এডিটর’স মাইন্ড


কোটা আন্দোলনে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা নীরব কেন?

কোটা আন্দোলন নিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের এক ধরনের নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই কথা বলেছেন। বিশেষ করে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। প্রতিদিনই তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে যে সমস্ত কথাবার্তা বলছেন তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং দায়িত্বশীল। এবং সরকারের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে। কথা বলেছেন আইনমন্ত্রী। তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে চমৎকার ভাবে সার্বিক বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছেন। জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ও কোটা আন্দোলন নিয়ে কথা বলেছেন। কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। কিন্তু কোটা আন্দোলনের বিষয়টি শুধু সরকারের বিষয় নয়, এটি একটি রাজনৈতিক বিষয়। এতে একটি রাজনীতিকরণ ঘটেছে। এবং এই রাজনীতিকরণের ফলে এর একটি রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে।

আরো পড়ুন...
সরকারের প্রথম ছয় মাসে আলোচিত ৬ মন্ত্রী

টানা চতুর্থবারের মতো আওয়ামী লীগ সরকার তার ৬ মাস পূর্ণ করেছে আজ। এই ৬ মাসে সরকারকে নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করতে হয়েছে অনেকগুলো সাফল্য অর্জন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১১ জানুয়ারী নতুন মন্ত্রীসভা গঠন করেন। পরবর্তীতে তিনি আরও ৭ জন প্রতিমন্ত্রিকে নিয়ে মন্ত্রীসভা সম্প্রসারণ করেন। কিন্তু এই ৬ মাসে সব মন্ত্রী একই সুরে এগোতে পারেননি। সব মন্ত্রীর সাফল্য ইতিবাচক নয়। যদিও ৬ মাস সময় একজন মন্ত্রী বা সরকারকে মূল্যায়নের জন্য যথেষ্ট নয়। কিন্তু সকালের সূর্য সারা দিনের আভাস দেয়। সেই বিবেচনায় ৬ মাসে যে সমস্ত মন্ত্রীরা স্ব-প্রতিভ, আলোচিত এবং উজ্জ্বল ছিলেন তাদেরকে নিয়েই এই প্রতিবেদন।

আরো পড়ুন...
কর্তারা করেন দুর্নীতি, দোষ হয় রাজনীতির

দুর্নীতি নিয়ে দেশে এখন তোলপাড় চলছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছি। সে যে-ই হোক, দুর্নীতি করলে কারও রক্ষা নেই। যারাই দুর্নীতি করবে, তাদেরই আমরা ধরব।’ প্রধানমন্ত্রীর এই অনুশাসনের পর একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে, দুর্নীতির ক্ষেত্রে অতীতের সংস্কৃতি থেকে আওয়ামী লীগ সরকার বেরিয়ে আসতে চাইছে। অতীতেও আমরা লক্ষ করেছি, বড় দুর্নীতি হয়েছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়। সরকারের মদদে। সব সরকারের আমলেই সরকারের ছত্রছায়ায় কিছু ব্যক্তি ভয়াবহ দুর্নীতিবাজ হয়ে উঠেছিলেন। রাষ্ট্র তাদের সহযোগিতা করেছে। কাউকে আইনের আওতায় আনা হয়নি কিংবা বিচারও হয়নি। একটি অস্বীকার করার সংস্কৃতিকে লালন করা হয়েছে। কিন্তু এবার সরকারের ভেতর যারা প্রভাবশালী, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত, সরকারের সঙ্গে যাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা সবাই জানত। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সরকার বিষয়টি অস্বীকার করেনি। ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেনি। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

আরো পড়ুন...
কার ‘পুতুল’ বেগম জিয়া

বেগম জিয়ার ডাক নাম ‘পুতুল’। একসময় আপোষহীন নেত্রীর খেতাব পাওয়া এই রাজনীতিবিদ এখন নিজেই যেন ‘পুতুল’ হয়ে গেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নতুন করে আন্দোলন শুরু করেছে বিএনপি। সপ্তাহ জুড়ে বিএনপির বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী ছিলো। শনিবার ঢাকায় সমাবেশ করেছে দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটি। পহেলা জুলাই মহানগরগুলোতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। আর ৩ জুলাই জেলায় জেলায় বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এসমস্ত সমাবেশ কতটা আন্তরিক বা কতটা আত্মরক্ষার কৌশল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। বেগম জিয়া কি বিএনপির আন্দোলনের একমাত্র অস্ত্র? এই আন্দোলন করে কি বেগম জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব?

আরো পড়ুন...
কঠিন হয়ে গেল তারেকের যুক্তরাজ্যে থাকা

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় হয়েছে লেবার পার্টির। দীর্ঘ ১০ বছর পর লেবার পার্টি সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। লেবার পার্টির এই সরকার গঠনের ফলে লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার যুক্তরাজ্যে থাকা কঠিন হয়ে পড়লো। লেবার পার্টি দীর্ঘদিন ধরেই তারেক জিয়ার যুক্তরাজ্যে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসছিল। রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা কোন ব্যক্তি যুক্তরাজ্যে বসে রাজনীতি করতে পারে কিনা এই প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে লেবার পার্টির একাধিক পার্লামেন্টইন এর পক্ষ থেকে।

আরো পড়ুন...

উপসর্গ পুরোনো, লক্ষণ ভালো নয়

বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের আগে দুর্নীতি নিয়ে হৈচৈ একটি প্রচলিত পদ্ধতি। ক্ষমতার পালাবদলের আগে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে হাহাকার হয়। জনগণের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে একটি অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়। সরকারকে জনবিচ্ছিন্ন করার একটা চেষ্টা চলে। আন্দোলন বা ষড়যন্ত্র যেভাবেই সরকার বদল হোক, তার আগে দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্য সন্ত্রাস ইত্যাদি ইস্যু বড় হয়ে সামনে আসে।

আরো পড়ুন...
ধৈর্যের পরীক্ষায় শামীম

এনামুল হক শামীম কঠিন সময়ে প্রতিকূল রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত ভিপি হয়েছিলেন। এর মাধ্যমে ছাত্রলীগকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন এই তরুণ ছাত্রনেতা। তিনি ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছিলেন। ঐতিহাসিকভাবে মনে করা হয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব বিকাশের সূতিকাগার হলো ছাত্রলীগ। আজ যারা ছাত্রলীগের নেতা আগামী দিনেই তারাই আওয়ামী লীগে নেতৃত্ব দিবেন। এটিই বাস্তবতা। সেই ধারায় মোটামুটি আছে।

আরো পড়ুন...
অভিযান শুরু হলেই, দুর্নীতিবাজরা ‘নিখোঁজ’ হয়

ছোট বেলায় অনেকগুলো প্রবাদের সাথে আমরা পরিচিত ছিলাম। ইংরেজি অনুবাদ করার জন্য কিছু পরিচিত বাক্য দেয়া হতো। সে বাক্যগুলো ছিলো বেশ মজার। ছোট বেলার দুষ্টুমি ভরা অবসরে সে বাক্যগুলো নিয়ে নানারকম চর্চা হতো। ‘ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল’ এমন বাংলার ইংরেজি কি হবে তা নিয়ে শিক্ষকের কানমলা খায়নি এমন বালক খুবই কমই ছিলো আমাদের সময়। সেসময় বিভিন্ন প্রবাদের সঙ্গেও আমাদের পরিচিত ঘটেছিল। প্রবাদগুলোর মধ্যে আজ একটি বেশ মনে পড়ছে। প্রবাদটি হলো ‘চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে’। তবে, এখন যদি কেউ প্রবাদ-প্রবচন লেখেন তাহলে লিখতে পারেন ‘অভিযান শুরু হলেই দুর্নীতিবাজরা নিখোঁজ হয়।’

আরো পড়ুন...
লিটন কেন বিতর্কে?

খায়রুজ্জামান লিটন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র‌। তার চেয়েও বড় পরিচয় হলো তিনি জাতীয় ৪ নেতার অন্যতম এ এইচ এম কামরুজ্জামানের সন্তান।

আরো পড়ুন...
চীন কি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও জড়াচ্ছে?

আগামী ৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফরে যাচ্ছেন। নানা কারণে এই চীন সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যতিক্রমী একটি রাষ্ট্র, যারা চীন এবং ভারতের সঙ্গে সমান্তরালভাবে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। গত এক যুগে দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্কের পরিধি উত্তরোত্তর বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বলেছেন যে, সকলের সাথে বন্ধুত্ব এবং কারও সাথে বৈরিতা নয়, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির এই মৌলিক বৈশিষ্ট্যের কারণেই বাংলাদেশ সকল দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রক্ষা করার নীতিতে অটল রয়েছে।

আরো পড়ুন...
আমলাদের দুর্নীতি কেন হিসেবের বাইরে?

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতির ফিরিস্তি প্রকাশিত হচ্ছে, তাদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের বিবরণ দেখিয়ে জনগণ শীর্ষে উঠছে। সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদ, এনবিআরের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের দুর্নীতির বিবরণে মানুষ হতবাক। তাদের যে অঢেল সম্পদ রয়েছে সেই সম্পদের হিসেব কষতে কষতে মানুষ যেন অঙ্কই ভুলে গেছে। এরকম বাস্তবতায় প্রশ্ন উঠেছে যে, সরকারি কর্মচারী বা সরকারি চাকরি কি তাহলে সোনার হরিণ? সরকারি চাকরি পেলেই কি তাহলে আলাদিনের চেরাগ পাওয়া যায়?

আরো পড়ুন...
আবার চুক্তির হিড়িক: প্রশাসনে অস্বস্তি

টানা চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সংস্কৃতি থেকে সরে এসেছিল। বেশ কয়েক জনকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। অবসরের পর তাদের স্থলে নতুন সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকার আবার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সংস্কৃতিতে ফিরে গেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। চলতি মাসে অন্তত দুটি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। আরেকটি প্রজ্ঞাপন খুব শিগগিরই জারি হবে বলে জানা গেছে।

আরো পড়ুন...
মতির রত্নভান্ডারে ছাগলের অনুপ্রবেশ

দরিদ্র বাবা অর্থাভাবে সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছেন, অভাবের তাড়নায় সন্তানকে হাসপাতালে রেখে পালিয়েছেন মা—এমন খবর মাঝেমধ্যে আমরা গণমাধ্যমে পাই। এসব খবরে আমরা উদ্বিগ্ন হই, আতঙ্কিত হই। অনেকেই নানা টানাপোড়েনের কারণে সন্তানকে ফেলে দেন ডাস্টবিনে অথবা রেলস্টেশনে। অজ্ঞাতপরিচয় শিশুকে কুড়িয়ে পাওয়ার খবর আমাদের ব্যথিত করে। দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজিতরা তাদের প্রাণের ধন বিক্রি করে দেন বা অস্বীকার করেন। এটি একটি নির্মম বাস্তবতা। এটি হওয়া উচিত নয়। এ ধরনের দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি কাম্য নয়। কিন্তু অবৈধভাবে ফুলেফেঁপে ওঠা ধনাঢ্য ব্যক্তিরাও যে তাদের অবৈধ সম্পদ রক্ষা করার জন্য সন্তানকে অস্বীকার করেন—এ গল্প আমাদের অনেকেরই অজানা ছিল। মানুষ মাঝেমধ্যে অর্থলোভে পৈশাচিক, বীভৎস হয়ে যায়। তারা এত মানবিক বোধশূন্যহীন হয় যে, নিজের সন্তানকেই অস্বীকার করে। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা এ রকম একটি ঘটনা প্রত্যক্ষ করলাম।

আরো পড়ুন...
আওয়ামী লীগের ইতিহাসই বাংলাদেশের ইতিহাস

২৩ জুন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অনন্য, অসাধারণ দিন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আওয়ামী লীগ তার অভিযাত্রার ৭৫ বছর পূর্ণ করল। শুধু বাংলাদেশে নয়, এই উপমহাদেশে অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। এই ৭৫ বছর আওয়ামী লীগ যেমন সুসময় পার করেছে, তেমনি পাড়ি দিয়েছে প্রতিকূলতার ঝঞ্ঝা। সবকিছু সামাল দিয়ে আওয়ামী লীগ স্বমহিমায় উদ্ভাসিত। একটি শক্তিশালী, বর্ণাঢ্য এবং চিরসবুজ রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে নিজেকে।

আরো পড়ুন...
শেখ হসিনার পর আওয়ামী লীগের হাল ধরবে কে?

আওয়ামী লীগ তার গৌরবের ৭৫ বছর পার করছে। এক ঝঞ্ঝা, বিক্ষুব্ধ, প্রতিকূল অবস্থাকে জয় করে আওয়ামী লীগ তার ৭৫ বছর সময় কাটিয়েছে। যেকোনো রাজনৈতিক দলের জন্য ৭৫ বছর টিকে থাকা গৌরবের এবং অবিস্মরণীয় সাফল্যের অধ্যায়। ৭৫ বছরে আওয়ামী লীগ ক্ষয়িষ্ণু হয়নি, আওয়ামী লীগ ম্রিয়মান হয়নি। আওয়ামী লীগ পথ হারায়নি। বরং এখনো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে উর্ধ্বে তুলে রেখে দলটি এগোচ্ছে। এখনো প্রান্তিক, দরিদ্র মানুষের আশার ঠিকানা হলো আওয়ামী লীগ। এখনো জনগণের আশা-ভরসার কেন্দ্রস্থল আওয়ামী লীগ।

আরো পড়ুন...
দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসগুলোতে যাবে দুদক?

সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে দুর্নীতি নিয়ে। বিভিন্ন সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার দুর্নীতির বিভিন্ন কেচ্ছা মানুষকে শিহরিত করেছে। এই সমস্ত দুর্নীতির গল্প সরকারকে অস্বস্তি এবং বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছে। কোনো কোনো কর্মকর্তার দুর্নীতি এতই বেপরোয়া যে, তা সীমাহীন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে।

আরো পড়ুন...
একালের হীরক রাজা

কিংবদন্তী চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের অমর সৃষ্টি ‘হীরক রাজার দেশে’। ১৯৮০ সালে মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্রটি একটি কালজয়ী সৃষ্টি। রূপকের মাধ্যমে, প্রতীকী চরিত্রে সত্যজিৎ রায় উদ্ভট শাসনের স্বরূপ উন্মোচন করেছেন। ‘হীরক রাজা’ স্বৈরশাসন, অপশাসনের প্রতীক। এই রাজার স্বেচ্ছাচারিতায় বিপর্যস্ত হয়েছিল একটি দেশ। ‘হীরক রাজার দেশে’ চলচ্চিত্রটি যুগে যুগে সব অযোগ্য, স্বৈরাচারী, লোভী শাসকদের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ। হাস্যরসের মাধ্যমে অপশাসনের স্বরূপ উন্মোচন করেছিলেন সত্যজিৎ রায়। তবে, উদ্ভট এবং অপরিণামদর্শী নেতৃত্ব শুধু একটি দেশ বা রাষ্ট্রের জন্যই ক্ষতিকর নয়। স্বেচ্ছাচারী, একনায়ক একটি দল এবং একটি পরিবারের জন্যও বিপদজ্জনক। ‘হীরক রাজা’ কেবল দেশের জন্য প্রযোজ্য নয়, পরিবার এবং দলের জন্যও প্রযোজ্য। একজন অযোগ্য নেতা তার ‘তুঘলকী নেতৃত্বে’ তার নিজের দলেরই বারোটা বাজিয়ে দিতে পারেন। সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপিতে যা ঘটছে তাতে হীরক রাজার কথা নতুন করে মনে পড়লো।

আরো পড়ুন...