ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

এবার বাইডেন থেকে কমলা হ্যারিসে দৃষ্টি ডেমোক্র্যাটদের, হারাতে পারবেন ট্রাম্পকে?

প্রকাশ: ০৯:৩৮ এএম, ১১ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস গত শনিবার বিকেলে  নিউ অরলিন্সে কৃষ্ণাঙ্গদের সাংস্কৃতিক উৎসবের এক মঞ্চে তার জীবনের নানা দিককার গল্প এবং হোয়াইট হাউসে তিনি কী অর্জন করেছেন সে সম্পর্কে কথা বলছিলেন। এটি এমন একটি ইভেন্ট ছিল যেখানে কিনা গত সাড়ে তিন বছর ধরে প্রথম নারী, কৃষ্ণাঙ্গ ও দক্ষিণ এশীয় অ্যামেরিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বাইডেনের ডেপুটি হিসেবে নিয়মিত তিনি উপস্থিত থেকে আসছে। এসময় ওয়াশিংটন থেকে এক হাজার মাইল দূরের অনুষ্ঠানটিতে সেদিন মিসেস হ্যারিসের পেছনে থাকা সাংবাদিকের সংখ্যা কয়েক ডজন বেড়ে গিয়েছিলো। অনেকটাই আচমকা বিষয় ছিল এটি তার জন্য কেননা, সম্প্রতি ডেমোক্র্যাট শিবিরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডিবেটে ৮১ বছর বয়সী বাইডেনের দুঃখজনক এবং শোচনীয় পরাজয়ের পর, নভেম্বরের নির্বাচনে দলের প্রার্থী হিসাবে কামলা হ্যারিসকে প্রার্থিতা দিতে নিজ দলেই জোরালো দাবি উঠেছে। এরপর থেকেই তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন সবসময়। 

তবে, এই মঞ্চে কিংবা সপ্তাহান্তে তার ভ্রমণের সময় ভাইস-প্রেসিডেন্টের সামনে বারবার বাইডেনের ফিটনেসের বিষয়ে এবং তাকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রত্যাহার করা করে কমলার হাতে প্রার্থিতা তুলে দেয়া উচিত কিনা এমন প্রশ্নের কোন জবাব দেননি তিনি। কিন্তু নিউ অরলিন্সের ওই অনুষ্ঠানে তার শ্রোতাদের সাথে তার জীবনে বড় হওয়ার নানান বিষয় তুলে ধরেন। এসময় তিনি শ্রোতাদেরকে জীবনে বড় হতে গেলে  সমালোচনা কিংবা কোনো গুঞ্জনে কান না দেওয়ার পরামর্শ দেন। 

তিনি বলেন, লোকেরা আপনাকে বলবে, যদিও কথাটা বলার উপযুক্ত সময় এটা নয়, এটা আপনার পালা নয় এবং আপনার মতো কেউ এটি আগে করেও নি। সেক্ষেত্রে আপনি তাতে কখনও কান দেবেন না।

গত ২৭ জুন সিএনএনে বাইডেনের বিপর্যয়কর বিতর্কের পর থেকে তিনি বারবারই তার বস বাইডেনের পক্ষাবলম্বন করে যুক্তিতে বলেন যে, প্রেসিডেন্টের বিতর্কের সময় ৯০ মিনিটের বেশি হওয়া উচিত নয়। এদিকে, মিস্টার বাইডেনও তার প্রার্থিতার ব্যাপারে ক্ষুব্ধ এবং জোড়ালো প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন যে, তিনিই প্রার্থী থাকবেন। তবে তা সত্ত্বেও নির্বাচন থেকে প্রেসিডেন্টের প্রতি সরে দাঁড়ানোর আহ্বান যখন আরও জোরালো হচ্ছে, তখন প্রভাবশালী কিছু ডেমোক্র্যাট ৫৯ বছর বয়সী মিসেস হ্যারিসকে প্রার্থী করার জন্য তার পিছনে একত্রিত হচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে রবিবার, ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান অ্যাডাম শিফ এনবিসি'র মিট দ্য প্রেসকে বলেন, হয় মি. বাইডেনকে “অপ্রতিরোধ্যভাবে জয়লাভ করতে হবে, নয়তো তাকে সেরকম একজনের কাছে মশালটি দিতে হবে”। 

তিনি আরও বলেন, কমালা হ্যারিসই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে “খুব ভালোভাবে জিততে পারেন”। তবে, এমন প্রস্তাবে বাইডেনের মিত্রসহ ডেমোক্র্যাটদের অনেকেরই ভ্রু কুঁচকেছেন। বিশেষ করে মিসেস হ্যারিসের ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়ন দৌড়ে ব্যর্থতা, এমনকি ব্যালটে প্রথম ভোটটি পড়ার আগেই। এছাড়া, ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে হোয়াইট হাউসে তার গ্রহণযোগ্যতার রেটিংও অনেক কম।

এর বিপরীতে, মি. শিফ এবং সাউথ ক্যারোলিনার কংগ্রেসম্যান জিম ক্লাইবার্নের মতো সিনিয়র ডেমোক্র্যাটিক আইনপ্রণেতারা মিস হ্যারিসকে স্পষ্ট উত্তরসূরি হিসাবে প্রশংসায় ভাসিয়ে চলেছেন। এমনকি শেষ পর্যন্ত দলীয় চাপের মুখে মি: বাইডেনকে নত হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন নেতারা।

সমর্থকদের অনেকেই হাতেগোনা কিছু জরিপের ফলাফল ইঙ্গিত করে ধারণা করছেন যে, কমলা হ্যারিস ডোনাল্ড ট্রাম্পের মোকাবেলায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভালো করবেন। তাদের যুক্তি হলো- জাতীয়ভাবে তার একটি অবস্থান রয়েছে, প্রচারণার অবকাঠামো এবং তরুণ ভোটারদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। 

যদিও একজন নারীর মনোনয়ন টিকিট লাভের ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানে উঠে আসার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে দেখা হলেও এটিকে এতদিন বাইডেনের হোয়াইট হাউসের সিনিয়র ব্যক্তিরা রাজনৈতিক দুর্বলতা হিসাবে দেখেননি। এমনকি মি. বাইডেন নিজেও প্রথমদিকে কয়েকমাসে হ্যারিসের “কাজে উন্নতি হচ্ছে” বলে প্রশংসা করেছিলেন। তবে দীর্ঘদিনের ডেমোক্রেটিক স্ট্র্যাটেজিস্ট এবং হ্যারিসের সাবেক কমিউনিকেশন ডিরেক্টর জামাল সিমন্স বলছেন, তাকে (হ্যারিসকে) দীর্ঘকাল ধরে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

সাবেক এই শীর্ষ প্রসিকিউটর বিতর্কের পর থেকেই জনসাধারণের সামনে ট্রাম্পের সমালোচনার বিওষয়ে সবার মনোযোগ এসেছে। ট্রাম্প যে গণতন্ত্র এবং নারী অধিকারের জন্য হুমকিস্বরূপ সেটি মেনে নিতে তাদের প্রতি জোর আহ্বান জানাচ্ছেন। একইসময় তিনি বাইডেনের প্রতি অবিচল সমর্থন ছাড়া আর কিছুই বলছেন না। ভাইস-প্রেসিডেন্টের সর্বদা উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং আনুগত্যের মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য থাকতে হয়। কিন্তু মিস হ্যারিস জানেন যে, এটি সেই মুহূর্ত নয় যখন তিনি তার এবং প্রেসিডেন্টের মধ্যকার কোন বিষয় প্রকাশ করতে পারেন।

কমলা হ্যারিস অবশ্য মি. বাইডেনের একমাত্র বিকল্প হওয়ার আলোচনা থেকে এখনও বেশ দূরে। বাইডেনের সম্ভাব্য বিকল্পের তালিকায় অবশ্য জনপ্রিয় গভর্নরদের মধ্যে অন্যতম- মিশিগানের গ্রেচেন হুইটমার, ক্যালিফোর্নিয়ার গ্যাভিন নিউসম, পেনসিলভানিয়ার জোশ শাপিরো এবং ইলিনয়ের জেবি প্রিটজকার থেকে শুরু করে ট্রান্সপোর্ট সেক্রেটারি পিট বুটিজাজ এবং ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান রো খান্না রয়েছেন। 

তবে মিস হ্যারিস এবং তার অনুসারীরা কোন জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই আপাতত নেই। 

তবে মি. বাইডেন যদি মনোনয়ন থেকে সরেই দাঁড়ান, আর তাহলে মিস হ্যারিসকে বাদ দিয়ে ডেমোক্র্যাটদের অন্য প্রার্থীর পক্ষে যাওয়ার ধারণাটি কিন্তু দলের বাম এবং এর শক্তিশালী কালো শিবিরের অনেককেই আতঙ্কিত করবে। এ ব্যাপারে কংগ্রেসের অন্যতম বিশিষ্ট কৃষ্ণাঙ্গ আইনপ্রণেতা মি: ক্লাইবার্ন গত সপ্তাহে এমএসএনবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, তেমন পরিস্থিতিতে " দলটির কোনোভাবেই মিস হ্যারিসের চারপাশে কোন কাজ করা উচিত নয়"। 

রিপাবলিকানরাও স্বীকার করেছে যে, বাইডেনের জায়গায় হ্যারিস স্থলাভিষিক্ত হলে তারা এগিয়ে থাকবেন। সাউথ ক্যারোলাইনার সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম রবিবার তার দলকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, রিপাবলিকানদের অবশ্যই "নাটকীয়ভাবে ভিন্ন প্রতিযোগিতার" ব্যাপারে প্রস্তুত থাকতে হবে।

তবে শেষ পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটদের জন্য একমাত্র যে প্রশ্নটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ তা হলো- দাতারা দেখবেন যে, জো বাইডেনের তুলনায় হ্যারিসের ট্রাম্পকে পরাজিত করার আরও ভাল সুযোগ আছে কিনা সে বিষয়টি কিন্তু গভীরভাবে অনিশ্চিত। হ্যারিস সমর্থকরা সিএনএনের সাম্প্রতিক একটি জরিপের চিত্র তুলে ধরে বলেন যে, নভেম্বরের নির্বাচনে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্টের তুলনায় তিনি বেশি ভালো করবেন।

প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে হ্যারিসের শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে কিছু ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। আর এর মূল কারণ, ২০২০ সালে দলীয় মনোনয়নের জন্য তার ব্যর্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতা। সেসময় তিনি প্রাথমিক বিতর্কে বাইডেনকে পরাস্ত করলেও আইওয়া স্টেইটের প্রথম ককাসের আগেই হেরে যান। প্রথম দিকে সেই হোঁচট খাওয়ার কারণে মিসেস হ্যারিস জনসাধারণের সামনে উপস্থিত হওয়ার ব্যাপারে আরও সতর্ক অবস্থায় থাকেন। কিন্তু অনেক ভোটার তাকে অকার্যকর বলে মনে করে থাকে। 

এর আগে ৬৭ বছর বয়সী গ্রেগ হোভেল- যিনি গত সপ্তাহে উইসকনসিনের ম্যাডিসনে বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন, তিনি ২০২০ সালের প্রাইমারিতে হ্যারিসকে সমর্থন দিয়েছিলেন। তবে, সেসময় এই ভেবেও সতর্ক ছিলেন তিনি যে, দেশের মধ্যে অনেক নারী বিরোধী মনোভাব রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি অবলম্বনে অনুবাদিত 


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র   ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস   প্রেসিডেন্ট   জো বাইডেন   ডোনাল্ড ট্রাম্প   নির্বাচন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ হাসপাতালে

প্রকাশ: ০৩:৪৮ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

মালয়েশিয়ার প্রায় শত বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদকে অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ‘অনবরত কাশতে থাকায়’ তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে আজ বৃহস্পতিবার মাহাথিরের সহযোগী সুফি ইউসুফ বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান। 

সুফি ইউসুফ বলেন, গত সোমবার মাহাথিরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আগামী কয়েক দিন তাকে চিকিৎসা নিতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে মালয়েশিয়ার দুবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথিরের বয়স গত সপ্তাহে ৯৯ বছর পূর্ণ হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় মাহাথির হৃদ্যন্ত্রের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন। করতে হয়েছে বাইপাস সার্জারি।

এর আগে চলতি বছরের শুরুতে মাহাথির প্রায় তিন মাস হাসপাতালে ছিলেন।

মাহাথির মোহাম্মদের জন্ম ১৯২৫ সালের ১০ জুলাই। তিনি ১৯৮১ সালে প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন। ২০০৩ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর ২০১৮ সালে ৯২ বছর বয়সে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেছেন।


মালয়েশিয়া   সাবেক প্রধানমন্ত্রী   মাহাথির মোহাম্মদ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ট্রাম্পের হয়ে এবার নির্বাচনের মাঠে তার নাতনি কাই ট্রাম্প

প্রকাশ: ০৩:২৭ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বুধবার রাতে ১৭ বছরের এক কিশোরী রিপাবলিকান দলের জাতীয় সম্মেলনে জানান, রিপাবলিকান দলের জাতীয় সম্মেলনে কথা বলতে পেরে আমি দারুণ সম্মানিত বোধ করছি। তখন পুরো সম্মেলনকক্ষ হাততালি দিয়ে ওঠে।

সম্মেলনে কথা বলা ওই কিশোরীর নাম কাই ট্রাম্প। রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের বড় মেয়ে। 

বুধবার (১৭ জুলাই) রাতে সম্মেলনে উপস্থিত প্রতিনিধি এবং দেশজুড়ে টেলিভিশন দর্শকদের সামনে কাই শুরুতেই বলে, ‘আজ আমি আমার দাদার কথা আপনাদের জানাব, যে দিকটা মানুষ খুব একটা দেখতে পায় না।’ 

কাই বলেন, ‘আমার জন্য তিনি আর সব দাদার মতোই। বাবা-মায়ের চোখ এড়িয়ে তিনি আমাকে ক্যান্ডি ও সোডা খেতে দেন। তিনি সব সময় আমরা স্কুলে কেমন করছি, সেটা জানতে চান। আমি যখন স্কুলে খুব ভালো ফলাফল করি, তিনি তাঁর বন্ধুদের কাছে সেই গল্প করেন। তিনি আমার জন্য কতটা গর্বিত, সেটাও বলেন।’

ট্রাম্প মানসিকভাবে কতটা শক্ত, তার বর্ণনা দিতে কাই বলে, অনেক মানুষ তার দাদাকে অনেক বেদনা ও যন্ত্রণা দিয়েছেন এবং তার দাদা এরপরও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছেন।

কাই বলে, ‘দাদা, আপনি একজন অনুপ্রেরণাদায়ী মানুষ এবং আমি আপনাকে ভালোবাসি। গণমাধ্যম আমার দাদাকে অন্য মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করে। কিন্তু আমি জানি, তিনি কেমন। তিনি খুবই ভালো মানুষ। তিনি সত্যিই এই দেশের ভালো চান এবং আমেরিকাকে আবারও মহান করার জন্য প্রতিটি দিন যুদ্ধ করে যাবেন।’

ট্রাম্পের ১০ নাতি-নাতনির মধ্যে সবার বড় কাই। সে ট্রাম্প জুনিয়র ও তার সাবেক স্ত্রী ভেনেসা ট্রাম্পের মেয়ে।

কাই গলফ খেলতে খুবই পছন্দ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সে সক্রিয়। ইউটিউবে তার পেজ আছে। যেখানে গলফের প্রতি তার আগ্রহ ও ভালোবাসার প্রকাশ দেখা যায়।


রিপাবলিকান দল   ডোনাল্ড ট্রাম্প   কাই ট্রাম্প  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বর্ণবাদের বিরুদ্ধে মানুষের মুক্তির জন্য আজীবন লড়াই করে যাওয়ার এক কিংবদন্তীর নাম নেলসন ম্যান্ডেলা। আজ ১৮ জুলাই আশা ও ঐক্যের আরেক নাম নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন। তিনি সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে একজন বলে বিশ্বের মানুষের কাছে পরিচিত। নেলসন ম্যান্ডেলা তার জীবনের দীর্ঘ ২৭ বছর কাটিয়েছেন কারাগারে। পাড়ি দিয়েছেন হাজারো ঝড়-ঝঞ্ঝা। 

১৯৬২ সালে ম্যান্ডেলাকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী সরকার গ্রেপ্তার করে। তিনি ২৭ বছর কারাজীবনের ১৮ বছরই ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার কুখ্যাত রোবেন দ্বীপের কারাগারে বন্দি। 

প্রায় তিন দশক পর ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারিতে কারাগার থেকে মুক্ত পান তিনি। পরে ১৯৯৪ সালের এই দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিক নির্বাচনে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন এই অবিসংবাদিত নেতা। ন্যায়ের প্রতি অসামান্য অবদান রাখা এই নেতার আজ জন্মদিন। 

বর্ণবাদবিরোধী অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ২০০৯ সালে এই বিশেষ দিনকে ‘আন্তর্জাতিক নেলসন ম্যান্ডেলা দিবস’ হিসেবেও ঘোষণা করে জাতিসংঘ।

এছাড়া একই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইংরেজ দার্শনিক ও স্থপতি রবার্ট হুক। ১৬৬০ সালে বিজ্ঞানী হুক পদার্থের স্থিতিস্থাপকতার সূত্র আবিষ্কার করেন। এটি হুকের সূত্র নামে পরিচিত। 

২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর গোটা দুনিয়ার কোটি কোটি ভক্তকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এ কিংবদন্তী। এ সময় তার বয়স ছিল ৯৫।


নেলসন ম্যান্ডেলা   জন্মদিন   দক্ষিণ আফ্রিকা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

চীনে শপিং মলে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০২:৩০ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশের জিগং শহরের শপিং মলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছে।  ভবনটির ১৪ তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার ফুটেজ নানা অনলাইনমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

সেই ফুটেজে দেখা যায়, আগুন থেকে বাঁচতে অনেকেই এসময় বেলকনিতে বেরিয়ে আসেন। উদ্ধারকারীদের তৎপরতায় সেখান থেকে ৩০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে।  

তিন শতাধিক কর্মীর প্রচেষ্টায় রাতভর উদ্ধার অভিযান চালানোর পর স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোর তিনটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, নির্মাণকাজ থেকেই আগুন লেগেছে। অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে এখনো তদন্ত চলছে।


চীন   সিচুয়ান প্রদেশ   আগুন   নিহত  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বাইডেনের সরে যাওয়া দেশ ও দলের জন্য ভালো: ডেমোক্র্যাটিক নেতা

প্রকাশ: ০১:৫৪ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

পুনর্নির্বাচনের প্রচার থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সরে যাওয়া দেশ ও দলের জন্য ভালো হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা চাক শুমার।

প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে গত শনিবার বৈঠক করেন চাক শুমার। সেই বৈঠকে এ কথা বাইডেনকে জানিয়েছেন এই প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট নেতা। গতকাল বুধবার এক প্রতিবেদনে এবিসি নিউজ এ খবর জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শুধু চাক শুমার নন, মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা হাকিম জেফরিসও একই মতামত সরাসরি বাইডেনকে জানিয়েছেন। তাদের এ কথোপকথনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র এবিসি নিউজকে এ কথা জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রকাশের পর চাক শুমারের দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, প্রতিবেদনটি নিছকই অলস অনুমানমাত্র। চাক শুমার তাঁর ককাসের মনোভাব সরাসরি প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কাছে শনিবার পৌঁছে দিয়েছেন।

অন্যদিকে রয়টার্সের পক্ষ থেকে হাকিম জেফরিসের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

গতকালই বাইডেনকে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কংগ্রেস সদস্য অ্যাডাম সচিফ। এ নিয়ে কংগ্রেসে ডেমোক্রেটিক পার্টির ২০ সদস্য প্রকাশ্যে বাইডেনকে সরে যেতে বললেন।

আসছে নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে লড়ছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আর রিপাবলিকান পার্টি থেকে লড়ছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত ২৭ জুন বাইডেন ও ট্রাম্প বিতর্কে মুখোমুখি হন। এতে ৮১ বছর বয়সী বাইডেন ছিলেন অনেকটাই স্লান। ট্রাম্পের প্রশ্নবাণে জর্জর বাইডেন জোরালোভাবে কোনো উত্তর দিতে পারেননি। এর পর থেকে নিজ দলের ভেতরে–বাইরে থেকে বাইডেনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দাবি উঠতে শুরু করে। 


মার্কিন প্রেসিডেন্ট   জো বাইডেন   ডেমোক্রেটিক পার্টি   চাক শুমার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন