কালার ইনসাইড

প্রতিমন্ত্রী থেকে 'রকস্টার' ডা. মুরাদ হাসান, মাতালেন মঞ্চ

প্রকাশ: ০৪:৪৪ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

যিনি রাজনীতির মঞ্চে কথার ঝড় তোলেন। বক্তৃতায় মাঠ কাঁপান। সেই তথ্য প্রতিমন্ত্রী যে সাংস্কৃতিক মঞ্চেও 'রকস্টার' হয়ে নাচে-গানে মাতিয়ে তুলতে পারেন। সেটা আর একবার প্রমাণ করলেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সভায় অতিথি হয়ে আসা তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

যদিও কিছুদিন আগে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে ডা. মুরাদকে গাইতেও দেখা গিয়েছিল। সবাইকে অবাক করে দিয়ে বক্তৃতা শেষ করে আবার মঞ্চে এলেন। গাইলেন একে একে অনেকগুলো গান।

সঙ্গীতানুষ্ঠানে অভিনেত্রী তারিনের সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন ডা. মুরাদ। দুজনে কণ্ঠ মেলান একসঙ্গে। গাইলেন 'আমায় ডেকো না, ফেরানো যাবে না, ফেরারি পাখিরা...'। অভাবনীয় সাফল্য, শিল্পকলার মূল মিলনায়তন মুহূর্মূহু করতালিতে ভরে গেল। দেয়ালে হতে লাগলো প্রতিধ্বনি। একজন অভিনেত্রী আরেকজন রাজনীতিক। দুজন সঙ্গীতে এসে যে পারফর্ম করলেন তাতে মুগ্ধতা বেড়ে গেল দর্শকের, সেই সঙ্গে চাহিদা। গানের অনুরোধ পেতে থাকলেন প্রতিমন্ত্রী মুরাদ।

এবার তিনি একা দাঁড়ালেন। কি বোর্ড, ড্রাম, প্যাড, লিড গিটার, বেজ গিটার চেক করে নিলেন। চলে এলেন মঞ্চের একেবারে সামনে, চিরপরিচিত রকস্টারের ভূমিকা অবতীর্ণ হলেন। কণ্ঠে নামলো সুর-ঐ দূর পাহাড়ের ধারে, দিগন্তেরই কাছে, নিঃসঙ্গ বসে একটি মেয়ে, গাইছে, আপন সুরে... সামনের সারির দর্শকেরা উঠে পড়েছে।

নাচের সুর শরীরকে স্থির রাখতে পারলো না... উর্মিলা শ্রাবন্তী, বিজরী বরকতুল্লাহ, সুইটি... সকলেই মিলে মঞ্চের সামনেই মেতে উঠলে নাচে। আর বাকি দর্শকদের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হতে থাকলো 'আপন সুরে, আপন সুরে, আপন সুরে...'

নাচে গানে যখন মাতোয়ারা সবাই। তখন শুরু হলো ওরে মালেকা ওরে সালেকা, 'ওরে ফুলবানু পারবি না বাঁচাতে...' প্রাণ রায়, মামুন অপু বা আরো অনেক শিল্পীই উঠে এসেছেন মঞ্চে। মন্ত্রীকে ঘিরে শুরু করে দিয়েছেন নাচ।

যেন এক সুরের লহরী ঘুরছে মিলনায়তনেরে ঘরে। রীতিমতো একজন ব্যান্ডের মূল ভোকালিস্ট হয়ে উঠেছেন ডা. মুরাদ কিংবা একজন রকস্টার।

ক্লান্থিবিহীন কণ্ঠে এবার চড়লো আজম খানের বিখ্যাত বাংলাদেশ গান। রেললাইনের ওই বস্তিতে, জন্মে ছিল একটি ছেলে মা তার কাঁদে, ছেলেটি মরে গেছে, হায়রে হায় বাংলাদেশ... বাংলাদেশ... বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার দেয়ালে দেয়ালে ইটে ইটে ছড়িয়ে পড়লো বাংলাদেশ...

তারও অনেক পরে রন এন রোল থেমেছিল। শিরোনামে রকস্টার এসেছে, 'যেন রকস্টার' প্রতিমন্ত্রী বলতেই পারেন যেন রকস্টার কেন? আমি তো রকস্টার। তার এই কথাকে ফেলে কিভাবে দেওয়া যাবে, কারণ তিনি সত্যিই একটি ব্যান্ডের লিড ভোকালিস্ট। ব্যান্ডের নাম রকস্ট্রিট। এটাও জানালেন যে এই নাট্যশালায় একদম বিনামূল্যে তাঁর দলের কনসার্ট করবেন।



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন, সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান

প্রকাশ: ০৬:৩০ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৭তম দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন (১৯১) ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হ্যাট্রিক করলেন জায়েদ খান (১৭৬)। মিশা সওদাগরকে (১৪৮) হারিয়ে ৩৩ বছর পর শিল্পী সমিতির দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। আর জায়েদ খানের কাছে হেরে গেলেন চিত্রনায়িকা নিপুণ (১৬৩)।

শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ভোর ছয়টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা শহীদুল হারুন।

সহ-সভাপতি পদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল (২১৯) ও রুবেল (১৯১)। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন সাইমন সাদিক (২১২), সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনূর (১৮৪), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জয় চৌধুরী (২০৫), দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক আরমান (২৩২), সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক ইমন (২০৩), কোষাধ্যক্ষ পদে আজাদ খান (১৯৩)।

দুই প্যানেলে কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- অঞ্জনা সুলতানা (২২৫), অরুনা বিশ্বাস (১৯২), অমিত হাসান (২২৭), আলীরাজ (২০৩), কেয়া (২১২), চুন্নু (২২০), জেসমিন (২০৮), ফেরদৌস (২৪০), মৌসুমী (২২৫), রোজিনা (১৮৫), সুচরিতা (২০১)।

জয়ের পর জায়েদ খান বলেন, আমরা কেউ হারিনি। এটা আমাদের সবার জয়। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে শিল্পী সমিতির কল্যাণে কাজ করব। তবে মিশা ভাইকে খুব মিশ করব।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন।  বিএফডিসিতে সকাল ৯টা ১৬ মিনিটে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকাল ৫টা ১৬ মিনিটে। এবারের নির্বাচনে ৪২৮ জন ভোটারের মধ্যে ৩৬৫ জন ভোটার উপস্থিত হয়েছেন। ২১টি পদে তাদের প্রতিনিধি বাছাই করেন।

শিল্পী সমিতি নির্বাচন   সভাপতি   ইলিয়াস কাঞ্চন   সাধারণ সম্পাদক   জায়েদ খান  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শিল্পী সমিতির ফলাফল মিলবে ভোর রাতে

প্রকাশ: ১২:২৪ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বহুল আলোচিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা। অপেক্ষা এখন ফলাফল ঘোষণার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত ২-৩টার আগে ফলাফল জানার কোনো সুযোগ নেই৷

এর আগে, শুক্রবার সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় বিকেল ৫টায়। ২০২২-২৪ মেয়াদের এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। একটি ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণের প্যানেল এবং অন্যটি মিশা সওদাগর ও জায়েদের।

বিচ্ছিন্ন কিছু অভিযোগ এলেও বেশ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়েছে। ভোট ঘিরে দিনভর শিল্পীদের মেলা বসেছিল এফডিসিতে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৪২৮ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৬৫ জন।

রাত সাড়ে ৮টায় ভোট গণনা শুরু হয়ে রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ এ প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত ভোট গণনা চলছে। তবে কার্যকরী পরিষদের সদস্য পদের ভোট গণনা প্রায় শেষ দিকে।

এদিকে ভোটগ্রহণ শেষ হতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণ প্যানেলকে জয়ী উল্লেখ করে অভিনন্দনের হিড়িক পড়ে৷ যদিও এর পুরোটাই গুজব।

শিল্পী সমিতি নির্বাচন   এফডিসি   ঢালিউড  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

অভিনয় শিল্পী সংঘ: সভাপতি নাসিম, সাধারণ সম্পাদক রওনক

প্রকাশ: ১০:২৮ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নাট্য অঙ্গনের অন্যতম সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘের নির্বাচনে নতুন সভাপতি হয়েছেন আহসান হাবিব নাসিম। সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন রওনক হাসান।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে রাত সোয়া ১০টায় ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার খায়রুল আলম সবুজ।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ। বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের সময় ছিল। তবে ভোটারের উপস্থিতি থাকায় রাত ৭টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

রাত ৯টায় শুরু হয় ভোট গণনা। প্যানেল না থাকায় মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায় গণনা। এরপরই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ সময় বিজয়িদের উল্লাসে মুখরিত হয়ে ওঠে শিল্পকলা একাডেমির আঙিনা।

এবারের নির্বাচনে সহ-সভাপতির তিনটি পদে জয়ী হয়েছেন আনিসুর রহমান মিলন, ইকবাল বাবু ও সেলিম মাহবুব। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন নাজনীন হাসান চুমকী ও জামিল হোসেন।

এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন সাজু খাদেম, অর্থ সম্পাদক পদে মুহাম্মদ নূর এ আলম (নয়ন), দপ্তর সম্পাদক পদে শেখ মেরাজুল ইসলাম, অনুষ্ঠান সম্পাদক পদে রাশেদ মামুন অপু, আইন ও কল্যাণ সম্পাদক পদে ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, প্রচার ও প্রকাশনা পদে প্রাণ রায়, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে সুজাত শিমুল এবং কার্যনির্বাহী সদস্য ৭টি পদের জয়ী হয়েছেন আইনুন নাহার পুতুল, তানভীর মাসুদ, মাজনুন মিজান, আশরাফুল আশীষ, সূচনা সিকদার, শামস সুমন ও হিমে হাফিজ।

অভিনয়শিল্পী সংঘের এই নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল ৭৪৮ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৬০০ জন শিল্পী।

বাংলা নাটক   নির্বাচন  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

যে কারণে ভোট দিতে আসেননি তারা

প্রকাশ: ০৭:০৮ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ভোট না দেওয়া তারকাদের একজন হলেন প্রবীণ অভিনেতা ও প্রযোজক মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানা। সত্তর ও আশির দশকের জনপ্রিয় এই নায়ক সম্প্রতি করোনামুক্ত হয়ে হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় ফিরেছেন। এখনও তিনি পুরোপুরি সুস্থ নন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এই অভিনেতা। তার স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি ভোট দিতে যাননি।

নায়িকা শাবনাজ

দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনাজ করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় ভোট দিতে আসেননি তিনি। 

শাকিব খান

ঢাকাই সিনেমার এই শীর্ষ নায়ক গত ডিসেম্বরের শুরু থেকে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। তিনি সেখানকার নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদন করেছেন। তাই শর্ত মতো তাকে আগামী ছয় মাস মার্কিন মুলুকে থাকতে হবে। যার কারণে তিনি দেশে আসেননি শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোট দিতে। এই নায়ক ২০১১-১৫ এবং ২০১৫-১৭ মেয়াদে শিল্পী সমিতির সভাপতি ছিলেন। এরপর তিনি আর প্রার্থী হননি।

চিত্রনায়িকা শাবনূর

একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর গত কয়েক বছর ধরে অভিনয়ের বাইরে। বর্তমানে তিনি সন্তান ও ভাই-বোনদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী। তবে তিনি শিল্পী সমিতির ভোটার। কিন্তু দেশে আসেননি ভোট দিতে। যদিও ২০২০ সালে ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনে তার দেখা মিলেছিল। তিনি ভোটও দিয়েছিলেন।

চিত্রনায়িকা পরীমনি

আলোচিত এই নায়িকা বর্তমানে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। গত মঙ্গলবার গাজীপুরে ‘মা’ নামে একটি ছবির শুটিং করতে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। ফলে পরীমনিও আসেননি ভোট দিতে। পাশাপাশি এই নায়িকা এবার ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল থেকে কার্যনির্বাহী প্রার্থীও হয়েছেন। কিন্তু কয়েকদিন আগে তিনি ঘোষণা দেন, নির্বাচন করবেন না।

জয়া আহসান

এত সময় যাদের নিয়ে আলোচনা হলো, তাদের থেকে একটু ব্যতিক্রম দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। জয়া বর্তমানে দেশে আছেন বলে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেন তার ঘনিষ্ঠ এক পরিচালক জাফর আল মামুন। কিন্তু শুক্রবার তিনি ভোট দিতে এফডিসিতে যাননি। কেন যাননি সেটা একটা বড় প্রশ্ন, যার উত্তর কেবল জয়াই জানেন।

এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। একটি মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানদের এবং অন্যটি ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণ আক্তারদের। দুই প্যানেলই বিভিন্ন পদে প্রার্থী একঝাঁক তারকা। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী সকলেই। তবে শেষ হাসিটা কারা হাসেন, তা জানতে আর কিছু সময়ের অপেক্ষা।


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

‘কে হারলো কে জিতলো এটা মুখ্য বিষয় না’: আসাদুজ্জামান নূর

প্রকাশ: ০৬:৩৪ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে অভিনয় শিল্পী সংঘের নির্বাচন। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে রাজধানীর সেগুনবাগিচার শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্য একাডেমি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

সকাল থেকেই একে একে ছোট পর্দার শিল্পীরা ভোটদান করছেন। দুপুর তিনটার দিকে ভোট দিতে আসেন জনপ্রিয় অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, আমরা শিল্পীরা সৃজনশীলতার মাধ্যম দিয়ে শিল্প চর্চা করি। নির্বাচন তো একটা সবার মিলনমেলা। এখানে কে হারলো কে জিতলো এটা মুখ্য বিষয় না।

তিনি আরও বলেন, যারা জিতবে আশা করি তারা শিল্পীদের স্বার্থে কাজ করবে। শিল্পীরা যাতে অভিনয়টা পেশা হিসেবে নিতে পারে। তার জন্য আরও বেশি গুরুত্ব দেয়। সুখে-দুখে তারা পাশে থাকবে। এটাই আমার নির্বাচিত সদস্যদের কাছে চাওয়া ।

তার শারীরিক অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বলেন, দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলাম। কয়েকদিন হলো হাসপাতাল থেকে এসেছি। এখন ভালো আছি।



আসাদুজ্জামান নূর   শিল্পী সমিতি   নির্বাচন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন