ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনের পণ্য রপ্তানি নিয়ে তুরস্ক-রাশিয়ার আলোচনা

প্রকাশ: ০৪:২১ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনের পণ্য রপ্তানি নিয়ে তুরস্ক-রাশিয়ার আলোচনা

ইউক্রেনে আটকা পড়া পণ্য রপ্তানির বিষয়ে তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে রাজি হয়েছে রাশিয়া। এর আগে মস্কোতে দেশ দুইটির মধ্যে আলোচনা হয়। বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

এক বিবৃতিতে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আলোচনার ফলে এরই মধ্যে তুরস্কের একটি ড্রাই কার্গো জাহাজ নিরাপদে মারিউপোলের বন্দর ত্যাগ করেছে। এটাই একমাত্র বিদেশি জাহাজ যেটি যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম ইউক্রেনের বন্দর ছাড়লো। 

ইউক্রেনের দক্ষিণ উপকূলে মারিউপোল অবস্থিত। এক মাস দীর্ঘ অবরোধের পর মে মাসে রুশ ও বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায় এটি।

বিশ্বের শীর্ষ গম রপ্তানিকারকদের মধ্যে ইউক্রেন অন্যতম। কিন্তু ইউক্রেন হামলার পর দেশটির রপ্তানি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এতে বিশ্বজুড়ে খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়। জাতিসংঘ উভয় পক্ষকে নিরাপদ রপ্তানি করিডোর তৈরির আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে শস্য ও সার রপ্তানি সহজতর করার জন্য কিছু পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চায় মস্কো। অন্যদিকে কিয়েভ জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন পরিকল্পনায় সম্মত হওয়ার জন্য বন্দরগুলোর জন্য নিরাপত্তা গ্যারান্টি চায়। ইউক্রেন আরও জানিয়েছে, তাদের অনুমোদন ছাড়া কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে না। 

যুদ্ধ শুরুর পরই কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলো দিয়ে খাদ্যপণ্য রপ্তানি করতে পারছে না ইউক্রেন। এতে বিশ্বজুড়ে খাবারের দাম বেড়ে গেছে। অন্যদিকে রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পশ্চিমারা।

তুরস্ক   রাশিয়া   ইউক্রেন   রপ্তানি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিশ্বের ১১০ টি দেশে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্রকাশ: ০৮:১২ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail বিশ্বের ১১০ টি দেশে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বর্তমানে বিশ্বের অন্তত ১১০টি দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় ডব্লিউএইচওর মূল কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওমিক্রন পরিবারের দুই ভাইরাস- ভাইরাস বিএ পয়েন্ট ফোর এবং বিএ পয়েন্ট ফাইভের কারণে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে ১১০ দেশে। এসব দেশে সংক্রমণ বাড়ার কারণে গত এক মাসে বিশ্বজুড়ে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ২০ শতাংশ বেড়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে গেব্রিয়েসুস বলেন, ‘শুরুর সময়ের তুলনায় বর্তমানে করোনাভাইরাসের তেজ কিছুটা কমেছে, কিন্তু মহামারি এখনও শেষ হয়ে যায়নি। বর্তমানে বিশ্বের অন্তত ১১০টি দেশে করোনা সংক্রমণে উর্ধ্বগতি শুরু হয়েছে এবং প্রতিদিন এসব দেশে করোনায় গুরুতর অসুস্থ প্রত্যেক ৬ জনের মধ্যে ৩ জনই মারা যাচ্ছেন।’

‘আরও একটি বিপজ্জনক ব্যাপার হলো, বিশ্বের কয়েকটি অঞ্চলে করোনাভাইরাসের রূপান্তরিত ধরন ওমিক্রনের জেনোমিক সিকোয়েন্স পরিবর্তন হয়েছে।’

‘ফলে একদিকে ভাইরাসটিকে আমাদের ট্র্যাক করার ক্ষমতা যেমন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে এই ভাইরাসটির আরও নতুন পরিবর্তিত ধরনের আগমনের সম্ভাবনাও বাড়ছে।’

মহামারির দুই বছর পেরিয়ে গেলেও টিকাদান কর্মসূচি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে না পারায় খেদ প্রকাশ করেছেন গেব্রিয়েসুস। সংবাদ সম্মেলনে এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘মহামারি নির্মূল করতে হলে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অন্তত ৭০ শতাংশকে অবশ্যই করোনা টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে।’

‘কিন্তু আমাদের হাতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মাত্র ৫৮টি দেশের ৭০ শতাংশ টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন।’

মহাসচিব বলেন, ‘এখনও বিশ্বের অনেক দেশে সাধারণ মানুষ তো দূর—স্বাস্থ্যকর্মী ও বয়স্ক লোকজনও টিকার ডোজ পাননি; অনেক দেশ টিকাদান কর্মসূচি শুরুই করতে পারেনি, কিংবা করলেও টিকার স্বল্পতার কারণে মাঝপথে থামিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। এসব খুবই দুঃখজনক।’ 

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৫৫ কোটি ১৯ লাখ ২৯ হাজার ৫২৮ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬২ জনের।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনায় আক্রান্ত শনাক্তের পর দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

করোনা   বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সীমান্তে করোনা বিধিনিষেধ বাড়াল কানাডা

প্রকাশ: ০৭:৩২ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সীমান্তে করোনা বিধিনিষেধ বাড়াল কানাডা

করোনা প্রকোপের কারণে বিদেশি যাত্রীদের জন্য চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সীমান্ত বিধিনিষেধ বর্ধিত করেছে কানাডা।
বুধবার (২৯ জুন) এক বিবৃতিতে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব বিদেশি যাত্রী কানাডা সরকারের অনুমোদিত যে কোনো করোনা টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন, তারা বিনা বাধায় দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন। আর যারা টিকা নেননি বা টিকার ডোজ সম্পূর্ণ করেননি, তাদেরকে কানাডার বিমানবন্দরে নামার পরপরই বাধ্যতামূলক টেস্ট করাতে হবে।

টিকা নেওয়া যাত্রীদের বিমানবন্দরে টেস্টের পাশাপাশি ১৪ দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের পর অষ্টম দিনে আবারও করাতে হবে টেস্ট।

বিদেশি যাত্রীদের জন্য ‘অ্যারাইভ সিএএন’ নামে একটি অ্যাপ চালু করেছে কানাডার সরকার। এ বিষয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কানাডায় প্রবেশের ৭২ ঘণ্টা আগে এই অ্যাপ নিজেদের মোবাইলে ইনস্টল করতে হবে প্রত্যেক বিদেশি যাত্রীকে এবং সেখানে যেসব প্রশ্ন রয়েছে, সেসবের যথাযথ উত্তর দিতে হবে।

বিমান পরিষেবা সংস্থাগুলোর দাবিতে গত ১১ জুন বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলক করোনা টেস্টের বিধি উঠিয়ে নিয়েছিল কানাডার সরকার। আগামী ১৫ জুলাইয়ের পর থেকে আবারও সেই নিয়ম চালু করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

কানাডার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জিন-ইউভেস ডুক্লোস বলেন, ‘আমাদের স্মরণে রাখা উচিত, মহামারি এখনও বিদায় নেয়নি। বিশ্বজুড়েই যেহেতু করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তাই এই ভাইরাস থেকে নিজের এবং অন্যদের সুরক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধের প্রয়োজনও ফুরিয়ে যায়নি। করোনা সংক্রমণ ও তার ছড়িয়ে পড়া রোধে তাই সরকার আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

২০২০ সালে মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত কানাডায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৩৫ হাজার ৬০৯ জন এবং কোভিডজনিত অসুস্থতায় এ পর্যন্ত দেশটিতে ‍মৃত্যু হয়েছে ৪১ হাজার ৯০৪ জনের।

কানাডা   করোনা   বিধিনিষেধ   সীমান্ত  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভারতে ভূমিধসে নিহত ৫৫

প্রকাশ: ০৬:৫০ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ভারতে ভূমিধসে নিহত ৫৫

ভারতের মনিপুর রাজ্যে ভূমিধসে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে এই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। প্রবল বর্ষণ ও তার ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে ইতোমধ্যে ৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়া বাকিদের মৃতদেহ উদ্ধারে তৎপরতা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।

প্রত্যন্ত পাহাড়ি এই জেলার যে এলাকায় ভূমিধস হয়েছে, সেটি জেলার  ও জঙ্গলাকীর্ণ এলাকা এবং সেখানে রেলপথ নির্মাণ কাজ চলছিল বলে জানিয়েছেন জেলার ম্যাজিস্ট্রেট হাউলিয়ানলাল গুইতে। 

ভূমিধসের পর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হলেও প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে তাদের পৌঁছাতে কিছু বিলম্ব হয়। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে ১৯ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছেন বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি জানিয়েছেন, ‘যখন ভূমিধস ঘটে, সেসময় সেখানে ৮১ জন ছিল। এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে জীবিত ও ৭ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি যে ৫৫ জন রয়েছে, তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।’

চলতি মাসে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ৭ প্রদেশ (সেভেন সিস্টার্স) ও বাংলাদেশে অস্বাভাবিক পর্যায়ের বর্ষণ হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ২০২২ সালের জুন মাসে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে বিগত কোনো বছরে এই মাসে এত বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি।

ইতোমধ্যে প্রবল বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসে সেভেন সিস্টার্স ও বাংলাদেশে দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হতাহতদের লোকালয়ে আনতে সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। 

এদিকে, ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শাখা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ননি জেলার ওই এলাকায় আরও ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দিয়েছে।

ভারত   মনিপুর   ভুমিধস  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

রেকর্ড দরপতনে ডলারের বিপরীতে ৭৯ তে নামলো ভারতীয় রুপি

প্রকাশ: ০৬:০৩ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail রেকর্ড দরপতনে ডলারের বিপরীতে ৭৯ তে নামলো ভারতীয় রুপি

মার্কিন ডলারের বিপরীতে রেকর্ড পরিমাণ দর কমে ৭৯ রুপিতে নামলো ভারতীয় মুদ্রার মান। বুধবার (২৯ জুন) টানা ছয় সেশনে সর্বকালের সর্বনিম্ন রেকর্ড গড়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি ডলারের বিপরীতে ৭৯ রুপির নিচে নেমেছে ভারতীয় মুদ্রা। সূত্র: এনডিটিভি

বুধবার (২৯ জুন) লেনদেনের শুরুতে প্রতি ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান ছিল ৭৮ দশমিক ৮৬। কিন্তু দিনশেষে আরও ১৮ পয়সা কমে এর মান দাঁড়ায় ৭৯ দশমিক ০৩ রুপি, যা ভারতীয় মুদ্রার ক্ষেত্রে সর্বকালের নতুন সর্বনিম্ন রেকর্ড। এমনকি লেনদেনের একপর্যায়ে মার্কিন মুদ্রার বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান ৭৯ দশমিক ০৫-এ নেমে গিয়েছিল, যা এবারই প্রথম। মঙ্গলবার (২৮ জুন) ৪৮ পয়সা কমে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মান দাঁড়িয়েছিল রেকর্ড ৭৮ দশমিক ৮৫ রুপিতে। এই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৯ জুন) টানা ছয় সেশনে দর পতনের নতুন রেকর্ড গড়লো দেশটি। 

অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানিপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক সুদের হার বাড়ানোর কারণে ভারতীয় রুপির দরপতন ঘটছে। অবশ্য শুধু ভারতেরই নয়, এশিয়ার প্রায় সব দেশের মুদ্রার মানই বর্তমানে নিম্নমুখী। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, এমনকি চীন-জাপানের মুদ্রারও অবমূল্যায়ন ঘটেছে।

এইচডিএফসি সিকিউরিটিজের বিশ্লেষক দিলীপ পারমার পিটিআই’কে বলেছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় রুপির জন্য তেমন কোনো সুখবর নেই। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এর মান আরও কমে ৭৯ দশমিক ১০ রুপি দেখা যেতে পারে।

রুপির দরপতন ঠেকাতে সম্প্রতি হস্তক্ষেপ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে বাজার বিশ্লেষকদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলেছে, রুপির দরপতন ঠেকাতে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) নীতি পরিবর্তন করা দরকার। তাদের মতে, আরবিআইর নীতি রুপির দরপতনকে আরও ত্বরান্বিত করছে।

ভারত   রুপি   দরপতন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনের স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার

প্রকাশ: ০৪:২২ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনের স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার

ইউক্রেনের স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে রাশিয়া এমনটাই জানিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। 

ইউক্রেন কর্তৃপক্ষও রাশিয়ার সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, স্নেক দ্বীপে এখন আর কোনো রুশ সেনা নেই। 

রুশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ভালো আচরণ হিসেবে রাশিয়া আজ পরিপূর্ণভাবে স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।’

খাদ্য সরবরাহ নির্বিঘ্ন করতে স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। 

এদিকে রুশ সেনা প্রত্যাহারের ঘটনায় ইউক্রেনীয় সেনাদের কৃতিত্বের কথা জানিয়েছে ইউক্রেন প্রশাসন। কয়েকদিন ধরে দ্বীপটিকে রক্ষার চেষ্টা করেছিল ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। রুশ সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য ইউক্রেন সরকার সব কৃতিত্ব দিয়েছে ইউক্রেন সেনাদের।

ইউক্রেন   স্নেক দ্বীপ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন