ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীত্ব চান বরিস জনসন

প্রকাশ: ১১:৩১ এএম, ২৬ জুন, ২০২২


Thumbnail ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীত্ব চান বরিস জনসন

বিতর্ক আর সমালোচনায় রাজনৈতিক মহল থেকে পদত্যাগের দাবি উঠলেও এসবকে তোয়াক্কা না করে আগামী দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার লক্ষ্যের কথা জানালেন যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। শনিবার (২৫ জুন) প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে চান তিনি। 

ব্রিটিশ এই প্রধানমন্ত্রী যদি আগামী দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে সক্ষম হন, তাহলে সেটি তাকে ব্রিটেনে গত ২০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা নেতায় পরিণত করবে। রোববার (২৬ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্বপালন করতে চাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি জানান, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাতে, ব্রিটেনের আইনি ও অভিবাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার জন্য ২০৩০ এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকতে চান।

চলতি মাসের শুরুতে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে অনাস্থা ভোটে বিজয়ী হন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। বেশ কয়েকটি কারণে জনসন চাপের মুখে ছিলেন, যার মধ্যে একটি বড় কারণ হচ্ছে কোভিড লকডাউনের সময় ডাউনিং স্ট্রীটে বিধিনিষেধ ভেঙ্গে পার্টি করতে দেওয়া।

দলের মধ্যে হওয়া এই অনাস্থা ভোটাভুটিতে জনসনের পক্ষে ভোট পড়ে ২১১টি। বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৪৮টি। এই ফলাফলের সুবাদে আগামী এক বছর ব্রিটিশ এই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দলের মধ্যে থেকে আর কোনো ধরনের অনাস্থা প্রস্তাব আনা যাবে না।

রয়টার্স বলছে, চলতি মাসের শুরুতে কনজারভেটিভ পার্টির আইন প্রণেতাদের কাছে আস্থা ভোটে টিকে গেলেও তার দলেরই ৪১ শতাংশ সংসদীয় সহকর্মী জনসনকে ক্ষমতাচ্যুত করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে বিভ্রান্ত করার জন্য বরিস জনসনের বিরুদ্ধে এখন তদন্তও চলছে।

কনজারভেটিভ পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, অনাস্থা ভোটে টিকে যাওয়ার পর দলীয় আইনপ্রণেতারা আগামী এক বছর বরিস জনসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন না। তবে বিভিন্ন ইস্যুতে অপ্রতিরোধ্য অসন্তোষ বা একাধিক সিনিয়র মন্ত্রীদের পদত্যাগ জনসনের অবস্থানকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

এছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ব্রিটেনও কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গভীর জীবনযাত্রার ব্যয়-সংকটের মধ্যে রয়েছে। দেশটির মুদ্রাস্ফীতি গত ৪০ বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

কনজারভেটিভ পার্টির সাবেক নেতা মাইকেল হাওয়ার্ড শুক্রবার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বরিস জনসনের এখন সরে যাওয়ার সময় হয়েছে। অন্যদিকে উপনির্বাচনে পরাজয়ের পরে পদত্যাগ করেছেন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান অলিভার ডাউডেন।

কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য সফরের শেষ দিনে রুয়ান্ডায় সাংবাদিকদের জনসন বলেন, ‘আমি এই মুহূর্তে তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকার বিষয়ে সক্রিয়ভাবে চিন্তা করছি এবং আপনি জানেন, তখন কী হতে পারে। তবে যখন বিষয়টি সামনে আসবে তখন আমি এটি পর্যালোচনা করবো।’

তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে চাওয়া মানে তিনি ঠিক কী বোঝাতে চান, এমন প্রশ্নের জবাবে জনসন বলেন: ‘তৃতীয় মেয়াদ সম্পর্কে, এটি ২০৩০ এর দশকের মাঝামাঝি।’

রয়টার্স বলছে, জনসনকে অবশ্যই ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ব্রিটেনের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে এবং (২০৩০ এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে) ২০২৯ সালের মধ্যে তৃতীয় নির্বাচনে জয়ের প্রয়োজন হবে।

অবশ্য সবকিছু কাটিয়ে বরিস জনসন যদি ২০৩১ সালের শুরুর দিকেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকতে সক্ষম হন তাহলে ১৮১২ সাল থেকে ১৮২৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্বপালন করা রবার্ট ব্যাংকস জেনকিনসনের পর একটানা দীর্ঘসময় ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করা মার্গারেট থ্যাচারের রেকর্ডকে হারাবেন তিনি।

বরিস জনসন   প্রধানমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

এফবিআই'র অভিযান নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য

প্রকাশ: ০১:৪৬ পিএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail এফবিআই'র অভিযান নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের বাসায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) গোয়েন্দাদের তল্লাশি অভিযানে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর বিবিসি, সিএনএন ও রয়টার্সের।

যুক্তরাষ্ট্রে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় নিজের পছন্দের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ পোস্ট করা বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, ‘ফ্লোরিডার পাম বিচে আমার সুন্দর মার-এ-লাগো বাড়িটা এখন অবরুদ্ধ। অভিযান চালিয়ে বাড়িটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এফবিআই সদস্যদের বড় একটি দল।’

ট্রাম্পের ছেলে এরিক ট্রাম্প বলেন, মার-এ-লাগো বাসভবনে এফবিআইয়ের তল্লাশিপরোয়ানা বাস্তবায়নের বিষয়টি ন্যাশনাল আর্কাইভসের নথিপত্র ব্যবস্থাপনা তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত।

অভিযানের সময় ট্রাম্প নিউইয়র্কে ট্রাম্প টাওয়ারে অবস্থান করছিলেন। তাঁর বিবৃতির শুরুটা ছিল ঠিক এই রকম, ‘এ ঘটনা জাতির জন্য কালো দিন’। সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করার ও সহযোগিতার পরও আমার বাড়িতে এই অঘোষিত অভিযানের প্রয়োজন কিংবা তা যথাযথ ছিল না। এমনকি তারা আমার অনুমতি না নিয়েই ঢুকে পড়ে।’

ট্রাম্প বলেন, এটা ‘বিচারিক অসদাচরণের’ শামিল এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবার তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঠেকাতে ‘বিচারব্যবস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের’ নামান্তর।

সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এ ধরনের হয়রানি শুধু তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেই ঘটতে পারে। দুঃখজনকভাবে আমেরিকা এখন সেসব দেশে পরিণত হয়েছে। দুর্নীতির এই মাত্রা আগে কখনো দেখা যায়নি।’

এদিকে এফবিআইয়ের অভিযানের খবর পেয়ে মার-এ-লাগো রিসোর্টের আশপাশে জড়ো হন ট্রাম্পের সমর্থকেরা। এ সময় দলীয় পতাকার পাশাপাশি তাঁদের হাতে বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের তাঁদের সব চিঠি, কাজের নথি ও ই–মেইল ন্যাশনাল আর্কাইভসে পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবৈধভাবে অনেক নথি ছিঁড়ে ফেলেছেন।

ন্যাশনাল আর্কাইভস জানায়, তারা মার-এ-লাগো থেকে ১৫টি বাক্স পুনরুদ্ধার করেছে। এসব বাক্সের কয়েকটিতে স্পর্শকাতর অতি গোপনীয় নথিপত্র ছিল।


এফবিআই   ট্রাম্প   আমেরিকা অভিযান  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

টয়লেটে গোপন নথি ফ্লাশ করে দিতেন ট্রাম্প!

প্রকাশ: ০১:১৩ পিএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail টয়লেটে গোপন নথি ফ্লাশ করে দিতেন ট্রাম্প!

হোয়াইট হাউসে থাকার সময় গুরুত্বপূর্ণ অথবা গোপন নথিপত্র টয়লেটে ফ্লাশ করে দিতেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর সিএনএন।

সোমবার (৮ আগস্ট) সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টার ম্যাগি হ্যাবারম্যান এই ছবিগুলো তার নতুন বই ‘কনফিডেন্স ম্যান’-এ প্রকাশ করতে যাচ্ছেন। এই ছবিগুলো পূর্বে মার্কিন নিউজ ওয়েবসাইট অ্যাক্সিওসে প্রকাশিত হয়েছিল।

সিএনএনের প্রতিবেদন অনুসারে, ট্রাম্প অনেক সময় অফিসিয়াল নথিপত্র পড়ার পর ছিঁড়ে ফেলতেন। তিনি হোয়াইট হাউসে থাকার সময়ও গুরুত্বপূর্ণ নথি টয়লেটে ফেলে ফ্লাশ করে দিতেন। সেসব কাগজ টয়লেটের পাইপে আটকে গেলে মিস্ত্রি ডেকে ঠিক করে নিতে বলতেন তিনি।

যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ট্রাম্প। নিউজ ওয়েবসাইট অ্যাক্সিওসে পাঠানো বার্তায় তার মুখপাত্র বলেছেন, খবরে বাড়িয়ে বলা হয়েছে।

যেসব ছবি গতকাল প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো ঠিক কার লেখা বা কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা সে বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়। তবে কালো মার্কারে হাতের লেখা ট্রাম্পের হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ম্যাগি হ্যাবারম্যান গণমাধ্যমকে জানান, সদ্য প্রকাশিত ২টি ছবির একটি হোয়াইট হাউসের টয়লেট থেকে তোলা এবং আরেকটি বিদেশ সফরের সময় তোলা, যা হোয়াইট হাউস সূত্রে তিনি পেয়েছেন। সিএনএনকে  তিনি বলেন, কাগজগুলো কীসের তা তিনি জানতে পারেননি, ট্রাম্প অথবা যিনি বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি বলতে পারবেন।

ম্যাগি হ্যাবারম্যান বলেন, যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো এটি একটি রেকর্ড। কোনো রেকর্ড সংরক্ষণ করতে চাইতেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প   সিএনএন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছে রাশিয়া

প্রকাশ: ১১:১৩ এএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছে রাশিয়া

ইউক্রেনের দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলে জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রুশ সেনাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইউক্রেনের অভিযোগ, এ কেন্দ্রটি এখন সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া। এখান থেকে ইউক্রেনীয় সেনা ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে। খবর বিবিসির।

ইউক্রেনের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কোম্পানির প্রধান পেত্রো কোতিন রোববার বিবিসিকে জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে প্রায় ৫০০ রুশ সেনা অবস্থান করছেন। রুশ সেনারা সেখান থেকেই ইউক্রেনীয় সেনাদের ওপর রকেট ছুড়ছেন।

এ বিষয়ে পেত্রো কোতিন বলেন, ‘রুশ সেনারা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে সামরিক ঘাঁটি বানিয়ে ফেলেছেন। সেখান থেকে হামলা চালাচ্ছেন। তবে ইউক্রেনের সেনারা এমনটা করতে অপারগ। কেননা তাঁরা জানেন, এটা তাঁদের নিজস্ব অবকাঠামো, রাষ্ট্রীয় সম্পদ। তাই তাঁরা নিজেদের সম্পদ নষ্ট করতে ও নিজেদের কর্মীদের ঝুঁকিতে ফেলতে চান না।’

ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এনারহোদার শহরে জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অবস্থিত। এটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে। ইউক্রেনের এক-চতুর্থাংশ বিদ্যুৎ এ কেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। গত মার্চ থেকে জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও এর আশপাশের এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে রাশিয়া। তবে সেখানকার ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় হামলা–পাল্টা হামলার খবর পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রুশ বাহিনী ওই এলাকায় বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে। এমনকি রাশিয়ার হামলায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির একটি অংশও ‘গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছে। তবে রুশ কর্তৃপক্ষ এসব দাবি অস্বীকার করেছে।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশে হামলা–পাল্টা হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এসব হামলার ঘটনা ইউক্রেনকে পারমাণবিক বিপর্যয়ের চরম ঝুঁকিতে ফেলেছে। যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। তাই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির আশপাশে সামরিক কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে আইএইএ।


রাশিয়া   ইউক্রেন   ক্ষেপনাস্ত্র   যুদ্ধ   পুতিন   জেলেনস্কি   ইউরোপ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বৃষ্টিপাতে দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১০:৪১ এএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বৃষ্টিপাতে দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭ জনের মৃত্যু

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে ও এর আশপাশে প্রবল বৃষ্টিতে কমপক্ষে সাতজন মারা গেছেন। এছাড়া বৃষ্টির কারণে সেখানকার অনেক এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং রাস্তা ও পাতাল রেল ডুবে গেছে।

দক্ষিণ কোরীয় কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) এই তথ্য সামনে এনেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার রাতে সিউলের দক্ষিণ অংশে প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মিমি এর বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া শহরের কিছু অংশে ১৪১.৫ মিমি বৃষ্টি হয়েছে, যা কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ বৃষ্টিপাত বলে জানিয়েছে কোরিয়া আবহাওয়া প্রশাসন। 


দক্ষিণ কোরিয়া   বৃষ্টিপাত   আবহাওয়া   প্রানহানি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিশ্বজুড়ে করোনায় ফের মৃত্যু বেড়েছে

প্রকাশ: ১০:৩৪ এএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বিশ্বজুড়ে করোনায় ফের মৃত্যু বেড়েছে

বিশ্বজুড়ে চলমান মহামারি করোনাভাইরাসে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। তবে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১২’শ জনের বেশি মানুষ। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৫ লাখের নিচে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে এশিয়ার দেশ জাপানে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ল্যাতিন আমেরিকার ব্রাজিল। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, ফ্রান্স ও ইরান। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৮ কোটি ৯৮ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬৪ লাখ ৩৮ হাজার।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ২২৭ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় সাড়ে চারশো। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৪ লাখ ৩৮ হাজার ২০ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৫৪৭ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ৭০ হাজারের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার ৭০১ জনে।

বিশ্বজুড়ে   করোনা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন