ইনসাইড থট


বৈশাখে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে

‘এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ।/তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/ বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক/যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে-যাওয়া গীতি/ অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক/ মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,/ অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’ অর্থাৎ ১৪৩১ বঙ্গাব্দে পুরাতন স্মৃতি মুছে যাক, দূরে চলে যাক ভুলে যাওয়া স্মৃতি, অশ্রুঝরার দিনও সুদূরে মিলাক। আমাদের জীবন থেকে বিগত বছরের ব্যর্থতার গ্লানি ও জরা মুছে যাক, ঘুচে যাক; নববর্ষে পুরাতন বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক। রমজান ও ঈদের পর দেশের মানুষের জীবনে আরো একটি উৎসবের ব্যস্ততা নতুন বছরে মঙ্গল শোভাযাত্রায় উদ্ভাসিত।ফিলিস্তিনবাসীর উপর হামলা আর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে এর মধ্যে মারা গেছেন অসংখ্য মানুষ।তবু মৃত্যুর মিছিলে জীবনের গান ফুল হয়ে ফুটেছে। যুদ্ধের সংকট আমাদের পরাস্ত করতে পারেনি কারণ পৃথিবীর মৃত্যু উপত্যকা পেরিয়ে এদেশে বৈশাখ এসেছে নতুন সাজে।

আরো পড়ুন...
‘সংখ্যায় আধিক্য মানে অবনমন’

সমাজ, রাষ্ট্রে নেতার ছড়াছড়ি। নেতাদের পোস্টার, ফেস্টুনে ভরে গেছে শহর, গ্রাম। তবে এদের বেশিরভাগই সুবিধাভোগী, অর্থলোভী। এদের মধ্যে আদর্শের লেশমাত্র নেই। সততা, দেশপ্রেম এবং জনগণের প্রতি ন্যুনতম দায়বদ্ধতা নেই। এদের কোনো পেশা নেই। রাজনীতি কে এরা অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। নেতা নয়, বরং এদেরকে নির্দ্বিধায় চাঁদাবাজ, দখলদার, মাদক ব্যাবসায়ী বলা যায়। রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে এরা হেন অপকর্ম নেই যা করে না। এদের অনেকে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, অবৈধভাবে দখল এবং মাদক ব্যাবসার মত জঘন্য কাজের সাথে সম্পৃক্ত। এসব আদর্শহীন, অসৎ, সুবিধাভোগী, অর্থলোভী নেতাদের ভীড়ে সৎ, দেশপ্রেমিক, আদর্শিক নেতাদের দেখা পাওয়া দুষ্কর। সমাজ, রাষ্ট্রে এমন নেতাও আছেন যারা দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য তাদের সর্বস্ব উজাড় করে দেন। ষাট, সত্তর, আশি এবং নব্বইয়ের দশকে এমন নেতার সংখ্যা ছিল বেশি। বর্তমানে হাজারো অসৎ নেতার মধ্যে এমন সৎ, আদর্শিক, দেশপ্রেমিক নেতা খুঁজে পেতে মাইক্রোস্কোপের প্রয়োজন হয়। দিন দিন যেভাবে রাজনীতিতে অসৎ নেতাদের দাপট বাড়ছে, আগামিতে প্রকৃত নেতাদের খুঁজতে হয়ত ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ প্রয়োজন হবে।

আরো পড়ুন...
বাংলাদেশের নির্বাচন: ব্যাপক বয়কট নাকি সর্বজন গৃহীত?

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সোনালী যুগ পার করছেন। ইতিমধ্যে টানা চার মেয়াদে তুমুল ম্যান্ডেটের সাথে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর, তিনি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী মহিলা সরকার প্রধানের লরেল ধরে রেখেছেন। জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি পঞ্চম্বারের মত ক্ষমতা নিশ্চিত করে এই অঞ্চলের প্রায় সব মহল থেকে প্রশংসার কুড়িয়েছেন। বিশ্বে এমন ঘটনা বিরল যেখানে কারও নেতৃত্বে থাকার ব্যাপারে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীন এবং ভারত উভয়ই একমত। শেখ হাসিনা সেই বিরল একটি দৃষ্টান্ত। মত কিংবা রাজনৈতিক আদর্শ, নির্বিশেষে সকল আঞ্চলিক শক্তিগুলো তার আসন্ন প্রশাসনকে অভিনন্দন জানায়। তবে জানুয়ারির নির্বাচনের পরে বেশিরভাগেরই দৃষ্টি যুক্তরাষ্ট্রের দিকে স্থির ছিল। কারণ বাংলাদেশের গনতন্ত্র নিয়ে নির্বাচনের আগে থেকেই বেশ সরব ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট বাংলাদেশের নির্বাচন অবাধ এবং সুষ্ঠু হয়নি বললেও মার্কিন কর্মকর্তারা নতুন সরকারকে স্বীকৃতি দেয় এবং একসঙ্গে কাজ করারও আশাবাদ ব্যক্ত করে। নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের উপর যে মার্কিন চাপ দৃশ্যমান ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের এমন বক্তব্যে শেখ হাসিনা সরকারের উপর সেই মার্কিন চাপ অনেকটাই কমছে এবং তার আগামী পথচলাকে অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে।

আরো পড়ুন...
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের অবিনাশী বাক্যাবলি

১০ই এপ্রিল ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ (প্রোক্লেমেশন অব ইন্ডিপেন্ডেন্স) -এর ৫৩ বছর পূর্তি।আজ থেকে পাঁচ দশক আগে এই দিন ঢাকা শহর থেকে দূরে নিভৃত এক গ্রামের আম্রকাননে উদ্ভাসিত হয়েছিল এর অবিনাশী বাক্যগুলো। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ গভীর রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নৃশংস পৈশাচিকতায় বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

আরো পড়ুন...
ঈদের আনন্দ ও খাওয়া-দাওয়া

এক মাস রমজানের সিয়াম সাধনার পর আসছে ঈদ, যা বয়ে আনবে সবার জন্য অনাবিল আনন্দ। ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ, খাওয়া-দাওয়া, নতুন জামা-কাপড় আর ঘোরাঘুরি। ছোট বাচ্চা থেকে বয়স্করা সবাই ঈদের আনন্দকে বরণ করে নেওয়ার জন্য উদগ্রীব। রোজার এক মাসে মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে যে পরিবর্তন আসে, সেটাতেই অনেকে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। মাসখানেক সিয়াম সাধনার পর ঈদের দিন সকালেই শুরু হয় ইচ্ছেমতো খাওয়া-দাওয়া। আর ঈদের দিনে আনন্দের অন্যতম আয়োজনটাই হলো নানা রকমের খাবার-দাবার। সকালবেলা উৎসবের শুরুটাই হয় মিষ্টি, সেমাই, পোলাও, কোর্মাসহ আরও কত রকমের খাবার দিয়ে।

আরো পড়ুন...

‘স্বাস্থ্য অধিকার’ নিশ্চিতে এসডিজি অর্জনের ২০৩০ সাল খুব বেশি দূরে নয়

২০১৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বাস্থ্য, উন্নয়ন এবং মানবিক কাজে নিয়োজিত ১৩টি বহুপাক্ষিক সংস্থাকে একত্রিত করে বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি বাস্তবায়নে গ্লোবাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে যা ‘এসডিজি-৩ গ্লোবাল অ্যাকশন প্ল্যান’ নামে পরিচিত। এর লক্ষ্য হল দেশগুলিকে স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করা। যাতে সবাই মিলে সুসমন্বিত পদক্ষেপ নেয়া যায় ও দেশে দেশে নেয়া জাতীয় পরিকল্পনাগুলিতে আরও সমন্বিত ও সারিবদ্ধ সমর্থন প্রদানের জন্য সংস্থাগুলির মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত থাকে।

আরো পড়ুন...
বদলি নয়, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পড়তে বাধ্য করুন

আওয়ামী লীগ টানা দেড় দশক ক্ষমতায়। তাই দেশ জুড়ে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করা মানুষগুলো 'আওয়ামী লীগ' হয়ে গেছে। কথায় কথায় আওয়ামী লীগ বলতে বলতে মুখে ফেনা তোলে। বঙ্গবন্ধুর নাম বলতে বলতে তসবি টেপে। কিন্তু মনে প্রাণে আওয়ামী লীগের আদর্শ মানে না। বঙ্গবন্ধুকে বুকে ধারণ করে না।

আরো পড়ুন...
রাজনীতি নয় বুয়েট হোক অপরাজনীতি মুক্ত

পিতা রাতে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখলেন তার আদরের একমাত্র শিশু পুত্রকে বেদম প্রহার করে আহত করেছেন। ঘুম ভাঙার পর বিষণ্ণ পিতা শিশু পুত্রকে জড়িয়ে ধরে আদর করলেন। দু'একদিন পরপর এমন স্বপ্ন দেখতে দেখতে পিতা মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেন। কিংকর্তব্যবিমূঢ় পিতা কোনো দিশা না পেয়ে রাতে ঘুমানোই বন্ধ করে দিলেন। মানসিক দুশ্চিন্তা এবং ঘুমের ঘাটতিতে তার মেজাজ খিটখিটে হয়ে গেল। তখন আদরের শিশু পুত্র একটু এদিক-ওদিক করলেই পিতা তাকে উত্তম মধ্যম দেওয়া শুরু করলেন। আগে স্বপ্নে মারতেন আর এখন চুন থেকে পান খসলেই সত্যি সত্যি মারা শুরু করলেন! বুয়েটের বর্তমান পরিস্থিতি ঐ পিতার মত।

আরো পড়ুন...
মোবাইল কোর্ট যেন হয়ে উঠেছে ক্ষমতা প্রয়োগের বিষয়বস্তু

অনেকেরই ধারণা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা বুঝি একই। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বিষয়টি একেবারেই একই নয়। চিকিৎসা ব্যবস্থা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি অংশ মাত্র। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বলতে সামগ্রিক ধারণাকে বুঝায়। সেখানে প্রতিরোধ, প্রতিহত, পরিবেশ সহ সব কিছুই এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে আবার কিছু জিনিস আছে সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে আবার কিছু বিষয় ফায়ার সার্ভিস থেকে ছাড়পত্র নিতে হবে। তবে এসব কিছুই স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মধ্যে পড়বে।

আরো পড়ুন...
চরমপন্থীদের রূখতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ঐক্য দরকার

বর্তমানে জামায়াত-বিএনপি এবং চরমপন্থী ডান এবং বাম এরা সবাই এক হয়ে গেছে। তারা প্রকাশ্যে এক হয়েছে কি হয়নি এটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে তাদের কাজকর্ম দেখে বুঝা যাচ্ছে যে, তারা এক হয়েছে এবং তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ওপর চরম আঘাত আনার চেষ্টা করবে। এজন্য তাদের দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারী পাকিস্তানি আইএসআই থেকে শুরু করে সব রকম সাহায্য সহযোগিতা সবই তারা পাবে। বিদেশি অনেক প্রবাসী বাংলাদেশিও তাদের টাকা পয়সা দেবে। দেশেরও বেশ কিছু ব্যবসায়ী তাদের দুকূল রক্ষার জন্য রাখার জন্য টাকা পয়সা দেবে। সুতরাং কোন দিক থেকে তাদের কোন অভাব হবে না। তারা এবার আগের চেয়ে তুলনামূলক ভাবে গুছিয়ে আন্দোলন শুরু করবে। আর এই কারণে তারা এখন ভারত বিরোধী স্লোগান তুলেছে। এই ভারত বিরোধী স্লোগান তোলার পিছনে শুধু বিএনপি-জামায়াত বা চরমপন্থী বাম কিংবা ডানরাই আছে এমন না, এর সাথে বাইরের শক্তিও জড়িত।

আরো পড়ুন...
স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে কেন এই বিতর্ক

স্বাধীনতার ঘোষণা এবং ঘোষক বিষয়ে মাঝামাঝে কেউ কেউ অহেতুক বিতর্ক করেন। অথচ ইতিহাসের বাস্তবতা, সংবিধান এবং সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত, স্বীকৃত এবং মীমাংসিত সত্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এবং স্বাধীনতার ঘোষক।

আরো পড়ুন...
ভারতীয় পণ্য বর্জন: রাজনীতির কানাগলিতে প্রবেশ বিএনপির

যার গন্তব্য স্থান কোথায় সেটা ঠিক নাই, তিনি রাস্তায় গাড়ি বা রিক্সা যেভাবেই যান না কেন সে শুধু উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরে বেড়াবেন। কারণ তার তো গন্তব্য ঠিক নাই। সে গুলশান যাবে, না নিউ মার্কেট যাবে কোথায় যাবে জানে না। বিএনপির অবস্থা এখন ঠিক তাই। তারা জানেই না তাদের আন্দোলনের গন্তব্য কোথায়। জানে না বলেই তারা একের পর এক ভুল করে রাজনীতির কানাগলিতে ঢুকে যাচ্ছে। এর একটি উৎকৃষ্ট প্রমাণ হলো হঠাৎ করে তারা ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছে। কিন্তু আমাদের বাস্তবতা বুঝতে হবে যে, ভারতীয় পণ্য বর্জন সম্ভব কিনা? এখানে একটা কথা উল্লেখ্য করতে চাই যে, এদেশের জনগণ কার কথায় বিশ্বাস করেন? জনগণ বিশ্বাস করেন একমাত্র দার্শনিক রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কথা। কারণ তিনি যেটা বলেন সেটা করেন। তিনি যদি কোন প্রশ্নবোধক ডাকও দেন তাহলেও বহু লোক সেটাকে গ্রহণ করবে। কারণ তার প্রতি তাদের বিশ্বাস আছে। আর যে দলের নেতারা প্রায় সবাই হয় সাজাপ্রাপ্ত অথবা জামিনে আছে তাদের কথায় কোন লোক কানে দিবে না।

আরো পড়ুন...
২৫ মার্চের ভয়ালরাত্রির গণহত্যা

একাত্তরের ২৫ মার্চের ভয়ালরাত্রি মর্মদাহিক চেতনা প্রবাহের কালখণ্ড। ২০১৭ সালের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালোরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের এবং আন্তর্জাতিকভাবে এ দিবসের স্বীকৃতি আদায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এর আগে ২৫ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের দাবি ওঠে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছ থেকে।

আরো পড়ুন...
শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বিএমআরসি আজ গবেষণায় পথিকৃৎ

বঙ্গবন্ধু উপলব্ধি করেছিলেন যে, দেশের উন্নয়নের জন্য চিকিৎসা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি সবচেয়ে জরুরি। চিকিৎসার যদি উন্নতি না হয়, চিকিৎসা ব্যবস্থার যদি উন্নতি না হয়, মানুষ যদি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী না হন তাহলে দেশ গড়া সম্ভব নয়। সেজন্য বঙ্গবন্ধু একটা সুন্দর নীতিমালা পরিকল্পনা গড়ে তোলেন। ওই সময়ই সেটা ছিল আধুনিক যুগোপযোগী এবং বিজ্ঞানসম্মত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বঙ্গবন্ধু যে নীতিমালা তখন চালু করে গিয়েছেন সেই পদ্ধতিতে আজকের দার্শনিক রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা একে এক করে বাস্তবায়ন করে চলেছেন। যার মূল ভিত্তি বঙ্গবন্ধু স্থাপন করেছেন।

আরো পড়ুন...
এভিডেন্স বেসড ইনফরমেশন ছাড়া স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন করা কঠিন

সাম্প্রতি ‘স্বাধীনতা সুফল পেতে চাই চিকিৎসা বিজ্ঞান গবেষণা জাতির পিতার হাতে সূচনা, দার্শনিক রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা দিলেন দিক নির্দেশনা’ শীর্ষক এক গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিপ্রেক্ষিতের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ বোরহান কবীর। বৈঠকে আলোচক হিসেবে অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন যে আলোচনা করেছেন তার চুম্বক অংশ প্রকাশ করা হলো।

আরো পড়ুন...
গবেষণার কাজে প্রধানমন্ত্রীর সাহায্যের হাত অবারিত

জাতির পিতার সারা জীবনের লক্ষ্যই ছিল বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি স্বাস্থ্যখাতকে প্রথমেই প্রাধান্য দিয়েছিলেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে তিনি বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। গড়ে তোলেন শক্ত সাংবিধানিক নীতিমালা, বাস্তবমুখী কর্মপরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো।

আরো পড়ুন...
প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় অর্থনীতির মতো গবেষণাতেও এগিয়ে যাবো

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসা গবেষণার একটি রোড ম্যাপ দিয়ে দিয়েছেন। এখন আগামী পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের তন্তাবধানে একটি কর্মপরিকল্পনা আমরা করতে পারি। চিকিৎসকদের চিকিৎসা গবেষণায় আগ্রহী করতে হবে। বর্তমানে মেডিকেল শিক্ষা কার্যক্রমে রিসার্চ মেথোডলোজি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সেটিকে আরও জোরদার করতে হবে। যে সকল চিকিৎসক চিকিৎসা গবেষণায় নিবেদিত তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

আরো পড়ুন...