদ্ধা এবং রুশ সেনাবাহিনীর সদস্যসহ ১৪৪ সেনার মুক্তি নিশ্চিত করেছে।

তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর একই সংখ্যক বন্দিকে কিয়েভের কাছে হস্তান্তর করেছি। এসব বন্দিদের বেশিরভাগই আহত ছিলেন।’ 

আরও শতাধিক ইউক্রেনীয় এখনও পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়া এবং তার মস্কোপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্তৃপক্ষের হাতে বন্দি রয়েছেন বলে মনে করা হয়। তবে তাদের সঠিক অবস্থান এখনও জানা যায়নি।

ডয়চে ভেলে বলছে, ইউক্রেন প্রশাসন প্রথম জানায়, ১৪৪ জন সেনাকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে মারিউপোলের সেই আজভস্টাল স্টিল কারখানা থেকে আটক যোদ্ধাদের ৯৫ জন আছেন। যদিও প্রাথমিকভাবে রাশিয়া জানিয়েছিল, তাদের মুক্তি দেওয়া হবে না।

এমনকি রাশিয়ার আদালতে ওই যোদ্ধাদের বিচার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল। তাদের মৃত্যুদণ্ডের দাবিও তুলেছিল রাশিয়া। ফলে সেখান থেকে ৯৫ জনকে দেশে ফেরানো বড় জয় হিসেবেই দেখছে ইউক্রেন।

অন্যদিকে রাশিয়াপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ডেনিস পুশিলিন জানিয়েছেন, রাশিয়া এবং দোনেতস্ক পিপলস রিপাবলিকের ১৪৪ জন বন্দি যোদ্ধা দেশে ফিরেছেন। বিচ্ছিন্নতাবাদী যোদ্ধাদের ইউক্রেনের জেল থেকে ছাড়িয়ে নিতে পারাকে জয় হিসেবেই দেখছে রাশিয়া। 


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

প্যারিস হামলার বেঁচে থাকা একমাত্র আসামির যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ০২:৩৭ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail প্যারিস হামলার বেঁচে থাকা একমাত্র আসামির যাবজ্জীবন

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ২০১৫ সালে সন্ত্রাসী হামলায় জড়িত বেঁচে থাকা একমাত্র আসামী সালাহ আবদুস সালামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ফ্রান্সের একটি আদালত। 

বুধবার (২৯ জুন) মামলার রায় ঘোষণার সময় বিচারক দলের নেতৃত্বে ছিলেন জ্যঁ-লুই পেরিস। তিনি বলেন, আসামী আবদুস সালাম কারাগার থেকে কোনো ধরনের প্যারোলে মুক্তি পাবেন না। খবর পার্সটুডের। 

মামলার রায়ে তাকে হত্যা ও হত্যা প্রচেষ্টার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ফ্রান্সে এটাই হচ্ছে সর্বোচ্চ সাজা এবং এ ধরনের সাজা দেয়ার ঘটনা অনেকটাই দুর্লভ। 

মামলার রায় ঘোষণা উপলক্ষে আদালত এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। আবদুস সালামের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার মাধ্যম এ মামলার নয় মাসের কার্যক্রম শেষ করা হলো। ২০১৫ সালের ১৩ নভেম্বর রাতে দায়েশ সন্ত্রাসীরা ওই হামলা চালায় এবং এতে অন্তত ১৩০ জন নিহত হন। হামলা হয় প্যারিসের বাটাক্ল্যান মিউজিক হলে, ছয়টি বার, রেস্টুরেন্ট এবং একটি স্টেডিয়ামে।

হামলার জন্য আদালতে আবদুস সালাম নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। কিন্তু আদালত তার কথায় গুরুত্ব দেয় নি। 

হামলায় অংশ নেয়া অন্য নয় সন্ত্রাসী বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিজেদেরকে উড়িয়ে দিয়েছে অথবা পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে।

ফ্রান্স   হামলা   দায়েশ   যাবজ্জীবন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন