ক্লাব ইনসাইড

ছিনতাইয়ের ঘটনায় ঢাবি ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার

প্রকাশ: ০৮:০১ পিএম, ১১ মে, ২০২৩


Thumbnail

ছিনতাইয়ের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী মামলা করার পর তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১০ মে) রাতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃতরা হলো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী নুর উদ্দীন আহমেদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুনতাসীর। তারা দুজনই ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

নুর উদ্দীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক আর আবদুল্লাহ আল মুনতাসীর শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক ছাত্রলীগের সহসভাপতি। দুইজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের অনুসারী। এই দুইজনকে আটকের সময় মো. রাজিব নামে একজন পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীর নাম জুবায়ের আহমেদ। তিনি পল্টন সিটি হার্ট মার্কেটের রংধনু ফ্যাশন নামক একটি দোকানে কাজ করেন। 

শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, পরিচিত একজনের কাছ থেকে মোটরসাইকেল কিনতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি আসেন। মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের আসতে দেরি হওয়ায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘুরতে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে উদ্যানের গ্লাস টাওয়ারের পশ্চিম পার্শ্বে প্রস্রাব করে দাঁড়ানোমাত্র দুইজন এবং তাদের আরও একজন সহযোগী ঘিরে ধরে এবং বিভিন্ন প্রশ্ন করে।

ভুক্তভোগী বলেন, তারা আমার কাছে যা আছে সব দিয়ে দিতে বলে। আমি দিতে অস্বীকার করলে আমার মাথায়, মুখে কিল-ঘুষি দিয়ে আহত করে এবং আমার প্যান্টের পেছনের ডান পকেটে রাখা মানিব্যাগ থেকে পনেরো হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। মুনতাসির নামে একজন মোবাইল দিয়ে আমার ছবি তোলে এবং আমার পিতার মোবাইল নম্বর নিয়ে তার মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে। 

অভিযোগে ভুক্তভোগী আরও বলেন, তারা আমাকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে চলে যাওয়ার সময় আমি তাদের পা ধরে টাকা ফেরত চাইলে তারা পাঁচ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে দ্রুত চলে যায়। তারপর আমি  ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে ঘটনা জানালে তাৎক্ষণিক শাহবাগ থানার এসআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন আমার নিকট হাজির হন। আমি ঘটনা খুলে বলি। 

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আসামিরা ভুক্তভোগীর পিতার নম্বরে ফোন দেয়। এটাই তাদের জন্য কাল হয়েছে। এর মাধ্যমে আসামির নম্বর সংগ্রহ করে তাদের আরও টাকার লোভ দেখিয়ে জাদুঘরের সামনে আসতে বলা  হয়। এতে তারা দুইজন আরও টাকা নেওয়ার জন্য রাত সাড়ে আটটার দিকে আসলে আমরা তাদের আটক করি। এরপর ভুক্তভোগী তাদের শনাক্ত করেন। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। এ সময় আসামিদের দুইজনের পকেট থেকে আড়াই হাজার টাকা করে মোট পাঁচ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। 

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, আমরা এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সাহায্য করেছি। ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্মে জড়িত হলে ছাত্রলীগে তাদের জায়গা হবে না। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হবে।

ঢাবি ছাত্রলীগ  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ঈদ উপলক্ষে যে বার্তা দিলো ছাত্রলীগ

প্রকাশ: ১১:২৮ এএম, ০৮ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে নগরবাসী। এ সময় ঘরে ফেরা এসব মানুষের নিরাপদ যাত্রা কামনা করে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

রোববার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান এই শুভেচ্ছা বার্তা দেন।

শুভেচ্ছাবার্তায় নেতারা বলেন, ‘বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার অবিকল্প সারথি, বাংলার মানুষের ভাষা-ভাত-ভোটের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, বৈশ্বিক উন্নয়ন অর্থনীতির রোল মডেল, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্ত-কর্ম-নীতি-আদর্শের উত্তরসূরি, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের’ রূপকার ও ‘স্মার্ট বাংলাদেশের’ স্বপ্নদ্রষ্টা, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী শহীদের রক্তস্নাত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সবাইকে জানাচ্ছে প্রীতি ও শুভেচ্ছা।’

নেতারা বলেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্ব ও সুপরিকল্পিত-সামগ্রিক-সমন্বিত-টেকসই উন্নয়ন অগ্রযাত্রার ফলে প্রধান এই উৎসবে বিপুলসংখ্যক মানুষের ঈদযাত্রা আগের চেয়ে অনেক সহজ, নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ হয়েছে। এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন হাইওয়ে, ৪ ও ৬ লেনের মহাসড়ক, নতুন সেতু, সম্প্রসারিত রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা, জলপথ ও আকাশপথে রুট ও ট্রিপের সংখ্যাবৃদ্ধি, ইন্টারচেঞ্জ, ওভারপাস-আন্ডারপাস, নদীর তলদেশে টানেল ইত্যাদি কারণে কোটি মানুষ স্বল্প সময়ে, আনন্দঘন পরিবেশে তাদের পরিবার-পরিজন-প্রিয়জনের কাছে ছুটে চলেছে।

তারা আরও বলেন, এমতাবস্থায়, নিরাপদ ঈদযাত্রার মাধ্যমে পরিবার-প্রিয়জনের কাছে নিশ্চিন্তে পৌঁছাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাধারণ জনতা, ছাত্রসমাজ, তরুণ প্রজন্ম সবাইকে ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছে। উৎসবমুখর নীড়ে ফেরার এই যাত্রাপথে সড়কে অসচেতনতা-উত্তেজনায় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাজনিত কারণে যেন এক বিন্দু রক্তও না ঝরে, একটি জীবনও যেন অকালে শেষ হয়ে না যায়, আনন্দ যেন অশ্রুতে পরিণত না হয় সে কারণে সবাইকে সচেতন-সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানাচ্ছে। মোটর বাইক চালানোর সময় হেলমেট পরিধান করা, নির্ধারিত গতি মানা, দুইজনের অধিক সংখ্যা না হওয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাথে রাখা, প্রতিযোগিতা না করা ইত্যাদি নিয়ম পালনের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

ছাত্রলীগের শীর্ষ এই দুই নেতা আরও বলেন, ঈদের ছুটিতে নিজ-নিজ এলাকায় থাকাকালীন ছাত্রসমাজ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মীরা যেন সামাজিক নানামুখী কর্মকাণ্ড যেমন: অসহায়ের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ, খেলাধূলা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মাদক-জুয়া-সন্ত্রাস বিরোধী সচেতনতা তৈরি ইত্যাদির সাথে জড়িত হয় সে আহ্বান জানাচ্ছে বাংলাদেশ।


ঈদুল ফিতর   ছাত্রলীগ  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে সক্রিয় হচ্ছে শিবির

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ০৭ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

ইসলামী ছাত্র শিবির একটি ক্যাডার ভিত্তিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল। ৮০ এবং ৯০ এর দশকে সন্ত্রাসের কারণে দলটি ব্যাপকভাবে সমালোচিত এবং বিতর্কিত হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। আর এই নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী ছাত্র শিবির এখন আবার নতুন করে সংগঠিত হচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রেক্ষাপটে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮-২০ সাল পর্যন্ত ইসলামী ছাত্র শিবিরের কার্যক্রম অনেকটাই গুটিয়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন ইসলামী ছাত্র শিবির আবার নতুন করে চাঙ্গা হচ্ছে।

রগ কাটা, শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং ক্যাম্পাসগুলোতে সন্ত্রাস সৃষ্টি করাই ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল। ৮০ এবং ৯০ এর দশকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। এই সমস্ত সন্ত্রাসী হামলায় বিভিন্ন ক্যাম্পাসে প্রচুর শিক্ষার্থীর প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছিল। মাঝখানে ছাত্র শিবিরের কার্যক্রম ছিল অনেক ম্লান। কিন্তু এখন নতুন করে আবার সংগঠিত হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক সংগঠন জামায়াত ইসলামের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবির।

সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্র শিবিরের তৎপরতার খবর পাওয়া গেছে। ইসলামী ছাত্র শিবির এখানে হলগুলোতে গোপন কমিটি করেছে এবং মসজিদভিত্তিক বৈঠকের মাধ্যমে সংগঠন গুছিয়ে ফেলেছে এমন খবর পাওয়া গেছে। 

ইসলামী ছাত্র শিবির প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দুই ভাবে কাজ করছে। একটি হলো সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে তারা মিশে গেছে। ছাত্র রাজনীতি বিরোধী আন্দোলনে সোচ্চার হচ্ছে। এদেরকে সাদা চোখে ছাত্র শিবির হিসাবে বোঝার উপায় নেই। আর দ্বিতীয়টি হলো তারা গোপনে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠন করছে। এখন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সব হলে ছাত্র শিবিরের সংগঠন রয়েছে। 

বাংলাদেশে কোনোদিন যেটি হয়নি সেটি এখন হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ইসলামী ছাত্র শিবিরের গোপন তৎপরতার খবর পাওয়া গেছে। ৮০-৯০ এর দশকে যখন সব ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্র শিবিরের উপস্থিতি ছিল সরব, সেই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও তারা কমিটি করতে চেয়েছিল। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রবল প্রতিপক্ষের মুখে তারা ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়। যদিও কাটাবন মসজিদকে ঘিরে সেই সময় ছাত্র শিবিরের তৎপরতা ছিল, সেটাও উল্লেখযোগ্য নয়। কিন্তু এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৫ টি হলে ইসলামী ছাত্র শিবিরের কমিটির কথা নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই সমস্ত হলগুলোতে ছাত্র শিবির গোপনে তৎপরতা চালাচ্ছে। ছাত্র শিবিরের তৎপরতার খবর সাধারণ শিক্ষার্থীদের অজানা নয় ৷ 

বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে যে, তারা ক্যাম্পাসের মধ্যেও এখন একটা অবস্থান গ্রহণ করতে পেরেছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্র শিবিরের ঘাটি ছিল। মাঝখানে ছাত্রলীগ ছাত্র শিবিরকে ঝেটিয়ে বিদায় করেছিল বটে। কিন্তু এখন আবার নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশে আবাসিক এলাকাগুলোতে ছাত্র শিবির নতুন করে সংগঠিত হচ্ছে। 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং ছাত্রলীগের প্রতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের নেতিবাচক মনোভাবের প্রেক্ষিতে ছাত্র শিবির আবার নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। 

ইসলামী ছাত্র শিবিরের নতুন করে এই তৎপরতা এবং সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোর জন্য উদ্বেগজনক। কারণ ছাত্র শিবির একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। রগ কাটার জন্য আলোচিত এই সংগঠন। মুক্ত শিক্ষাঙ্গণের জন্য বিপদজ্জনক। এ ব্যাপারে এখনই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। 


বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস   শিবির   বুয়েট   ছাত্ররাজনীতি  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

অধিভুক্তি নিয়ে যা ভাবছে রাবি ও কলেজ শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ০৯:৫৭ এএম, ০৭ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail রাবির অধিভুক্ত ৪ কলেজ

রাজশাহী জেলা চার সরকারি কলেজকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অধিভুক্ত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির পর এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নানা আলোচনা-সমালোচনা দেখা গেছে। কেউ কেউ এটাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও, নেতিবাচক প্রভাবের কথাও বলছেন অনেকে।

 

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শতরূপা তালুকদার স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রাজশাহী অঞ্চলের ৪ টি সনামধন্য কলেজকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। কলেজগুলো হলো: রাজশাহী সরকারি কলেজ, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ, রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ ও নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহী।

 

এ অধিভুক্তি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকের ধারণা এ অধিভুক্তির ফলে অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষার মান বাড়বে আবার কেউ কেউ ধারণা করছে এতে সেশনজটসহ সৃষ্টি হবে নানা জটিলতা।

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মনিমুল হক বলেন, কলেজগুলোর অধিভুক্ত অবশ্যই সুসংবাদ। কারণ আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পেলেও এখন স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট পাবে। এতে চাকরির বাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। তবে পঠনপাঠন ও মূল্যায়ণ উভয়ের যেহেতু আলাদা, তাই দক্ষ শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রণে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেটা পরিচালনা করা দরকার। তাছাড়া সেশনজট সহ নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। এতে ভোগান্তি আরো বাড়বে। যেমনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজে দেখা যায়।

 

অধিভুক্তিকে 'পরাধীনতা' অ্যখ্যা দিয়ে রাজশাহী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মাহাফুজ আহমেদ সিজান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি অন্যের হস্তক্ষেপ ও এক ধরণের পরাধীনতা। রাজশাহী কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গেলে খাপ খাওয়ানো থেকে শুরু করে একাডেমিক কার্যক্রমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতেই পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের যথাযথ সহযোগিতা ও একাডেমিক কার্যক্রম একই হলে অধিভুক্ত কলেজগুলোর জন্য সেটা অবশ্যই ভাল হবে।

 

সেশনজটের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে রাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোসা. ইতি বলেন, তাছাড়া করোনার পর দেখা যাচ্ছে যে বেশ কিছু ডিপার্টমেন্ট এমনিতেই বড়সড় সেশনজটে আছে। কিন্তু এখন কোনো মহামারী ছাড়ায় সেগুলো জোটে থাকবে। কারণ চার কলেজের পরীক্ষা, রেজাল্ট সংক্রান্ত কাজ করতে আলাদা কোনো ভবন বা প্রশাসন তৈরি হবেনা যার ফলে এসব সামলাতে হিমসিম খাবে রাবি প্রশাসন।

 

রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী ইশরাত জলিল সেশনজটের সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, খুব সমস্যা হবে আমাদের। আমরা দেশের সেরা একটি কলেজে পড়ি। এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এর আগে প্রতিষ্ঠিত আমাদের কলেজ। সবকিছু বিবেচনা করে দেখা যাবে রাজশাহী কলেজেকে রাবির অধীনে করাটা একদম ঠিক হয়নি। আমাদের কোনো সেশনজট ছিলো না। হয়তো এখন ঢাবির সাত কলেজের মতো আমরাও সেশন জটের মুখোমুখি হবো।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার মোর্শেদ অধিভুক্ত করার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন না। তিনি বলেন, কোনো কলেজকে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার মানে হচ্ছে - অধিভুক্ত কলেজকে হাফ বিশ্ববিদ্যালয়ে অলিখিত ভাবে রূপান্তর করণ পাশাপাশি অধিভুক্তকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের অবস্থান ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করণ ছাড়া আর কিছু দেখি না। এহেন সিদ্ধান্তকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে ইতিবাচক হিসেবে দেখছি না।

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ালিটি এসিউরেন্স সেলের পরিচালক ড. দুলাল চন্দ্র রায় বলেন, চার কলেজে অধিভুক্ত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের খুব একটা সমস্যা হবে মনে করি না। কারণ ওখানে গিয়ে তো আমাদের আর ক্লাস নিতে হবে না। তাদের পরীক্ষার তদারকি আর ভর্তি কার্যক্রমের সময় অফিসিয়াল কিছু কাজ থাকবে। আমাদের তেমন কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না।


রাবি অধিভুক্ত চার কলেজ   রাবি   ৪ কলেজ   অধিভুক্ত কলেজ   সেশনজট  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

রাসিকের নগর উন্নয়ন প্রকল্প, ভাঙ্গা পড়বে রাবির প্রধান ফটক

প্রকাশ: ১১:৫০ এএম, ০৬ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মূল ফটক

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নগর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ঘেঁষা মহাসড়ক সংস্কারের কাজ চলছে। সৌন্দর্য বর্ধনে সড়কে ডিভাইডার ও উভয় পাশে সবুজায়নের জন্য সড়ে ফেলা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীর। এতে ভাঙা পড়বে প্রধান ফটক। তবে সৌন্দর্য বর্ধনের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা সিটি কর্পোরেশন নিচ্ছে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  

 

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, 'রাস্তা প্রশস্থ করতে জায়গা চেয়েছিল সিটি কর্পোরেশন। সেই প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আমরা জানিয়েছিলাম কিন্তু সেটার এখনও পর্যন্ত অনুমোদন হয়নি। ফলে আমরা জায়গা দিতে পারিনি। তবে রাস্তা সংস্কারের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীরের অনেকাংশ ভেঙে গেছে। এখন সিটি কর্পোরেশন সেটা নিজ খরচে নির্মাণ করে দিচ্ছে। সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য প্রাচীর থেকে প্রায় ১০/১২ ফুট পিছিয়ে এসে দৃষ্টি নন্দন বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। ওয়াল ও রাস্তার মাঝখানে গ্রিনজোন করা হবে যার সামনে স্টেইনলেস রডের বেরিকেড দেওয়া থাকবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের অংশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। এ জায়গার সম্পূর্ণ মালিকানা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের থাকবে অন্য কাউকে হস্তান্তর করা হবেনা। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটি করা হচ্ছে। নতুন ফটক ও প্রাচীর নির্মাণ করে সৌন্দর্য বর্ধনের অর্থায়ন করবে সিটি কর্পোরেশন।‘

 

তিনি আরও বলেন, ‘রাস্তা প্রশস্থ হওয়ায় গেটগুলো এখন মহাসড়কের সঙ্গে লেগে গেছে। ফলে ক্যাম্পাস থেকে গাড়ি যেতে-আসতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেজন্য গেটগুলো ভিতরের দিকে কিছুটা পিছিয়ে আনা দরকার। তাছাড়া প্রধান ফটকের সামনে একটি ফুট ওভার ব্রিজ নির্মাণের কথাও আমরা সিটি কর্পোরেশনকে জানিয়েছি। তারা সেটাও করে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।'

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় তালাইমারী মোড় থেকে কাটাখালী বাজার পর্যন্ত অযান্ত্রিক যানবাহন লেনসহ ৬ লেন সড়কের নির্মাণকাজ চলছে। সড়কের সৌন্দর্য বর্ধনে ডিভাইডার ও উভয় পাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে।

 

এই রাস্তার প্রসস্থকরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে থেকে কিছু জমি চায় সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না থাকায় ওই সময় জমি দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফলে ৬ লেনের স্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন স্থানে ৪ লেনে হয়েছে সড়কটি। প্রকল্পের আওতায় রাস্তা ঘেঁষে সবুজায়ন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে জায়গা চায় সিটি কর্পোরেশন।  ফলে মন্ত্রণালয়ে ফের চিঠি পাঠায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের জবাব আসতে বিলম্ব হলে সিন্ডিকেট সভা ডাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে জায়গা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেখে কর্পোরেশনের অর্থায়নে প্রচীর নির্মাণ ও পাদদেশে সবুজায়ন করার সিদ্ধান্ত হয়। ফলে স্থানভেদে ১০-১৫ ফুট জায়গা পিছনে সড়ে প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলছে। 

 

এ ব্যাপারে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর ইসলাম তুষার বলেন, 'মহাসড়ক ঘেঁষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীরের পাদদেশ দিয়ে সবুজায়ন করতে ১৫ ফুট জায়গা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়েছে। কিন্তু জায়গার মালিকানা বিশ্ববিদ্যালয়ের থাকবে, অর্থায়ন করবে সিটি কর্পোরেশন। এক্ষেত্রে প্রাচীর সহ অন্য যেটাই ভাঙা হবে সেটার অর্থায়ন কর্পোরেশন করবে।'

 

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক তারিকুল হাসান বলেন, 'মহাসড়ক ঘেঁষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীর স্থানভেদে প্রায় ১২ ফুট পর্যন্ত পিছনে সড়ে প্রাচীর নির্মাণ ও পাদদেশে দিয়ে সবুজায়ন করা হবে। জায়গা বিশ্ববিদ্যালয়েরই থাকবে কিন্তু প্রাচীর নির্মাণের অর্থায়ন সিটি কর্পোরেশন করবে। এতে প্রধান ফটক ভাঙা পড়বে কিন্তু সেটার নকশা ও অর্থায়নের সিদ্ধান্ত পরে হবে। তাছাড়া বিনোদপুর ও কাজলা বাজার সংলগ্ন প্রাচীর ঘেঁষা দোকানগুলো সড়বে কিনা সেটাও পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত হবে।


নগর উন্নয়ন প্রকল্প   রাবির প্রধান ফটক  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের বিভাগভিত্তিক কমিটি ঘোষণা

প্রকাশ: ১০:৩৪ এএম, ০৬ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগভিত্তিক কমিটি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) রাতে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানার যৌথ স্বাক্ষরে আগামী ১ বছরের জন্য এই কমিটিগুলো ঘোষণা করা হয়।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ (বিবিএ), আইন বিভাগ, সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং (সিইই) বিভাগ, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) ও ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স বিভাগে কমিটি ঘোষণা করা হয়।

বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের (বিবিএ) ছাত্রলীগের সভাপতি জাওয়াদ রহমান ও রিয়াদুল আমিনকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে ৯ জনকে সহসভাপতি করা হয়। তারা হলেন, আবিদ শাহরিয়ার পুলক, অর্ণব বসাক, নাসিফ চৌধুরী রাদিদ, সাদমান জিসান, মোহতাসিম মোহাম্মদ তৌফিক, সাফির আবরার, আরমান হোসেন,  তৌফিকুজ্জামান মিয়া ও শাহেদ সিরাজ।

যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন, রাকিব আহমদ রাফি, তাশদিদ ইসলাম রঙ্গন ও মারুফ ইসলাম জিদান। সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন, শাহ্ মো. নাজমুস সামি, আরিফিন হাসিব,  তানভির হোসেন পাহেল ও মো. ইফতেখারুল ইসলাম ইফতি।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অন্তর্গত সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং (সিইই) বিভাগ ছাত্রলীগের নিম্নোক্ত কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শ্রাবণ সরকার শাওনকে সভাপতি ও শিহাবুর রহমান শিহাবকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এতে সহ-সভাপতি হলেন, এস এম নাজমুস সাকিব, সজীব চৌধুরী ও সানি কবির। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন, মো. রিব রহমত, ইফতেখার জামান। সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন, মিনহাজুল ইসলাম বাঁধন, নাসিমুল হক নাসিম ও মো. মুফতি হাসান।

আগামী ১ বছরের জন্য নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অন্তর্গত ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) বিভাগ ছাত্রলীগের নিম্নোক্ত কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে সভাপতি শান্ত মিয়া ও চৈতন্য সাহাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। সহ-সভাপতি হলেন, রিদ্দাত আহমেদ, সৌরভ মজুমদার ও সাফোয়ান মাহমুদ। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ইরফাত ও রিফাত উদ্দিন। সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আব্দুর রহমান গালিব ও মো. ওয়াহেদুন নবী।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অন্তর্গত আইন বিভাগ ছাত্রলীগের নিম্নোক্ত কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভাপতি মো. সাইব সাখাওয়াত তুর্য ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুল্লা মুগ্ধ। সহ-সভাপতি নিষাদ ভূঁইয়া, ফাহিম ফয়সাল, জারিফ মুসতাভী ও মনতাহা সীমান্ত। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আলমগীর পিয়াস, প্রতীক সেন ও মুনিম শাহরিয়ার মিশু। সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ওমর সাদী, মো. শিহাব হোসেন ফাহিম ও তীর্থ নাগ।

আগামী এক বছরের জন্য নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অন্তর্গত ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স বিভাগ ছাত্রলীগের নিম্নোক্ত কমিটি অনুমোদন দেওয়া হলো। এতে সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মুনতাসিম ফারুক জাফরিকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। কমিটির সহ-সভাপতি  বিমা সামাদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাত জাহানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়   ছাত্রলীগ   কমিটি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন