ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

হোয়াইট হাউসের কাছে বজ্রপাতে নিহত ৩

প্রকাশ: ১২:৫৩ পিএম, ০৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail হোয়াইট হাউসের কাছে বজ্রপাতে নিহত ৩

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউজের কাছের একটি পার্কে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনা আরেকজন গুরুতর আহত অবস্থায়  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ওয়াশিংটন পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানা গেছে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বজ্রপাত হয় হোয়াইট হাউসের সংলগ্ন লাফায়েত্তি স্কয়্যার নামের ছোট  পার্কটিতে। ঘটনার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের। শুক্রবার আহত ২ জন পুরুষ ও একজন নারী মারা যান। আহত অপর নারীর অবস্থাও সংকটজনক বলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহতদের পরিচিতি হিসেবে জানা যায়, ৭৬ বছর বয়সী জেমস ম্যুয়েলোর এবং তার স্ত্রী ৭৫ বছর বয়সী ডোনা ম্যুয়েলার। যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য উইসকনসিনের জেনসভিল শহরের বাসিন্দা। রাজধানী ওয়াশিংটনে বেড়াতে এসেছিলেন এই দম্পতি। বৃহস্পতিবার ছিল তাদের ৫৬তম বিবাহবার্ষিকী। লাফায়েত্তি স্কয়ারে তারা বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করছিলেন। সেসময়ই আচমকা বজ্রপাত ঘটে সেখানে।

এ সময়ে তাদের কাছাকাছি অবস্থান করা অপর একজন পুরুষ ও নারীও বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। তাদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি, তবে উভয়েরই বয়স ৩০ বছরের কম বলে এএফপিকে জানিয়েছে পুলিশ।

ডোনা ও জেমস মুয়েলার দম্পতির মৃত্যু হয় শুক্রবার দুপুরের দিকে। তারপর সন্ধ্যার দিকে মারা যান ২৯ বছর বয়সী সেই যুবক। তার সঙ্গে থাকা সেই তরুণী এখনও বেঁচে আছেন, তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

এই ঘটনায় হতাহতদের প্রতি শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে হোয়াইট হাউস। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারিন জিন পিয়েরে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা এই ঘটনায় বিহ্বল। নিহতদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি, আর যিনি এখনও বেঁচে আছেন— তার জন্য প্রার্থনা।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন সন্ধ্যার দিকে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে লাফায়েত্তি স্কয়্যার পার্কের উপস্থিত লোকজনের অনেকেই পার্কের বিভিন্ন গাছের নিচে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ম্যুয়েলার দম্পতি এবং সেই তরুণ যুগলও অন্যান্যদের মতো একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেন এবং হঠাৎ একটি বজ্রপাত সেই গাছটির ওপরই আঘাত হানে। ঘটনার আকস্মিকতা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাথে সাথে তাদের কাছে কেউই যেতে পারেননি, তবে অল্প সময়ের মধ্যেই চারজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ডেভিড রুট নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসিকে বলেন, ‘এটা ছিল এক কথায় অবিশ্বাস্য। আমি আমার সারা জীবনে এমন ঘটনা দেখিনি।’ 

হোয়াইট হাউস   বজ্রপাত   নিহত  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

মাঙ্কিপক্সের টিকা শতভাগ কার্যকরী নয়: ডব্লিউএইচও

প্রকাশ: ০৩:৩৯ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মাঙ্কিপক্সের টিকা শতভাগ কার্যকরী নয়: ডব্লিউএইচও

বিশ্বজুড়ে মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডব কমলেও, একেবারে বিদায় নেয় নি। এর মধ্যে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মাঙ্কিপক্স। এখন পর্যন্ত সারাবিশ্বের ৯২টিরও বেশি দেশে ৩৫ হাজার মাঙ্কিপক্স রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই ইউরোপ এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশের বাসিন্দা। এছাড়া ভাইরাসের এই প্রাদুর্ভাবের সাথে যুক্ত ১২ জন মারা গেছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, মাক্সিপক্স প্রতিরোধে যে টিকা দেওয়া হচ্ছে তা শতভাগ কার্যকরী নয়। তাই সংক্রমণ রোধে সচেতনতার ওপর জোর দিতে হবে। টিকা নেওয়া ব্যক্তিরাও মাঙ্কিপক্সে সংক্রমিত হচ্ছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাঙ্কিপক্স বিষয়ক কারিগরি বিশেষজ্ঞ রোসামুন্ড লুইস জানিয়েছেন, ‌‘আমরা কিছু সংক্রমণের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি। এসব তথ্য আমাদের ইঙ্গিত করছে টিকা কোনো পরিস্থিতিতেই ১০০ শতাংশ কার্যকর নয়; সেটা প্রতিরোধমূলক হোক কিংবা সংক্রমণের পরেই হোক। আমরা শুরু থেকেই জেনে এসেছি যে এই টিকা সিলভার বুলেট (জাদুকরী সমাধান) হবে না। টিকার বিষয়ে যেসব প্রত্যাশা করা হচ্ছিল তার সব পূরণ করবে না’।

উল্লেখ্য, গত মাসে মাঙ্কিপক্সের বিষয়ে ‘পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি’ ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। টিকা শতভাগ কার্যকর প্রমাণিত না হওয়ায় এখন প্রতিরোধের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে জীবনযাপনেও পরিবর্তন আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মাঙ্কিপক্স   টিকা   শতভাগ কার্যকরী নয়   ডব্লিউএইচও  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

কাবুলে মসজিদে বিস্ফোরণ, নিহত ২১

প্রকাশ: ০২:২৫ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail কাবুলে মসজিদে বিস্ফোরণ, নিহত ২১

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) কাবুল পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

এর আগে, বুধবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় মুসল্লিরা প্রার্থনারত অবস্থায় ওই মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে আশেপাশে বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, বিস্ফোরণে শিশুসহ ৩৩ জন আহত হয়েছে। তবে এ হামলার দায় কেউ স্বীকার করেনি।

এর আগে, আল জাজিরা এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, নিহতের সংখ্যা ২০ এবং আহত হয়েছেন ৪০ জন। ওই কর্মকর্তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান রয়টার্সকে বলেছেন, ‌‘একটি মসজিদের ভেতরে একটি বিস্ফোরণ ঘটেছে... বিস্ফোরণে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে’।

কাবুল   মসজিদ   বিস্ফোরণ   নিহত  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

মাংকিপক্সের নাম ‘ট্রাম্প-২২’ রাখার প্রস্তাব!

প্রকাশ: ০২:০২ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মাংকিপক্সের নাম ‘ট্রাম্প-২২’ রাখার প্রস্তাব!

বিশ্বজুড়ে নতুন আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মাঙ্কিপক্স। বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত ৯২টিরও বেশি দেশে ৩৫ হাজার মাঙ্কিপক্স রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাসে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে সম্প্রতি বিশ্বের বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক মহল থেকে মাংকিপক্স ভাইরাসের নাম নিয়ে আপত্তি ওঠেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের এক খবরে বলা হয়েছে, ‘নির্দোষ’ বানরের নামে ভাইরাসটির নাম হওয়ায় তা পরিবর্তনের জোরালো দাবি ওঠেছে। তাই মাঙ্কিপক্সে নাম নিয়ে জনগণের পরামর্শ চেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এরই মধ্যে সংস্থাটির দফতরে বিভিন্ন নাম জমা পড়েছে। এর মধ্যে এক আবেদনকারী লিখেছেন, তিনি মাংকিপক্স ভাইরাসের নাম রাখতে চান সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নামে। ভাইরাসের নামের জন্য তার পরামর্শ ‘ট্রাম্প-২২’।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিশ্বের বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক মহল থেকে মাংকিপক্স ভাইরাসের নাম নিয়ে আপত্তি ওঠেছে। তারা জানিয়েছিল ভাইরাসটির নাম অবিলম্বে বদলানো উচিৎ, কেননা এই নাম মানুষকে ভুল পথে চালিত করবে। মাংকিপক্স ভাইরাসের নামে একটি প্রাণীর নাম জড়িয়ে আছে, যারা আদতে এই ভাইরাস ছড়ায় না।  

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, যেসব নাম জমা পড়েছে, তার মধ্যে জনপ্রিয়তার তালিকায় শীর্ষে আছে এমপক্স। তবে ট্রাম্প-২২ এর মতো কিছু অদ্ভুত নামও এসেছে তাদের দফতরে।  

তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, ট্রাম্প ২২-এর সঙ্গে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের নামের সম্পর্ক নেই। আসলে ট্রাম্প ২২-এর পুরো নাম ‘টক্সিক র‌্যাশ অব আনরেকগনাইজড মিস্টেরিয়াস প্রোভেন্যান্স অব ২০২২’।

মাংকিপক্স   নাম ‘ট্রাম্প-২২’   রাখার প্রস্তাব  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত মিয়ানমারের

প্রকাশ: ০১:৫৬ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত মিয়ানমারের

রাশিয়া থেকে পেট্রোল ও জ্বালানি তেল আমদানির ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক সরকার। জ্বালানির দাম কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনা মুখপাত্র।

ইউক্রেনে সেনা অভিযানের পরও রাশিয়ার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করে চলেছে মিয়ানমার।

সামরিক মুখপাত্র জ মিং তুন বলেন, ‘রাশিয়ার কাছ থেকে পেট্রোল আমদানি করার অনুমতি আমরা পেয়েছি।’ তার দাবি, কম দাম আর ভালো মানের জন্য তারা রাশিয়ার জ্বালানি বেছে নিয়েছেন।

আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে রাশিয়ার তেল মিয়ানমারে পৌঁছতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। গেল মাসে রাশিয়ার সফরের সময় তেল গ্যাস নিয়ে আলোচনা করেছিলেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান জেনারেল মিং অং হ্লাং। 

বর্তমানে সিঙ্গাপুর হয়ে জ্বালানি আমদানি করছে মিয়ানমার।

সূত্র: রয়টার্স

রাশিয়া   জ্বালানি তেল   আমদানি   মিয়ানমার  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

জার্মানি ও পোল্যান্ডের নদীতে হাজার হাজার মাছের মৃতদেহ

প্রকাশ: ১১:১৩ এএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail জার্মানি ও পোল্যান্ডের নদীতে হাজার হাজার মাছের মৃতদেহ

জার্মানি আর পোল্যান্ডের ওডার নদী হাজার হাজার মাছের মৃতদেহ নিয়ে বয়ে চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো বিষাক্ত উপাদানের কারণেই নিরাপদ আশ্রয়েও মাছেরা আর নিরাপদ নেই। ওডার নদীর পানি একসময় রোদের আলোয় ঝিলিক দিতো, সেই আলোয় দল বেঁধে ভেসে বেড়াতে জীবন্ত রুপালি মাছ। এখনো পানি আলো খেলে, তবে সেই আলোয় ভাসে শুধু মৃত মাছ।

ওডার নদীতে গত জুলাই থেকেই চলছে মাছেদের মরে মরে ভেসে ওঠা। পানিতে বিষাক্ত কিছু মিশেছে আর সে কারণেই মাছ মরছে- এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত। তবে কী ধরনের বিষ তা এখনো জানা যায়নি। নদীকে বিষমুক্ত করার উপায়ও তাই আপাতত অজানা। আপাতত দুই দেশেই ওডারের তীরে শোভা পাচ্ছে কিছু সতর্কবার্তা, সেখানে মূলকথা একটাই ‘বিষ আছে, তাই এই নদীর থেকে পানি থেকে দূরে থাকুন!’

পোল্যান্ডের ক্রানিক ডোলনিতেও ওডার নদীর এখানে-ওখানে ভেসে উঠছে নানা ধরনের মাছ। মৃত মাছ উদ্ধারে সেখানেও ব্যস্ত সময় কাটছে সেনা সদস্যদের।

এদিকে জার্মানির ফ্রাংকফুর্ট শহরে ওডার নদী থেকে মৃত মাছ উদ্ধার এবং এভাবে অজস্র টন মাছের মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, ডুবুরি, ফেডারেল এজেন্সি ফর টেকনিক্যাল রিলিফ (টিএইচডাব্লিউ) এবং জার্মান রেড ক্রসের (ডিআরকে) কর্মীরা। এক ছবিতে দেখা যায়, তাদের সঙ্গে কথা বলছেন জার্মানির পরিবেশমন্ত্রী স্টেফি লেমকে।

ওডার নদীতে এত মরা মাছ ভেসে উঠছে যে সেগুলো উদ্ধার করতে দুই দেশেই গড়তে হয়েছে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ দল। সেই দলের সদস্যরা প্রতিদিন নৌকা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন, তীরে ফেরেন প্রচুর মৃত মাছ নিয়ে।

সূত্র : ডয়চে ভেলে 


জার্মানি   পোল্যান্ড   নদী   মাছ   মৃতদেহ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন