কালার ইনসাইড

মাইলস ছেড়ে যা বললেন শাফিন আহমেদ

প্রকাশ: ১২:২০ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail মাইলস ছেড়ে যা বললেন শাফিন আহমেদ

নিজের গড়া ব্যান্ড মাইলস ছেড়েছেন শাফিন আহমেদ। শনিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে ফেসবুক লাইভে এসে এই ঘোষণা দেন শাফিন আহমেদ। এর আগেও একাধিকবার তিনি এই ঘোষনা দেন।

বক্তব্যের শুরুতে শাফিন আহমেদ বলেন, ‘মাইলসের সঙ্গে আমার পথচলা সেই ১৯৭৯ সাল থেকে। বহু বছর পার হয়ে গেছে। অনেক বছর সময় দিয়েছি, শ্রম দিয়েছি। অনেক ক্রিয়েটিভ কাজ হয়েছে। মাইলসের যে অবস্থান আজকে, সেটার পেছনে আমার কতটুকু অবদান, সেটা আপনাদের অনেকেই জানেন। তবে একটা সিদ্ধান্ত নিতে আমি বাধ্য হয়েছি সম্প্রতি। সেটা হচ্ছে, এ বছরের শুরু থেকে-মাইলসের বর্তমান লাইন আপের সাথে আমার পক্ষে মিউজিকের কোনো কার্যক্রম করা সম্ভব হচ্ছে না। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমি এই লাইন আপের সাথে মিউজিক করা থেকে বিরত থাকবো।’ 

দল ছাড়লেও গান ছাড়ছেন না শাফিন আহমেদ। তা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সংগীত জগতের কার্যক্রম আগের মতোই স্বাভাবিক থাকবে। নিয়মিত স্টেজ ও রেকর্ডিংয়েও আমাকে পাওয়া যাবে। আমার একটাই প্রত্যাশা মাইলস নামটির যেন কোনোরকম অপব্যবহার না হয়। মাইলসকে নিয়ে আমরা ৪০ বছর উদযাপন করেছি—খুব গৌরবোজ্জ্বলভাবে। আমরা যদি একসাথে কাজ না করতে পারি, তাহলে মাইলসের কার্যক্রম এখনই স্থগিত করা উচিত এবং এটাই সেরা সিদ্ধান্ত বলে মনে করি।’

 দল ছাড়ার একটি কারণ উল্লেখ করে ভিডিওটির ক্যাপশনে শাফিন আহমেদ লিখেন—‘দীর্ঘদিনের অন্যায় ও ভুল কার্যক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে আমি এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।’ তবে তার সঙ্গে কী অন্যায় করা হয়েছে তা জানাননি। এই বিষয়ে এখনই কিছু বলতে নারাজ মাইলসের আরেক কাণ্ডারি শাফিন আহমেদের বড় ভাই হামিন আহমেদ।

২০১০ সালে মাইলস ছেড়ে নতুন দল গঠন করেন শাফিন আহমেদ। কয়েক মাস পর ফিরে আসেন দলে। ২০১৭ সালের শুরুর দিকেও ব্যান্ড থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। কিন্তু কিছুদিন পর সব দ্বন্দ্ব ভুলে আবারো নিজ ঘরে ফেরেন শাফিন।

১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মাইলস। ১৯৯১ সালে দলটির প্রথম বাংলা গানের অ্যালবাম ‘প্রতিশ্রুতি’ প্রকাশিত হয়। এরপর তাদের পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। মাইলসের অ্যালবামগুলো হলো—মাইলস (১৯৮২), প্রতিশ্রুতি (১৯৯১), প্রত্যাশা (১৯৯৩), প্রত্যয় (১৯৯৬), প্রয়াস, প্রবাহ (২০০০), প্রতিধ্বনি (২০০৬) ও প্রতিচ্ছবি (২০১৫)।

মাইলসের সর্বশেষ লাইনআপে ছিলেন—শাফিন আহমেদ (বেজ গিটার, কণ্ঠ), হামিন আহমেদ (গিটার, কণ্ঠ), মানাম আহমেদ (কি-বোর্ড), ইকবাল আসিফ জুয়েল (গিটার) ও সৈয়দ জিয়াউর রহমান তূর্য (ড্রামস)।

 

 

 



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

বৃদ্ধাশ্রমে মারা গেলেন দক্ষিণী সিনেমার নির্মাতা

প্রকাশ: ০৭:৫৯ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় নির্মাতা কে জি জর্জ। রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তিনি কোচির কাক্কনাড এলাকায় একটি বৃদ্ধাশ্রমে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। এ নির্মাতা সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তার চিকিৎসাও চলছিল।

১৯৪৬ সালে কেরালায় জন্মগ্রহণ করেন জর্জ। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করে তিনি এফটিআইআই (পুনে ফিল্ম ইন্সটিটিউট)-এ পরিচালনার উপর প্রশিক্ষণ নিতে যোগদান করেন। প্রশিক্ষণ শেষ হলে মালায়লাম সিনেমার জনপ্রিয় পরিচালক রামু কারিয়াটের সহকারী হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু হয়। ৭০-এর দশকে বেশ কিছু সিনেমার চিত্রনাট্য লেখেন জর্জ।

১৯৭৬ সালে মুক্তি পায় তার নির্মিত প্রথম সিনেমা ‘স্বপ্নদনম’। প্রথম সিনেমাতেই সাফল্যের দেখা পেয়েছিলেন তিনি। সিনেমাটি সে বছর সেরা মালায়লাম সিনেমা হিসেবে ভারতের জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। ১৯৭৭ সালে মালায়লাম সংগীতশিল্পী সেলমা জর্জকে বিয়ে করেন তিনি।

প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে তিনি অনেক সিনেমা নির্মাণ করেছিলেন জর্জ। জর্জের নির্মিত উল্লেখযোগ্য সিনেমা হলো- ‘পঞ্চভরি পালাম’, ‘ইরাকাল’, ‘যবনিকা’, ‘দ্য ডেথ অব লেখা’, আ ফ্ল্যাশব্যাক’।

শুধু সিনেমা নির্মাণ-ই নয়, প্রযোজনার ক্ষেত্রেও জর্জ স্বকীয়তার ছাপ রেখেছিলেন। ১৯৯২ সালে মুক্তি পায় তার প্রযোজিত সিনেমা ‘মহানগরম’। এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মামুট্টী।

১৯৯৮ সালে মুক্তি পায় তার নির্মিত শেষ সিনেমা ‘একমকোড়ু দেশম’। জর্জের মৃত্যুতে ভক্ত-অনুরাগীদের পাশাপাশি দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্টরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন।


বৃদ্ধাশ্রম   দক্ষিণী সিনেমা   নির্মাতা   কে জি জর্জ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

রাফী ভালো খেলে: তমা

প্রকাশ: ০৬:২৪ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

নির্মাতা রায়হান রাফীর সাথে অভিনেত্রী তমা মির্জার প্রেমের গুঞ্জন অনেক দিন ধরে। রাফীর নির্দেশনায় ক্যামেরার সামনেও মন খুলে অভিনয় করেন তিনি। কিন্তু তমা জানতেন না রাফী এত ভালো খেলেন।

আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বসছে বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের নিয়ে ক্রিকেট লিগের আসর ‘সেলিব্রেটি ক্রিকেট লিগ (সিসিএল)’। খেলা চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বর্তমানে ব্যাট-বল হাতে জমিয়ে অনুশীলন করছেন তারা। সেখানে রাফীকে ক্রিকেট খেলতে দেখে সংবাদমাধ্যমকে এ কথা জানান তমা।

তমা বলেন, ‘রাফী যে এত ভালো ক্রিকেট খেলে, আমি জানতাম না। আমি তো প্রোগ্রামের দিন ভাবতেছিলাম, রাফী খেলবে! ও খুবই ভালো খেলে।’

জি নেক্সট জেনারেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান আয়োজিত এ খেলায় অংশগ্রহণ করবে আটটি দল। প্রতিটি দল গঠন করা হবে ১০-১৫ জন খেলোয়াড় দিয়ে। দলগুলোর নেতৃত্বে রাখা হয়েছে আটজন নির্মাতাকে। তারা হলেন গিয়াসউদ্দিন সেলিম, সালাহউদ্দিন লাভলু, শিহাব শাহীন, চয়নিকা চৌধুরী, দীপংকর দীপন, সকাল আহমেদ, মোস্তফা কামাল রাজ ও রায়হান রাফী।

তবে রাফীর দলে খেলছেন না তমা। তিনি খেলছেন চয়নিকা চৌধুরীর দলে। সঙ্গে রয়েছেন পরীমণি। অন্যদিকে রায়হান রাফীর দলে আফরান নিশো ও সিয়াম আহমেদসহ অনেকে।

এছাড়া সালাহউদ্দিন লাভলুর দলে খেলবেন চঞ্চল চৌধুরী, শাহনাজ খুশী, বাপ্পী চৌধুরী, নিলয় আলমগীর, দিব্য জ্যোতি, সৌম্য জ্যোতি, নির্মাতা তুহিন হোসেন দীপংকর দীপনের দলে এ বি এম সুমন, সুনেরাহ বিনতে কামাল ও জিয়াউর রোশান। এছাড়া বিভিন্ন দলের হয়ে অংশ নেওয়ার কথা আছে সাইমন সাদিক, জাহারা মিতু, তানজিন তিশার।


নির্মাতা রায়হান রাফী   তমা মির্জা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ভিন্ন আয়োজনে নেত্রকোণায় ‘ইত্যাদি’

প্রকাশ: ০৫:৪৮ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

দেশের বহুল জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ইত্যাদি। বরাবরই দেশের ইতিহাস, সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে জানতে এবং জানাতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ধারণ করা হয় অনুষ্ঠানটির পর্ব। এবার ইত্যাদির পর্ব ধারণ করা হয়েছে নৈসর্গিক শোভার লীলাভূমি নেত্রকোণায়।

ইত্যাদির ধারণ উপলক্ষে গত ১৩ সেপ্টেম্বর নেত্রকোণায় ছিল উৎসবের আমেজ। জেলার বিজয়পুরের সাদামাটির পাহাড়ের সামনে নির্মাণ করা হয়েছে ইত্যাদির মঞ্চ। অপরূপ দৃশ্যের সঙ্গে মিল রেখেই সাজানো হয় মঞ্চটি।

পাশাপাশি ইত্যাদির অনুষ্ঠানস্থলকে ঘিরে বসে জমজমাট মেলা। বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। এবারের অনুষ্ঠানে নেত্রকোণার সন্তান কুদ্দুস বয়াতী এবং ইসলাম উদ্দিন পালাকার একসঙ্গে এই অঞ্চলের দুটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।

এ ছাড়া নেত্রকোণাকে নিয়ে মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের কথায় এবং হানিফ সংকেতের সুরে গানটি গেয়েছেন কুদ্দুস বয়াতী। মেহেদীর সংগীতায়োজনে একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন স্থানীয় দুই শতাধিক গারো, হাজং এবং বাঙালি নৃত্যশিল্পীরা।

নাচের কোরিওগ্রাফি করেছেন মালা মার্থা আরেং, কণ্ঠ দিয়েছেন পুলক, তানজিনা রুমা, মোমিন বিশ্বাস ও নোশিন তাবাসসুম। দর্শকপর্বের নিয়ম অনুযায়ী ধারণস্থান নেত্রকোণাকে ঘিরে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকের মাঝখান থেকে চারজন দর্শক নির্বাচন করা হয়।

দ্বিতীয় পর্বে নির্বাচিত দর্শকদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক মলয় কুমার গাঙ্গুলী। সেই সঙ্গে পাহাড়-নদীর নান্দনিক স্বপ্নিল সৌন্দর্যে ঘেরা নেত্রকোণার ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিভিন্ন প্রত্ননিদর্শন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন এবং কীর্তিমান ব্যক্তিদের ওপর তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন রয়েছে এবারের পর্বে।

মৌলভীবাজারের অমলেন্দু কুমার দাশের ওপর মানবিক প্রতিবেদনও তুলে ধরা হয় ইত্যাদিতে। পাশাপাশি রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অবস্থিত গিয়ংবকগাং প্রাসাদের ওপর আরেকটি প্রতিবেদন।

নিয়মিত পর্ব হিসেবে এবারও যথারীতি রয়েছে নানি-নাতি, বিদেশি প্রতিবেদন ও চিঠিপত্র পর্ব। এ ছাড়া আরও রয়েছে- টেলিভিশন প্রযুক্তির উন্নয়ন বনাম অনুষ্ঠানের মানের অবনমন, ইন্টারনেট আসক্তির নেতিবাচক প্রভাব, ভুলে ভরা জীবন, সবিনয়ে আমন্ত্রণ-ক্রোধে প্রত্যাখ্যান, ভোট ভিখারি, ইউটিউবে টাকা কামানোর ধান্দা, সেলফি ভাইরাসসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর রয়েছে নাট্যাংশ।

এবারও ইত্যাদির শিল্প নির্দেশনা ও মঞ্চ পরিকল্পনা করেছেন শিল্প নির্দেশক মুকিমুল আনোয়ার মুকিম। তার সহকারী হিসেবে ছিলেন রানা সরকার এবং মোহাম্মদ মামুন।

বরাবরের মতোই ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। ইত্যাদি স্পনসর করেছে যথারীতি কেয়া কসমেটিক্‌স লিমিটেড। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর সম্প্রচারিত হবে অনুষ্ঠানটি।


নেত্রকোণায়   ‘ইত্যাদি’  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

২৩ বছরের ছোট মডেলের প্রেমে মজেছেন ডিক্যাপ্রিও

প্রকাশ: ০৩:৪৭ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

হলিউডের জনপ্রিয় তারকা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর জীবনে এসেছে একাধিক নারী। মাঝে মধ্যেই শোবিজের উঠতি মডেলদের প্রেমে পড়েন তিনি। এবার ২৫ বছর বয়সী মডেল ভিট্টোরিয়া সেরেটিকে মন দিয়েছেন এই তারকা। যিনি তার চেয়ে বয়সে ২৩ বছরের ছোট! শোনা যাচ্ছে, সম্পর্ক নিয়ে নাকি তারা দুজনই বেশ ‘সিরিয়াস’।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের একাধিক স্থানে একসঙ্গে দেখা গেছে ডিক্যাপ্রিও-সেরেটিকে। প্রথমে অনেকেই ধারণা করেন, শুধুমাত্র গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপভোগ করছেন এই প্রেমিকযুগল। কিন্তু ঘনিষ্ঠ এক সূত্রের দাবি, সত্যিই প্রেম করছেন তারা।

ওই সূত্র অনুযায়ী, বেশ কয়েক মাস ধরে একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন ডিক্যাপ্রিও-সেরেটি। এবং তারা একে-অন্যের ব্যাপারে এবং সম্পর্ক নিয়ে ভীষণ ‘সিরিয়াস’। গত ৯ আগস্ট স্পেনের ইবিজা দ্বীপে প্রথম একসঙ্গে দেখা যায় ডিক্যাপ্রিও ও সেরেটিকে। সেখানে একটি ক্লাবে পার্টি করছিলেন এই প্রেমিকযুগল। এমন কি পরস্পরকে চুম্বনও করেন তারা, সেই মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ্যে আনে পেজ সিক্স। যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। পরবর্তীতে আরও একাধিকবার সময় কাটাতে দেখা গেছে তাদেরকে।

তবে কেউ কেউ ডিক্যাপ্রিও-সেরেটির এই সম্পর্ককে ‘সিরিয়াস’ ভাবলেও এখনও অনেকেই সেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। কারণ কয়েকদিন পর পরই বিভিন্ন নারীদের প্রেমে মজেন ‘টাইটানিক’ খ্যাত এই তারকা। মাস কয়েক আগেই মডেল জিজি হাদিদের সঙ্গেও প্রেম করেন ডিক্যাপ্রিও। তখনও সেই প্রেমকেও ‘সিরিয়াস’ মনে করেছিলেন নেটিজেনরা। কিন্তু খুব বেশিদিন টেকেনি সেই সম্পর্ক। অল্পদিনের মাথায় আলাদা হয়ে যান জিজি হাদিদ-ডিক্যাপ্রিও।

এর আগে ডিজে মাত্তেও মিলেরিকে বিয়ে করেছিলেন সেরেটি। তবে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। অন্যদিকে ডিক্যাপ্রিও সর্বশেষ দীর্ঘ সময় সম্পর্কে ছিলেন অভিনেত্রী ক্যামিলা মোরোনের সঙ্গে। ভেঙে যায় সেই প্রেমও।

পরে ২০২২ সালের আগস্টে তারা আলাদা হয়ে যাওয়ার পর জিজি হাদিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন তিনি। সেই প্রেমও টেকেনি ডিক্যাপ্রিওর। এবার সেরেটির প্রেমে মজেছেন এই তারকা। এখন এটাই দেখার পালা সেরেটির সঙ্গে ডিক্যাপ্রিওর এই নতুন প্রেম আসলেই কতটা ‘সিরিয়াস’। আর কতদিনই বা টেকে তাদের এই সম্পর্ক।

সূত্র : পেজ সিক্স


হলিউড   জনপ্রিয় তারকা   লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

‘সিংহাম’ নিয়ে বিচারপতির ক্ষোভ

প্রকাশ: ০৩:২৪ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

বলিউডের পরিচালক রোহিত শেট্টি ক’দিন আগেই পুজো করে ‘সিংহাম এগেন’ এর ঘোষণা দিয়েছিলন। এবার এক অনুষ্ঠানে ‘সিংহাম’ ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুম্বাই আদালতের বিচারপতি গৌতম পটেল।

গৌতম পটেল বলেন, ওই ধরনের ছবিতে প্রতিটি আইনজীবীকে লাজুক-ভীরু হিসেবে দেখানো হয়। এছাড়া বিচারের দণ্ড নিজের আহতে তুলে নেন পুলিশ। এর ফলে মানুষের মনে আস্থা চলে যাচ্ছে ভারতীয় আইনব্যবস্থার ওপর। 

ওই ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রায় সব ছবিকেই ‘ভয়ানক’ আখ্যা দিয়ে ওই বিচারপতি বলেন, ওই ধরনের প্রায় সব ছবিতেই বিচারপতি ও আইনজীবীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করায় পুলিশ অফিসাররা। দেখানো হয়, বিনা বিচারে অপরাধীদের ছেড়ে দিচ্ছেন আইনজীবী। 

উদাহরণ স্বরূপ তিনি তুলে ধরেন, সিংহাম ছবির কথাও। তার প্রশ্ন, এরকমটা চলতে থাকলে মানুষের মনেও এর বিরূপ প্রভাব পড়বে। আইন-আদালতের ওপর ভরসাই উঠে যাবে।

এদিকে ‘সিংহাম’, ‘সিংহাম রিটার্নস’, ‘সিম্বা’, ‘সূর্যবংশী’– রোহিতের এই সবকটি ছবিই সুপারহিট। বলিউডে তিনিই প্রথম কম ইউনিভার্স গড়ে তুলেছেন। এবার সেই ছবিগুলো নিয়েই এমন প্রশ্ন উঠলো। রোহিত যদিও এই নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি। 


সিংহাম   সিনেমা   বিচারপতি   ক্ষোভ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন