ক্লাব ইনসাইড

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ১৭৮ শিক্ষার্থী

প্রকাশ: ০৮:৪৭ এএম, ০২ মে, ২০২৩


Thumbnail

এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনুষদে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর বা সিজিপিএ অর্জনকারী ১৭৮ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক পাচ্ছেন। দেশের ৩৭টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশসেরা ১৭৮ শিক্ষার্থীকে ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-২০১৯ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

রবিবার ইউজিসির ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, এবার ৩২টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে (জাতীয়, উন্মুক্ত ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত) মোট ১৭৩ জন শিক্ষার্থী এই স্বর্ণপদকের জন্য প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একজন করে মোট তিন জন শিক্ষার্থী এই স্বর্ণপদকের জন্য প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছেন। 

তাছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুই জন শিক্ষার্থী এই স্বর্ণপদকের জন্য প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছেন। এবার প্রাথমিকভাবে মনোনীতদের তালিকায় সর্বোচ্চ ১১ জন স্বর্ণপদক পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এরপর সর্বোচ্চ ৯ জন করে রয়েছে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।



মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

১ম ধাপের ভর্তি শেষে কুবিতে ফাঁকা ৭২ আসন

প্রকাশ: ০১:৪০ পিএম, ১১ জুন, ২০২৪


Thumbnail

গুচ্ছ অধিভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকের (সম্মান) ১ম ধাপের ভর্তি শেষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ৭২ টি আসন ফাঁকা রয়েছে।

সোমবার (১০ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের ডিন এবং ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির প্রধান . মো. সাইফুর রহমান।

. মোঃ সাইফুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত ১০৩০ টি আসনের মধ্যে ৯৫৮ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। ১ম ধাপের ভর্তি শেষে ৭২ টি আসন ফাঁকা রয়েছে। তবে কোন ইউনিটে কতটি আসন ফাঁকা রয়েছে তা জানা যায়নি। 

এর আগে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ হাজার ৯৮০ জন ভর্তিচ্ছু অনলাইনে আবেদন করেছিল। প্রতি আসনের বিপরীতে ১৮ জন আবেদন করেন।


কুবি   ভর্তি   গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি   আসন  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

হলের বারান্দায় ববি ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০৩:৫৬ পিএম, ১০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) আবাসিক হলের রিডিংরুমের বারান্দায় ঝুলন্ত অবস্থায় শেফা নূর ইবাদী নামের এক আবাসিক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (১০ জুন) রাত ১২টা ০৫ মিনিটের দিকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে এ ঘটনা ঘটে। রাত দেড়টায় এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হলের প্রভোস্ট হেনা রাণী বিশ্বাস।

নিহত শেফা নূর ইবাদী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বঙ্গমাতা হলের ১৪১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলায়।

নিহতের সহপাঠী সূত্রে জানা যায়, প্রেম ঘটিত কারণে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বঙ্গমাতা হলের একটি সূত্র বলছে, আত্মহত্যার সময় প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখেছিলেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. আবদুল কাইউম বরিশালটাইমসকে জানান, ঘটনা শোনার পর আমি, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, হল প্রভোস্ট ও শিক্ষকরা মেডিকেলে ছুটে এসেছি। এ ধরণের ঘটনা আসলেই মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক। বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এইচ এম আবদুর রহমান মুকুল জানান, এ বিষয়টিকে তদন্তের অধীনে এনে আসল ঘটনা জানা যাবে। পরবর্তীতে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ববি   আবাসিক হল   আত্মহত্যা  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

সম্মেলনের ১৫ মাস পরেও হয়নি কুবি ছাত্রলীগের কমিটি

প্রকাশ: ০১:৪২ পিএম, ১০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণার ১৫ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো গঠিত হয়নি নতুন কমিটি। ২০২৩ সালের ৬ই মার্চ কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। একই বছরের ৯ অক্টোবর কর্মীসভার আয়োজন করা হলেও এখনো নতুন কমিটির ঘোষণা হয়নি। কবে নাগাদ আসতে পারে সে বিষয়েও নেই কোন সঠিক ধারণা। 

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের নির্দেশনা অনুসারে গতবছরের ৯ই অক্টোবর কর্মীসভা আয়োজন শেষে পদ-প্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত নেওয়া হয়। জাতীয় নির্বাচন ইস্যুকে কেন্দ্র করে কমিটি না দেওয়ার কারণ দর্শায় কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়করা। জাতীয় নির্বাচনের পর সরকার গঠন হলেও আলোর মুখ দেখেনি কুবি শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি। কবে আসবে নতুন কমিটি, তা জানে না ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এবং পদপ্রত্যাশীরা।  

বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিটি না থাকায় ছাত্রলীগের কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে । জাতীয় কোনো কর্মসূচী ব্যতীত পদপ্রত্যাশীদের দেখা মিলছে না ক্যাম্পাসে। 

এই বিষয়ে আগামী কমিটিতে পদপ্রত্যাশী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল হাসান পলাশ বলেন, 'আমরা আশাবাদী খুব শীঘ্রই ছাত্রলীগের কমিটির অনুমোদন দিবে। অনেকদিন হয়ে গেল আমাদের কর্মীসভা হয়েছে। কমিটি বসতে বিলম্ব হওয়ায় আমরাও ব্যথিত। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্যদের সাথে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। আশাকরি খুব শীঘ্রই নতুন কমিটি আসবে। ছাত্রলীগের নতুন কমিটি হলে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে পারব।'

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পদপ্রত্যাশী এনায়েত উল্লাহ বলেন, 'ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তির পর কর্মীসভা হয়ে গেছে নয়-মাস হয়ে গেছে। পদ-প্রত্যাশী যারা আছেন, সবাই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন। অতিদ্রুত নতুন কমিটি দিবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।'

কুবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির পদপ্রত্যাশী রেজা-ই-এলাহী বলেন, 'ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্যদের সাথে আমরা কথা বলেছি। দ্রুতই নতুন কমিটির ঘোষণা দিবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। তবে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না কবে আসবে নতুন কমিটি। বর্তমানে ক্যাম্পাসে কমিটি না থাকায় পদ-প্রত্যাশীসহ সাধারণ কর্মীদের কার্যক্রম জাতীয় দিবসগুলো ছাড়া খুব একটা নেই। হয়তো কমিটি না থাকাই বড় কারণ। যদি কমিটি থাকত ছাত্রলীগের সমস্ত কার্যক্রম বৃদ্ধি পেত।'

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ম. রকিবুল ইসলাম রকি বলেন, 

ছাত্রলীগ সবসময় শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ে সচেষ্ট থাকে। কিন্তু বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো কমিটি না থাকায় ছাত্রলীগের কর্মীরা বিভিন্নভাবে বিভক্ত হয়ে পরাতে যথাযথভাবে শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় সম্ভব হচ্ছে না। তাও আমরা চেষ্টা করছি শিক্ষার্থীদের সাথে থাকার। আশা করি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ থেকে শীঘ্রই একটি কমিটি দিয়ে ছাত্রলীগের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটকে আবারো স্বক্রিয় করবে।'

সার্বিক বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন, 'আমরা অতি শীঘ্রই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের  কমিটি প্রদান করব।  যা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি করবে।'


কুবি   ছাত্রলীগ   কমিটি   সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ইবি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নজিরবিহীন দখলদারিত্ব


Thumbnail

দুই বছর আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বসবাসের জন্য ডরমেটরি-২ ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। তবে দুই বছর পেরোলেও নিয়মতান্ত্রিকভাবে ডরমেটরিতে কাউকে বাসা বরাদ্দ দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেও বাসা বরাদ্দ পাননি শিক্ষক-কর্মকর্তারা। যে কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে অবৈধভাবে ভবনের ১৬টি বাসা দখল করেছেন তারা। বরাদ্দ ছাড়াই এক বছর ধরে তারা ডরমেটরিতে অবস্থান করছেন, তবে কোনো ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেননি। ফলে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা বকেয়া বিল পড়ে আছে বলে জানিয়েছে সূত্র। তবে এই ব্যাপারে কোনো হেল-দোল নেই প্রশাসনের।

প্রকৌশল অফিস সূত্রে, ২০২২ সালের জুনে ডরমেটরি-২ ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়। পরে প্রকৌশল অফিসের কাছে ভবনটি হস্তান্তর করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এরপর সেটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বুঝিয়ে দেয় প্রকৌশল অফিস। এদিকে নির্মাণকাজ শেষের পর ভবনে কক্ষ বরাদ্দ পেতে বাসা বরাদ্দ কমিটির কাছে আবেদন করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশকিছু শিক্ষক ও কর্মকর্তা। তবে নির্মাণকাজ শেষের এক বছরেও কক্ষ বরাদ্দ না দেয়ায় ২০২৩ সালের ২১শে জুন তালা ভেঙে ওই ভবনের চতুর্থ ও পঞ্চম তলার ১৬টি বাসা দখল করেন শিক্ষক-কর্মকর্তারা।

কক্ষ দখলকারী শিক্ষক-কর্মকর্তারা জানান, ভবনটি হস্তান্তরের পর দীর্ঘদিন বাসা ফাঁকা পড়ে ছিলো। বরাদ্দ পেতে আবেদন করা হয়, কিন্তু কক্ষ বরাদ্দে কর্তৃপক্ষের ঢিলেমির কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

প্রকৌশল অফিস সূত্র জানায়, অবৈধভাবে বাসা দখলের পর শিক্ষক-কর্মকর্তারা লক্ষাধিক টাকার বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন। তবে অনুমোদিত কোনো শিক্ষক-কর্মকর্তা সেখানে না থাকায় সে বিল তুলতে পারছে না দপ্তরটি। এ বিষয়ে প্রকৌশল দফতর থেকে প্রশাসনের কাছে নোট দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান মেলেনি বলে জানা গেছে। এদিকে এক বছরে অবৈধভাবে দখলকৃত দুই কক্ষবিশিষ্ট ১৬টি বাসার কোনো ভাড়া তুলতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এস্টেট দপ্তর সূত্রে, এসব বাসার মাসিক ভাড়া ১৭৫০ টাকা। সে হিসাবে এক বছরে ৩ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ভাড়া বকেয়া পড়েছে এসব বাসায়। কিন্তু, এক বছরেও এসব বাসার ভাড়া উত্তোলন ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে বাসা বরাদ্দের বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। ফলে অবৈধ পন্থায় বাসাগুলোতে বাধাহীনভাবে অবস্থান করছেন শিক্ষক-কর্মকর্তারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অবৈধভাবে বাসা দখলকারী একাধিক কর্মকর্তা বাংলা ইনসাইডারকে  জানান, ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল নেয়ার জন্য কোনো নির্দেশনা দেয়নি প্রশাসন। আমরা অবৈধভাবে এখানে থাকতেও চাই না, কিন্তু এ বিষয়ে প্রশাসন কর্তৃক বাসা বরাদ্দের জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে না। তারা আমাদের নামে বাসা বরাদ্দ না দিলে আমরা বাসা ছেড়ে চলে যাব। কিন্তু ওই সিদ্ধান্তটা তো প্রশাসনকে দিতে হবে।

এস্টেট দপ্তরের প্রধান শামসুল ইসলাম জোহা বাংলা ইনসাইডারকে  বলেন, তালা ভেঙে ডরমেটরিতে বাসা দখলের পরই এস্টেট শাখা থেকে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়। তিনি আরো জানান, বিভিন্ন সংগঠনের ভূমিকার কারণে প্রশাসন থেকে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি। ভিসি স্যার কয়েকদিন আগে প্রধান প্রকৌশলী ও এস্টেট প্রধানকে ডেকেছিলেন। তিনি আমাদেরকে ওই শিক্ষক-কর্মকর্তাদের লিস্ট দিতে বলেছেন। আমরা তা জমাও দিয়েছি।

প্রো-ভিসি ও বাসা বরাদ্দ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বাংলা ইনসাইডারকে  বলেন, প্রকৌশল দপ্তর বা এস্টেট শাখা থেকে আমাদের কাছে লিখিতভাবে এই ভবন হস্তান্তর করা হয়নি। ওখানে কে উঠেছে বা অবস্থান করতেছে তা আমাকে লিখিতভাবে জানানো হয়নি। এস্টেট অফিস লিখিতভাবে জানালে এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


ইবি   শিক্ষক-কর্মচারী   ডরমিটরি   অবৈধ বসবাস  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ঈদ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় জাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৩:২৬ পিএম, ০৯ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার পথে রংপুরের গঙ্গাচড়া থানার রংপুর-তিস্তা ব্যারাজ সড়কের গঞ্জিপুরে বাস ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোছা. আজমুদা আক্তার রিমু (২২) মৃত্যুবরণ করেছেন। 

 

গতকাল শনিবার (৮ জুন) দুপুর ২টার দিকে রংপুরের গঙ্গাচড়া থানার রংপুর-তিস্তা ব্যারেজ সড়কের খলেয়া গঞ্জিপুর চেয়ারম্যান মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে৷ পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 

 

রিমুর পরিবারের ও প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হুসাইন মো. সায়েম বলেন, নীলফামারীর জলঢাকা থেকে রংপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি বাস এবং রংপুরের পাগলাপীর থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি অটোরিকশা খলেয়া গঞ্জিপুরের চেয়ারম্যান মোড় এলাকায় আসলে মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজি যাত্রী মেহেরুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরন করেন৷ 

 

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় বাসের হেলপারসহ গুরুতর আহতদের রংপুর মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই কলেজ শিক্ষিকা দিবা রানী সরকার (৪০) ও আজমুদা আক্তার রিমুর (২২) মৃত্যুবরণ করেন৷ পরে মেহেরুল ইসলাম (৩৫) নামের একজন আনসার সদস্যও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন৷ নিহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।

 

রিমুর প্রতিবেশী ও জাবির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সুরুজ আলী জানান, ঈদের ছুটিতে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় গত বুধবার দুপুরে বাসে করে রংপুরে উদ্দেশ্য রওনা হন রুমি। ক্যাম্পাস থেকে সরাসরি নীলফামারীর বাস না পাওয়ায় রংপুরে নানীর বাসায় যান তিনি। পরে সেখান থেকে আজ সকালে সিএনজি করে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বাড়িতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় পড়েন। 

 

উল্লেখ্য, নিহত রিমু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের ৫১তম ব্যাচের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) রোকেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন৷ তার বাড়ি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের ভেরভেরী গ্রামে। 

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা শোক প্রকাশ করেন এবং নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।


জাবি শিক্ষার্থী   সড়ক দুর্ঘটনা   ঈদ যাত্রা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন