ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

রাশিয়ার বিরুদ্ধে গম চুরির সত্যতা মেলেনি: তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:০৭ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail রাশিয়ার বিরুদ্ধে গম চুরির সত্যতা মেলেনি: তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের গম চুরির প্রমাণ পায়নি তুরস্ক। বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় এক সংবাদসম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু। 

আঙ্কারায় যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরে দুই দেশের যৌথ সংবাদসম্মেলনে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভুসোগলু বলেন, ‘আমরা এই অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেছি এবং সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে। তদন্তকাজের অংশ হিসেবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তুরস্কে যত গম এসেছে, সেসবের প্রতিটির রেকর্ড অনুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেছে রাষ্ট্রীয় তদন্তকারী দল।’

‘কিন্তু তদন্তে এমন কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা ইউক্রেনের অভিযোগকে কোনো প্রকার সত্যতা বা ভিত্তি দিতে পারে।’

গত ৬ মে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের বৈশ্বিক খাদ্য ও কৃষি নিরাপত্তা সংস্থা ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের (এফএও)  উপপরিচালক জোসেফ স্মিদুবের জানান, যুদ্ধাবস্থা ও তার ফলে সৃষ্ট অবকাঠামোগত বিপর্যয় এবং ইউক্রেনের সমুদ্র বন্দরগুলোতে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় দেশটির গুদামগুলোতে প্রায় আড়াই কোটি টন গম ও ভুট্টা আটকে আছে।

তারপর চলতি জুন মাসের প্রথম দিকে আঙ্কারায় নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত অভিযোগ করেন, ইউক্রেনের অধিকৃত অঞ্চল ও গুদানসমূহ থেকে গম চুরি করে তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের কাছে বিক্রি করছে রাশিয়া।

পাশপাশি, এই চোরাই ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্তে তুরস্কের সহযোগিতাও কামনা করেন ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত। সেই অনুযায়ী এই অভিযোগের তদন্ত করে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

সংবাদ সম্মেলনে কাভুসোগলু আরও বলেন, ‘তুরস্ক নীতিগতভাবে এক দেশের চুরি করা পণ্য অন্যদেশ কর্তৃক কেনা-বেচা করার বিরোধী। যদি কখনও আমরা আঁচ করতে পারি যে, রাশিয়া বা অন্য কোনো দেশ ইউক্রেনের গম বা যে কোনো পণ্য চুরি করে বিক্রি করছে, সেক্ষেত্রে সেসব পণ্য কখনও আমরা গ্রহণ করব না।’

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অবশ্য ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাৎক্ষনিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

তুরস্ক একই সঙ্গে রাশিয়া ও ইউক্রেন— উভয়েরই মিত্র দেশ। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার সমস্যা কূটনৈতিক পন্থায় সমাধানে গত মার্চ থেকে দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিরা বৈঠক করছেন। প্রথম দিকে বেলারুশে এই বৈঠক বসলেও গত এপ্রিল থেকে এই বৈঠকের আয়োজক হিসেবে ভূমিকা পালন করছে তুরস্ক। বিভিন্ন ইস্যুতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দূত হিসেবেও কাজ করছে দেশটি।

বৃহস্পতিবার ১১৯তম দিনে পৌঁছেছে ইউক্রেনে রুশ সেনাদের অভিযান। ইতোমধ্যে দেশটির দুই বন্দর শহর খেরসন ও মারিউপোল, দনেতস্ক প্রদেশের শহর লিয়াম এবং মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ জাপোরিজ্জিয়ার আংশিক এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে রুশ বাহিনীর হাতে। বর্তমানে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ লুহানস্কের সেভারদনেতস্ক শহরে ইউক্রেন সেনাদের সঙ্গে তীব্র সংঘাত চলছে রুশ বাহিনীর।

তুরস্ক   রাশিয়া   গম   ইউক্রেন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভিয়েনা চুক্তি নিয়ে বৈঠকে ইরান-ইইউ

প্রকাশ: ১২:৪৫ পিএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail ভিয়েনা চুক্তি নিয়ে বৈঠকে ইরান-ইইউ

পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্থগিত হয়ে যাওয়া ভিয়েনা সংলাপ আবার চালু করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইরান-ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি ইইউ'র উদ্দেশ্যে বলেন, তার দেশ পরমাণু ইস্যুতে পাশ্চাত্যের সঙ্গে একটি শক্তিশালী, টেকসই ও নির্ভরযোগ্য চুক্তি চায়। 

শনিবার (২৫ জুন) বিকেলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে মধ্যস্ততাকারী হিসেবে তেহরান সফর করেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা জোসেপ বোরেল।  

সাক্ষাতে শামখানি আমেরিকার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর নিষ্ক্রিয় ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, পাশ্চাত্যের এসব নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কারণে ইরান তার পরমাণু তৎপরতার গতি বাড়িয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পশ্চিমারা তাদের প্রতিশ্রুতিতে ফিরে না আসা পর্যন্ত তেহরান কোনো অবস্থায় তার আগের অবস্থানে ফিরে যাবে না।

ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, ভিয়েনায় চুক্তি হতে হবে ইরানের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও ইরানের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করার জন্য।এই দু’টি লক্ষ্য বাস্তবায়ন হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে তেহরান পাশ্চাত্যেল সঙ্গে আর কোনো চুক্তিতে যাবে না বলেও ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করেন শামখানি।  

তিনি বলেন, আমেরিকা আলোচনার একই সময়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও হুমকি দিয়ে ইরানকে বাগে আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু যে ইরানি জনগণ কঠিনতম নিষেধাজ্ঞার সময়কে প্রবলভাবে প্রতিরোধ করেছে সেই জনগণের সঙ্গে আর হুমকির ভাষায় কথা বলা যাবে না।

ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কারণে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করে বোরেল বলেন, ভিয়েনায় একটি চুক্তি সই করার জন্য পেছনের দিকে না তাকিয়ে আমাদেরকে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রশাসন ভিয়েনায় একটি চুক্তি সই করে পরমাণু সমঝোতায় ফিরতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বলেও দাবি করেন ইইউর এই শীর্ষ কর্মকর্তা।  

ভিয়েনা চুক্তি   ইরান   ইউরোপীয় ইউনিয়ন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইনস্পেক্টরের বাড়ি তল্লাশি, টাকার গুপ্তধন পেল কর্মকর্তারা

প্রকাশ: ১১:৫৫ এএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail ইনস্পেক্টরের বাড়ি তল্লাশি, টাকার গুপ্তধন পেল কর্মকর্তারা

ভারতের বিহারে ড্রাগস ইনস্পেক্টরের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যেন গুপ্তধন খুঁজে পেল ভিজিল্যান্স কর্তারা। চারদিকে শুধু টাকা আর টাকা। বিছানার তোশকের নিচে টাকা। দেয়ালের তাকে টাকা। পুরো ঘরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সব ১০০ এবং ২০০০ টাকার নোট। এক অভিযানেই সন্ধান মিলেছে এসব টাকার।

শনিবার (২৫ জুন) ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের পাটনায়। কর্মকর্তারা জানিয়েছে এসব নোট গুনতেই তাদের সময় লেগেছে কয়েক ঘণ্টা। তবুও কত টাকা ওই অফিসারের বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে তার নির্দিষ্ট হিসাব দিতে পারেননি তারা। 

সূত্রের খবর, হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি থাকার অভিযোগে পাটনার ড্রাগস ইনস্পেক্টর জিতেন্দ্র কুমারের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। ওই ইনস্পেক্টরের বাড়ি থেকে এত নগদ অর্থ পেয়ে বিস্মিত কর্মকর্তারা। ঘরের যত্রতত্র গোছা গোছা ১০০ এবং ২০০০ টাকার নোটের বান্ডিল মিলেছে।

তদন্তকারীরা সেই টাকার হিসেব করতে বসে পড়েন জিতেন্দ্রর ঘরের বিছানায়। পুরো খাট জুড়ে টাকা বিছিয়ে হিসাব কষতে বসেন তারা। নগদ টাকা ছাড়াও বিপুল পরিমাণ গয়না উদ্ধার হয়েছে। এর বেশির ভাগ রূপোর। দুটি বিলাসবহুল গাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

পরে ওই ড্রাগস ইনস্পেক্টরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পুরো ঘটনায় বিহারের প্রশাসনিক মহলে আলোড়ন পড়ে গেছে।

বিহার   ইনস্পেক্টর   অভিযান  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীত্ব চান বরিস জনসন

প্রকাশ: ১১:৩১ এএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীত্ব চান বরিস জনসন

বিতর্ক আর সমালোচনায় রাজনৈতিক মহল থেকে পদত্যাগের দাবি উঠলেও এসবকে তোয়াক্কা না করে আগামী দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার লক্ষ্যের কথা জানালেন যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। শনিবার (২৫ জুন) প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে চান তিনি। 

ব্রিটিশ এই প্রধানমন্ত্রী যদি আগামী দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে সক্ষম হন, তাহলে সেটি তাকে ব্রিটেনে গত ২০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা নেতায় পরিণত করবে। রোববার (২৬ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্বপালন করতে চাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি জানান, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাতে, ব্রিটেনের আইনি ও অভিবাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার জন্য ২০৩০ এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকতে চান।

চলতি মাসের শুরুতে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে অনাস্থা ভোটে বিজয়ী হন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। বেশ কয়েকটি কারণে জনসন চাপের মুখে ছিলেন, যার মধ্যে একটি বড় কারণ হচ্ছে কোভিড লকডাউনের সময় ডাউনিং স্ট্রীটে বিধিনিষেধ ভেঙ্গে পার্টি করতে দেওয়া।

দলের মধ্যে হওয়া এই অনাস্থা ভোটাভুটিতে জনসনের পক্ষে ভোট পড়ে ২১১টি। বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৪৮টি। এই ফলাফলের সুবাদে আগামী এক বছর ব্রিটিশ এই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দলের মধ্যে থেকে আর কোনো ধরনের অনাস্থা প্রস্তাব আনা যাবে না।

রয়টার্স বলছে, চলতি মাসের শুরুতে কনজারভেটিভ পার্টির আইন প্রণেতাদের কাছে আস্থা ভোটে টিকে গেলেও তার দলেরই ৪১ শতাংশ সংসদীয় সহকর্মী জনসনকে ক্ষমতাচ্যুত করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে বিভ্রান্ত করার জন্য বরিস জনসনের বিরুদ্ধে এখন তদন্তও চলছে।

কনজারভেটিভ পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, অনাস্থা ভোটে টিকে যাওয়ার পর দলীয় আইনপ্রণেতারা আগামী এক বছর বরিস জনসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন না। তবে বিভিন্ন ইস্যুতে অপ্রতিরোধ্য অসন্তোষ বা একাধিক সিনিয়র মন্ত্রীদের পদত্যাগ জনসনের অবস্থানকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

এছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ব্রিটেনও কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গভীর জীবনযাত্রার ব্যয়-সংকটের মধ্যে রয়েছে। দেশটির মুদ্রাস্ফীতি গত ৪০ বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

কনজারভেটিভ পার্টির সাবেক নেতা মাইকেল হাওয়ার্ড শুক্রবার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বরিস জনসনের এখন সরে যাওয়ার সময় হয়েছে। অন্যদিকে উপনির্বাচনে পরাজয়ের পরে পদত্যাগ করেছেন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান অলিভার ডাউডেন।

কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য সফরের শেষ দিনে রুয়ান্ডায় সাংবাদিকদের জনসন বলেন, ‘আমি এই মুহূর্তে তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকার বিষয়ে সক্রিয়ভাবে চিন্তা করছি এবং আপনি জানেন, তখন কী হতে পারে। তবে যখন বিষয়টি সামনে আসবে তখন আমি এটি পর্যালোচনা করবো।’

তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে চাওয়া মানে তিনি ঠিক কী বোঝাতে চান, এমন প্রশ্নের জবাবে জনসন বলেন: ‘তৃতীয় মেয়াদ সম্পর্কে, এটি ২০৩০ এর দশকের মাঝামাঝি।’

রয়টার্স বলছে, জনসনকে অবশ্যই ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ব্রিটেনের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে এবং (২০৩০ এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে) ২০২৯ সালের মধ্যে তৃতীয় নির্বাচনে জয়ের প্রয়োজন হবে।

অবশ্য সবকিছু কাটিয়ে বরিস জনসন যদি ২০৩১ সালের শুরুর দিকেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকতে সক্ষম হন তাহলে ১৮১২ সাল থেকে ১৮২৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্বপালন করা রবার্ট ব্যাংকস জেনকিনসনের পর একটানা দীর্ঘসময় ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করা মার্গারেট থ্যাচারের রেকর্ডকে হারাবেন তিনি।

বরিস জনসন   প্রধানমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বন্দুক নিয়ন্ত্রণ বিলে সই করলেন বাইডেন

প্রকাশ: ১০:৫৭ এএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail

আলোচিত বন্দুক নিয়ন্ত্রণ বিলে সই করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গত ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ বিলটিতে সই করেন প্রেসিডেন্ট। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে পাস হয় এই বিল। ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান দুই দলের সদস্যদের সমর্থনে চলতি সপ্তাহে বিলটি মার্কিন কংগ্রেসের উভয়কক্ষে পাস হয়।

মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া বিলে তরুণ ক্রেতাদের কাছে অস্ত্র বিক্রির আগে তাদের অতীত ইতিহাস ভালোভাবে খতিয়ে দেখা এবং হুমকি হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে অস্ত্র সরিয়ে নিতে রাজ্যগুলোকে উৎসাহিত করার কথা রয়েছে।

শনিবার (২৫ জুন) বিলটিতে স্বাক্ষর করার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন যে ‘নিহতদের স্বজনরা মার্কিন সরকার কিছু করবে বলে আশা করেছিলেন। আজ আমরা সেটি করেছি।’ প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরও বলেছেন, ‘আমি যা চাই যদিও এই বিলটি তা করে না, তবে এতে এমন কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা আমি আগে থেকেই বলে আসছি এবং যেটি মানুষের জীবন বাঁচাতে চলেছে।

সম্প্রতি বন্দুক হামলার ঘটনা বেড়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে। বিশেষ করে গত মাসে নিউইয়র্কের বাফেলোর একটি সুপারমার্কেটে, টেক্সাসের উভালদে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে মার্কিন প্রশাসন।

বন্দুক নিয়ন্ত্রণ বিলে যেসব সংস্কারের কথা বলা হয়েছে,

১। ২১ বছরে কম বয়সী বন্দুক ক্রেতাদের ক্ষেত্রে তাদের অতীত ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হবে।

২। মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মসূচি ও স্কুলের নিরাপত্তা উন্নীত করার লক্ষ্যে এক হাজার ৫০০ কোটি ডলারের কেন্দ্রীয় তহবিল বরাদ্দ।

৩। হুমকি বলে বিবেচিত মানুষদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র দূরে রাখতে ‘রেড ফ্ল্যাগ’ আইনের বাস্তবায়নের জন্য অঙ্গরাজ্যগুলোকে উদ্বুদ্ধ করতে তহবিল বরাদ্দ।

৪। অবিবাহিত অন্তরঙ্গ সঙ্গীকে নিপীড়ন করা ব্যক্তিদের কাছে বন্দুক বিক্রি আটকে দিয়ে তথাকথিত ‘বয়ফ্রেন্ড লুপহোল’ বন্ধ করা।

যদিও প্রেসিডেন্ট বাইডেন বন্দুক আইনে আরও বড় সংস্কারের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা কিংবা বন্দুক ক্রয়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়সসীমা বাড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে ছিলেন বাইডেন।

সম্প্রতি টেক্সাসে স্কুলে নির্বিচারে গুলি চালানো বন্দুকধারী তার বয়স ১৮ হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই দুটি আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র কিনেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। বন্দুক নিয়ন্ত্রণ বিলটিকে গুরুত্বপূর্ণ বলার আরও একটি বড় কারণ রয়েছে। কয়েক দশকের মধ্যে এবারই প্রথম বন্দুক আইন সংস্কারের পক্ষে ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকানরা একমত হয়েছেন। সাধারণত বন্দুক আইন কঠোর করার চেষ্টায় রিপাবলিকান দলটি এতে বাধা প্রদান করতো এর আগে।

সূত্র: বিবিসি

বাইডেন   বন্দুক নিয়ন্ত্রণ বিল  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

স্পেনের ছিটমহলে গণপ্রবেশের চেষ্টা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩

প্রকাশ: ১০:৪১ এএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail স্পেনের ছিটমহলে গণপ্রবেশের চেষ্টা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩

উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের একটি ছিটমহলে গণপ্রবেশের চেষ্টায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ২৩ জনে। গত শুক্রবার (২৪ জুন) উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের ছিটমহল মেলিলার ভেতরে বিশাল সংখ্যক জনতা প্রবেশের চেষ্টা করলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

রোববার (২৬ জুন) এক প্রতিবেদনে প্রতিবেশী দেশ মরক্কোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহত অভিবাসীদের মধ্যে কয়েকজন ওই ছিটমহলের সীমান্ত বেড়ার ওপর থেকে পড়ে গিয়েছিলেন।

শুক্রবার (২৪ জুন) এই ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে ১৮ জন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। তবে শনিবার (২৫ জুন) কর্মকর্তারা  বলেন, সীমান্ত পারাপারের সময় পাওয়া আঘাতের কারণে আরও পাঁচজন মারা গেছেন। এতে করে প্রাণ হারানো অভিবাসীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে। 

শুক্রবার (২৪ জুন) সীমান্ত বেড়া কেটে কয়েকশো মানুষ মেলিলা ছিটমহলে প্রবেশের চেষ্টা করে। অবশ্য সীমান্ত পারাপারের আগেই বেশিরভাগকে জোর করে ফিরিয়ে আনা হয়। কিন্তু এরপরও শতাধিক অভিবাসী মেলিলায় প্রবেশ করতে সক্ষম হয় এবং তাদের বিষয়টি সেখানকার একটি অভ্যর্থনা কেন্দ্রে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

বিবিসি বলছে, শুক্রবার (২৪ জুন) ভোরে সংঘর্ষের পর বেশ কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মী ও অভিবাসীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত মার্চ মাসে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরায় শুরু হয় এবং এরপর এটিই প্রথম সীমান্তে এ জাতীয় গণ-পারাপারের চেষ্টা।

উত্তর আফ্রিকায় মেলিলার পাশাপাশি স্পেনের আরও একটি ছিটমহল রয়েছে। আর পৃথক ওই স্প্যানিশ ছিটমহলটির নাম সেউটা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টাকারী বেশিরভাগ সাব-সাহারান অভিবাসীদের কাছে এই দু’টি ছিটমহল আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

স্পেন   সিটমহল   মরক্কো  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন