কালার ইনসাইড

আলী যাকেরকে হারানোর এক বছর

প্রকাশ: ০২:৪৬ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail আলী যাকেরকে হারানোর এক বছর

জনপ্রিয় অভিনেত্রী, কলামিস্ট ও ব্যবসায়ী আলী যাকের। টেলিভিশন ও মঞ্চ নাটকে তার জনপ্রিয়তা ছিলো সেরা। তার বড় চাচা চরিত্রটি দর্শকদের মনে দাগ কেটেছে চমৎকারভাবে। আজ সেই গুণী মানুষের চলে যাওয়ার দিন। ২০২০ সালে ২৭ নভেম্বর ক্যান্সারের সাথে লড়াইয়ে ব্যর্থ হয়ে মারা যান আলী যাকের।

আলী যাকের ১৯৪৪ সালের ৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের রতনপুর ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। চার ভাই বোনের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন তিনি। তার বাবা মোহাম্মদ তাহের ছিলেন চট্টগ্রাম সদর স্ট্রিটের মহকুমা প্রশাসক, মা রিজিয়া ছিলেন গৃহিণী। বাবার চাকরির সুবাদে দেশের বিভিন্ন জায়গায় শৈশব কাটিয়েছে তিনি। আলী যাকের সেন্ট গ্রেগরি স্কুল থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিক এবং ১৯৬২ সালে নটর ডেম কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক করেন আলী জাকের। এসময় ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন তিনি।

স্বাধীন বাংলা বেতারের একজন শব্দসংগ্রামী ছিলেন আলী যাকের। ১৯৭২ সালের আলী যাকের আরণ্যক নাট্যদলের হয়ে মামুনুর রশীদের নির্দেশনায় মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকে প্রথম অভিনয় করেন, যার প্রথম প্রদর্শনী হয়েছিল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে। ১৯৭২ সালের জুন মাসের দিকে আতাউর রহমান ও জিয়া হায়দারের আহ্বানে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ে যোগ দেন। ওই দলে তিনি আতাউর রহমানের নির্দেশনায় বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন, যার প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল ওয়াপদা মিলনায়তনে।

১৯৭৩ সালে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ে তিনি প্রথম নির্দেশনা দেন বাদল সরকারের বাকি ইতিহাস নাটকে, যা ছিল বাংলাদেশে প্রথম দর্শনীর বিনিময়ে নাট্য প্রদর্শনীর যাত্রা। আলী যাকের ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বাংলাভিশনের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক অনুষ্ঠান ভালোবাসার বাংলাদেশ উপস্থাপনা করেন। এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির কর্ণধার ছিলেন। তিনি দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় নিয়মিত কলাম লিখতেন। 

বাকি ইতিহাস, সৎ মানুষের খোঁজে, দেওয়ান গাজীর কিস্‌সা, কোপেনিকের ক্যাপ্টেন, গ্যালিলিও, ম্যাকবেথসহ অনেক আলোচিত মঞ্চনাটকে অভিনয় ও নির্দেশনা দেন আলী যাকের।  এছাড়া টেলিভিশনে 'আজ রবিবার', 'বহুব্রীহি', 'তথাপি', 'পাথর দেয়াল'সহ অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন। ৫০টির বেশি বেতার নাটকে অভিনয় ছাড়াও লিখেছেন টেলিভিশনের জন্য মৌলিক নাটক। তার লেখা বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- 'সেই অরুণোদয় থেকে', 'নির্মল জ্যোতির জয়' প্রভৃতি।

১৯৭৭ সালে আলী যাকের আর সারা যাকেরের বিয়ে হয়। সারা যাকেরও একজন অভিনেত্রী। এই দম্পতির দুই সন্তান, পুত্র অভিনেতা ইরেশ যাকের ও কন্যা শ্রিয়া সর্বজয়া।

শিল্পকলায় অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মানা পুরস্কার একুশে পদকে ভূষিত করে। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার, বঙ্গবন্ধু পুরস্কার, মুনীর চৌধুরী পদক, নরেন বিশ্বাস পদক এবং মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পুরস্কার লাভ করেন।

 

 



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ঈদে ‘মায়ের বিয়ে’ নাটক নিয়ে ফিরলেন মামুন আব্দুল্লাহ্

প্রকাশ: ০৫:৫৪ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail

দীপ্ত টিভির জন্য নির্মিত হলো ঈদের নাটক ‘মায়ের বিয়ে’। আল আমিন স্বপনের রচনায় নাটকটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন মামুন আব্দুল্লাহ্। অভিনয় করেছেন অর্চিতা স্পর্শিয়া, ইমতিয়াজ বর্ষণ, নাজাহ আলাইনা, দেবব্রত মিত্র, রেশমা, শেখ স্বপ্না। কাজী মিডিয়া লিমিটেড প্রযোজিত মায়ের বিয়ে নাটকটি নির্মাণ করেছে প্লাটিনাম মাল্টিমিডিয়া। নাটকটির লাইন প্রযোজক সাইফুর রহমান সুজন এবং নির্বাহী প্রযোজক নাইমুল হাসান রাব্বী।

মামুন আব্দুল্লাহ্ একজন মেধাবী নির্মাতা। দীর্ঘদিন পর ঈদের নাটক নিয়ে ফিরলেন তিনি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ থেকে তিনি নাট্য নির্দেশনা গ্রুপে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। মামুন আব্দুল্লাহ্’র জন্ম গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। তিন ভাই বোনের মধ্যে তিনি মেঝ। বাবা মরতুজ আলী পেশায় ছিলেন শিক্ষক। মা বেগম রোকেয়া পরিবার পরিকল্পনা উপজেলা অফিসের ইউনিয়ন পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মামুন আব্দুল্লাহ সুন্দরগঞ্জ আব্দুল মজিদ সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও সুন্দরগঞ্জ ডি ডব্লিউ সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি একই বিভাগে এমফিল করছেন।

নাটকের গল্প নিয়ে বলতে গিয়ে মামুন আব্দুল্লাহ বলেন, মানবিকতার গল্পের নাটক মায়ের বিয়ে। নাটকের নাম শুনে অনেকে অবাক হলেও গল্পটা একটু অন্য ধরনের। আমাদের সমাজ নির্ভর একটা গল্প। নাটকটি দর্শক দেখলেই সেটা বুঝতে পারবে বলে আমি মনে করি। মায়ের বিয়ে! নামটা শুনে একটু অবাক লাগছে তাইনা? গল্পটা একটু অবাক করে দেয়ার মতোই।

তিনি আরও বলেন, গল্পের শুরুতেই দেখা যায়, রাজ্জাক সাহেবের একমাত্র মেয়ে তুশিকে পাত্রপক্ষ দেখতে এসেছে এবং এসেই আবিষ্কার করে তুশির অলরেডি একটি ছোট মেয়ে আছে। সে মেয়ে তাকে মা মা বলে ডাকছে! পাত্রপক্ষের চক্ষু চড়কগাছ। যে মেয়ের বাচ্চা আছে তাকে কিনা বিয়ে দিতে চাচ্ছে রাজ্জাক সাহেব! পাত্রপক্ষ রাগ করে চলে যায় রাজ্জাক সাহেবের বাড়ি থেকে। এরকম বেশ কয়েকবার বিয়ে ভাঙে তুশির। প্রতিবারই তুশির ছোট্ট মেয়েটিকে দেখে পাত্রপক্ষ বিমুখ হয়ে চলে যায়। তুশির মা বাবা দুজনেই চিন্তিত হয়ে পড়েন মেয়েকে নিয়ে। এর মাঝেই একদিন তুশির মায়ের বান্ধবী নিজের ছেলের জন্য তুশিকে দেখতে আসেন। তুশির বাবা মা বুদ্ধি করে তুশির ছোট্ট মেয়ে দৃষ্টিকে সরিয়ে রাখেন। তুশিকে দেখে পছন্দ হয় পাত্র বন্ধন এবং তার মায়ের। দেখতে এসেই বন্ধনের জন্য তুশির হাতে আংটি পরিয়ে রাখা হয়। কিন্তু এই বিয়েও পরিণতি পাওয়ার আগে তুশির মেয়ে আছে এই কথা জেনে যায় বন্ধন এবং তার মা। তারা চরম হতাশা প্রকাশ করে চলে যায়। তুশির বাবা মা আবারও মেয়েকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। তুশি বন্ধনকে ফোন করে দেখা করতে চায়। দেখা করে আসল ঘটনা খুলে বলে বন্ধনকে। “দৃষ্টি আসলে ওর নিজের মেয়ে না। একজন ছিন্নমূল শিশু। তুশি বাস স্ট্যান্ডে কুড়িয়ে পেয়েছিলো তাকে। দৃষ্টির বয়স তখন মাত্র কয়েক মাস। ওর মা ওকে ফেলে নিরুদ্দেশ হয়েছিলো। অতটুকু বাচ্চাকে বাস স্ট্যান্ডে দেখে বড় মায়া হয় তুশির, সাথে করে নিয়ে আসে। সেই থেকেই ছোট্ট মেয়েটিকে বড় করছে তুশি। পিতামাতাহীন একটি শিশুর মা হওয়া কি অপরাধ ? বন্ধনের কাছে এমন প্রশ্নই রাখে তুশি। এভাবেই নানা দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় নাটকের কাহিনী।


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

অঞ্জনার অক্ষেপ

প্রকাশ: ০৪:৩০ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail অঞ্জনার অক্ষেপ

চল্লিশ বছরের বেশি সময় সিনেমায় অভিনয় করছেন চিত্রনায়িকা অঞ্জনা রহমান। বিশেষ করে তার নাচ মুগ্ধ করেছে অসংখ্য ভক্তকে। গতকাল (২৭ জুন) এই অভিনেত্রীর জন্মদিন ছিলো। বিশেষ এই দিনে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছায় ভেসেছেন তিনি। গত ২৬ জুন রাত ১২টা এক মিনিটে বাসায় পরিবারের সঙ্গে কেক কাটেন। 

জন্মদিনের পরের দিন বেশ অক্ষেপ করেই নিজের ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন অঞ্জনা। যেখানে তিনি লিখেন, গতকাল ২৭ জুন আমার জন্মদিন ছিলো,দেশে ও দেশের বাইরের আমার অসংখ্য প্রিয় ভক্ত শুভাকাঙ্ক্ষী এবং প্রিয়জনদের সবার ভালবাসা ও শুভেচ্ছায় আমি সত্যিই ধন্য। 

আপনাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর কোন ভাষা আমার জানা নেই।আপনাদের এই অকৃতিম হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার জন্যই আজ আমি অঞ্জনা হতে পেড়েছি। কিন্তুু অনেক দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে, বাংলা চলচ্চিত্রের সেই ১৯৭৬ সাল থেকে বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণালী অধ্যায়ে অসংখ্য সুপার বাম্পার হিট মাইলস্টোন দর্শকনন্দিত চলচ্চিত্রে আমি অভিনয় করেছি।

শুধু বাংলাদেশেই না বাংলাদেশ ছাড়াও আন্তর্জাতিকভাবে একমাত্র আমি অঞ্জনা বিশ্বের ৯ টা দেশের ১৩ টি ভাষার সিনেমায় অভিনয় করেছি।

সমৃদ্ধময় করেছি বাংলা চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনকে। এরপর থেকে এখন অব্দি আমি নিরলসভাবে জড়িত আছি এই চলচ্চিত্র শিল্পের সংগে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির তিন তিনবার পরপর নির্বাচনে আমার প্রিয় শ্রদ্ধেয় শিল্পীদের অসংখ্য ভোটে আমি নির্বাচিত হয়েছি প্রতিবার।

বর্তমান চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই অভিনেত্রী আরও লিখেন, বর্তমান বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে আমি কেবিন্যাটে রয়েছি।

 সবচাইতে দুঃখের বিষয় হলো আমার জন্মদিনে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান কমিটির সম্মানিত কার্যনির্বাহী সদস্য প্রিয় বোন রোজিনা প্রিয় বোন অরুনা বিশ্বাস (জায়েদ খান) শাহানুর ও জয় চৌধুরী ব্যাতিত আর একজনও আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানায়নি। অথচ বর্তমান কমিটির অনেকের জন্মদিনে আমি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে এবং কল করে তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছি।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বা কল করে শুভেচ্ছা জানালে বা না জানালে অবশ্যই আমার কিছু আসে যায় না। কিন্তুু এতোটি বছর চলচ্চিত্রে অভিনয় করার পর সবার কাছ থেকে এইটুকু ভালোবাসাতো নিত্যান্ত প্রাপ্য। বর্তমান শিল্পী সমিতির কমিটির অনেকের এরকম ব্যাবহারে সত্যিই আমি মর্মাহত। আর কিছুই বলার নেই। 

অঞ্জনা রহমান অভিনয় ক্যারিয়ারে ৩৫০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কাপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে কার্যকরী পরিষদের সদস্যের দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিনয়, নৃত্য ও মডেলিং তিনটিতেই অঞ্জনা সফলতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা বাবুল চৌধুরী পরিচালিত ‘সেতু’। কিন্তু দর্শকের সামনে তিনি প্রথম আসেন মাসুদ পারভেজের ‘দস্যু বনহূর’ সিনেমার মাধ্যমে। নায়করাজ রাজ্জাকের সঙ্গে সর্বাধিক ৩০টি সিনেমার নায়িকাও অঞ্জনা।

এর মধ্যে ‘অশিক্ষিত’, ‘রজনীগন্ধা’, ‘আশার আলো’, ‘জিঞ্জির’, ‘আনারকলি’, ‘বৌরানী’, ‘সোনার হরিণ’, ‘মানা’, ‘রাম রহিম জন’, ‘সানাই’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’ ও ‘অভিযান’ উল্লেখযোগ্য। ‘পরিণীতা’, ‘গাংচিল’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান অঞ্জনা। এ ছাড়াও দুইবার বাচসাস, দুইবার নৃত্যে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া ১৯৯৮ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে নৃত্যে প্রথম হয়ে জিতে নেন হলিউড অ্যাওয়ার্ড।

অঞ্জনা সুলতানা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

সত্য ঘটনা অবলম্বনে 'রিক্সা গার্ল'

প্রকাশ: ০৪:০৯ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail

ছোট পর্দার বর্তমান সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী তানজিন তিশা। ক্যারিয়ারে নিজের যোগ্যতাকে প্রমাণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন নানা মাত্রিক চরিত্রে। আসন্ন ঈদুল আজহায় তিনি আসছেন বেশ কয়েকটি নাটক নিয়ে। তবে ‘ রিক্সা গার্ল’ নাটকে  তাকে দেখা যাবে ভিন্ন এক লুকে। 

তানজিন তিশার সাথে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন ওটিটির আলোচিত অভিনেতা সোহেল মণ্ডল।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে শিখা, হার না মানা এক মানুষের নাম! জীবন বাস্তবতায় সে শহরে রিক্সা চালায়। ছোট বোন পরীকে নিয়ে শহরের কোন এক বস্তিতে  তার অন্য এক সংসার! এক সময় রেজাউল নামের এক মানুষ তাকে আগলে রাখতো সব সময়। অজানা এক কারণে নিখোঁজ হয় রেজাউল! ঘটনাক্রমে শিখা মুখোমুখি হয় অপ্রিয় এক সত্যের! যে সত্য প্রশ্নবিদ্ধ করে পুরুষ নামক মানুষের পরিচয়কে। তবু জীবন চলে জীবনের নিয়মেই। 

শিখা চরিত্রে অভিনয় করে তানজিন তিশা বলেন, ‘আমি সব ধরণের কাজেই নিজেকে প্রমাণ করতে চাই। তবে এই নাটকের শিখা চরিত্র একটা বোধের জায়গা থেকে করা। সমাজের শ্রমজীবী নারীদের জীবন কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে এ নাটকে। এই শহরে যে সব নারী জীবন সংগ্রামে লড়াই করছে তাদের প্রতি এক ধরণের শ্রদ্ধাবোধ থেকে কাজটা করা। এই ঈদে রিক্সা গার্ল নিঃসন্দেহ অন্য রকম আবেদনের একটি কাজ হবে।‘      

রেজাউল চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে সোহেল মণ্ডল বলেন,’ গতবাঁধা নাটকে কাজ করতে চাই না আমি আসলে। খুব বেছে বেছে ভালো কিছু কাজ করতে চাই। রিক্সা গার্ল নাটকে নতুন এক সোহেল মণ্ডলকে পাবে দর্শক।       

নাটকটি রচনা করেছেন আহমেদ তাওকীর। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,’ এখন গল্প নির্ভর কাজের পরিবেশ ঠিক আগের মতো নেই। ট্রেন্ডি নামে সব অগল্পের গল্প হচ্ছে। আমি চেয়েছি একটা গল্প বলতে। যে গল্প একজন হার না মানা নারীর! 

 নাটকটি পরিচালনা করেছেন রাফাত মজুমদার রিংকু। তিনি জানা, একদম র গল্প নির্মাণে আমি অন্য রকম আনন্দ পাই। চারপাশের চেনাজানা চরিত্রগুলোর গল্প বলার মধ্যে অনেকের জীবনের ছবি দেখতে পাই! যাদের কথা কেউ বলে না, সেই কথাগুলো আমি তুলে ধরতে চাই! বলতে পারেন মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে এই নাটকটি পরিচালনা করা।        

শ্রমজীবী মানুষের জীবনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অন্য গল্পের এ নাটকটি আসন্ন ঈদে প্রচারিত হবে বেসরকারি একটি টেলিভিশনে।

রিক্সা গার্ল   তানজিন তিশা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

পুত্র বধূর উদ্দেশ্যে যে বার্তা দিলেন ওমর সানী

প্রকাশ: ০২:২৮ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail

ঢালিউডের তারকা দম্পতি মৌসুমী-ওমর সানী। গত বছর তাদের একমাত্র ছেলে ফারদীন এহসান স্বাধীনকে বিয়ে করান কুমিল্লার মেয়ে সাদিয়া রহমান আয়েশা সঙ্গে। আজ মঙ্গলবার (২৮ জুন) মৌসুমী-ওমর সানীর পুত্রবধূর জন্মদিন। এদিনে তাকে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন শ্বশুর ওমর সানী।

এই অভিনেতা ফেসবুকে বেশকিছু পারিবারিক ছবি শেয়ার করে লেখেন, ‘আয়েশা আমার বউমা আমার আরেকটা বাচ্চা। আলহামদুলিল্লাহ্, তোমার মত একটি মেয়ে আমার ছেলের বউ হিসেবে পেয়েছি। মা আজকে তোমার জন্মদিন, আজকে আমার চাওয়া আল্লাহর কাছে- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বা স্বামীকে পড়াবা, আমাদের সংসার আগলে রাখবে, শত প্রতিকূলতার মাঝে আমার মায়ের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবা। শুভ জন্মদিন আয়েশা। ’

সাদিয়া রহমান আয়েশা কুমিল্লার মেয়ে কিন্তু তার বেড়ে উঠা ও পড়াশোনা কানাডায়। সেখানে ফারদিনের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় তার। এরপর ভালোলাগা থেকে একে অপরকে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেছে নেন।

বাবা-মায়ের মতো তারকা দম্পতির ছেলে ফারদিনও শোবিজের সঙ্গে যুক্ত। তিনি চলচ্চিত্র বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে। বেশ কয়েক বছর আগে ‘ডেসটিনেশন’ নামে একটি টেলিফিল্ম নির্মাণ করেছেন তিনি। এতে অভিনয় করেছেন ওমর সানী।

২০২১ সালের ২৬ মার্চ সাদিয়া রহমান আয়েশাকে বিয়ে করেন স্বাধীন।

মৌসুমী   ওমর সানী  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

নিশোর ‘সিন্ডিকেট’র টিজার প্রকাশ

প্রকাশ: ০১:৪২ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail নিশোর ‘সিন্ডিকেট’র টিজার প্রকাশ

ছোট পর্দার বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো। ক্যারিয়ারে নানা মাত্রিক চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।

নাটকের পাশাপাশি এখন ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন এই অভিনেতা। প্রশংসিত হয়েছেন মরীচিকা’ ও ‘রেডরাম’ এ অভিনয় করেও। শুধু প্রশংসিতই হয়েছেন তা নয়, পাশাপাশি ওয়েব সিরিজেও মেরেছেন একের পর এক ছক্কা।


কিছুদিন আগেই ‘হইচই’ এ তার কাইজার ওয়েব সিরিজের ঘোষণা দিয়েছেন। ঠিক এরইমাঝে তার আরেক বহুল আলোচিত ওয়েব সিরিজ ‘সিন্ডিকেট’ এর টিজার প্রকাশ পেলো।  ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে এই টিজার প্রকাশ করা  হয়েছে। টিজারে আবারও নতুন এক নিশোর দেখা মিলল। উদ্বেগ ও টেনশনে থাকা এ কোন নিশো? আর ওপার থেকে বোনের ডাকে আদৌ কি সাড়া দেবেন নিশো? এ সকল প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে দেখতে হবে ‘সিন্ডিকেট’।

‘সিন্ডিকেট’ একটি ক্রাইম থ্রিলার ওয়েব সিরিজ। আফরান নিশো ছাড়াও এই সিরিজে দুটি নারী চরিত্র রয়েছে। তাসনিয়া ফারিণ ও নাজিফা তুষি। প্রথমে ফারিণ থাকলেও পরে নাজিফা তুষিকে যুক্ত করা হয়েছে। সিন্ডিকেটের নির্মাতা শিহাব শাহীন। বছরের শুরুতেই এই সিরিজের শুটিং শুরু করেছিলেন নির্মাতা।

হইচই   সিন্ডিকেট   আফরান নিশো  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন