ইনসাইড থট


গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ হিসাবে গণমাধ্যম ধারালো হাতিয়ার

গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ ও ধারালো হাতিয়ার যে সংবাদপত্র, সেই সংবাদপত্রও অতীতে রেজিমেন্টড হয়েছে। বাক-স্বাধীনতা চাটুকারিতায় নিয়োজিত হয়েছে। আমাদের দেশের সমস্যার ও জনগণের দুর্দশার অন্ত নেই। কিন্তু বেশীরভাগই কৃত্রিম ও আমাদের নিজ হাতে তৈরী। শাসক-পরিচালকদের ভুল-ভ্রান্তির জন্য এসব ঘটে। আমাদের জাতীয় জীবনের দুটা প্রধান দিক রাজনীতি ও সাংবাদিকতা। আজ দেশে-সমাজে, রাজনীতিতে-অর্থনীতিতে, সাহিত্যে- সাংবাদিকতায়, বিদ্যালয়ে-মন্ত্রণালয়ে যা যা ঘটছে, মনে হয় মানিক মিয়ারা বেঁচে থাকলে এসব ঘটতে পারতো না। এই দুটা দিকেই মানিক মিয়া জীবদ্দশায় ছিলেন অনন্য ও অতুলনীয়। মৃত্যুর পরেও তাঁর স্থলবর্তী জন্মেনি। সাংবাদিকতায় ছিলেন মিশনারি আর রাজনীতিতে স্টেটসম্যান। এটাই ছিল তাঁর প্রভাবের গূঢ়তত্ত্ব।

আরো পড়ুন...
জাসদের কঙ্কালসারশূন্য দেহাবশেষ!

দলটির উদ্ভট ও ভ্রান্ত রাজনীতির কারণে স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নস্যাৎ হয়েছে। ৭ নভেম্বরের তথাকথিত সিপাহি বিপ্লব ছিল জাতির জন্য এক অভিশাপ বার্তা। জাসদের গণবাহিনী ও কর্নেল তাহেরের বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা জেনারেল জিয়াউর রহমানের উত্থান ঘটায়। কিন্তু জিয়াকে দিয়ে ক্ষমতা দখলের অভিসন্ধিও নস্যাৎ হয়ে যায়। জাসদ ক্ষমতা দখলের জন্য জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীরউত্তমসহ তার সঙ্গীদের হত্যা করে। জেনারেল জিয়ার চরম বিশ্বাসঘাতকতায় কর্নেল তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলতে হয়।

আরো পড়ুন...
বিদেশি শত্রু দমনে ১৭৯৮ সালে 'এক্ম-ওয়াই-জেড' ফর্মুলার জন্ম!

'এক্ম', 'ওয়াই', 'জেড'। ইংরেজী বর্ণমালার শেষ তিনটি অক্ষর। কিন্তু এর অত্যধিক ব্যবহার সর্বপরিসরে পৃথিবীব্যাপী। আমরা কতজন জানি শব্দগতভাবে 'ত্রি' বর্ণের প্রয়োগ বৃটিশ-ফ্রান্স যুদ্ধকে কেন্দ্র করে। কুটনৈতিকভাবে এ ফর্মূলা অনেকটা কুটকৌশলগত, যা সর্বব্যাপী ব্যবহারিক একটি কৌশল মাত্র।

আরো পড়ুন...
গবেষণা চুরি, পাঠ্য বইতে চুরি, পাঠদানে চুরি– আমাদের ভবিষ্যৎ কি?

শিক্ষকদের চুরির মাথায় পচনের মতো একটি বিষয়। সেই পচন রোধ না করলে আমরা যতই উন্নয়ন করি না কেন সেটা টেকসই হবে না। সেটি ওই মঞ্চের মতো হুড়মুড় করে ভেঙে পড়বে। নৈতিকতা হলো সমাজের সিমেন্ট - আর শিক্ষা হলো ওই ভবনের রড বা মেরুদন্ড। এই মেরুদন্ড যদি শক্ত না হয় কিংবা সিমেন্ট যদি ভেজালের হয় বা কমতি থাকে তবে জাতি হাজার বছর পিছিয়ে পড়বে। স্মার্ট বাংলাদেশ অধরা থেকে যাবে।

আরো পড়ুন...
একজন শহীদ এম মনসুর আলী

সিরাজগঞ্জের মাটি ও মানুষের সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশ্বস্ত সহচর জাতীয় নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শহীদ এম মনসুর আলীর আজ (১৬ জানুয়ারি) ১০৫তম জন্মদিন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ সহচর ও সহযোদ্ধা এবং বঙ্গবন্ধু সরকারের সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শহীদ এম মনসুর আলী। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরেই যাদের ত্যাগ, অবদান ও জীবনদান উজ্জ্বল এবং ভাস্বর, তাদের মধ্যে শহীদ এম মনসুর আলী অন্যতম।

আরো পড়ুন...

চাটুকারদের বক্তৃতায় থাকে নেতার বন্দনা, ফলে নেতৃত্ব হয় দিকভ্রান্ত

ভীরুরা অধিকতর ক্ষমতালিপ্সু এবং এরা আনুগত্যপ্রবণ হয়। এসব চাটুকারদের বক্তৃতায় থাকে নেতার বন্দনা। ফলে নেতৃত্বই দিকভ্রান্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় দল। এসব চাটুকাররা ছদ্মাবরণে সমমনার মধ্যে ঐক্যবোধ সৃষ্টি করে। প্রকারান্তরে এদের বলয়ে গড়ে ওঠে একটি কাপুরুষের দল। সহানুভূতি অর্জনের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত স্বতঃস্ফূর্ত জনসভায় এদের বক্তৃতা-ভাষণে আন্তরিকতার উল্লাস মিশ্রিত থাকে।

আরো পড়ুন...
নতুন বছরে নতুন পালকে ডানা মেলা

ইংরেজি পুরাতন বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছি আমরা। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রবাস জীবনে একবারই কেবল ঢাকায় কাটিয়েছি ৩১ ডিসেম্বর রাত। তাও প্রায় বছর সাতেক আগে। সেবারই দেখেছি ইংরেজি নববর্ষের ক্ষনে ঢাকাবাসীর আতশ ফানুস উৎসব। তার আগে কখনো এমনটি দেখিনি। এবার দেখলাম আরো বেশি, প্রায় দ্বিগুন, তিনগুন। ক'মাস ধরেই শুনছি দেশের মানুষের খুব অভাব।

আরো পড়ুন...
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কর্মী গড়ার আঁতুড় ঘর ছাত্রলীগের কর্মীদের মূল্যায়ন প্রয়োজন

আজ ১২ জানুয়ারি শওকত, ওয়ালী, মোহসিন তিন ছাত্রলীগ নেতার শাহাদাৎ বার্ষিকী। ১৯৮০ সালের এই দিনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বরে তৎকালীন বিএনপি সরকারের পেটোয়া বাহিনীর সহায়তায় বিএনপির সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে সারাশরীর চুরমার করে নির্মমভাবে এই তিনজন ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যা করেছিল। সেই তিন মুজিব সৈনিকের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে আজকের লেখা শুরু করছি।

আরো পড়ুন...
আমার দেখা এক/এগারো

আজ আবারও সেই এক/এগারো। আমার ধারণা মতে এক/এগারো’র গুরুত্ব এখনও অনেকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারে না। আমি সাধারণত নিজেকে নিয়ে লিখি না। কিন্তু আজকের লেখায় আমি এক/এগারো’র সময় আমার কি ভূমিকা ছিল তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখবো। মনে রাখতে হবে এক/এগারো আসার আগে থেকেই দার্শনিক রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার সাথে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং তিনি আমাকে সবসময় মোদাচ্ছের ভাই বলেই ডাকেন।

আরো পড়ুন...
১০ জানুয়ারি বিজয় পূর্ণতা লাভ করে

৮ জানুয়ারি ব্যর্থ রাষ্ট্র পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হবার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পৃথিবীর মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মাতৃভূমিতে ফিরে এলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।তাঁর ফিরে আসার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ী বাঙালি জাতির বিজয় পূর্ণতা পেলো। বঙ্গবন্ধুকে সাড়ে নয় মাস পাকিস্তানের কারাগারের অন্ধকার ঘরে বন্দি রাখা হয়েছিল। লায়ালপুর (বর্তমানে ফয়সালাবাদ) জেলের অপরিসর একটি কুঠুরি ছিল সেই বন্দির বাসস্থান।

আরো পড়ুন...
মুজিবনগর সরকার যুদ্ধজয়ের পর যেভাবে বরণ করেছিল বঙ্গবন্ধুকে

“রক্ত দিয়েই যদি স্বাধীনতার মূল্য নিরূপণ করা হয় তাহলে, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেছে। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এমন স্বাধীনতা অর্জন পৃথিবীর কয়টা দেশ-জাতি পেরেছে-আমার জানা নেই, যার মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমান।” বৃটেনের বিখ্যাত সংবাদপত্র New Statesmen এর সম্পাদক কিংসলি মার্টিন তাঁর স্বনামে প্রকাশিত এক বিশেষ সম্পাদকীয়তে উপর্যুক্ত মন্তব্যটি করেছিলেন। অথচ, তখনো রমনার রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে পূর্বদিগন্তে বিজয়-নিশান উড়িয়ে "স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" অভ্যুদয় ঘটেনি। ওই রেসকোর্স ময়দান থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তির ও স্বাধীনতা সংগ্রামের আহবান জানিয়ে বলেছিলেন, “আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তোমাদের যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকামিলা কর।”

আরো পড়ুন...
বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরার বিশেষ বিমানে দুই পুরনো বন্ধুর কূটনীতি

বিমানের মধ্যে বঙ্গবন্ধু হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে গেলেন। শশাঙ্ক ব্যানার্জীকেও দাঁড়াতে বললেন। দাঁড়ালেন ভিভিআইপি ফ্লাইট এর অপর তিন যাত্রীও। বঙ্গবন্ধু গাইতে শুরু করলেন, "আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।" প্রথমবার তিনি রিহার্সেলের মত করে গাইলেন। দ্বিতীয়বার তিনি গাইলেন বলিষ্ঠ ও অশ্রুসিক্ত আবেগে। ব্যানার্জীকেও সাথে নিলেন গাইতে। ব্যানার্জীও গাইলেন।

আরো পড়ুন...
স্মার্ট বাংলাদেশ: এক নতুন রূপকথার হাতছানি

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ২০২১ সালের মধ্যেই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গঠনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো, তা এখন দৃশ্যামান। আর এই ডিজিটাল বাংলাদেশই বদলে দিয়েছে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির গতিপথ। ২০৪১ সালকে সামনে রেখে এখন নতুন চ্যাইলেঞ্জ স্মার্ট বাংলাদেশ। এই স্মার্ট বাংলাদেশ সহজ করবে মানুষের জীবন যাত্রা, হাতের মুঠোয় থাকবে সবকিছু। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধুকন্যা। শেখ হাসিনার হাত ধরেই আসবে সেই রূপকথার মতো দেশ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ।’

আরো পড়ুন...
ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের প্রত্যাশা

আজ ৪ঠা জানুয়ারি ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অতীতে দিবসটি উপলক্ষে ছাত্রলীগ নেতাদের বলতে শোনা গিয়েছে, অপরাধীদের জায়গা হবে না ছাত্রলীগে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রত্যাশা করেছেন নতুন বছরে ছাত্র রাজনীতি ইতিবাচক ধারায় ফিরবে। কারণ অপরাধে জড়িত থাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরো পড়ুন...
ছাত্রলীগই স্মার্ট বাংলাদেশের যোগ্য সারথি...

পিতা মুজিবের হাতে গড়া সংগঠন বললেই এককথায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নামটি হৃদয়মণিকোঠায় ভেসে ওঠে। একদিনেই স্বাভাবিকভাবে কিংবা কেক কেটে জন্ম হয় নি বাংলাদেশের সকল সংগ্রাম ও ঐতিহ্যর ধারক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের অ্যাসেম্বলি হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আরো পড়ুন...
ছাত্রলীগ প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারী অধিকাংশই বিপরীত স্রোতে!

বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসকে যেসব অবিস্মরণীয় অবদান সমৃদ্ধ করেছে এবং করেছে গৌরবোজ্জ্বল- সেই মহান স্বাধীনতার পতাকা, স্বাধীনতার ইশতেহার, জাতীয় সঙ্গীত, বঙ্গবন্ধু ও জাতির পিতা উপাধী সবই যে ছাত্রলীগের উপহার। যে সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল, ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফজলুল হক মুসলিম হলের মিলনায়তন কক্ষে। নাজমুল করিমের সভাপতিত্বে। ‘পূর্বপাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ’ নামে জন্ম নেয়ার পরই ঝাঁপিয়ে পড়ে মায়ের ভাষা রক্ষার দাবিতে। এক রক্তাক্ত অনবদ্য ইতিহাস রচনা করে ভাষা সংগ্রাম পরিষদে নেতৃত্ব দিয়ে - নাম লিখিয়ে নেয় বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন আর একুশে ফেব্রুয়ারির অমর কাব্যগাঁথায়।

আরো পড়ুন...
বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মরমী কর্মী ‘মধু ভাই’ নীরবেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে

প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই এই নশ্বর পৃথিবী থেকে সকলকেই চলে যেতে হবে না ফেরার দেশে। আলোচনার জন্য কিন্তু কথা রেখে যায় পৃথিবীর মানুষের কাছে। ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২। বিজয় দিবসের কর্মসূচি পালনে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। হঠাৎ মোবাইল ফোন বেজে উঠলো। এই সাত সকালে কে ফোন করলো? সময়ে-অসময়ে এই ধরণের টেলিফোন কল প্রায়ই আসে। সুসংবাদ-দুঃসংবাদ...

আরো পড়ুন...