ইনসাইড থট


ফিরে দেখা: ১৬ জুলাই

২০০৭ সাল। ভোররাতে ধানমন্ডির ‘সুধা সদন’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘেরাও করল। উদ্দেশ্য, শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার। তিনি তখন বিরোধীদলীয় নেতা। ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নিয়েছে ড. ইয়াজউদ্দিনের ব্যর্থ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছ থেকে।

আরো পড়ুন...
বাংলাদেশটা আমাদের, রাজাকারদের নয়!

গণতান্ত্রিক দেশে একটা ইস্যুভিত্তিক আন্দোলন হতেই পারে। আন্দোলনের দাবিসমূহ গ্রহণ করা হবে কি না সেটাও সরকার বিবেচনা করবেন। কিন্তু দেশে একটা আন্দোলন হলেই যারা সরকার পতনের স্বপ্ন দেখেন, তারা হয় রাজনীতিতে অদক্ষ নতুবা শেখ হাসিনাকে চেনেন না। তাদের উচিত ২০% ছাড়ে ইংরেজিতে আমার লেখা শেখ হাসিনার জীবনীগ্রন্থটি জরুরি ভিত্তিতে পড়া।

আরো পড়ুন...
নব পরিচয়ে বাংলার রঘু ডাকাতরা

ডাকাতি বাংলা মুল্লুকে এক সময় একটি বড় পেশা ছিল। এনিয়ে লেখক খগেন্দ্রনাথ মিত্র গত শতকের ত্রিশের দশকে ‘বাংলার ডাকাত’ নামের একটি গ্রস্থ রচনা করে বেশ সুনাম কুড়িয়েছিলেন। ডাকাত ছাড়াও এই দেশে এক সময় সিঁদেল চোর, বাটপার, জোচ্চোর, চশমখোর শব্দগুলো বাংলা লৌকিক সাহিত্যে বেশ পরিচিত ছিল। খগেন মিত্রের ডাকাতরা কাঠের উঁচু পা যাকে বলা হতো রণপা লাগিয়ে কয়েক ক্রোশ দূরে গিয়ে ডাকাতি করে নিজ গ্রামে দ্রুত ফিরে আসতো। কোন কোন ডাকাত ডাকাতি করতে বের হওয়ার আগে মন্দিরে কালি পূজা দিতো যাতে সে তার কর্মকাণ্ডের সময় কোন প্রকারের বিপদের সম্মুখীন না হয়। সিঁদেল চোরেরা বাড়ির দাওয়ায় সুড়ঙ্গ (সিঁদ) কেটে ঢুকতো। বাড়ির কর্তা যদি আগে হতে টের পেতো তার ঘরে সিঁদেল চোর ঢুকছে তাহলে সে বাড়িতে রাখা একটি রামদা নিয়ে চোরের জন্য অপেক্ষা করতো।

আরো পড়ুন...
‍‌‌‌‌‌'কোটা ব্যবস্থা থাকা জরুরি‍‌'

বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে আমি মনে করি এই ধর্ম বিশ্বাসী শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি চাকরিতে কোটা সুবিধা থাকা দরকার। কারণ স্বাধীনতার ৫৪ বছরে খ্রিষ্টান সমাজের কোনো ব্যক্তিকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার করা হয়নি। এমনকি হাতে গোনা কয়েকজন অধ্যাপক রয়েছেন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে। যদিও এদেশের মিশনারি স্কুল-কলেজগুলো শত বছর যাবৎ শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে চলেছে, তবু নিজেদের সমাজের উচ্চশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কম হওয়ার কারণই হলো সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব।

আরো পড়ুন...
কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আঘাত

বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয় পতাকা এগুলোর প্রতি সম্মান রেখে সবার কথা বলা উচিত। মাথায় পতাকা বেধে, হাতে পতাকা নিয়ে আজকাল মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির লোকজনও এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বড় অংশীদার। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য সবচেয়ে নিবেদিত, লাল সবুজের পতাকা বাধা মাথা, হাতে পতাকা দেথে প্রশ্ন জাগে মনের ভেতর থেকে তা করছেন তো না লোক দেখানো, আপনি, আপনার পরিবার ও চৌদ্দ গোষ্ঠী স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন তো?

আরো পড়ুন...

বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন সাধন

আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ বিলিয়ন পৌঁছায়। এই দিনটি টেকসই উন্নয়ন, সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং জনসংখ্যা সম্প্রসারণের গতিশীলতার সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলোকে বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে। এই দিনটি স্মরণীয় করে রাখার জন্য প্রথম ১৯৯০ সালের ১১ জুলাই ৯০টির বেশি দেশে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়। এই দিনটি বিশ্ব জনসংখ্যার সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পালিত হয়। এটি পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি এবং শিক্ষার সুযোগ সহ সকল ব্যক্তির জন্য প্রজনন স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং অধিকার প্রচার করে। দিবসটি লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নেরও ইঙ্গিত দেয়। টেকসই উন্নয়ন ও বৈশ্বিক সহযোগিতাও প্রচার করা হয়।

আরো পড়ুন...
কেমন কাটলো সরকারের প্রথম ৬ মাস

এ বছর ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে দার্শনিক রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে এবং ১১ জানুয়ারী তারা মন্ত্রী সভা গঠন করে এবং শপথ গ্রহণ করে। সুতরাং সেই হিসাবে বর্তমান সরকারের ৬ মাস পার হয়েছে। আওয়ামী লীগ এবার সরকার গঠন করল তখন দেশের জিনিসপত্রের দাম অনেক আকাশচুম্বী এবং এর প্রধান বা একমাত্র কারণ হচ্ছে যে আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধবিগ্রহের কারণে ডলারের দাম বৃদ্ধি।

আরো পড়ুন...
বেআইনি ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর

জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালের ৯ জুলাই কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করেন। সেদিন সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মধ্যে দিয়ে তাঁর আমলে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার বাধাগ্রস্ত করা হয়। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করে জিয়া প্রমাণ করেছেন তিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের রক্ষাকারী এবং এই হত্যার ষড়যন্ত্রের মূল কুশিলবদেরই একজন।জিয়াউর রহমান Indemnity Ordinance- কে বৈধতা দিয়ে কলঙ্কিত করেন সংবিধানকে, কলুষিত করেন রাজনীতিকে। হাস্যকর সংসদের দ্বারা সংশোধিত আইনে এ আইনটি বাংলাদেশ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয় যা পঞ্চম তফসিলের ১৮ নং অনুচ্ছেদে সংযুক্ত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারবর্গকে যারা হত্যা করেছিল বা তার সঙ্গে জড়িতদের আইনি ব্যবস্থা থেকে অনাক্রম্যতা বা শাস্তি এড়াবার ব্যবস্থা প্রদানের জন্য “ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ” আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তারিখে খুনি খন্দকার মোশতাক আহমেদ এ ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করেন।

আরো পড়ুন...
বাংলার আত্মত্যাগই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতাকে ধাবিত করেছিল

৪ঠা জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। ১৭৭৬ সালের এই দিনে আমেরিকার মহাদেশীয় ১৩টি উপনিবেশের নেতারা ব্রিটিশ আধিপত্য থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে। পরবর্তীতে ১৭৭৭ সালের এই দিনে বোস্টন এবং ফিলাডেলফিয়ায় প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়।

আরো পড়ুন...
সাহসিনীর বিদ্রোহ ও পদ্মা সেতু

নির্মাণ শৈলীর অপূর্ব বৈশিষ্ট্যমন্ডিত একটি সেতু দিয়ে ২০২২ সাল থেকে পদ্মা নদী পারাপারের অধিকার অর্জন করেছে বাঙালি জাতি যা ইতিহাসের অংশ হলেও মূলত একটি বিদ্রোহের ফসল। পুঁজিবাদের দেশি-বিদেশি অর্থনৈতিক প্রভু ও আন্তর্জাতিক পুঁজির তাঁবেদার শ্রেণীর বিরুদ্ধে এই বিদ্রোহ করেছিলেন শেখ হাসিনা। গুটি কয় অসাধু মানুষ ছাড়া বাংলাদেশের সকল মানুষ শেখ হাসিনার একক নেতৃত্বের এই বিদ্রোহে সামিল হয়েছিলেন। কেউ তাঁকে টলাতে পারেনি, এমনকি সাজানো, উদ্দেশ্যমূলক, মিথ্যা কলঙ্কও দিয়েও নয়।

আরো পড়ুন...
শেখ হাসিনার প্রজ্ঞা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সততার অনন্য দৃষ্টান্ত পদ্মা সেতু

পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা হচ্ছে আজ। নিজ অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাংলাদেশের জন্য গর্বের এবং অহংকারের। এই প্রক্রিয়ায় যারা অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে অবশ্যই দার্শনিক রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান ব্যক্তি। তবে দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন কমিশনার মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদ্মা সেতু বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রুখে দিতে অনন্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। পদ্মা সেতু নিয়ে তাঁর একটি লেখা প্রাসঙ্গিক বিবেচনা করে আজকে এটি পুনঃপ্রকাশিত হলো।

আরো পড়ুন...
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসে সম্পর্কের মূল্যায়ন

২০১৮ সালে আমেরিকার হাওয়ায় দ্বীপে সেমিনারে অংশগ্রহণকালে ২৫ দিন অবস্থান এবং ২০২৪-এ নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে বলা যায়, মহাদেশটি বিশাল এবং সেখানকার নাগরিকরা আইন মেনে চলেন, আচরণে সভ্য ও সৌজন্যবোধে অনন্য। স্ট্যাচু অব লিবার্টি-এর সামনে দাঁড়ালে গণতন্ত্রের বিশাল জয়যাত্রাকে স্মরণ করা যায়। আর এলিস আইল্যান্ডের ইমিগ্রেশন মিউজিয়ামে ঘুরলে আমেরিকায় বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর আগমন ও ক্রমবিকাশটি আবিষ্কার করা সম্ভব।আমেরিকা কেবল উন্নত রাষ্ট্র নয় সেখানকার মানবসমাজ পৃথিবীর অন্য মানুষের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণও বটে। ১৫ লক্ষ বাঙালির বসবাসের সূত্রে মহাদেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ নিবিড়।

আরো পড়ুন...
ঢাকা শহরে প্রতিদিন আড়াই কোটি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার হচ্ছে

আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতন হলেও কোনোভাবেই প্লাস্টিককে দূরে রাখতে পারছি না। প্লাস্টিকের ব্যাগ হয়ে উঠছে নিত্যদিনের সঙ্গী। বাজার করা, ময়লা ফেলা, শুকনো খাবার সংরক্ষণ করা, ফ্রিজে খাবার রাখাসহ বিভিন্ন কাজে প্রতিদিন প্রতিটি বাড়িতে প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যবহারের পর এসব ব্যাগ আমরা যেখানে সেখানে ফেলে দিচ্ছি।

আরো পড়ুন...
শেখ হাসিনার প্রজ্ঞা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সততার অনন্য দৃষ্টান্ত পদ্মা সেতু

পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হচ্ছে আজ। নিজ অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাংলাদেশের জন্য গর্বের এবং অহংকারের। এই প্রক্রিয়ায় যারা অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে অবশ্যই দার্শনিক রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান ব্যক্তি। তবে দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন কমিশনার মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদ্মা সেতু বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রুখে দিতে অনন্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। পদ্মা সেতু নিয়ে তাঁর একটি লেখা প্রাসঙ্গিক বিবেচনা করে আজকে এটি পুনঃপ্রকাশিত হলো।

আরো পড়ুন...
‘বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় আগামীর করণীয়’

কোনো বিশাল আকার গ্রন্থ নয় । বলা যাবে না যে এটি কোনো গভীর গবেষণার ফসল । ছোট কাচামরিচ বেশি ঝাল হলে তাকে স্থানীয় ধনচে-মরিচ বলি ।এটিও তেমন। বেশি বলা হবে না যদি মোহাম্মদ ফরাস উদ্দিনের ছোট্ট পুস্তিকাটিকে তেমন ভাবেই অভিহিত করি। দেখতে ছোট-খাটো,পৃষ্ঠা সংখ্যাও মাত্র ৬৩টি। কিন্তু ধনচে মরিচের মতই, আকারে ছোটো কিন্তু ঝাঁঝালো তেজ লেখায় । সরাসরি বলেছেন “ কুইক রেন্টাল বাতিল করে ক্যাপাসিটি পরিশোধ থেকে পরিত্রাণ প্রয়োজন। দুর্নীতি কমবে ।’’ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী কি ব্যাজার হবেন? আরো সাহসী উচ্চারণ “ছয় মাসের নোটিশে গৃহস্থালি ঘর-সংসারের জন্য পাইপলাইনে গ্যাস সংযোগ (অপচয়প্রবণ)বন্ধ করে দিতে হবে।’’

আরো পড়ুন...
আতসুকো তানাকা আমার বন্ধু

তখন ক্যানবেরাস্থ অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছি। শেষ বছরে জাপান থেকে পড়তে আসা আতসুকো তানাকার সাথে পরিচয় হলো। কীভাবে পরিচয় হয়েছিল এত বছর পরে আজ আর তা মনে পড়ে না। তবে এটুকু মনে আছে, আমরা দুজন খুব ভাল বন্ধু ছিলাম। পিএইচডি করার সময় আমি বেশ কিছু বন্ধু পেয়েছিলাম, যাদের অধিকাংশই ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে পড়তে আসা তরুণ- তরুণী। জীবনব্যাপী আমি প্রত্যক্ষ করেছি, শিখেছি ও মেনেছি বন্ধু বন্ধুই - বন্ধুত্বের কোন লিঙ্গভেদ নেই।

আরো পড়ুন...
হলি আর্টিজান হামলা ও বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ

‘জঙ্গিরা রেস্টুরেন্টে ঢোকার সাথে সাথেই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল। যারা নিহত হয়েছিলেন তাঁরা সবাই রেস্টুরেন্টে নৈশভোজে এসেছিলেন। যে যেখানে ছিলেন তাঁকে সেখানেই হত্যা করা হয়েছিল। হত্যাকাণ্ডে তারা আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করেছিল। এরপর তারা আইএসআইয়ের কালো পোশাক পরে ফেসবুকে স্ট্যাটাসও দিয়েছিল। খুব দ্রুত অপারেশন শেষ হলে আস্তে আস্তে ভিতরে গিয়ে তল্লাশি করে মৃতদেহগুলো পাওয়া গেল। পাঁচ জন জঙ্গির মৃতদেহ বাইরে পড়ে ছিল। সেনাদল চলে যাওয়ার পর পর পুলিশ ঘটনাস্থল বুঝে নেয়। সিআইডির ক্রাইম সিন ইনভেস্টিগেশন দল আসে। প্রাথমিক তদন্ত, আলামত জব্দ, মৃতদেহের সুরতহাল তৈরি করে হাসপাতালের মর্গে পোস্ট মর্টেমের জন্য প্রেরণ করা হয়।বাংলাদেশের ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা ছিল নজিরবিহীন। সেদিনের সেই মর্মান্তিক ঘটনায় জঙ্গিরা দেশি-বিদেশি ২৪ জন নিরীহ লোককে হত্যা করে। তাঁদের মধ্যে দুজন পুলিশ অফিসার ছিলেন। নিহতদের মধ্যে ৯ জন ইতালিয়ান, ৭ জন জাপানি এবং একজন ভারতীয় ছিলেন। আহত হয়েছিলেন প্রায় ৪০ জন, যাদের অধিকাংশই ছিলেন পুলিশ।ঐ ঘটনার পর জঙ্গিদের বিষয়টি আমার একান্ত এখতিয়ারে নিয়ে এসে দেশব্যাপী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করি।’’(এ কে এম শহীদুল হক, পুলিশ জীবনের স্মৃতি, ২০২২,পৃ ২৮৫-২৮৬)

আরো পড়ুন...