ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

জার্মানি ও পোল্যান্ডের নদীতে হাজার হাজার মাছের মৃতদেহ

প্রকাশ: ১১:১৩ এএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail জার্মানি ও পোল্যান্ডের নদীতে হাজার হাজার মাছের মৃতদেহ

জার্মানি আর পোল্যান্ডের ওডার নদী হাজার হাজার মাছের মৃতদেহ নিয়ে বয়ে চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো বিষাক্ত উপাদানের কারণেই নিরাপদ আশ্রয়েও মাছেরা আর নিরাপদ নেই। ওডার নদীর পানি একসময় রোদের আলোয় ঝিলিক দিতো, সেই আলোয় দল বেঁধে ভেসে বেড়াতে জীবন্ত রুপালি মাছ। এখনো পানি আলো খেলে, তবে সেই আলোয় ভাসে শুধু মৃত মাছ।

ওডার নদীতে গত জুলাই থেকেই চলছে মাছেদের মরে মরে ভেসে ওঠা। পানিতে বিষাক্ত কিছু মিশেছে আর সে কারণেই মাছ মরছে- এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত। তবে কী ধরনের বিষ তা এখনো জানা যায়নি। নদীকে বিষমুক্ত করার উপায়ও তাই আপাতত অজানা। আপাতত দুই দেশেই ওডারের তীরে শোভা পাচ্ছে কিছু সতর্কবার্তা, সেখানে মূলকথা একটাই ‘বিষ আছে, তাই এই নদীর থেকে পানি থেকে দূরে থাকুন!’

পোল্যান্ডের ক্রানিক ডোলনিতেও ওডার নদীর এখানে-ওখানে ভেসে উঠছে নানা ধরনের মাছ। মৃত মাছ উদ্ধারে সেখানেও ব্যস্ত সময় কাটছে সেনা সদস্যদের।

এদিকে জার্মানির ফ্রাংকফুর্ট শহরে ওডার নদী থেকে মৃত মাছ উদ্ধার এবং এভাবে অজস্র টন মাছের মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, ডুবুরি, ফেডারেল এজেন্সি ফর টেকনিক্যাল রিলিফ (টিএইচডাব্লিউ) এবং জার্মান রেড ক্রসের (ডিআরকে) কর্মীরা। এক ছবিতে দেখা যায়, তাদের সঙ্গে কথা বলছেন জার্মানির পরিবেশমন্ত্রী স্টেফি লেমকে।

ওডার নদীতে এত মরা মাছ ভেসে উঠছে যে সেগুলো উদ্ধার করতে দুই দেশেই গড়তে হয়েছে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ দল। সেই দলের সদস্যরা প্রতিদিন নৌকা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন, তীরে ফেরেন প্রচুর মৃত মাছ নিয়ে।

সূত্র : ডয়চে ভেলে 


জার্মানি   পোল্যান্ড   নদী   মাছ   মৃতদেহ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

তালেবানকে একঘরে করলে পরনিতি ভয়াবহ হবে!

প্রকাশ: ০১:৪১ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail তালেবানকে একঘরে করলে পরনিতি ভয়াবহ হবে!

তালেবান সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করার জন্য আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো আফগানিস্তানের। একইসঙ্গ, তালেবান শাসকরা যদি আবার একঘরে হয়ে পড়ে তাহলে তার পরিণতি হবে বিপজ্জনক বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ওয়াশিংটন সফররত বিলাওয়াল বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ সতর্কবানী উচ্চারণ করেন।

তিনি বলেন, তালেবান সরকারকে উপেক্ষা করলে আফগানিস্তানে বহুবিধ সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে যার পরিণতি থেকে বিশ্বের কেউ রক্ষা পাবে না। পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আফগানিস্তানের অর্থনীতির পতন হলে দেশটি থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে শরণার্থীদের ঢল নামবে এবং আইএসের মতো উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো আফগানিস্তানে পাকাপোক্তভাবে ঘাঁটি গেড়ে বসবে।

বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, আমরা যখন তালেবান শাসকদের উপেক্ষা করেছি তখনই অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনা ঘটেছে যার পরিণতি আমাদেরকেই ভোগ করতে হয়েছে।

আফগানিস্তানে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল তালেবান। এরপর টানা দুই দশক দেশটিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সেনা মোতায়েন থাকার পর ২০২১ সালের আগস্ট মাসে আবার ক্ষমতায় আসে তালেবান। ১৯৯০ এর দশকের তালেবান সরকারকে পাকিস্তানসহ বিশ্বের তিনটি দেশ স্বীকৃতি দিলেও এবারের তালেবান সরকারকে বিশ্বের কোনো দেশ স্বীকৃতি দেয়নি।


বিশ্ব   এশিয়া   তালেবান   আফগানিস্তান   পাকিস্তান   তালেবান সরকার   আলোচনা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সু চি’র আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ১২:৫৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সু চি’র আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড

সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গৃহবন্দি থাকা মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চিকে আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সামরিক শাসিত মিয়ানমারের একটি আদালত সু চিকে এই কারাদণ্ড দেয়।

সু চির পাশাপাশি তার সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক শন টার্নেলকেও তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

গণতন্ত্রপন্থি এই নেত্রীর কারাদণ্ডের রায়ের ব্যাপারে জানেন এমন একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অং সান সু চি ও তার সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা শন টার্নেলের বিরুদ্ধে সরকারি গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে মিয়ানমারে সর্বোচ্চ ১৪ ​​বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে অভিযুক্ত উভয়কেই ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। অবশ্য উভয় ব্যক্তিই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছিলেন।

কারাদণ্ডের বিষয় সম্পর্কে রয়টার্সকে তথ্য দেওয়া ওই সূত্রটি জানিয়েছে, অং সান সু চি ও তার সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা শন টার্নেল; দু’জনকেই তিন বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজা ভোগের সময় কোনো কঠোর পরিশ্রম করতে হবে না।

বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় ওই সূত্রটি তার পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। বন্দি করা হয় গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের হওয়া সবগুলো মামলায় যদি সু চি দোষী সাব্যস্ত হন, সেক্ষেত্রে সবমিলিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রায় ১৯০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ হতে পারে। রাজধানী নেইপিদোর রুদ্ধদ্বার আদালতে সু চির বিরুদ্ধে বিচারকাজ চলছে।

রয়টার্স বলছে, এখন পর্যন্ত রায় ঘোষণা হওয়া বিভিন্ন মামলায় অং সান সু চিকে ১৭ বছরেরও বেশি করাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। সু চি অবশ্য বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে মিথ্যা বলে দাবি করে এসেছেন।

শন টার্নেল অস্ট্রেলিয়ার ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক। সামরিক অভ্যুত্থানের কয়েকদিন পর সু চির পর তিনিও আটক হন।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এর আগে বলেছিলেন, টার্নেলকে বিচারের বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে ক্যানবেরা।

রয়টার্স বলছে, বৃহস্পতিবার রাজধানী নেইপিদোর একটি রুদ্ধদ্বার আদালতে সু চিকে এই সাজা দেওয়া হয়। আসামিরা ঠিক কিভাবে সরকারি গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন করেছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও একটি সূত্র আগে বলেছিল যে, টার্নেলের অপরাধ ‘অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কারণ তার কাছে সরকারি নথি ছিল’।

বৃহস্পতিবারের এই রায় নিয়ে অবশ্য এখনও কোনো মন্তব্য করেনি মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তবে জান্তা জোর দিয়ে বলেছে, মিয়ানমারের আদালত স্বাধীন এবং যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী সুবিধা পাচ্ছে।


বিশ্ব   মিয়ানমার   অং সান সু চি   জেল   রোহিঙ্গা সংকট   সামরিক জান্তা   রাখাইন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

লেবার পার্টির বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আপসানার

প্রকাশ: ১২:৩৫ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দলের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন লেবার পার্টির বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি আপসানা বেগম। তার অভিযোগ, ‌‘সমাজতান্ত্রিক’, ‘মুসলিম’, ‘কর্মজীবী ​​নারী’ হিসেবে চিহ্নিত করে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হচ্ছে তাকে।

আপসানা যুক্তরাজ্যের পপলার এবং লাইমহাউস আসনের এমপি। তার আসনে পুননির্বাচন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন হলে নিজের আসন হারাতে পারেন তিনি। আপসানার অভিযোগ, এ বিষয়েও দলের কোনো সহযোগিতা পাননি তিনি। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

আপসানার আসনে একটি সম্পূর্ণ পুনঃনির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু এবং স্থানীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক অপপ্রচার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছিলেন আপসানা। নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে তাকে হাসপাতালে যেতেও হয়েছে। অসুস্থতাজনিত কারণে কাজ থেকে ছুটি নেওয়ার বিষয়ে তিনি দলের সংশ্লিষ্ট দফতরে জানিয়েছিলেন। সেই সময়েও তাকে দলীয়ভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

লিভারপুলে আয়োজিত লেবার পার্টির ওয়ার্ল্ড ট্রান্সফর্মড ফেস্টিভ্যালে বক্তৃতা করতে গিয়ে আপসানা বলেন, তিনি ‘দলীয় কোন্দল ও বর্ণবাদ’-এর স্বীকার হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে কখনই ন্যায্য সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমার প্রতি অমানবিক আচরণ মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে’।

অসুস্থতাজনিত ছুটিতে ছিলেন আপসানা। সম্প্রতি তিনি জানান, ধীরে ধীরে কাজে ফিরছেন তিনি। আপসানা জানান, ‘আমার বিরুদ্ধে অবিরত ও পরিকল্পিতভাবে অপব্যবহার এবং হয়রানিমূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে। অনেকে আমাকে জেলে পাঠানোর ফন্দিও এঁটেছিলেন’।


বিশ্ব   যুক্তরাজ্য   লেবার পার্টি   হয়রানি   অভিযোগ   বাংলাদেশি   আপসানা বেগম  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাইবার হামলার শিকার অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশ: ১২:২৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাইবার হামলার শিকার অস্ট্রেলিয়া

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ‘সাইবার হামলার’ শিকার হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির প্রায় এক কোটি গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয়েছে। বিষয়টি গত সপ্তাহে জানতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়ার টেলিকমিউনিকেশন খাতের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান অপটাস।

জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ লোকের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয়েছে এই সাইবার হামলায়। কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, এটাই হতে পারে দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তথ্য চুরির ঘটনা।

তবে এই সপ্তাহে আরও কিছু নাটকীয় ঘটনা দেখা গেছে। এর মধ্যে আছে মুক্তিপণের হুমকি, উত্তেজনাকর পরিস্থিতি এবং এটি হ্যাকের ঘটনা কি-না তা যাচাই করা।

এটা একই সাথে এই প্রশ্নও উস্কে দিয়েছে যে অস্ট্রেলিয়া কীভাবে ব্যক্তিগত তথ্য ও প্রাইভেসির বিষয়টি দেখভাল করে।

জানা গেছে, অপটাস সিঙ্গাপুর টেলিকমিউনিকেশন লিঃ-এর একটি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান। তারা ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পর প্রকাশ করে যে নেটওয়ার্কে সন্দেহভাজন কার্যক্রমের বিষয়টি তাদের দৃষ্টিতে এসেছে।

অস্ট্রেলিয়ার টেলিকম খাতের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই প্রতিষ্ঠান জানায় যে তাদের সাবেক ও বর্তমান গ্রাহকদের ডাটা (তথ্য) চুরি হয়েছে। এর মধ্যে আছে নাম, জন্মতারিখ, ফোন নাম্বার, ই-মেইল ঠিকানা, পাসপোর্ট নাম্বার এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স নাম্বার।

তবে তারা দাবি করে যে পেমেন্ট বিষয়ক তথ্যাদি ও অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড হ্যাক হয়নি।

সরকার বলেছে, যাদের পাসপোর্ট বা লাইসেন্স নাম্বার চুরি হয়েছে তাদের আইডেন্টিটি চুরি বা প্রতারণার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই সংখ্যা প্রায় ২৮ লাখ।

অপটাস বলছে, তারা ঘটনাটির তদন্ত করছে এবং পুলিশ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে জানিয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, এতো বড় চুরির ঘটনাটি দেশের বাইরে থেকে সংঘটিত হয়েছে।

ঘটনার জন্য আবেগময় ভাষায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন অপটাসের প্রধান নির্বাহী কেলি বায়ের রোজমারিন। তিনি এটিকে ‘নিখুঁত হামলা’ আখ্যায়িত করেছেন। তবে তিনি দাবি করেছেন, তার কোম্পানির সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই শক্তিশালী।

“অবশ্যই, আমি ক্ষুব্ধ যে একদল ব্যক্তি আমাদের গ্রাহকদের সাথে এটা করতে চেয়েছে এবং আমি হতাশ কারণ আমরা সেটি ঠেকাতে পারিনি,” শুক্রবার দেয়া বিবৃতিতে তিনি বলেছেন।


বিশ্ব   সাইবার হামলা   অস্ট্রেলিয়া   তথ্য চুরি   গোপনীয়তা নীতি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

দঃ কোরিয়ায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস

প্রকাশ: ১২:১৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail দঃ কোরিয়ায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস

জাপান সফর শেষে করে দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিয়ে সেখান থেকে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ায় উদ্দেশে উড়াল দেন কমলা হ্যারিস।

এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ায় কমলা হ্যারিস পা রাখার একদিন আগেই পূর্ব উপকূলে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া মাঝেই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করল পিয়ংইয়ং। এর ফলে কোরীয় দ্বীপে নতুন করে উত্তেজনার দেখা দিয়েছে।

ওই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টি বুধবার রাতে নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান। এই ঘটনাকে ‘উস্কানিমূলক কর্মকান্ড’ বলে উল্লেখ করে এর সমালোচনা করা হয়েছে।

জাতিসংঘ ব্যালিস্টিক ও পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পরও একের পর এক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে পিয়ংইয়ং।

সীমান্ত এবং সুরক্ষিত ডেমিলিটারাইজড জোন (ডিএমজেড) পরিদর্শনের আগে সিউল পরিদর্শন করবেন কমলা হ্যারিস।


বিশ্ব   যৌথ সামরিক মহড়া   কমলা হ্যারিস   ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ   উত্তর কোরিয়া  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন