ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

শিবসেনায় বিদ্রোহের মূল কারণ কি 'হিন্দুত্বতাবাদ'?

প্রকাশ: ০১:৩০ পিএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail শিবসেনায় বিদ্রোহের মূল কারণ কি 'হিন্দুত্বতাবাদ'?

ভারতের মহারাষ্ট্রে অর্ধশতাব্দীরও বেশি পুরনো হিন্দুত্ববাদী দল শিবসেনা তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখে পড়েছে। শিবসেনার প্রথম সারির নেতা একনাথ সিন্ধে দলের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ককে নিয়ে বিদ্রোহ করার পর মহারাষ্ট্রে শিবসেনার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার টিঁকবে কি না তা নিয়ে প্রবল সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

বিদ্রোহী গোষ্ঠী বলছে, উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে শিবসেনা হিন্দুত্বের চিরাচরিত পথ থেকে সরে এসেছে বলেই তারা মনে করছেন। দলকে হিন্দুত্বের পথে ফেরাতে তারা ফের বিজেপির সঙ্গে জোট করার পক্ষেও সওয়াল করছেন।

মুখ্যমন্ত্রী ও শিবসেনা নেতা উদ্ধব ঠাকরে গত রাতেই মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ছেড়ে তাদের পারিবারিক বাসভবন 'মাতোশ্রী'তে চলে গিয়েছেন, যেখানে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও তার পিতা প্রয়াত বালাসাহেব ঠাকরে থাকতেন।

তবে ঠাকরে পরিবার আদৌ শিবসেনার ওপর তাদের কর্তৃত্ব ধরে রাখতে পারবে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়, দল হিসেবে শিবসেনার ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়েও রয়েছে প্রবল অনিশ্চয়তা।

শিবসেনার রাজনীতি

১৯৬০র দশকের মাঝামাঝি মারাঠি উপ-জাতীয়তাবাদ (সাব-ন্যাশনালিজম) আর উগ্র হিন্দুত্বের ওপর ভর করে মুম্বাইতে শিবসেনা দলটির জন্ম দেন বালাসাহেব ঠাকরে - যিনি পেশায় ছিলেন কার্টুনিস্ট ও রাজনৈতিক স্যাটায়ারিস্ট।

মুম্বাইয়ের প্রবীণ সাংবাদিক হরিশ নাম্বিয়ারের মতে, আসলে শিবসেনা আগাগোড়াই ছিল আঞ্চলিকতাবাদ ও মৌলবাদে পুষ্ট একটি দল।

"শিবসৈনিকরা প্রথম দিকে আক্রমণ চালাত মুম্বাইয়ে দক্ষিণ ভারতীয়দের ক্যাফে, দোকানপাট বা কলোনিতে। আর সেটায় উসকানি দিতে বাল ঠাকরে নিজের ম্যাগাজিনে দক্ষিণ ভারতীয়দের নাম-ঠিকানা টেলিফোন ডিরেক্টরি থেকে হুবহু টুকে দিতেন।"

"পরে 'বহিরাগত' দক্ষিণ ভারতীয়দের ছেড়ে তারা আক্রমণের নিশানা করে মুম্বাইয়ের মুসলিমদের।''

''আর সেই মুসলিম-বিরোধিতাই বছরের পর বছর ধরে শিবসেনার রাজনীতির প্রধান হাতিয়ার হিসেবে থেকে গেছে," বিবিসিকে বলছিলেন মি. নাম্বিয়ার।



পাকিস্তান-ভারত ম্যাচের আগে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পিচ খুঁড়ে খেলা বানচাল করাই হোক কিংবা রামমন্দির আন্দোলনে সক্রিয় যোগদান - এগুলোই ছিল বাকি দেশে শিবসেনার পরিচিতি।

দেশের জাতীয় স্তরের হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির সঙ্গে তাদের সমঝোতাও ছিল বহু বছর ধরে।

বছর তিনেক আগে মহারাষ্ট্রে ভোটের পর শিবসেনা যখন শারদ পাওয়ারের এনসিপি আর কংগ্রেসের সঙ্গে মিলে 'মহা আগাডি' জোট সরকার গঠন করে, তখনই ভেঙে যায় সেই সমঝোতা।

কে এই একনাথ সিন্ধে?

এখন সেই 'মহা আগাডি' জোট গঠনের বিরোধিতা করেই দলের বেশির ভাগ এমএলএ-কে সঙ্গে নিয়ে বিদ্রোহ করেছেন শিবসেনার অন্যতম প্রধান নেতা ও রাজ্যের সিনিয়র মন্ত্রী একনাথ সিন্ধে।

বিবিসি মারাঠি বিভাগের সম্পাদক আশিস দীক্ষিত বলছিলেন, "একনাথ সিন্ধে হলেন ঠাকরে পরিবারের বাইরে শিবসেনার সবচেয়ে বড় নেতা। শীর্ষে উদ্ধব ঠাকরে, তারপর তার ছেলে ও তরুণ নেতা আদিত্য ঠাকরে আর তিন নম্বরেই একনাথ।"

"দলে তার নিজস্ব গোষ্ঠীও আছে, সব সময় তিনি দশ-পনেরো জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে ঘোরেন - যেটা শিবসেনার আর কোনও নেতা করেন না।"

"মুম্বাইয়ের কাছে থানে অঞ্চল থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিবিদ একসময় অটোচালক ছিলেন, এবং প্রয়াত শিবসেনা নেতা আনন্দ দীঘে-ই তাকে গড়েপিটে তৈরি করেছিলেন। আনন্দ দীঘেই তাকে প্রথম বালাসাহেবের কাছে নিয়ে যান।"



"কিন্তু নানা কারণে এই প্রভাবশালী নেতা যে উদ্ধব ও অদিত্য ঠাকরের ওপর অসন্তুষ্ট এটা অজানা ছিল না, যেটাকে বলা যেতে পারে দলের পুরনো ও নতুন প্রজন্মের মধ্যে বিরোধ।"

"কংগ্রেসে যেমন সোনিয়া গান্ধীর অনুগামীরা অনেকেই আজও রাহুল গান্ধীকে মেনে নিতে পারছেন না, শিবসেনাতেও ঠিক একই জিনিস ঘটছিল," বলছিলেন আশিস দীক্ষিত।

হিন্দুত্ব এজেন্ডা দুর্বল হচ্ছিল? 

বিদ্রোহের কারণ হিসেবে একনাথ সিন্ধে টুইটারে জানিয়েছেন, হিন্দুত্বের পথ থেকে সরে এসে শিবসেনা এনসিপি বা কংগ্রেসের মতো 'আন-ন্যাচারাল' বা অস্বাভাবিক শরিকদের সঙ্গে হাত মেলাবে - বালাসাহেবের শিষ্য হিসেবে এটা তিনি মেনে নিতে পারছেন না।

যার জবাবে বুধবার সন্ধ্যায় উদ্ধব ঠাকরে ফেসবুক লাইভে তার আবেগী ভাষণে বারবার বলতে চেয়েছেন, "শিবসেনা ও হিন্দুত্ব সমার্থক!"

তার দল কখনো হিন্দু ভাবাবেগের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি বলেও ওই ভাষণে বারবার দাবি করেছেন উদ্ধব।

বুধবার রাতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ষা' থেকে মালপত্র নিয়ে যখন তিনি 'মাতোশ্রী'তে ফিরে আসছেন, হাজার হাজার শিবসৈনিক তার কনভয়কে ঘিরে ধরে আবেগে ভেসেছেন।

কিন্তু উদ্ধব এরপরেও দলের ওপর কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারবেন, এটা সহজে বলা যাচ্ছে না। পর্যবেক্ষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, শিবসেনা মহারাষ্ট্রের বিগত নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা করেই ভোটে লড়েছিল।

ফলে এখন যারা শিবসেনার বিধায়ক, তাদের জেতার পেছনে বিজেপির হিন্দুত্ববাদী ভোটারদেরও সমর্থন ছিল অনেকটাই। এখন পরবর্তী ভোট যত এগিয়ে আসছে, এই বিধায়করা অনেকেই নিশ্চিত নন বিজেপির সাহায্য ছাড়া তারা আবার জিতে আসতে পারবেন কি না।

শিবসেনাকে হিন্দুত্বের এজেন্ডায় ফেরাতেই - বা অন্যভাবে বললে দলকে আবার বিজেপির হাত ধরাতেই - এই 'বিদ্রোহে'র অবতারণা, বিষয়টাকে সেভাবেও ব্যাখ্যা করছেন অনেক বিশ্লেষক।

'রিমোট কন্ট্রোল' পরম্পরায় ভাঙন

রাজনৈতিক বিশ্লেষক স্বাতী চতুর্বেদী বিবিসিকে বলছিলেন, "উদ্ধবকে তার বাবা বাল ঠাকরে দলটা প্লেটে করে সাজিয়ে হাতে তুলে দিয়েছিলেন। আর আজ কিন্তু তাকে শুধু মুখ্যমন্ত্রীর পদ নয়, সেই দলটা বাঁচাতেও লড়তে হচ্ছে।"

"শিবসেনাতে আগেও বিদ্রোহ হয়েছে, ছগন ভুজবল, নারায়ণ রানে এমন কী বাল ঠাকরের প্রিয়পাত্র ও উদ্ধবের ভাইপো রাজ ঠাকরেও দল ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন - কিন্তু মনে রাখতে হবে একনাথ সিন্ধে এদের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতাশালী নেতা।

"আসলে সমস্যাটা হল, বাল ঠাকরে সরকার থেকে দূরে থাকতেন, নিজেই বলতেন আমি রিমোট কন্ট্রোলে সব চালাই - আর সেখানে উদ্ধব ও তার ছেলে নিজেরা সরকার চালাতে গিয়েই বিপদে পড়েছেন," বলছেন মিস চতুর্বেদী।

বস্তুত শিবসেনা এর আগেও বহু বছর মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় থেকেছে, মুম্বাইয়ে পৌরসভা চালিয়েছে - কিন্তু বাল ঠাকরে নিজে বা তার পরিবারের কেউ কখনো মুখ্যমন্ত্রী বা মুম্বাইয়ের মেয়রের পদে বসার আগ্রহ দেখাননি।

বাল ঠাকরে 'মাতোশ্রী' থেকেই সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে ভালোবাসতেন, মনোহর জোশী বা নারায়ণ রানের মতো শিবসেনার মুখ্যমন্ত্রীরা তাঁর বাড়িতে এসেই সব কিছু 'রিপোর্ট' করে যেতেন।

এই ট্র্যাডিশন বদলে যায় বছর তিনেক আগে, যখন উদ্ধব ঠাকরে নিজে জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং তাঁর ছেলে আদিত্যকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করেন।

আসল ক্ষমতার রাশ 'মাতোশ্রী'তে থাকলেও শিবসেনার অন্যান্য নেতাদের এর ফলে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার যে সম্ভাবনা থাকত - সেটাও এর ফলে চুরমার হয়ে যায়। একনাথ সিন্ধের বিদ্রোহের পেছনে অনেকে এই কারণটাকেও দায়ী করছেন।

আদিত্যর উত্থানে শঙ্কা



মুম্বাইয়ের রাজনৈতিক ভাষ্যকার সঞ্জয় ঝা-রও ধারণা, শিবসেনায় যেভাবে আদিত্য ঠাকরেকে তুলে আনা হচ্ছিল তাতে একনাথের মতো প্রবীণ নেতারা হয়তো মনে করছিলেন তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অন্ধকার - কখনোই তাদের আর শীর্ষ পদে যাওয়া হবে না।

"সরকারে ও ক্যাবিনেটে যেভাবে আদিত্য ঠাকরে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছিলেন ও তাঁকে নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছিল তাতে এটা ক্রমশ পরিষ্কার হয়ে উঠছিল যে উদ্ধব ঠাকরের পর মুখ্যমন্ত্রী পদে আদিত্যই শিবসেনার মুখ।"

"দলের সিনিয়র নেতারা, যারা প্রয়াত বালাসাহেবকেই এখনো নিজেদের নেতা বলে মানেন ও তার দেখানো রাস্তাতেই চলতে পছন্দ করেন, তারা এটাকে খুব ভালভাবে নিতে পারেননি বলাই বাহুল্য!"

"হিন্দুত্বের সঙ্গে আপস নিয়েও শিবসৈনিকরা অনেকে মন:ক্ষুণ্ণ ছিলেন, ফলে দলের ভেতরে একটা ফল্টলাইন কিন্তু তৈরি হয়েই ছিল", বলছিলেন মি ঝা।

বিদ্রোহে বিজেপির হাত কতটা?

আর বহু বছর ধরে শিবসেনার সঙ্গে ঘর-করা বিজেপি এই পরিস্থিতিটারই সুযোগ নিয়েছে পুরো মাত্রায়। সঞ্জয় ঝা এবং তাঁর মতো আরও বহু পর্যবেক্ষকই নিশ্চিত, শিবসেনার ভেতরে এই বিদ্রোহে বিজেপি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সব ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতা করেছে।

একনাথ সিন্ধে ও তার অনুগামীরা যেভাবে প্রথমে বিজেপি-শাসিত গুজরাটের সুরাটে একটি পাঁচতারা হোটেলে গিয়ে ওঠেন এবং সেখান থেকে মধ্যরাতের ফ্লাইটে আর একটি বিজেপি-শাসিত রাজ্য আসামে উড়ে যান - বিজেপি সরকারগুলোর সাহায্য ছাড়া তা কিছুতেই সম্ভব ছিল না।

আসামের গুয়াহাটিতে যে র্যাডিসন ব্লু হোটেলে একনাথ সিন্ধে ও তার শিবিরের বিধায়করা এখন রয়েছেন, রাজ্যের বিজেপি নেতা-মন্ত্রীরা সেখানে গিয়েও তাদের সঙ্গে দেখা করে আসছেন।

এখন একনাথ সিন্ধে যদি নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রমাণ করতে পারেন, দলের বেশির ভাগ এমএলএ-এমপি বা জনপ্রতিনিধি তাঁর সঙ্গেই আছেন, তাহলে আসল 'শিবসেনা'র স্বীকৃতির পাশাপাশি দলের নির্বাচনী প্রতীক তীর-ধনুকও তাঁর কাছেই আসবে।

বিজেপি সে প্রক্রিয়াতেও তাদের সাহায্য করবে অবধারিতভাবে - আর সে ক্ষেত্রে ছাপ্পান্ন বছরেরও বেশি সময় পর শিবসেনার 'দখল' হারাবে ঠাকরে পরিবার। সূত্র: বিবিসি

বিজেপি   শিবসেনা   মহারাষ্ট্র   ভারত   রাজনীতি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

শ্রীলঙ্কায় পেট্রোলের দাম বেড়ে লিটার প্রতি ৫৫০ রুপি

প্রকাশ: ০২:০৬ পিএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail শ্রীলঙ্কায় পেট্রোলের দাম বেড়ে লিটার প্রতি ৫৫০ রুপি

শ্রীলঙ্কায় পেট্রোলের দাম বেড়ে লিটার প্রতি ৫৫০ রুপিতে পৌঁছেছে। একইসঙ্গে বেড়েছে ডিজেলের দামও। 

রবিবার (২৬ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে শ্রীলঙ্কান সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর এবং ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। 

শ্রীলঙ্কান সরকারি তেল ও গ্যাস কোম্পানি সিলন পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (সিপিসি) জানিয়েছে, তারা গণপরিবহনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম ১৫ শতাংশ বাড়িয়েছে। এতে করে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৪৬০ রুপি (১.২৭ মার্কিন ডলার)। একইসঙ্গে পেট্রোলের দামও ২২ শতাংশ বাড়ানোর কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। এতে করে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম হয়েছে ৫৫০ রুপি (১.৫২ মার্কিন ডলার)। 

শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রী কাঞ্চনা উইজেসকেরা তেলের নতুন চালান পেতে অনির্দিষ্টকালের বিলম্ব হবে বলে ঘোষণা দেওয়ার একদিন পর এই মূল্য বৃদ্ধি করা হলো। তিনি বলেন, ব্যাংকিং কারণে গত সপ্তাহে নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী জাহাজে পণ্য লোড না হওয়ায় পরের সপ্তাহেও তেল শ্রীলঙ্কায় পৌঁছাবে না।

উইজেসকেরা গাড়ি চালকদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থণা করেন এবং জ্বালানি স্টেশনের বাইরে দেশটির নাগরিকদের দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। মূলত শ্রীলঙ্কার বহু মানুষ তাদের যানবাহনগুলোকে জ্বালানি স্টেশনের বাইরে সারিবদ্ধভাবে রেখে দিয়েছেন। এসব স্টেশন আপাতত ফাঁকা হলেও সরবরাহ শুরু হলে তারা জ্বালানি নেবেন।

শ্রূলঙ্কার সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দেশটিতে প্রায় দুই দিনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি ছিল, তবে কর্তৃপক্ষ এটি জরুরি পরিষেবার জন্য সংরক্ষণ করেছে।

এদিকে কলম্বোর মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, শ্রীলঙ্কানদের সহযোগিতার লক্ষ্যে সবচেয়ে কার্যকর উপায় খুঁজতে আলোচনার জন্য মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি প্রতিনিধিদল কলম্বো পৌঁছেছে।

দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, গত দুই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র নতুন অর্থায়নের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কাকে ১৫৪.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

মূলত, শ্রীলঙ্কার ২ কোটি ২০ লাখ মানুষের বেশিরভাগই খাদ্য ঝুঁকিতে রয়েছে এবং এই কারণে জাতিসংঘ ইতোমধ্যে খাদ্যের জন্য ৪৭ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহের জরুরি আবেদন জানিয়েছে।

এদিকে, দেশটিতে বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে এই সংকট দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। কারণ নিজস্ব উৎপাদন ক্ষমতা কম হওয়ায় এই দ্বীপরাষ্ট্রকে অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

শ্রীলঙ্কা   জ্বালানি   পেট্রোল  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পরমাণু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আলোচনা থেকে সরে আসবে না ইরান

প্রকাশ: ০১:৩৭ পিএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail পরমাণু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আলোচনা থেকে সরে আসবে না ইরান

সমঝোতা পুনরুজ্জীবন ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আলোচনা থেকে সরে আসবে না বলে জানিয়েছেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি। শনিবার (২৫ জুন) রাতে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন,  আলোচনা ফলপ্রসূ করার জন্য অন্য পক্ষগুলোকে ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতার প্রতিশ্রুতিতে পুরোপুরি ফিরে আসতে হবে।

সাক্ষাৎকারে তিনি বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে কথা বলেন। এদিকে, ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরাতে তেহরান সফর করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউর) পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা জোসেপ বোরেল। 

বোরেলের তেহরান সফর সম্পর্কে রায়িসি বলেন, আমেরিকা ও ইউরোপকে অবিলম্বে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে। ২০১৫ সালের পরমাণু সমঝোতা অনুযায়ী ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। 

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, বোরেলের তেহরান সফরে ভিয়েনা সংলাপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সংলাপ বন্ধ করার কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই তবে আমরা নিজেদের অবস্থান থেকেও সরে আসব না। তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মোখবেরের তত্ত্বাবধানে একটি হেডকোয়ার্টার স্থাপন করা হয়েছে।

ভিয়েনা সংলাপে অংশগ্রহণকারী সবগুলো দেশ একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছার কাছাকাছি থাকলেও কিছু অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমেরিকা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারার কারণ ওই সংলাপ  গত মার্চ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে। সংলাপ আবার চালু করার জন্য বোরেল শনিবার (২৫ জুন) তেহরান সফরে আসেন এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন। 

বৈঠক শেষে  এক টুইটার বার্তায় ভিয়েনা সংলাপসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 

ইরান   পরমাণু   নিষেধাজ্ঞা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভিয়েনা চুক্তি নিয়ে বৈঠকে ইরান-ইইউ

প্রকাশ: ১২:৪৫ পিএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail ভিয়েনা চুক্তি নিয়ে বৈঠকে ইরান-ইইউ

পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্থগিত হয়ে যাওয়া ভিয়েনা সংলাপ আবার চালু করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইরান-ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি ইইউ'র উদ্দেশ্যে বলেন, তার দেশ পরমাণু ইস্যুতে পাশ্চাত্যের সঙ্গে একটি শক্তিশালী, টেকসই ও নির্ভরযোগ্য চুক্তি চায়। 

শনিবার (২৫ জুন) বিকেলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে মধ্যস্ততাকারী হিসেবে তেহরান সফর করেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা জোসেপ বোরেল।  

সাক্ষাতে শামখানি আমেরিকার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর নিষ্ক্রিয় ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, পাশ্চাত্যের এসব নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কারণে ইরান তার পরমাণু তৎপরতার গতি বাড়িয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পশ্চিমারা তাদের প্রতিশ্রুতিতে ফিরে না আসা পর্যন্ত তেহরান কোনো অবস্থায় তার আগের অবস্থানে ফিরে যাবে না।

ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, ভিয়েনায় চুক্তি হতে হবে ইরানের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও ইরানের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করার জন্য।এই দু’টি লক্ষ্য বাস্তবায়ন হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে তেহরান পাশ্চাত্যেল সঙ্গে আর কোনো চুক্তিতে যাবে না বলেও ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করেন শামখানি।  

তিনি বলেন, আমেরিকা আলোচনার একই সময়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও হুমকি দিয়ে ইরানকে বাগে আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু যে ইরানি জনগণ কঠিনতম নিষেধাজ্ঞার সময়কে প্রবলভাবে প্রতিরোধ করেছে সেই জনগণের সঙ্গে আর হুমকির ভাষায় কথা বলা যাবে না।

ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কারণে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করে বোরেল বলেন, ভিয়েনায় একটি চুক্তি সই করার জন্য পেছনের দিকে না তাকিয়ে আমাদেরকে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রশাসন ভিয়েনায় একটি চুক্তি সই করে পরমাণু সমঝোতায় ফিরতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বলেও দাবি করেন ইইউর এই শীর্ষ কর্মকর্তা।  

ভিয়েনা চুক্তি   ইরান   ইউরোপীয় ইউনিয়ন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইনস্পেক্টরের বাড়ি তল্লাশি, টাকার গুপ্তধন পেল কর্মকর্তারা

প্রকাশ: ১১:৫৫ এএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail ইনস্পেক্টরের বাড়ি তল্লাশি, টাকার গুপ্তধন পেল কর্মকর্তারা

ভারতের বিহারে ড্রাগস ইনস্পেক্টরের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যেন গুপ্তধন খুঁজে পেল ভিজিল্যান্স কর্তারা। চারদিকে শুধু টাকা আর টাকা। বিছানার তোশকের নিচে টাকা। দেয়ালের তাকে টাকা। পুরো ঘরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সব ১০০ এবং ২০০০ টাকার নোট। এক অভিযানেই সন্ধান মিলেছে এসব টাকার।

শনিবার (২৫ জুন) ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের পাটনায়। কর্মকর্তারা জানিয়েছে এসব নোট গুনতেই তাদের সময় লেগেছে কয়েক ঘণ্টা। তবুও কত টাকা ওই অফিসারের বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে তার নির্দিষ্ট হিসাব দিতে পারেননি তারা। 

সূত্রের খবর, হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি থাকার অভিযোগে পাটনার ড্রাগস ইনস্পেক্টর জিতেন্দ্র কুমারের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। ওই ইনস্পেক্টরের বাড়ি থেকে এত নগদ অর্থ পেয়ে বিস্মিত কর্মকর্তারা। ঘরের যত্রতত্র গোছা গোছা ১০০ এবং ২০০০ টাকার নোটের বান্ডিল মিলেছে।

তদন্তকারীরা সেই টাকার হিসেব করতে বসে পড়েন জিতেন্দ্রর ঘরের বিছানায়। পুরো খাট জুড়ে টাকা বিছিয়ে হিসাব কষতে বসেন তারা। নগদ টাকা ছাড়াও বিপুল পরিমাণ গয়না উদ্ধার হয়েছে। এর বেশির ভাগ রূপোর। দুটি বিলাসবহুল গাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

পরে ওই ড্রাগস ইনস্পেক্টরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পুরো ঘটনায় বিহারের প্রশাসনিক মহলে আলোড়ন পড়ে গেছে।

বিহার   ইনস্পেক্টর   অভিযান  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীত্ব চান বরিস জনসন

প্রকাশ: ১১:৩১ এএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীত্ব চান বরিস জনসন

বিতর্ক আর সমালোচনায় রাজনৈতিক মহল থেকে পদত্যাগের দাবি উঠলেও এসবকে তোয়াক্কা না করে আগামী দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার লক্ষ্যের কথা জানালেন যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। শনিবার (২৫ জুন) প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে চান তিনি। 

ব্রিটিশ এই প্রধানমন্ত্রী যদি আগামী দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে সক্ষম হন, তাহলে সেটি তাকে ব্রিটেনে গত ২০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা নেতায় পরিণত করবে। রোববার (২৬ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্বপালন করতে চাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি জানান, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাতে, ব্রিটেনের আইনি ও অভিবাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার জন্য ২০৩০ এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকতে চান।

চলতি মাসের শুরুতে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে অনাস্থা ভোটে বিজয়ী হন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। বেশ কয়েকটি কারণে জনসন চাপের মুখে ছিলেন, যার মধ্যে একটি বড় কারণ হচ্ছে কোভিড লকডাউনের সময় ডাউনিং স্ট্রীটে বিধিনিষেধ ভেঙ্গে পার্টি করতে দেওয়া।

দলের মধ্যে হওয়া এই অনাস্থা ভোটাভুটিতে জনসনের পক্ষে ভোট পড়ে ২১১টি। বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৪৮টি। এই ফলাফলের সুবাদে আগামী এক বছর ব্রিটিশ এই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দলের মধ্যে থেকে আর কোনো ধরনের অনাস্থা প্রস্তাব আনা যাবে না।

রয়টার্স বলছে, চলতি মাসের শুরুতে কনজারভেটিভ পার্টির আইন প্রণেতাদের কাছে আস্থা ভোটে টিকে গেলেও তার দলেরই ৪১ শতাংশ সংসদীয় সহকর্মী জনসনকে ক্ষমতাচ্যুত করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে বিভ্রান্ত করার জন্য বরিস জনসনের বিরুদ্ধে এখন তদন্তও চলছে।

কনজারভেটিভ পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, অনাস্থা ভোটে টিকে যাওয়ার পর দলীয় আইনপ্রণেতারা আগামী এক বছর বরিস জনসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন না। তবে বিভিন্ন ইস্যুতে অপ্রতিরোধ্য অসন্তোষ বা একাধিক সিনিয়র মন্ত্রীদের পদত্যাগ জনসনের অবস্থানকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

এছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ব্রিটেনও কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গভীর জীবনযাত্রার ব্যয়-সংকটের মধ্যে রয়েছে। দেশটির মুদ্রাস্ফীতি গত ৪০ বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

কনজারভেটিভ পার্টির সাবেক নেতা মাইকেল হাওয়ার্ড শুক্রবার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বরিস জনসনের এখন সরে যাওয়ার সময় হয়েছে। অন্যদিকে উপনির্বাচনে পরাজয়ের পরে পদত্যাগ করেছেন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান অলিভার ডাউডেন।

কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য সফরের শেষ দিনে রুয়ান্ডায় সাংবাদিকদের জনসন বলেন, ‘আমি এই মুহূর্তে তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকার বিষয়ে সক্রিয়ভাবে চিন্তা করছি এবং আপনি জানেন, তখন কী হতে পারে। তবে যখন বিষয়টি সামনে আসবে তখন আমি এটি পর্যালোচনা করবো।’

তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে চাওয়া মানে তিনি ঠিক কী বোঝাতে চান, এমন প্রশ্নের জবাবে জনসন বলেন: ‘তৃতীয় মেয়াদ সম্পর্কে, এটি ২০৩০ এর দশকের মাঝামাঝি।’

রয়টার্স বলছে, জনসনকে অবশ্যই ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ব্রিটেনের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে এবং (২০৩০ এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে) ২০২৯ সালের মধ্যে তৃতীয় নির্বাচনে জয়ের প্রয়োজন হবে।

অবশ্য সবকিছু কাটিয়ে বরিস জনসন যদি ২০৩১ সালের শুরুর দিকেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকতে সক্ষম হন তাহলে ১৮১২ সাল থেকে ১৮২৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্বপালন করা রবার্ট ব্যাংকস জেনকিনসনের পর একটানা দীর্ঘসময় ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করা মার্গারেট থ্যাচারের রেকর্ডকে হারাবেন তিনি।

বরিস জনসন   প্রধানমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন