কালার ইনসাইড

সাহায্য চাইতে এসে গান শুনিয়ে গেলেন মুক্তিযোদ্ধা, মুগ্ধ শিল্পীরা

প্রকাশ: ০৪:১০ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করোনার প্রকোপ কাটিয়ে ফের স্টেজ শোতে ব্যস্ত হয়েছেন সঙ্গীতশিল্পীরা। বছর ঘুরে আবারও চলে এসেছে শীত।  মঞ্চ মাতানো শিল্পীদের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। তারা দলবেঁধে গানের পাখি হয়ে ঘুরে বেড়ান শহর থেকে শহরে, গ্রাম-গঞ্জে। তেমনি করে নাটোরে গান করতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সোহেল মেহেদি। তার সঙ্গে আরও আছেন রাত্রি চৌধুরী, ঝিলিক বাবু ও তাদের দল। সবাই মিলে আজ ২৭ নভেম্বর নাটোরের বড়াইগ্রাম সরকারি কলেজে গাইবেন।

যাত্রাপথে তারা মুখোমুখি হলেন দারুণ এক অভিজ্ঞতার, যা শিল্পী সোহেল মেহেদিকে যেমন আনন্দে ভরিয়েছে তেমনি বেদনাও জাগিয়েছে মনে। এক বীর মুক্তিযোদ্ধার দেখা পেলেন তিনি। যিনি এসেছিলেন কিছু অর্থ সাহায্যের আশায়। সোহেল মেহেদিদের পরিচয় পেয়ে তিনি নিজেই হয়ে উঠলেন গায়ক। গেয়ে শোনালেন পুরোনো ভারতীয় বাংলা গান ‘আষাঢ় শ্রাবণ মানে না তো মন’।

সোহেল মেহেদি ওই বীর মুক্তিযোদ্ধার গান গাওয়ার একটি ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করে লিখেছেন, ‌‘আমরা নাটোর শো'তে যাওয়ার পথে এলেঙ্গা সিএনজি স্টেশনে গাড়ির গ্যাস নিতে দাঁড়িয়েছি। এ সময় মুরুব্বি সাহায্য চাইতে এলেন এবং তারপর দেখি উনি গুণগুণ করে গান গাইছেন। আমার কি যে ভালো লাগলো উনার দরদভরা কণ্ঠ শুনে।

কথা বলে জানলাম উনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। উনার নাম দীলিপ। সাথে সাথে ভিডিও করলাম। স্যালুট চাচা।’

সোহেল মেহেদি জাগো নিউজকে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার গান সম্পর্কে বলতে গিয়ে বেদনার কথাও জানালেন। তিনি বলেন, ‘মনটা খুবই খারাপ হয়েছে, দেশের স্বাধীনতা আনতে যে মানুষটা জীবন বাজি রেখে অস্ত্র ধরে শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন সেই মানুষ আজ দারিদ্যের কষাঘাতে জর্জরিত। ৭০ পার হয়েছে বয়স। এ বয়সে এসে জীবনের তাগিদে তাকে পথে পথে ভিক্ষে করতে হচ্ছে।

জানিনা উনি সরকারি সুযোগ সুবিধা পান কি না। বিস্তারিত কথা বলার সুযোগ হয়নি। কিন্তু তার সঙ্গে সাক্ষাৎটি খুব কষ্ট দিচ্ছে। একজন মুক্তিযোদ্ধা মানুষের কাছে হাত পাতছেন বেঁচে থাকার জন্য।’

‘একজীবনে অনেকের সঙ্গেই দেখা হয় আমাদের। অনেককে ভুলেও যাই। কিন্তু এ মুক্তিযোদ্ধা চাচার কথা ভুলবো না। কী চমৎকার গান করেন তিনি। এ বয়সেও দরদ নিয়ে গান করে নিজের মনকে ভালো রাখার চেষ্টা করেন। মানুষকে বিনোদন দেন’- যোগ করেন সোহেল মেহেদি।



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

নাটক ও সিনেমায় আজীবন নিষিদ্ধ হারুন

প্রকাশ: ০৪:৫১ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে উত্তাল এফডিসি। গতকাল ২৮ জানুয়ারি ছিল শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এদিন এফডিসিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি চলচ্চিত্রের ১৭টি সংগঠনের সদস্যদের।

এ বিষয়টি অপমানজনক দাবি করে নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা শহীদুল হারুনকে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৮ সংগঠন।

আজ শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ১৮ সংগঠনের পক্ষে পীরজাদা শহীদুল হারুনকে চলচ্চিত্র থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেন পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান। তিনি জানান, টেলিভিশন অভিনয় শিল্পী সংঘও পীরজাদা হারুনকে নাটকের অভিনয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণার পক্ষে এরকম পোষণ করেছেন।

সোহানুর রহমান সোহান বলেন, ‘পীরজাদা শহীদুল হারুন দল পাঁকিয়ে আমাদের ১৭ সংগঠনের সদস্যদের এফডিসিতে ঢুকতে দেয়নি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় নিজে আমাদের প্রবেশের ব্যাপারে অনুমতি দিয়েছেন। তিনি তেজগাঁও জোনের ডিসিকেও এ বিষয়ে জানিয়েছিলেন যেন আমরা ঢুকতে পারি। সেটা জেনেই ১৭ সংগঠনের কার্ডধারী সদস্যরা এফডিসিতে এসেছিলেন নির্বাচনের দিন সকালে।

কিন্তু কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পীরজাদা হারুন ও এফডিসির এমডি মিলেই নির্বাচনে চক্রান্ত করতে আমাদের ঢুকতে দেননি। তাই আমরা এফডিসির এমডির অপসারণ চাই। সেই সঙ্গে পীরজাদা শহীদুল হারুনকে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলাম।

তাকে আর কোনো দিন চলচ্চিত্র বা নাটকের কাজে নেওয়া হবে না।'

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ ও মিশা সওদাগর-জায়েদ খান প্যানেল থেকে প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়। এতে ইলিয়াস কাঞ্চন সভাপতি ও জায়েদ খান সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন।

পীরজাদা শহীদুল হারুন   নিষিদ্ধ   শিল্পী সমিতি   নির্বাচন  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেলেন ফেরদৌস

প্রকাশ: ০৪:২৭ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৭তম নির্বাচনে সভাপতি পদে ইলিয়াস কাঞ্চন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান নির্বাচিত হলেও এ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন ফেরদৌস।

ফেরদৌস ২৪০ ভোট পেয়ে কার্যকরী পরিষদে নাম লিখিয়েছেন। একই পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২৭ ভোট পেয়েছেন অমিত হাসান।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৯টায় এফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। পরে দিবাগত রাত পৌনে ৬টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা হারুন এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

নির্বাচন কমিশনার প্রথমে কার্যনির্বাহী সদস্যপদে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। তিনি জানান, মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে ১১ জন এবং কাঞ্চন-নিপুণ থেকে ১০ জন নির্বাচিত হয়েছেন এই নির্বাচনে।

কে কত ভোট পেলেন:

সভাপতি- ইলিয়াস কাঞ্চন (১৯১), সহ-সভাপতি- ডিপজল (২১৯) ও রুবেল (১৯১), সাধারণ সম্পাদক- জায়েদ খান (১৯৬), সহ-সাধারণ সম্পাদক- সাইমন সাদিক (২১২), সাংগঠনিক সম্পাদক- শাহানূর (১৮৪), আন্তর্জাতিক সম্পাদক- জয় চৌধুরী (২০৫)। দফতর ও প্রচার সম্পাদক- আরমান (২৩২), সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক- ইমন (২০৩), কোষাধ্যক্ষ- আজাদ খান (১৯৩)

কার্যকরী পরিষদ- রোজিনা (১৮৫), মৌসুমী (২২৫), কেয়া (২১২), জেসমিন (২০৮), অঞ্জনা (২২৫), অমিত হাসান (২২৭), চুন্নু (২২০), আলিরাজ (২০৩), সুচরিতা (২০১), ফেরদৌস (২৪০) ও অরুণা বিশ্বাস (১৯২)।

প্রসঙ্গত, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দুই বছর (২০২২-২৪ ইং) মেয়াদের এই নির্বাচনে এবার অংশ নেয় দুটি প্যানেল। একটি হচ্ছে মিশা-জায়েদ আর অন্যটি হচ্ছে কাঞ্চন-নিপুণ। শিল্পী সমিতির এবারের নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪৫০। ভোট দিয়েছেন ৩৬৫ জন। এর মধ্যে ভোট বাতিল হয়েছে ১০টি।

নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন অভিনেতা পীরজাদা হারুন। সঙ্গে ছিলেন বিএইচ নিশান ও জাহিদ জোসেন। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান। এই বোর্ডের সদস্য করা হয় মোহাম্মদ হোসেন জেমী ও মোহাম্মদ হোসেনকে।

বিচ্ছিন্ন কিছু অভিযোগ এলেও বেশ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়েছে। ভোট ঘিরে দিনভর শিল্পীদের মেলা বসেছিল এফডিসিতে।

ফেরদৌস  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

এফডিসির এমডির পদত্যাগ চেয়ে চলচ্চিত্রের ১৮ সংঠনের আন্দোলন

প্রকাশ: ০৪:০৩ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

এফডিসির এমডির পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন করছে চলচ্চিত্রের ১৮ সংঠন। গতকাল ২৮ জানুয়ারি ছিলো বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এদিন এফডিসিতে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি চলচ্চিত্রের ১৭টি সংগঠনের সদস্যদের।

এ বিষয়টিকে অপমানজনক দাবি করে এফডিসির এমডি নুজহাত ইয়াসমিনের পদত্যাগ চেয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ১৮ সংগঠনের পক্ষে এফডিসির এমডির পদত্যাগ দাবির ঘোষণা দেন পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান। এ সময় তিনি লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়ে আগামীকাল থেকে মানববন্ধন চলবে বলেও জানান।

এফডিসি  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

নিপুণকে পাশে চান জায়েদ খান

প্রকাশ: ০২:২৭ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বহুল আলোচিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে জিতেছেন বরেণ্য অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক পদে জিতেছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। এ নিয়ে টানা তিন বার সাধারণ সম্পাদক পদে জিতলেন জায়েদ খান।

টানা তৃতীয় বার জেতার পর সবাইকে নিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য তথা শিল্পীদের জন্য কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। সেই সঙ্গে তাঁর আশা, এবারের প্রতিযোগী নিপুণ আক্তারকে সব সময় পাশে পাবেন।

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সাংবাদিকদের মাধ্যমে নিপুণ আক্তারের উদ্দেশে জায়েদ খান বলেন, ‘তাঁর জন্য শুভ কামনা। নারী অভিনেত্রী হিসেবে প্রথমেই সেক্রেটারি পদে আমার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা বলব না প্রতিযোগিতা। তিনি প্রতিযোগিতা করেছেন, বিরোধী পক্ষ হয়েছেন বলেই তো নির্বাচন হয়েছে। তাঁর জন্য শুভ কামনা।’

উল্লেখ্য, সভাপতি পদে ইলিয়াস কাঞ্চন পেয়েছেন ১৯১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিশা সওদাগর পেয়েছেন ১৪৮ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান পেয়েছেন ১৭৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নিপুণ আক্তার পেয়েছেন ১৬৩ ভোট।

জায়েদ খান   নিপুন   শিল্পী সমিতি   নির্বাচন  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শিল্পীদের কল্যাণে মিলেমিশে কাজ করার অঙ্গীকার জায়েদ খানের

প্রকাশ: ১২:৪৫ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্প সমিতির নির্বাচনে টানা তৃতীয় বারের মত সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন জায়েদ খান। নির্বাচনে জয়ের পর জায়েদ খান শিল্পীদের কল্যাণে মিলেমিশে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন। 

জায়েদ খান বলেছেন, ‘কাঞ্চন ভাই অনেক গুণী মানুষ, আমাদেরই তো ভাই। তিনি দুই মেয়াদে শিল্পী সমিতির উপদেষ্টা হিসেবে আমাদের সঙ্গে ছিলেন। আমরা একসঙ্গেই কাজ করবো। তার সঙ্গে কাজের প্রক্রিয়া নতুনভাবে সাজাতে হবে। সবাই মিলেমিশেই কাজ করবো।’

জায়েদ খান আরও বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আমার জয় পেতে অনেক কষ্ট হয়েছে। শিল্পীরা যাদের ভালো মনে করছেন তাদেরকেই ভোট দিয়েছেন। আমি নির্বাচিত হয়েছি সবার দোয়ায় এবং শিল্পীদের ভালোবাসায়। যাদের ভোটে আমি নির্বাচিত, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।’

জায়েদ খান   শিল্পী সমিতি   নির্বাচন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন