ক্লাব ইনসাইড

এবার রেল লাইনে আগুন দিলো রাবি শিক্ষার্থীরা, ট্রেন চলাচল বন্ধ


Thumbnail

এবার রেল লাইনে আগুন দিয়ে বিক্ষোভ করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এতে রাজশাহীর-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গতকাল রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী রেল লাইনে আগুন দেন তারা। পশ্চিম রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) অসিম কুমার তালুকদার  এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, রাবি শিক্ষার্থীদের দেওয়া আগুনের কারণে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশে রেল যোগাযোগ বন্ধ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুমতি পেলে ট্রেন যোগাযোগ আবারও চালু করা হবে।

অসিম কুমার আরও বলেন, এখন পর্যন্ত চারটি ট্রেন আটকা পড়েছে। অনেক ট্রেন ছেড়ে যেতে পারছে না। যাত্রীরা চাইলে ট্রেনের টিকিট ফেরত দিয়ে টাকা নিতে পারবেন।

এর আগে স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে কয়েক দফা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে এবং আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বিভিন্ন ব্যানার এনে রেল লাইন দুই পাশে আগুন জালিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীদের তৈরি করা বিশাল আকৃতির ময়ূর এনে সেখানে আগুন জ্বালাতে দেখা যায়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। আমাদের শতাধিক ভাই আহত হয়ে মেডিকেল ভর্তি আছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। গতকালের ঘটনায় আমরা প্রশাসনের কাউকেই পাশে পাইনি। প্রক্টরের পদ কেন রাখা হয়েছে। পুলিশকে গুলি করার হুকুম কে দিয়েছে? প্রক্টরের পদত্যাগের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

এর আগে  শনিবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় বাসের ভেতর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির জের ধরে সহপাঠীরা বিনোদপুর বাজারে চালক ও হেলপারকে মারধর করেন। বাস থেকে চালককে নামিয়ে মারধর করা হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এতে বাধা দিলে তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিরোধ দেখা দেয়। এরপর রাতভর দফায় দফায় স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ২০০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

রেল লাইনে আগুন  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে রাবি-রুয়েট শিক্ষকদের কর্মবিরতি

প্রকাশ: ০৩:০৫ পিএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত প্রত্যয় পেনশন স্কিমকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারসহ দুই দফা দাবিতে দুই ঘন্টা কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) এবং রাজশাহী প্রকৌশল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষকরা। শিক্ষকদের অন্য দাবিটি হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল এবং সুপারগ্রেড প্রবর্তন।

মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কর্মসূচি পালন করে তারা।

রাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে সর্বজনীন পেনশন নীতিমালা সংবিধান পরিপন্থী। ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরা কর্মসূচি পালন করছি। অবিলম্বে স্কিম নীতিমালা প্রত্যাহার না হলে আমরা লাগাতার আন্দোলনে যাবো।

রুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক কামরুজ্জামান বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম নীতিমালা প্রত্যাহারের দাবিতে কর্মসূচি। আগামীতে লাগাতার আন্দোলন করা হবে।

এর আগে, গত ২০ মার্চ এক প্রজ্ঞাপনে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় নতুন স্কিম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে অর্থ মন্ত্রনালয়। স্কিমে দেশের ৪ শতাধিকের বেশি স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়াত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। তবে এটা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বৈষম্য অ্যখ্যা দিয়ে আন্দোলন শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

গত ২৬মে সর্বজনীন এই পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি করেন রাবি রুয়েটের শিক্ষকরা। এই কর্মসূচিতে ২৮মে ঘন্টা এবং জুন অর্ধদিবস কর্মবিরতি এবং পহেলা জুলাই থেকে লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়।


পেনশন স্কীম   প্রত্যাহার   কর্মবিরতি  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

জবির মসজিদে ঘুমন্ত নারী শিক্ষার্থী, খতিবের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশ: ১০:৫৭ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঘুমন্ত অবস্থায় এক নারী শিক্ষার্থীকে পাওয়ার ঘটনায় মসজিদের খতিব সালাহউদ্দীন আহমেদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

সোমবার (২৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ৫ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়। 

 

আদেশে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নারী শিক্ষার্থী রাত ১১ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান ও ঘুমানো এবং ইমামের দায়িত্ব অবহেলার তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করতে ৫ জনকে দায়িত্ব দেয়া হলো। এতে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমানকে আহবায়ক ও সহকারী প্রক্টর খালিদ সাইফুল্লাহকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. পারভীন আক্তার জেমী, আইসিটি সেলের পরিচালক ড. আমিনুল ইসলাম ও একাউন্টিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এএনএম আসাদুজ্জামান ফকিরকে রাখা হয়েছে। 

 

বিস্তারিত ঘটনার বিষয়ে জানতে প্রশ্ন করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মসজিদের খতিব সালাহউদ্দীনের বিরুদ্ধে মসজিদের 'স্পর্শকাতর' একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকায় সহকারী ইমামকে নামাজ পড়ানোর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। 

 

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি মসজিদে এক ছাত্রীকে একা রাত ১১ টার দিকে শুয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্রক্টরিয়াল বডি বিষয়টি জানার পর তারা আসলে যেন ওই ছাত্রীকে ছাড়তে বলেন। তবে খতিব সালাহউদ্দীন অসুস্থ অবস্থায় থাকা ওই ছাত্রীকে তড়িঘড়ি করে বের করে দেন। এবিষয়ে প্রক্টর পরেরদিন ঘটনা জানতে খতিবকে অফিসে তলব করলেও তিনি আসেন নি। 

 

এর আগে খতিব সালাহউদ্দীনের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ দেখা যায়। ২০১৩ সালে খতিব সালাহউদ্দিন আহমেদ তারাবী নামাজের ইমামতি করার সময় কোরআন তেলাওয়াতের ভুল ধরার জন্য অপবাদ দিয়ে সহকারি ইমাম আনোয়ার হোসেন ও মুয়াজ্জিন ইমদাদুল হককে অন্য দপ্তরে বদলি করিয়ে দেন। ওই সহকারী ইমাম ও মুয়াজ্জিন ১১ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরে রয়েছেন।

 

অন্যদিকে সেই সময় থেকে মসজিদের সহকারী ইমাম হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার (পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে সহকারি লাইব্রেরিয়ান) শেখ মো. সালাহ উদ্দিনকে মুয়াজ্জিন হিসেবে বাসের হেলপার মোঃ হাসানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ভুক্তভোগী সহকারী ইমাম আনোয়ার মুয়াজ্জিন ইমদাদুল হক তাদের প্রতি খতিবের এমন আচরণের বিষয়টি জানান। 


জবি   নারী শিক্ষার্থী   খতিব   তদন্ত কমিটি  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ডাইনিংয়ের খাবারে সিগারেট, রাবিতে হলের গেটে তালা

প্রকাশ: ১০:২০ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নবাব আব্দুল লতিফ হলের ডাইনিংয়ের খাবারের মধ্যে সিগারেট পাওয়ার অভিযোগে হল গেটে তালা দিয়ে হলে ভাঙচুর করেছে কিছু শিক্ষার্থী। এঘটনায় জড়িতদের হল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে়ছে হল প্রশাসন।

 

সোমবার (২৭ মে) রাতে প্রাধ্যক্ষ পরিষদের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

 

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, হল থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি হলে ভাঙচুর চালানোর মতো 'সন্ত্রাসী' কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাধ্যক্ষ পরিষদ।

 

প্রাধ্যক্ষ পরিষদের একটি সূত্র জানিয়েছে, লতিফ হলে ভাঙচুরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন, লতিফ হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির পক্ষে হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তাসকিফ আল তৌহিদ এবং হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পক্ষে হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাসুদুর রহমানকে চিহ্নিত করেছে হল প্রশাসন। এদের মধ্যে তাসকিফ আল তৌহিদকে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় পূর্বেই হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল।

 

জানতে চাইলে হল প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক এএইচএম মাহবুবুর রহমান বলেন, আজকে আমাদের একটি জরুরী সভা ডাকা হয়েছিলো। সেখানে হল প্রাধ্যক্ষকে হেনস্তার জন্য প্রাধ্যক্ষ পরিষদ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে জড়িতদের হল থেকে বহিষ্কার এবং ভাঙচুরের মতো 'সন্ত্রাসী' কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায়, জড়িতদের বিরুদ্ধে হল প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নিবে এই মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

 

এর আগে, সোমবার (২৭ মে) দুপুরে নবাব আব্দুল লতিফ হলের ডাইনিংয়ের খাবারে সিগারেট পাওয়ার অভিযোগে শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হলের অতিথি কক্ষ, প্রাধ্যক্ষ ও আবাসিক শিক্ষকদের কক্ষের নামফলক ভাঙচুরসহ হলগেটে তালা দিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের এক পর্যায়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক এএইচএম মাহাবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন৷ এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের 'অকথ্য' ভাষায় গালিগালাজ শুনে ও তাদের আন্দোলনের মুখে হলে ঢুকতে না পেরে ফিরে যান তিনি। 

 

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ ও সহকারী প্রক্টর ড. জাকির হোসেন ও আল মামুন ঘটনাস্থলে আসলে তারাও ফিরে যান। এরপর শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিব হলে আসেন। পরে প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক এসে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থেকে সরে যান। 

এ ঘটনায় হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতাদের দুই পক্ষকে ১০টি করে জার্সি না দেওয়ায় 'পরিকল্পিতভাবে' এই আন্দোলনটি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক এএইচএম মাহবুবুর রহমান।


রাবি   খাবারে সিগারেট   হল   তালা  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ইবিতে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন


Thumbnail

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট ও বই বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৫ মে) দুপুরে খালেদা জিয়া হলে এই ক্যাম্পেইন করে ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদনকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সেল।

এ সময় খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট এবং যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে গঠিত অভিযোগ কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. ইয়াসমিন আরা সাথী, কমিটির সদস্য সচিব এবং উপ-রেজিস্টার (প্রশাসন) আলমগীর হোসেনসহ হলের কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রায়সই যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটিকে জানালে সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। কারও সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটলে নির্ভয়ে অভিযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কমিটি। কারোর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে গঠিত অভিযোগ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন আরা সাথী বলেন, ইবির যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে গঠিত অভিযোগ কমিটি ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত। ক্যাম্পাসে অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এগুলো সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনা সৃষ্টিতে এই প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ছাত্রীরা তাদের নিজেদের অধিকার এবং ঘটনাগুলোর বিষয়ে সচেতন হতে পারে। কেউ এ ধরণের ঘটনার সম্মুখীন হলে আমাদের জানালে সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


ইবি   যৌন নিপীড়ন   ক্যাম্পেইন  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

বাঙলা কলেজে সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণের কমিটি

প্রকাশ: ০৫:১০ পিএম, ২৫ মে, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর সরকারি বাঙলা কলেজে আগামী এক বছরের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্র কল্যাণের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ইতিহাস বিভাগের ২০১৮-১৯ বর্ষের আসাদুল ইসলাম নিরবকে। এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহিদকে।

গত ১৭ মে সংগঠনটির উপদেষ্টাদের স্বাক্ষরে এ কমিটি গঠন করা হয়। 

কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি আসাদুল ইসলাম নিরব বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ জেলার শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমরা সবসময় কাজ করবো। তাদের রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করবো। আমাদের সংগঠনের স্বাস্থ্যবান সকল শিক্ষার্থী রক্তদান করবে জরুরি মুহুর্তে। যারা আর্থিকভাবে দুর্বল তাদের পাশে দাঁড়াবো। ভর্তি ফি বা পরীক্ষার ফি দিতে না পারলে তাদের যথাসাধ্য সাহায্য করবো।’


কমিটির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ থেকে বাঙলা কলেজে পড়ালেখা করতে আসা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমাদের এ সংগঠন। সকলের কল্যাণে আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে পাশে থাকার চেষ্টা করব। গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের সকল বিপদে আপদে আমরা পাশে থাকবো।’

উল্লেখ্য, সরকারি বাঙলা কলেজস্থ রাজশাহী বিভাগীয় ছাত্রকল্যাণ পরিষদের আওতায় এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। 


বাঙলা কলেজ   সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্র কল্যাণ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন