এডিটর’স মাইন্ড


নির্বাচন কমিশনে নতুন হুদা-আজিজ যেন না আসে

ঘটনাটি লিখেছেন ড. আকবর আলি খান। তাঁর ‘অবাক বাংলাদেশ, বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি’ শিরোনামে গ্রন্থের একটি প্রবন্ধের শিরোনাম ‘নির্বাচন পরিচালনা : আমার ভোট আমি দেব’। এ প্রবন্ধে আকবর আলি খান লিখেছেন, ‘উনিশ শ ষাটের দশকে তদানীন্তন মুসলিম লীগ নেতা ফজলুল কাদের চৌধুরী সম্পর্কে একটি গল্প প্রচলিত ছিল। তার নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেক ব্যক্তি বাস করতেন। তাদের কাছে ফজলুল কাদের চৌধুরীর সাম্প্রদায়িক রাজনীতি গ্রহণযোগ্য ছিল না। তাই তারা কোনোমতেই...

আরো পড়ুন...
বাংলা ইনসাইডার প্রেডিকশন: অনেক ব্যবধানে জিতবেন আইভী

আগামীকাল মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা। নির্বাচনের জমজমাট প্রচারণায় এখন পর্যন্ত সহ-অবস্থান এবং শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রয়েছে। তৈমুর আলম খন্দকার এখন পর্যন্ত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াননি।

আরো পড়ুন...
শামীম ওসমান কি পারবেন আইভীকে হারাতে?

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন আসলে কার বিরুদ্ধে কার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে? রাজনৈতিক অঙ্গনে এই প্রশ্ন ক্রমশ বড় হয়ে উঠেছে। এটি কি সেলিনা হায়াৎ আইভীর সাথে তৈমুর আলম খন্দকারের প্রতিদ্বন্দ্বীতা নাকি সেলিনা হায়াৎ আইভীর সাথে শামীম ওসমানের লড়াই? এই প্রশ্নটি এখন নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।

আরো পড়ুন...
শেখ হাসিনা এবং সৈয়দ আশরাফের একটি গল্প

গল্পটা বলেছিলেন আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। মন্ত্রিপাড়ায় এক বিকালে আমরা কজন দেখা করতে গেলাম আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদকের বাসায়। প্রধানমন্ত্রীর তৎকালীন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, হুইপ মির্জা আজম, যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী এবং আমি। একটা বিষয়ে তাঁর মতামত জানার জন্যই ওই বৈঠকের আয়োজনটা করেছিলেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। সৈয়দ আশরাফকে সে সময় পাওয়া আর আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া একই...

আরো পড়ুন...
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন: শেষ মুহূর্তে সরে যাবেন তৈমুর?

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন জমে উঠেছে। একাধিক প্রার্থী থাকার পরও এই নির্বাচনের মূল আকর্ষণ এখন বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী এবং বিএনপির হেভিওয়েট নেতা তৈমুর আলম খন্দকার। তৈমুর আলম খন্দকারের এবারের নির্বাচনে দাঁড়ানোটা ছিল নাটকীয়, চাঞ্চল্যকর। বিএনপি ঘোষণা করেছিল যে তারা বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচনেই যাবে না। সেই প্রেক্ষিতে এই নির্বাচনে তাদের না যাওয়ার ঘোষণা ছিল।

আরো পড়ুন...

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন: এক্স-ফ্যাক্টর জামায়াত-হেফাজত

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে এক্স-ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে হেফাজত এবং জামায়াত। হেফাজতের একটি শক্ত ঘাঁটি রয়েছে নারায়ণগঞ্জে। পাঠকদের নিশ্চয়ই মনে আছে যে, হেফাজতের নেতা মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জে গিয়েছিলেন রমনীবিলাসে। সেখানে তিনি তার বান্ধবী অথবা দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে আমোদ-ফুর্তি করার জন্য একটি রিসোর্টে সময় কাটিয়েছিলেন।

আরো পড়ুন...
কিভাবে সেদিন ভেস্তে গিয়েছিল ষড়যন্ত্র

৫ জানুয়ারি ২০১৪, বাংলাদেশের গণতন্ত্র এবং সংবিধানের এক অগ্নি পরীক্ষার দিন। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয়ী হয় এবং তিন চতুর্থাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে। দ্বিতীয়বারের মত প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেই শুরু হয় নানামুখী ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্ত। ষড়যন্ত্রের শুরু হয় পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে। পরিকল্পনা ছিল ...

আরো পড়ুন...
কারা টাকা দিয়ে মন্ত্রী-এমপি হলো

স্বাগত ২০২২। একটা নতুন বছর মানেই কিছু স্বপ্নের ডানা মেলা। কিছু সম্ভাবনার উঁকিঝুঁকি। আবার নতুন বছর মানে কিছু শঙ্কা, উৎকণ্ঠা, উদ্বেগ। স্বপ্ন এবং শঙ্কার দোলাচলই হলো জীবন। বাংলাদেশে ২০২১ সালে স্বপ্ন এবং হতাশা সমান্তরালভাবে এগিয়েছে। নতুন স্বপ্নের মধ্যেই শঙ্কার কালো মেঘের আনাগোনা দেখেছি। একদিকে দৃশ্যমান পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল। অন্যদিকে সড়কে মৃত্যুর মিছিল, লঞ্চে আগুনে পোড়া লাশের স্তূপ, কক্সবাজারে ধর্ষিতা বোনের আর্তনাদ। অপার সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করে দেশ যেমন এগিয়েছে, তেমনি মানবিকতা কমেছে জ্যামিতিক হারে। বৈষম্য বেড়েছে। কমেছে সম্প্রীতি, ভালোবাসা। এর মাঝেই আমরা বরণ করছি ২০২২। কেমন যাবে ২০২২? ২০২১ সাল তার একটা পূর্বাভাস দিয়েই বিদায় নিয়েছে। বিদায়ী বছরের শেষ সপ্তাহে আওয়ামী লীগের এক নেতার অডিও টেপ ফাঁস হলো। অডিও টেপ ফাঁস হওয়াটা...

আরো পড়ুন...
শেখ হাসিনা কি পারবেন

আজ বড়দিন। খ্রিস্ট-ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব। শুধু খ্রিস্টধর্মাবলম্বী নয়, পশ্চিমা বিশ্বজুড়ে বড়দিন আর ইংরেজি নতুন বছর ঘিরে একটা ছুটি এবং উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। দুই বছর ধরেই বিশ্বব্যাপী এ উৎসবে ভাটা চলছে। করোনার তাণ্ডব সবকিছু ল-ভ- করে দিয়েছে। গত বছর ক্রিসমাসের ছুটির সময় লন্ডনজুড়ে ছিল লকডাউন। টি আর ফোরের আওতায় কেবল জরুরি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকান খোলা ছিল। খাবারের দোকানগুলোয় শুধু টেক এওয়ে পদ্ধতি চালু রাখা হয়েছিল। জন লুইসের মতো বড় দোকানগুলো ‘ক্লিক অ্যান্ড কালেক্ট’ নামে অনলাইন কেনাকাটা কোনোমতে চালু রেখেছিল। গত বছর ডিসেম্বরজুড়ে যুক্তরাজ্যে ৫০ হাজারের আশপাশে প্রতিদিন আক্রান্ত হয়েছে। এরপর টিকা বিশ্বকে কিছু স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু এবার করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন নতুন করে বিশ্বকে চোখ রাঙাচ্ছে....

আরো পড়ুন...
কেন কঠোর অবস্থানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

স্বাধীন-সার্বভৌম জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নির্লিপ্ত! জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক। শুরুতেই তিনি মানবাধিকার কমিশনকে একটি তৎপর স্বাধীন সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। বিভিন্ন মানবাধিকার ইস্যুতে তিনি সরব ছিলেন। ক্রসফায়ার, বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ মানবাধিকারের প্রতিটি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তিনি কথা বলেন। অনেক সময় মনে হয়েছিল তিনি বোধহয় সরকারের প্রতিপক্ষ। কিন্তু ড. মিজান দেখিয়ে দিয়েছিলেন একটি স্বতন্ত্র এবং স্বাধীন...

আরো পড়ুন...
আওয়ামী লীগ বললে অপরাধ, বিএনপি বললে প্রতিবাদ

ডা. মুরাদ হাসানের কদর্য, অরুচিকর কথাবার্তা নিয়ে এখন দেশ সরগরম। একজন প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং চিকিৎসক কীভাবে এত নোংরা ভাষায় কথা বলতে পারেন তা নিয়ে নানা জনের নানা মত। ডা. মুরাদের এসব অশ্লীল কথাবার্তা প্রকাশের পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন। মন্ত্রিসভা থেকে তাকে কার্যত বরখাস্ত করেছেন। এর মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা প্রমাণ করলেন রাজনীতিতে তিনি আবর্জনা লালন করেন না। প্রধানমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্ত সব মহলে প্রশংসিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। শেখ হাসিনা অত্যন্ত সাহসী রাজনীতিবিদ তা আমরা সবাই জানি। কিন্তু নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কঠিনতম সিদ্ধান্ত নিতে তিনি যে এতটুকু বিচলিত নন তা দুটি ঘটনায় আবার প্রমাণ করলেন। জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুরের নির্বাচিত মেয়র। এলাকায় তার জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। কিন্তু দলের আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করতে এতটুকু দ্বিধা করেননি শেখ হাসিনা...

আরো পড়ুন...
ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী, জয়তু শেখ হাসিনা

ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা জয়তু শেখ হাসিনা। আপনি আবারো প্রমাণ করলেন আপনি ন্যায়ের পক্ষে, আপনি সত্যের পক্ষে। অন্যায়কারী যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন, যত দম্ভই দেখাক না কেন তিনি যে পদে যে জায়গায় থাকুক না কেন তাকে আপনি ক্ষমা করেন না। আপনি প্রমাণ করলেন আপনি সবসময় জনগণের পক্ষে। আপনি প্রমাণ করলেন যে আপনি অন্যায়কে প্রশ্রয় দেন না কোন কিছুর বিনিময়...

আরো পড়ুন...
সুসময়ের চাটুকাররা দুঃসময়ে থাকে না

৪ ডিসেম্বর ১৯৯০। সন্ধ্যা থেকেই টেলিভিশনে ঘোষণা করা হচ্ছিল রাতে উপরাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার প্রচারিত হবে। দেশজুড়ে তীব্র উত্তেজনা। উত্তাল জনতা। এরশাদ সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই কিছুই। দিনভর মিছিল, স্লোগানে প্রকম্পিত রাজপথ। এর মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে এরশাদের মন্ত্রী-এমপিদের গণপ্রতিরোধ। দেশে এক আন্দোলন উৎসবের আমেজ। এরশাদ কীভাবে পদত্যাগ করবেন, কীভাবে নির্দলীয় ব্যক্তি তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হবেন এ নিয়ে নানা আলোচনায় ভরপুর দেশ। তখন দেশে একটাই টেলিভিশন- বিটিভি। একটাই বেতার- রেডিও বাংলাদেশ। বিবিসি শুনি, গোল হয়ে অনেকজন একসঙ্গে। এর মধ্যে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ কী বলবেন তা শোনার জন্য আমরা সবাই উদ্গ্রীব। এরশাদ সাক্ষাৎকার দিলেন কেতাদুরস্ত ভঙ্গিতে...

আরো পড়ুন...
ইঞ্জিন আছে, বগি কোথায়?

বাংলাদেশে এখন মিডিয়ার অনেক বিস্তৃতি হয়েছে। যদিও সম্প্রতিকালে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনলাইন পত্র-পত্রিকা দিন দিন মোটামুটিভাবে একটি গতি পেয়েছে। যার ফলে প্রিন্টিং মিডিয়ার চেয়ে অনলাইন মিডিয়া গুলো বেশি জনপ্রিয়। তার কারণ হচ্ছে তারা যে কোন ঘটনা ঘটলে সাথে সাথে সেটিকে পাঠকের কাছে হাজির করতে পারে। এসবের একটি নেগেটিভ সাইডও আছে। সেটি হলো মিডিয়ার এত বেশি হওয়ার ফলে মিডিয়া অনেক সময় সংবাদ খুঁজে পায় না। হয়তো একই সংবাদ বিভিন্ন মিডিয়াতে অনেক সময় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লিখতে বাধ্য হয়। তবে মিডিয়াকে সংবাদের খোরাক যোগাতে সাহায্য করছে নতুন নতুন সৃষ্ট রাজনৈতিক দল। তারা প্রথমে একটি প্রেস কনফারেন্স করে। এরপর স্বাভাবিক নিয়মে একটি কমিটি করে। হয়তো সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, এই এক-দুইজনকে লোকে চিনে।তবে আর কাউকে...

আরো পড়ুন...
অর্থনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রাধান্য পাবে মানুষ

করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে আসায় মহামারি-উত্তর বাস্তবতা চোখের সামনে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। এর মধ্যে সমঝোতা ও ব্যবস্থাপনার একটি ক্রমঅগ্রসরমান রূপ ফুটে উঠেছে, যা কি না বিকাশমান বিশ্ব ব্যবস্থার ভিত্তি। অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, মন্দার পর আসে চাঙ্গাভাব। ভারতের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে, অর্থনৈতিক উৎপাদন ও কার্যক্রম চাঙ্গা হচ্ছে ক্রমশ। নজিরবিহীন মাত্রা ও জটিলতার এক টিকাদান কর্মসূচি স্বাস্থ্য নিরাপত্তার উন্নয়ন ঘটিয়েছে। রেকর্ড কম সময়ে তা বিপন্নতার মাত্রা কমিয়েছে। বলা যায়, স্বাভাবিকতায় ফিরে এসে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মঞ্চটা এখন তৈরি। এ কারণে এটি ভারতের জন্য এক সুযোগের মুহূর্ত। এই ক্রান্তিলগ্নে ভারত যেসব সিদ্ধান্ত নেবে তা থেকেই ইঙ্গিত মিলবে, অধিকতর সুন্দর এক ভবিষ্যৎ কোথায় নিহিত বলে মনে করছে দেশটি....

আরো পড়ুন...
রাজনীতির জোয়ার-ভাটা

আজ ২৭ নভেম্বর। শহীদ ডা. মিলন দিবস। ১৯৯০ সালের এই দিনটিতে হালকা শীত ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বসে অনার্স ফাইনালের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। সবকিছু স্বাভাবিক, শান্ত। আচমকা কয়েকটি গুলির শব্দ। কৌতূহলী হয়ে লাইব্রেরি থেকে বেরোলাম। এরপর আবার কয়েকটি গুলি। হঠাৎ আতঙ্ক। ইতস্তত ছোটাছুটি। মিনিট কয়েক গোলাগুলির পর শুরু হলো মিছিল। কেউ ঠিকঠাক মতো বলতে পারছে না। ঘটনা টিএসসি আর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মাঝামাঝি রাস্তাজুড়ে। খানিক পরই ‘ধর ধর’ চিৎকার। তারপর মিছিল। মুহূর্তেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ল বিক্ষোভ। মিছিল করতে করতেই জানলাম বিএমএর (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন) দুই নেতা ডা. মিলন ও ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন রিকশায় করে যাচ্ছিলেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে নতুন বাংলা ছাত্রসমাজের সশস্ত্র ক্যাডাররা গুলি ছোড়ে...

আরো পড়ুন...
ভাইদের তথাকথিত সমর্থক গোষ্ঠী খুব বিপদে পড়ে গেলেন

গত শুক্রবারে (১৯ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের যে গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং হয়, এ সম্বন্ধে বাংলা ইনসাইডারে এদেশের একজন খুবই বুদ্ধিবৃত্তিক কলামিস্ট সৈয়দ বোরহান কবীর সংক্ষেপে হলেও কিছু তথ্য উল্লেখ করেছেন। আমি আসলে আজকে...

আরো পড়ুন...