ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউরোপের তিন দেশে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি, ১৩ জনের প্রাণহানি

প্রকাশ: ১১:১৯ এএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ইউরোপের তিন দেশে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি, ১৩ জনের প্রাণহানি

ইউরোপের তিন দেশ অস্ট্রিয়া, ইতালি ও ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপে প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশুও রয়েছে। প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন মনুষ।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটে। নিহতদের অধিকাংশই মারা গেছেন ঝড়ে উপড়ানো গাছের নিচে চাপা পড়ে।

ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপেই মারা গেছেন ৬ জন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঝড়ো আবহাওয়া শান্ত হওয়ার পর সেখানকার পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে কর্সিকা দ্বীপে গিয়েছিলেন ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গেরাল্ড ডারমানিন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী এবং এক যুবক মারা গেছেন ঝড়ে উপড়ে যাওয়া গাছের নিচে চাপা পড়ে। আর একজন বয়স্ক নারীর গাড়ির ছাদে আছড়ে পড়ে সাগরতীরে পর্যটকদের জন্য তৈরি একটি ছাউনির ছাদ। তাতেই মারা পড়েন তিনি।

ফ্রান্সের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝড়ের সময় কর্সিকার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ২২৪ কিলোমিটার গতিতে বয়ে গেছে দমকা হাওয়া। বিপুল শক্তিতে বাতাস বয়ে যাওয়ায় দ্বীপটির বহু জায়গায় গাছ উপড়ে গেছে, বিপুলসংখ্যক ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইউরোপের অধিকাংশ অঞ্চলে গত দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলেছে মৃদু ও মাঝারি তাপপ্রবাহ। তারপরই এলো এই দুর্যোগ। প্রত্যক্ষদর্শীলা জানিয়েছেন, ‍বৃহস্পতিবারের ঝড় ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত এবং আবহাওয়া দপ্তর থেকে কোনো প্রকার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি।

কর্সিকা দ্বীপের রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী কেড্রিক বয়েল বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম সাধারণ মৌসুমি ঝড়। কিন্তু পরে বুঝলাম— এটা কোনো সাধারণ ঝড় নয়। এত ধ্বংসাত্মক ঝড় আমরা এর আগে দেখিনি।’

ঝড়ে অস্ট্রিয়ায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক। সব মৃত্যুই ঘটেছে গাছের তলায় চাপা পড়ে। এছাড়া ইতালিতে ২ জন নিহত হয়েছেন, তাদেরও মৃত্যুর কারণ একই।

ইউরোপ   ঝড়   বৃষ্টি   প্রাণহানি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে ভ্রমণে কানাডার সতর্কতা

প্রকাশ: ০৩:১২ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে ভ্রমণে কানাডার সতর্কতা

ভারতে ভ্রমণে যাওয়া কানাডীয় নাগরিকদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা জারি করেছে কানাডার জাস্টিন ট্রুডোর সরকার। সতর্কবার্তায় গুজরাট, পাঞ্জাব এবং রাজস্থানের মতো পাকিস্তান সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে কানাডার নাগরিকদের।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই। মূলত পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এসব রাজ্যগুলোতে ‘ল্যান্ডমাইনের সম্ভাব্য উপস্থিতি এবং অপ্রত্যাশিত নিরাপত্তা পরিস্থিতি’র কথা উল্লেখ করে এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

পর্যটকদের উদ্দেশে কানাডার সরকারের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ল্যান্ডমাইনের উপস্থিতির কারণে নিম্নলিখিত রাজ্যগুলোতে পাকিস্তানের সীমান্তের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা কোনো এলাকায় সকল ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন: গুজরাট, পাঞ্জাব, রাজস্থান।’

এদিকে গত ২৭ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ হালনাগাদ করা ওই বার্তায় কানাডা আরও বলেছে, ‘ভারতের সর্বত্রই সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ভারতের যেখানেই যাবেন সেখানে উচ্চ-মাত্রায় সতর্ক ও সাবধানে থাকবেন।’

কানাডার ভ্রমণ সতর্কতার এই তালিকায় ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের নাম নেই। তবে উত্তর-পূর্ব ভারতের আসাম এবং মণিপুরে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও নাগরিকদের সতর্ক করেছে কানাডা সরকার। সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপের কারণে এই দুই রাজ্য থেকে পর্যটকদের দূরে থাকতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর কানাডায় থাকা ভারতীয়দের উদ্দেশে ‘সতর্কবার্তা’ জারি করেছিল ভারত। ‘ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ’ বৃদ্ধির জেরেই এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। সেসময় কানাডার সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে নয়াদিল্লির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কানাডা সরকারকে সেসব ঘটনার তদন্ত করার আবেদনও জানায় ভারত।

এছাড়া কানাডায় পড়াশোনা করা ভারতীয় নাগরিক এবং শিক্ষার্থীদের অটোয়াতে ভারতীয় হাইকমিশন অথবা টরন্টো এবং ভ্যাঙ্কুভারের ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেল বা এমএডিএডি পোর্টালে নিজেদের নাম নিবন্ধন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।


বিশ্ব   ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত   কানাডা   ভ্রমণ সতর্কতা   সীমান্তবর্তী রাজ্য   পাঞ্জাব   গুজরাট  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

যানজট এড়াতে যে শহরে চালু হচ্ছে হেলিকপ্টার সেবা

প্রকাশ: ০২:৫৭ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail যানজট এড়াতে যে শহরে চালু হচ্ছে হেলিকপ্টার সেবা

যানজট এড়াতে এবার ভারতের বেঙ্গালুরু শহরে চালু হচ্ছে হেলিকপ্টার সেবা। স্থানীয় আরবান এয়ার মোবিলিটি সংস্থা ‘ব্লেড ইন্ডিয়া’, বেঙ্গালুরু বিমানবন্দর এবং হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (এইচএএল) বিমানবন্দরের মধ্যে হেলিকপ্টার পরিসেবা চালু করতে চলেছে। আগামী ১০ অক্টোবর থেকে এই পরিসেবা চালু হবে।

এইচ১২৫ ডিভিজি এয়ারবাস হেলিকপ্টারে পাঁচজন যাত্রী একসঙ্গে যাত্রা করতে পারেন। গাড়িতে চড়ে যে পথ অতিক্রম করতে ২ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যেত, হেলিকপ্টার পরিসেবা চালু হওয়ার পর সেই পথ যেতেই যাত্রীদের সময় লাগবে মাত্র ১২ মিনিট। টিকিটের মূল্য বাবদ যাত্রীদের দিতে হবে ৩,২৫০ রুপি, তার উপর কিছু করও ধার্য করা হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচবার এই হেলিকপ্টারটি এই পথে চালানো হবে।

যেহেতু এইচএএল বিমানবন্দরটি কোরামঙ্গলা, ইন্দিরানগরের মতো জনপ্রিয় স্থান এবং আইটি পার্কের কাছাকাছি, তাই এই হেলিকপ্টার পরিসেবা বিশেষ করে করপোরেট যাত্রীদের জন্য বেশ সুবিধাজনক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপাতত এই রুটে দুটি কপ্টার চালানো হবে। স্থানীয় সকাল ৯টায় ছাড়বে বেঙ্গালুরু থেকে এইচএএল বিমানবন্দরে যাওয়ার হেলিকপ্টার এবং বিকালে ৪ টা ১৫ মিনিট নাগাদ সেই কপ্টারটি ফেরত যাবে।

বেঙ্গালুরুর দৈনন্দিন যানজটের চিত্র গোটা ভারতজুড়েই দুর্নাম কুড়িয়েছে। বিশ্বের বড় শহরগুলোর রেকর্ড অনুসারে ভারতের বেঙ্গালুরু শহরের রাস্তার যানজটের চাপ ছাপিয়ে গিয়েছে ভিড়ে ঠাসা মুম্বাই শহরকেও। ‘গ্লোবাল লোকেশন’ বিশেষজ্ঞদের মতে, গোটা একটি বছরে অর্থাৎ ৩৬৫ দিনে, বেঙ্গালুরুর একজন সাধারণ যাত্রী রাস্তায় যানজটে সময় ব্যয় করেন প্রায় ১০ দিন ৩ ঘণ্টা। যানজট এড়াতে এই নতুন হেলিকপ্টার পরিসেবা কতটা সফল হবে, তা সময়ই বলবে। 


বিশ্ব   এশিয়া   ভারত   যানজট   হেলিকপ্টার সেবা   বেঙ্গালুরু  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

তালেবানকে একঘরে করলে পরনিতি ভয়াবহ হবে!

প্রকাশ: ০১:৪১ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail তালেবানকে একঘরে করলে পরনিতি ভয়াবহ হবে!

তালেবান সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করার জন্য আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো আফগানিস্তানের। একইসঙ্গ, তালেবান শাসকরা যদি আবার একঘরে হয়ে পড়ে তাহলে তার পরিণতি হবে বিপজ্জনক বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ওয়াশিংটন সফররত বিলাওয়াল বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ সতর্কবানী উচ্চারণ করেন।

তিনি বলেন, তালেবান সরকারকে উপেক্ষা করলে আফগানিস্তানে বহুবিধ সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে যার পরিণতি থেকে বিশ্বের কেউ রক্ষা পাবে না। পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আফগানিস্তানের অর্থনীতির পতন হলে দেশটি থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে শরণার্থীদের ঢল নামবে এবং আইএসের মতো উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো আফগানিস্তানে পাকাপোক্তভাবে ঘাঁটি গেড়ে বসবে।

বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, আমরা যখন তালেবান শাসকদের উপেক্ষা করেছি তখনই অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনা ঘটেছে যার পরিণতি আমাদেরকেই ভোগ করতে হয়েছে।

আফগানিস্তানে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল তালেবান। এরপর টানা দুই দশক দেশটিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সেনা মোতায়েন থাকার পর ২০২১ সালের আগস্ট মাসে আবার ক্ষমতায় আসে তালেবান। ১৯৯০ এর দশকের তালেবান সরকারকে পাকিস্তানসহ বিশ্বের তিনটি দেশ স্বীকৃতি দিলেও এবারের তালেবান সরকারকে বিশ্বের কোনো দেশ স্বীকৃতি দেয়নি।


বিশ্ব   এশিয়া   তালেবান   আফগানিস্তান   পাকিস্তান   তালেবান সরকার   আলোচনা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সু চি’র আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ১২:৫৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সু চি’র আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড

সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গৃহবন্দি থাকা মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চিকে আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সামরিক শাসিত মিয়ানমারের একটি আদালত সু চিকে এই কারাদণ্ড দেয়।

সু চির পাশাপাশি তার সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক শন টার্নেলকেও তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

গণতন্ত্রপন্থি এই নেত্রীর কারাদণ্ডের রায়ের ব্যাপারে জানেন এমন একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অং সান সু চি ও তার সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা শন টার্নেলের বিরুদ্ধে সরকারি গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে মিয়ানমারে সর্বোচ্চ ১৪ ​​বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে অভিযুক্ত উভয়কেই ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। অবশ্য উভয় ব্যক্তিই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছিলেন।

কারাদণ্ডের বিষয় সম্পর্কে রয়টার্সকে তথ্য দেওয়া ওই সূত্রটি জানিয়েছে, অং সান সু চি ও তার সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা শন টার্নেল; দু’জনকেই তিন বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজা ভোগের সময় কোনো কঠোর পরিশ্রম করতে হবে না।

বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় ওই সূত্রটি তার পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। বন্দি করা হয় গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের হওয়া সবগুলো মামলায় যদি সু চি দোষী সাব্যস্ত হন, সেক্ষেত্রে সবমিলিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রায় ১৯০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ হতে পারে। রাজধানী নেইপিদোর রুদ্ধদ্বার আদালতে সু চির বিরুদ্ধে বিচারকাজ চলছে।

রয়টার্স বলছে, এখন পর্যন্ত রায় ঘোষণা হওয়া বিভিন্ন মামলায় অং সান সু চিকে ১৭ বছরেরও বেশি করাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। সু চি অবশ্য বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে মিথ্যা বলে দাবি করে এসেছেন।

শন টার্নেল অস্ট্রেলিয়ার ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক। সামরিক অভ্যুত্থানের কয়েকদিন পর সু চির পর তিনিও আটক হন।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এর আগে বলেছিলেন, টার্নেলকে বিচারের বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে ক্যানবেরা।

রয়টার্স বলছে, বৃহস্পতিবার রাজধানী নেইপিদোর একটি রুদ্ধদ্বার আদালতে সু চিকে এই সাজা দেওয়া হয়। আসামিরা ঠিক কিভাবে সরকারি গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন করেছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও একটি সূত্র আগে বলেছিল যে, টার্নেলের অপরাধ ‘অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কারণ তার কাছে সরকারি নথি ছিল’।

বৃহস্পতিবারের এই রায় নিয়ে অবশ্য এখনও কোনো মন্তব্য করেনি মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তবে জান্তা জোর দিয়ে বলেছে, মিয়ানমারের আদালত স্বাধীন এবং যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী সুবিধা পাচ্ছে।


বিশ্ব   মিয়ানমার   অং সান সু চি   জেল   রোহিঙ্গা সংকট   সামরিক জান্তা   রাখাইন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

লেবার পার্টির বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আপসানার

প্রকাশ: ১২:৩৫ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দলের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন লেবার পার্টির বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি আপসানা বেগম। তার অভিযোগ, ‌‘সমাজতান্ত্রিক’, ‘মুসলিম’, ‘কর্মজীবী ​​নারী’ হিসেবে চিহ্নিত করে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হচ্ছে তাকে।

আপসানা যুক্তরাজ্যের পপলার এবং লাইমহাউস আসনের এমপি। তার আসনে পুননির্বাচন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন হলে নিজের আসন হারাতে পারেন তিনি। আপসানার অভিযোগ, এ বিষয়েও দলের কোনো সহযোগিতা পাননি তিনি। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

আপসানার আসনে একটি সম্পূর্ণ পুনঃনির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু এবং স্থানীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক অপপ্রচার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছিলেন আপসানা। নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে তাকে হাসপাতালে যেতেও হয়েছে। অসুস্থতাজনিত কারণে কাজ থেকে ছুটি নেওয়ার বিষয়ে তিনি দলের সংশ্লিষ্ট দফতরে জানিয়েছিলেন। সেই সময়েও তাকে দলীয়ভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

লিভারপুলে আয়োজিত লেবার পার্টির ওয়ার্ল্ড ট্রান্সফর্মড ফেস্টিভ্যালে বক্তৃতা করতে গিয়ে আপসানা বলেন, তিনি ‘দলীয় কোন্দল ও বর্ণবাদ’-এর স্বীকার হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে কখনই ন্যায্য সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমার প্রতি অমানবিক আচরণ মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে’।

অসুস্থতাজনিত ছুটিতে ছিলেন আপসানা। সম্প্রতি তিনি জানান, ধীরে ধীরে কাজে ফিরছেন তিনি। আপসানা জানান, ‘আমার বিরুদ্ধে অবিরত ও পরিকল্পিতভাবে অপব্যবহার এবং হয়রানিমূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে। অনেকে আমাকে জেলে পাঠানোর ফন্দিও এঁটেছিলেন’।


বিশ্ব   যুক্তরাজ্য   লেবার পার্টি   হয়রানি   অভিযোগ   বাংলাদেশি   আপসানা বেগম  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন