ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির জন্য ৫ দিন অপেক্ষার পর ট্রাকচালকের মৃত্যু

প্রকাশ: ১০:১৭ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির জন্য ৫ দিন অপেক্ষার পর ট্রাকচালকের মৃত্যু

শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির জন্য লাইনে টানা ৫ দিন ধরে অপেক্ষা করতে করতেই মারা গেছেন ৬৩ বছর বয়স্ক এক ট্রাকচালক। বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা আঙ্গুরোয়াতোতার একটি জ্বালানি পাম্পে এই ঘটনা ঘটেছে। 

এ নিয়ে দেশটিতে জ্বালানির লাইনে অপেক্ষারত ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটলো। এর আগে বিভিন্ন সময়ে আরও নয় জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি। 

আঙ্গুরোয়াতোতা জেলা পুলিশের কর্মকর্তারারা জানিয়েছেন, মৃত ওই ট্রাকচালক ৫ দিন আগে ওই ব্যক্তি তার ট্রাক নিয়ে লাইনে অবস্থান নেন। তারপর বৃহস্পতিবার লোকজন তাকে গাড়ির ভেতর মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।

এক সপ্তাহ আগে কলম্বোর একটি পেট্রোল পাম্পে নিজের অটোরিক্সার জন্য জ্বালানি কিনতে গিয়েছিলেন ৫৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি; কিন্তু অপেক্ষায় থাকতে থাকতে একসময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

১৯৪৮ সালে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর ইতিহাসের সবথেকে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট পার করছে ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ অধ্যুষিত দেশ শ্রীলঙ্কা। সীমাহীন অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা ও করোনা মহামারি এই সংকটের প্রধান কারণ।

বিদেশি মু্দ্রার রিজার্ভ না থাকায় জ্বালানি, খাবার এবং ওষুধের মত অতি জরুরি পণ্যও আমদানি করতে পারছে না ভারত মহাসাগরের ছোট এই দ্বীপরাষ্ট্রটি।

এর মধ্যে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে শ্রীলঙ্কায়। ডিজেলের সরবরাহ অনিয়মিত হয়ে পড়ায় প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না শ্রীলঙ্কার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো। ফলে গত কয়েকমাস ধরে সেখানে দিনের বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। এছাড়া পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস কিনতে লোকজনকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

জ্বালানি বাঁচাতে ইতোমধ্যে সাপ্তাহিক কার্য দিবস ৪ দিনে নামিয়ে এনেছে দেশটির সরকার।

গত ১৬ জুন এক সংবাদ সম্মেলনে শ্রীলঙ্কার জ্বালানি ও বিদ্যুৎমন্ত্রী জানিয়েছিলেন দেশে যে পরিমাণ পেট্রোল ও ডিজেলের মজুত রয়েছে, তাতে বড়জোর ৫ দিন কোনোভাবে চলা যাবে। সেই হিসেবে শ্রীলঙ্কার ডিজেল ও পেট্রোলের মজুত শেষ হয়েছে গত ২১ জুন। এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেট্রোল-ডিজেলের নতুন চালান কেনার মতো প্রয়োজনীয় অর্থ বর্তমানে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নেই।

শ্রীলঙ্কা   জ্বালানি   মৃত্যু  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

কলম্বিয়ার কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৪৯, আহত ৩০

প্রকাশ: ০৯:৪৫ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail কলম্বিয়ার কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৪৯, আহত ৩০

কলম্বিয়ার একটি কারাগারে আগ্নিকাণ্ডের জেরে সৃষ্ট দাঙ্গায় মারা গেছে ৪৯ কয়েদি। এ ঘটনা আহত আরও ৩০ জন। 

মঙ্গলবার (২৮ জুন) রাতে দেশটির দক্ষিনপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তুলুয়ার আইএনপিইসি কারাগারে এই ঘটনা ঘটে।

কারাগারের প্রধান জেনারেল টিটো ক্যাস্টিল্যানোস দেশটির সংবাদমাধ্যম কারাকোল রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাঙ্গা ও হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ ও ‘বিপর্যয়কর’ উল্লেখ করে ক্যাস্টিল্যানোস বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, কয়েকজন কয়েদি তাদের বিছানার তোশকে আগুন দিয়েছিল। তারপর গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয়— কারাগারে আগুন লেগেছে।’

‘এতে স্বাভাবিকভাবেই অন্য কয়েদিরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং কারাগার থেকে বের হতে কারারক্ষীদের সঙ্গে সংঘাত শুরু করেন। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়ে গুলি ছোড়া শুরু করে রক্ষীরা। এ কারণেই ঘটেছে হতাহতের ঘটনা।’

আইএনপিইসি কারাগারে মোট কয়েদির সংখ্যা ১ হাজার ২৬৭ জন। কারাগারের যে ব্লকে আগুন ধরানো হয়েছিল, সেখানে ওই সময় ছিলেন ১৮০ জন কয়েদি।

লাতিন আমেরিকার অন্যান্য দেশের মতো কলম্বিয়ার বিভিন্ন কারগারেও ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েদির সংখ্যা অনেক বেশি। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, কলম্বিয়ার সব কারাগারের মোট কয়েদি ধারণ ক্ষমতা ৮১ হাজার, কিন্তু বর্তমানে দেশটির বিভিন্ন কারাগারে বন্দি কয়েদির সংখ্যা প্রায় ৯৭ হাজার।

এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভান ডিউক। এক টুইটবার্তায় প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তুলুয়া শহরের আইএনপিইসি কারাগারে হতাহতের ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত। আমি কারাপ্রধান টিটো ক্যাস্টিল্যানোসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি এবং এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।’

এর আগে ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় এই রোগ থেকে সুরক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছিল কলম্বিয়ার বিভিন্ন কারাগারে। সে সময় কারারক্ষীদের সঙ্গে সংঘাতে নিহত হয়েছিলেন প্রায় ২৪ জন কয়েদি। সেই বিক্ষোভের পর লঘু অপরাধে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কিছুসংখ্যক কয়েদিকে মুক্তি দিয়েছিল কলম্বিয়ার সরকার।

কলম্বিয়া   কারাগার   অগ্নিকাণ্ড   দাঙ্গা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ন্যাটোর ক্রিমিয়ায় প্রবেশে যুদ্ধের ইঙ্গিত রাশিয়ার

প্রকাশ: ০৯:২০ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ন্যাটোর ক্রিমিয়ায় প্রবেশে যুদ্ধের ইঙ্গিত রাশিয়ার

ন্যাটো জোট সদস্যের ক্রিমিয়ায় অনধিকার প্রবেশ হবে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধের শামিল এমন মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। 

সাবেক এই রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ক্রিমিয়া রাশিয়ার অংশ এবং এটা সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য। আর এই উপদ্বীপে কোনো ন্যাটো সদস্যের অনুপ্রবেশ রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল। আর এটার অর্থ— সমগ্র জোটের সাথে যুদ্ধ যা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। 

রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মেদভেদেভ এখন রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। সম্প্রতি ইউরোপের আরো দুটি দেশ ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোর সদস্য পদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ সাবেক এই রুশ প্রেসিডেন্ট। 

দেশ দুটির এই পদক্ষেপের প্রসঙ্গে মেদভেদেভ বলেন, তারা এটা করলে রাশিয়া সীমান্তে শক্তি বাড়াবে এবং প্রতিশোধের জন্য প্রস্তুত হবে।

ন্যাটো   ক্রিমিয়া   বিশ্বযুদ্ধ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনের শপিংমলে ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় নিহত ১৮

প্রকাশ: ০৮:৪৯ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনের শপিংমলে ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় নিহত ১৮

ইউক্রেনের শপিংমলে রাশিয়ার ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছে ১৮ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে এই হামলার ঘটনাকে 'ন্যক্কারজনক' বলে অভিহিত করেছেন বিশ্বনেতারা। সূত্র: রয়টার্স 

দেশটির মধ্যাঞ্চলের শহর ক্রেমেনচাকে শপিংমলে রুশ ক্ষেপনাস্ত্র হামলাকে ‘সম্পূর্ণ অসুস্থ’ আক্রমণ বলে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লিন্ডা টমাস গ্রিনফিল্ড। 

এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল মঙ্গলবার ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার নৃশংসতা নিয়ে আলোচনা করবে। তিনি বলেন, রাশিয়াকে অবশ্যই জবাদিহিতার আওতায় আনতে হবে। 

রয়টার্স সূত্রে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকে এই অপরাধের জন্য রাশিয়াকে বিচারের মুখোমুখি করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

এদিকে জার্মানিতে সম্মেলনে অংশ নেওয়া শিল্পোন্নত সাতটি দেশের জোট জি-৭-এর নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের ওপর এভাবে নির্বিচার হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল। 

ইউক্রেন   শপিংমল   রাশিয়া   ক্ষেপণাস্ত্র  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ঋণ খেলাপির দাবি প্রত্যাখান রাশিয়ার

প্রকাশ: ০৭:৫৪ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ঋণ খেলাপির দাবি প্রত্যাখান রাশিয়ার

১০০ বছরের বেশি সময় পর ঋণের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় ঋণ খেলাপি হয়েছে রাশিয়া। তবে সোমবার রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী এই পরিস্থিতিকে ‘একটি প্রহসন’ হিসাবে উল্লেখ করে বিষয়টি প্রত্যাখান করেছেন। অন্যদিকে এই ঘটনায় স্বস্তি পেয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব।

ক্রেমলিন জানিয়েছে, রাশিয়ার কাছে সুদের অর্থ প্রদানের পর্যাপ্ত অর্থ রয়েছে, তা দিতেও ইচ্ছুক তারা। তবে, নিষেধাজ্ঞার কারণে আন্তর্জাতিকভাবে লেনদেন জটিল হয়ে পড়েছে দেশটির জন্য।

ক্রেমলিন ঋণ খেলাপি এড়াতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকলেও তা ঠেকাতে পারেনি। এটি রাশিয়ার মর্যাদার ওপর একটি বড় আঘাত বলে মনে করা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউস সোমবার বলেছে, বিশ শতকের শুরুর দিকে বলশেভিক বিপ্লবের পর থেকে রাশিয়া প্রথমবারের মতো তার আন্তর্জাতিক বন্ডে খেলাপি হয়েছে।

দেশটি বিনিয়োগকারীদের নগদ অর্থের জন্য পশ্চিমা আর্থিক এজেন্টদের কাছে যেতে বলছে। মস্কোর দাবি, ওই এজেন্টদের নগদ অর্থ দেওয়া হলেও বন্ডহোল্ডাররা তা পায়নি।

গত ২৭ মে, ১০ কোটি ডলার সুদের অর্থ প্রদানের কথা ছিল রাশিয়ার। তারা বলছে, এসব অর্থ ইউরোতে পাঠানো হয়েছিল ইউরোক্লিয়ারের একটি ব্যাংকে। তবে সেটি সেখানে আটকে গেছে।

রাশিয়া বিনিয়োগকারীদের নগদ অর্থের জন্য পশ্চিমা আর্থিক এজেন্টদের কাছে যেতে বলছে। মস্কোর দাবি, ওই এজেন্টদের নগদ অর্থ দেওয়া হলেও বন্ডহোল্ডাররা তা পায়নি।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, খেলাপি হওয়ার কথাটি একেবারেই অযৌক্তিক।

তিনি বলেন, বলেন, ইউরোক্লিয়ার এই অর্থ আটকে রেখেছে বলে তা প্রাপকদের কাছে যায়নি। এটা আমাদের সমস্যা নয়। এই ধরনের পরিস্থিতিকে খেলাপি হওয়া বলার কোন ভিত্তি নেই।

গত সপ্তাহ পর্যন্ত রাশিয়া তার ইউরোবন্ডে বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থ প্রদান করে আসছে। তবে মে মাসের ডলার এবং ইউরো কুপনের চালান বিনিয়োগকারীদের কাছে পৌঁছায়নি।


রাশিয়া   পুতিন   ঋণ খেলাপি   অর্থনীতি   ইউরোপ   আমেরিকা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনের আত্মসমর্পণের শর্তে যুদ্ধ বন্ধ করবে রাশিয়া: পেসকভ

প্রকাশ: ০৭:৪৪ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনের আত্মসমর্পণের শর্তে যুদ্ধ বন্ধ করবে রাশিয়া: পেসকভ

ইউক্রেন আত্মসমর্পণ করলেই রাশিয়া সেনা অভিযান বন্ধ করবে বলে জানিয়েছেন ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। 

মঙ্গলবার (২৮ জুন) পেসকভ বলেন, ‘ইউক্রেন যত দ্রুত আত্মসমর্পণ করবে, রাশিয়া ততো দ্রুত সেনা অভিযান বন্ধ করবে।’

তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন দিক থেকে সবকিছু বন্ধ করতে হবে এবং তাদের সেনাবাহিনীকে অস্ত্রসমর্পণ করার আদেশ দিতে হবে।’ তিনি ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষকে তাদের সেনাদের অস্ত্রসর্ম্পণ করার নির্দেশ দিতেও আহ্বান জানিয়েছেন। 

যদিও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বারবার বলছে, কখনোই তার দেশ রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করবে না।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সেনা অভিযান শুরু করে রাশিয়া। চার মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত রাশিয়া-ইউক্রেন দুই দেশই সংঘর্ষ চালিয়ে যাচ্ছে।

ইউক্রেন   আত্মসমর্পণ   রাশিয়া  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন