ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

জাপানের প্রধানমন্ত্রী হবার স্বপ্ন দেখেন বাংলাদেশি ‘হেনরি’

প্রকাশ: ১২:০০ পিএম, ১১ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

একবার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক ক্লাসে কোন এক ছাত্রকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, পৃথিবী কয়টি? জবাবে ছাত্রটি বলেছিলেন, একটি। প্রত্যুত্তরে শিক্ষক বলেছিলেন, না-এই পৃথিবীতে যতগুলো মানুষ আছে, তাদের মাঝে যতগুলো ‘মন’ আছে, পৃথিবীর সংখ্যা ঠিক ততোগুলো। তার মানে হলো আমাদের মনের মাঝেই বাস করে নানা স্বপ্ন আর আমরা সাজাই একেকটি নতুন দুনিয়া। এক দুনিয়ার মাঝে রাঙিয়ে তুলি আরেকটা অন্যরকম একান্তই নিজের দুনিয়া আর যেখানে থাকে না কোনো অনুশাসন, বাঁধাধরা রুটিন। নিজের তুলিতে সাজাই নিজের ছোট্ট পৃথিবী। এমনই এক স্বপ্নচারী মানুষ কাজী হেনরি নাকানো। যিনি তার ভুবনে সাজিয়েছেন নিজের কিছু স্বপ্ন আর আত্মবিশ্বাসের কথা। জাপান প্রবাসী হেনরি নাকানো ছোটবেলা থেকে আত্মবিশ্বাসের সাথে দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে স্বপ্ন দেখে আসছেন তিনি কোনো একদিন জাপানের প্রধানমন্ত্রী হবেন। আর হেনরির এমন কিছু দৃঢ় স্বপ্নের কথা নিয়ে কানাডা প্রবাসী একজন চিকিৎসক ফেসবুকে একটি পোস্টে জানিয়েছেন কীভাবে হেনরি তার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে নিজেকে তৈরি করে চলেছেন। 

হেনরির পিতা কাজী মাহফুজুল হক লাল সাতক্ষীরার মানুষ, জাপানে প্রবাসী হয়েছেন বহু বছর আগে। আর সে সূত্রেই তার বসবাস সূর্যোদয়ের এই দেশটিতে। একবার হেনরির জাপানী মা হেনরিকে নিয়ে বলেছিলেন, "হেনরী স্কুল জীবন থেকেই জনসেবা মূলক খেলা খেলতে ভালোবাসতো। বাবা মাকে বলতো, আজকে আমাদের এখানে ভূমিকম্প হয়েছে তোমাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি তো?" 

হেনরী ২০১৩ থেকে ২০১৫ সন পর্যন্ত জাপান আর্মিতে সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে ২০১৬ সনে টোকিও পাওয়ার ইলেকট্রিক কোম্পানিতে ক্যারিয়ার শুরু করেন। এর আগে আওয়ামা এবং মেইজি ভার্সিটি থেকে কৃষি ও ম্যানেজমেন্ট নিয়ে গ্রাজুয়েশন করে আওয়ামা ভার্সিটি থেকে এমবিএ করেছেন হেনরী। এরপরে চাকুরীজীবি ইউনিয়নের নেতৃত্ব দেয়ার মাধ্যমে জাপানের মূলধারার রাজনীতিতে ঢুকে পড়েন তিনি। আর এভাবেই নেতৃত্ব দেয়ার হাতেখড়িঁ তার।  

তিনদিন আগে অনুষ্ঠিত জাপানের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিপুল ভোটে জিতে টোকিও মেট্রোপলিসের এদোগাওয়া ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে হেনরী নাকানো তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। এমনকি পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে এমপি পদে লড়াইয়ের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি। 

টোকিও মূল শহরে বয়ে যাওয়া এদো নদীর নামে এদোগাওয়া ওয়ার্ডটি সাতটি অঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত। ওয়ার্ডটির জনসংখ্যা প্রায় সাত লক্ষ যেখানে ৯৯.৫ শতাংশ আসল জাপানি আর ০.৫ শতাংশ ইমিগ্রেন্ট ভারতের আর বাংলাদেশের রয়েছে যৎসামান্য। 

ওয়ার্ডটির অফিসিয়াল ফুল রোডেন্ড্রন হলেও চেরি বাগান আর অবারিত সবুজ পার্কের জন্যে পর্যটকদের অত্যন্ত প্রিয় এলাকা এটি। যারা বনসাই গাছ ভালোবাসেন তারা এখানে বনসাই মিউজিয়াম দেখতে যান। অনেকে নদীর পাড়ের সবুজ ঘাসের উপর বসে মেঘ আর বহতা পরিষ্কার পানি দেখেন চুপচাপ ঘন্টার পর ঘন্টা।

কাজী হেনরী নাকানোর পিতা কাজী মাহফুজুল হক (লাল) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাপান শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি একবার লেখককে বলেছিলেন, "বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব) এম রাশেদ চৌধুরী যখন সাময়িক ভাবে জাপানের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ছিলেন, তখন ২৬শে মার্চের দিনে তিনি দূতাবাসে পতাকা উত্তোলন করতে গেলে আমার নেতৃত্বে শ'দুয়েক প্রবাসী তাকে খুনি খুনি বলে চিৎকার করে প্রতিবাদ জানাই। পরে আমরা কয়েকজন মিলে আওয়ামী লীগ জাপান শাখা খুলি। বিরোধী দলে এবং সরকারে থাকা অবস্থায় আমরা আমাদের প্রিয় নেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তিনবার আমার শহর এদোগাওয়া টাউন হল সহ কয়েক জায়গায় সম্বর্ধনা দিয়েছি। কিন্তু জাপানে গত বছর দুয়েক ধরে অনুপ্রবেশকারী নব্য লিডার, হাইব্রিড আর কিছু আমলা-রাজনীতির কারণে আমার মতো অনেক প্রবাসী আদি তৃণমূল কর্মীদের আমরা হারিয়েছি। তবুও আমরা দলকে ভালোবাসি আর সমর্থন করি, আমার জন্মভূমির সাথে আর নেত্রীর সমর্থনে সবসময় থাকি ও থাকবো।" 

ছেলের প্রসঙ্গে কাজী বলেন, "হেনরী ওর রাজনীতির গল্প শোনায় আমাকে, আমি মনে মনে কাঁদি, আমরা বাংলাদেশকে জাপান বানাতে চাই, জাপানীদের অর্থ সাহায্য নেই, কিন্তু সভ্যতা ও শিক্ষা নেই না। অথচ সেটি নেয়া উচিত ছিলো সবার আগে।"

এসময় তিনি তার নিজের রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে তার ছেলে হেনরি নিজেকে একজন আদর্শ রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলবে বলে তার ইচ্ছার কথা জানান।  

এর বাইরেও হেনরির বাবা কাজী একটি ধর্ম নিরপেক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশকে আধুনিক জ্ঞানী ও সভ্য জাতি হিসাবে গড়ে তুলতে তার স্বপ্নের কথা জানান। আর এ বিষয়ে সরকারকে নিরপেক্ষ ও জনবান্ধব হয়ে কাজ করতে তার অনুরোধের কথাও জানান। 


জাপান   বাংলাদেশ   কাজী হেনরি নাকানো   রাজনীতি   প্রবাসী  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভারতের নতুন পররাষ্ট্রসচিব নিয়োগ, কে তিনি?

প্রকাশ: ০৮:৫২ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সম্প্রতি ভারতের নতুন পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ কূটনৈতিক বিক্রম মিশ্রি। ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তরের ১৯৮৯ ব্যাচের এই কর্মকর্তা ইতোমধ্যেই চীন-বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত। তিনি বেইজিং-এ ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) তাকে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আর এর মাধ্যমে বিক্রম মিশ্র পররাষ্ট্রসচিব বিনয় কোয়াত্রার স্থলাভিষিক্ত হলেন।

বিক্রম মিশ্রি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও কাজ করেছেন। নতুন নিয়োগের আগে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের ডেপুটি পদে কাজ করছিলেন।

এর আগে ২০১৯ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত বেইজিংয়ে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন নতুন এ পররাষ্ট্রসচিব। সে সময়কালেই গালওয়ানে সংঘর্ষ ঘটেছিল ভারত ও চীনা সেনাদের মধ্যে। চীনা সরকারের সঙ্গে যোগযোগের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি।

ভারতের তিনজন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব সামলানোর বিরল কৃতিত্ব রয়েছে বিক্রম মিশ্রির। ১৯৯৭ থেকে ১৯৮৮ সালে আইকে গুজরালের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন তিনি। এরপর ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মনমোহন সিংয়ের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন। পরে ২০১৪ সালের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য মোদির ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছিলেন এই কূটনীতিক।

চীন ছাড়াও স্পেন, মায়ানমারে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বিক্রম মিশ্রি। এছাড়া পাকিস্তানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসেও কাজ করেছেন তিনি। ২০০০ থেকে ২০০৩ সালে ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাসে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার ছিলেন এই কূটনীতিক।

১৯৬৪ সালের ৭ নভেম্বর শ্রীনগরে জন্ম নেওয়া বিক্রমের ছোটবেলা কেটেছিল উপত্যকাতেই। শ্রীনগরেরই একটি স্কুলে তিনি পড়েছেন। পরে তিনি উধমপুর এবং গোয়ালিয়রে নিজের স্কুলজীবন শেষ করেন। জমশেদপুর এক্সএলআরআই থেকে এমবিএ করার পর ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তরে যোগ দেন তিনি।


ভারত   পররাষ্ট্রসচিব   বিক্রম মিশ্রি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

কুয়েতে বিশাল তেলের খনির সন্ধান

প্রকাশ: ০৪:৫৭ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত তেলসমৃদ্ধ দেশ কুয়েত একটি বড় জ্বালানি তেলের খনির সন্ধান পেয়েছে। কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (কেপিসি) চেয়ারম্যান শেখ নাওয়াফ সৌদ নাসির রবিবার এক ভিডিওবার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সেই ভিডিওবার্তায় শেখ নাওয়াফ বলেন, পারস্য উপসাগর অঞ্চলে কুয়েতের ফাইলাকা দ্বীপে এই খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রায় ৯৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই খনিতে অন্তত ৩২০ কোটি ব্যারেল (প্রতি ব্যারেল=১৫৯ লিটার) তেল রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, নতুন এই খনিতে বর্তমান খনিগুলো থেকে কুয়েত যে পরিমাণ তেল উৎপাদন করে তার তিনগুণেরও বেশি তেলের মজুত রয়েছে। পরবর্তী এক বিবৃতিতে কেপিসি জানিয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে নতুন এই খনিতে ২১০ কোটি ব্যারেল পেট্রোলিয়াম এবং ৫ লাখ ১০ হাজার কোটি ঘনফুট জ্বালানি গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে, যা মিলিয়ে মোট ৩২০ কোটি ব্যারেল তেলের সমতুল্য।

জ্বালানি তেল উত্তোলন ও রপ্তানিকারী দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কুয়েত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম জ্বালানি তেলের সরবরাহকারী এবং প্রতি বছর দেশটি ১০৪ কোটি ব্যারেল তেল উত্তোলন করে।

উল্লেখ্য, উপসাগরীয় অঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ অন্য দুই দেশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে, তবে কুয়েতের অর্থনীতি এখনও সম্পূর্ণভাবে পেট্রোলিয়ামের ওপর নির্ভরশীল। ধারণা করা হয়, বিশ্বের মোট তেলের মজুতের প্রায় ৪ শতাংশই কুয়েতে অবস্থিত।


তেলের খনি   সন্ধান   জ্বালানি তেল  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

রক্তাক্ত ট্রাম্পের ছবি দিয়ে টি-শার্ট বানিয়ে চীনাদের রমরমা ব্যবসা

প্রকাশ: ০৪:১৭ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের রক্তাক্ত ছবি দিয়ে চীনের একটি সংস্থা টি-শার্ট ছাপিয়েছে। এই টি-শার্টগুলো বাজারে আসার পর ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

এই টি-শার্টে ট্রাম্পের ওপর হামলার মুহূর্তের একটি ছবি রয়েছে এবং তাতে লেখা রয়েছে, ‘গুলি আমাকে আরও শক্তিশালী করেছে।’ এই ঘটনায় অনেকেই অবাক হয়েছেন। কারণ, ট্রাম্পের ওপর হামলার ঘটনার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই টি-শার্টগুলো তৈরি করা হয়েছে।

এই বিষয়ে কথা বলেছেন টি-শার্ট প্রস্তুতকারী সংস্থার অন্যতম কর্ণধার লি জিনওয়েই। তিনি জানান, তারা ট্রাম্পের ওপর হামলার ছবি ডাউনলোড করে ডিজিটাল প্রিন্টিং টেকনোলজির মাধ্যমে দ্রুত টি-শার্টে ছাপিয়েছেন। ট্রাম্পের ওপর হামলার পরেই যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের প্রায় ২ হাজার জন এই টি-শার্টের জন্য আবেদন করেন। এগুলো দ্রুত প্রস্তুত করা হয় এবং অনলাইনে বিক্রির জন্য ছাড়ার পর হু হু করে বিক্রি হতে থাকে।

 

শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিটে ট্রাম্প একটি মঞ্চে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি অভিবাসন নীতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সমালোচনা করছিলেন। ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে গুলির আওয়াজ শোনা যায়। গুলি ট্রাম্পের ডান কানের ওপর দিয়ে চলে যায়। সিক্রেট এজেন্টরা দ্রুত মঞ্চে এসে তাকে ঘিরে ফেলেন।

এ সময় ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়,‘আমাকে জুতা নিতে দাও, আমাকে জুতা নিতে দাও।’ তিনি হাত মুষ্ঠিবদ্ধ করে আরও বলেন, ‘অপেক্ষা করো, অপেক্ষা করো, অপেক্ষা করো।’ তার ডান কানের পাশ থেকে রক্ত বের হচ্ছিল এবং মুখেও রক্ত ছিল। তিনি হাত দিয়ে কান চেপে ধরেন। সভায় উপস্থিত সবাই নিচু হয়ে বসে পড়েন এবং ট্রাম্পকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। সভাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, এই হামলার মূল অভিযুক্ত নিহত হয়েছে। সভায় উপস্থিত একজন দর্শকও মারা গেছেন এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন।


ট্রাম্প   চীন   যুক্তরাষ্ট্র   ব্যবসা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

অস্থায়ী মসজিদে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২২

প্রকাশ: ০৪:০৪ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

ফিলিস্তিনের পশ্চিম গাজা নগরীতে এক অস্থায়ী মসজিদে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছে। হামলায় আহতদের চিকিৎসা দিচ্ছেন এমন একজন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর সিএনএনের।  

আল-আহলি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের প্রধান আমজাদ আল-আহলি সিএনএনকে বলেন, আল শাতি ক্যাম্পের অস্থায়ী মসজিদে হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছে। এরপর রোববার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। 

এই হামলা নিয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কাছে মন্তব্য জানতে চেয়েছিল সিএনএন। তবে এতে কোনো সাড়া দেয়নি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী।

গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল সিএনএনকে বলেছেন, জোহরের নামাজের সময় বোমা হামলা চালানো হয়েছে। তিনি জানান, আহত সবার অবস্থা গুরুতর। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, নামাজের জন্য রাখা 'মাদুরে' লাশ পড়ে আছে। বহু হতাহতদের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়েছে।

মসজিদে হামলা চালানো নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়। গত শনিবার ইউএনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পশ্চিম গাজা নগরীর আল শাতি শরণার্থী ক্যাম্পের ভেতরে অস্থায়ী মসজিদে হামলা চালিয়েছে আইডিএফ।


মসজিদ   ইসরায়েল   হামলা   নিহত   ফিলিস্তিন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

রিপাবলিকান কনভেনশনে আগেই পৌঁছালেন ট্রাম্প

প্রকাশ: ০৩:৪৭ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির ন্যাশনাল কনভেশনে যোগ দিতে উইসকন্সিন অঙ্গরাজ্যে পৌঁছেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একদিন আগেই পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের বাটলারে হামলার শিকার হন ট্রাম্প। তার কানে গুলি লেগেছিল। তবে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী।

এই সম্মেলনের পরিকল্পনা আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। হামলায় আহত হওয়ার পরেও ট্রাম্প এই সম্মেলন পেছাতে চাননি। তাই পূর্বনির্ধারিত সময়েই এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জানান, তিনি এই সম্মেলন দুদিন পিছিয়ে দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি আবার সিদ্ধান্ত নেন যে একজন হামলাকারী বা আততায়ীর জন্য পূর্ব নির্ধারিত পরিকল্পনা তিনি পরিবর্তন করবেন না।

স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়ার বাটলারে এক নির্বাচনী প্রচারণার সময় হামলার শিকার হন ট্রাম্প। তার ওপর ওই হামলার কারণে সোমবার আয়োজিত সম্মেলনের সুরক্ষার বিষয়ে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হচ্ছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পকে গুলি করে হত্যাচেষ্টাকারী থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস রিপাবলিকান পার্টিরই নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন।

ক্রুকসের অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের একটি ভোটসংক্রান্ত নথি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা গেছে, তার জন্ম ২০০৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর। ওই নথি অনুযায়ী, তিনি ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির নিবন্ধিত একজন ভোটার। সেই সঙ্গে ভোটার স্ট্যাটাসের ঘরে ক্রুকসকে ‘সক্রিয়’ উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর তথ্যানুযায়ী, ক্রুকস ২০২২ সালে বেথেল পার্ক হাই স্কুল থেকে স্নাতক পাস করেন। তিনি রিপাবলিকান হিসেবে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত হয়েছিলেন। পেনসিলভানিয়ার ভোটার তালিকার তথ্যে তার যে নাম, বয়স ও বেথেল পার্কের ঠিকানা মিলেছে, তার সঙ্গে পাবলিক রেকর্ডে থাকা ক্রুকসের তথ্যের মিল পাওয়া গেছে।

হামলার ঘটনায় দর্শক সারিতে থাকা একজন নিহত ও দুজন গুরুতর আহত হন। আর সিক্রেট সার্ভিস সদস্যদের গুলিতে নিহত হন হামলাকারী ক্রুকস। হামলাকারী এই যুবক পেনসিলভানিয়ার বেথেল পার্ক এলাকার বাসিন্দা। ঘটনাস্থল বাটলার থেকে এই শহরের দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন