কালার ইনসাইড

বিনামূল্যে দেখা যাবে পরীমনির ‘স্ফুলিঙ্গ’

প্রকাশ: ০৫:২৯ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail বিনামূল্যে দেখা যাবে পরীমনি ‘স্ফুলিঙ্গ’

ঢালিউডে বর্তমান সময়ে গ্ল্যামার নায়িকাদের অন্যতম একজন পরীমনি। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই আলোচনায় তিনি। তাকে নিয়ে আলোচনা শেষ নেই। সম্প্রতি নিজের জন্মদিন উদযাপন করে আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েছেন এ নায়িকা। সর্বশেষ এই নায়িকার বিশ্বসুন্দরী ছবিটি মুক্তি পেয়েছিলো প্রেক্ষাগৃহে। এরআগে তার অভিনীত ‘স্ফুলিঙ্গ’ গতবছর সারা দেশে মুক্তি পায়।

আগামী ৩ ডিসেম্বর ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম টফি এক্সক্লুসিভলি প্রিমিয়ার করতে যাচ্ছে ‘স্ফুলিঙ্গ’। এই প্রথম কোনো স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে সিনেমাটি। টফি ব্যবহারকারীরা যেকোনো নেটওয়ার্ক থেকে বিনামূল্যে পুরো সিনেমাটি এক্সক্লুসিভলি দেখতে পারবেন। 

নন্দিত অভিনেতা ও নির্মাতা তৌকীর আহমেদ নির্মাণ করেছেন 'স্ফুলিঙ্গ’। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই মূলত সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই পরিচালক। স্বপ্নের বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রযোজনায় সিনেমাটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা, জাকিয়া বারী মম, আবুল হায়াত, মামুনুর রশীদ, ফজলুর রহমান বাবু, শহীদুল ইসলাম সাচ্চু, রওনক হাসানসহ আরও অনেকেই।

অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস ব্যবহারকারীরা গুগল প্লেস্টোর, অ্যাপ স্টোর অথবা (https://toffeelive.com) ওয়েবসাইট ভিজিট করে ডাউনলোড করতে পারবেন টফি অ্যাপটি।



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার আমি ভাঙানি: বুবলী

প্রকাশ: ০৯:১৪ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

শাকিব খান-বুবলীকে নিয়ে আলোচনা যেনো থামছেই না। কিছুদিন পর পরই নায়িকা বুবলী নতুন নতুন ইস্যু নিয়ে আলোচনায় থাকছেন। সম্প্রতি অপু বিশ্বাসের সাথে ভার্চুয়ালি কথার যুদ্ধে জড়ান বুবলী। দুই নায়িকার বাকযুদ্ধের বিষয়টি উঠে আসে গণমাধ্যমেও। সেই সূত্র ধরেই এবারও ‘শাকিব-অপুর বিচ্ছেদ ইস্যু’তে সামনে আসে বুবলীর নাম!

এসব বিষয় নিয়ে দীর্ঘ ভিডিও বার্তায় কথা বলেছেন শবনম বুবলী। প্রায় ৪২ মিনিটের ভিডিওতে ব্যক্তি জীবনের নানা প্রসঙ্গের সাথে এই নায়িকা দাবি করে বলেন, ‘শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার আমি ভাঙানি।’

সবার সম্মান রক্ষার্থে কথাগুলো আগে বলিনি উল্লেখ করে বুবলী তার অফিশিয়াল ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওতে বলেন, শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস দুজনেই ম্যাচিউরড। কারো প্ররোচনায় পড়ে তাদের সংসার ভাঙবে এটা হতে পারে না। যদি কোনো ব্যক্তির সিদ্ধান্ত না থাকে তাহলে অন্য কারও ব্যক্তির সিদ্ধান্তে কখনো কারও সংসার ভাঙতে পারে না। যদি কোনো সম্পর্কে সমস্যা হয় সেই মানুষ যদি অন্য জায়গায় যুক্ত হয় বা বিয়ে করে যাকে বিয়ে করে তার কি দোষ হয় অতীতের সম্পর্ক ভাঙার জন্য? আসলে তাদের সম্পর্ক না টেকায় আমার কোনো ইনভলবমেন্ট নেই।

অনেকের প্রশ্ন, শাকিব-অপুর ভেঙে যাওয়া সংসারে জন্ম নেয়া আব্রাম খান জয়ের জন্মদিন কেন বুবলী বেবি বাম্পের ছবি প্রকাশ করলেন? এ প্রসঙ্গে বুবলী দাবী করেন, জয়ের ব্যাপারে আমার স্বামী ও সন্তানের বাবা শাকিব খানকে সবসময় পজিটিভভাবে দেখতে বলে আসছি। হয়তো মানুষের সামনে এটা প্রকাশ করিনি। জয় কোন স্কুলে পড়বে, তার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য সবসময় পজিটিভ বলেছি। এটা শাকিব খান ভালো করেই জানেন।

বুবলী বলেন, জয়ের আগের বছরগুলোর জন্মদিনে আমার নিজের সন্তান ছিল। তখন তো আমি বেবিবাম্পের ছবি প্রকাশ করিনি। এবার আমি আমার আবেগের জায়গা থেকে শেয়ার করেছিলাম। এটা নিয়ে কখনো শাকিব খানকে অভিযোগ করিনি। শুধু এটি কেন, কোনো কিছু নিয়ে অভিযোগ নেই। আমি শুরু থেকে কখনো কোনো ভুল স্টেটমেন্ট দেইনি। হয়তো আমি অন্যভাবে উত্তর দিয়েছি। আসলে তখন আমার বলার কিছু ছিল না।

শেহজাদ খান বীর প্রসঙ্গে বুবলী বলেন, আজকে আমার সন্তানের প্রায় তিন বছর বয়স। এই সময়ে তার (শাকিব) কাছ থেকে আর্থিক টাকা নেইনি। তবে আমেরিকা থাকাকালীন অনেক টাকা খরচ হয়েছে। শাকিব খান আমাকে ১৫ হাজার ডলার দিয়েছিলেন। বাকি ৩০ হাজার ডলার আমি খরচ করেছি। সন্তানের বাবা হিসেবে শাকিব যদি কিছু ফিল করে দিতে চায়, তবে সেটা একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

বুবলী তার জন্মদিনে শাকিবের কাছ থেকে হিরের নাকফুল উপহার পেয়েছেন গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন। শাকিব বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ প্রসঙ্গ টেনে বুবলী বলেন, আমি যদি এখন এই বিষয়টি প্রমাণ করতে যাই তাহলে শাকিব খানকে অসম্মান করা হয়। এ নিয়ে আমি কথাই বলতে চাই না।

২০২০ সালের ২১ মার্চ পুত্র সন্তানের জন্ম দেন বুবলী। ছেলের নাম রেখেছেন শেহজাদ খান। বুবলীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য, ২০১৮ সালের ২০ জুলাই তারা বিয়ে করেন। তবে শোনা যাচ্ছে, শাকিব-বুবলীর মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে। সন্তান বীরকে আগলে রাখলেও বুবলীর থেকে দূরে সরে গেছেন শাকিব।

বুবলী   শাকিব   অপু  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

বাবার জন্য অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন ফারিন, দিলেন লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা

প্রকাশ: ০৫:০৯ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিনের সঙ্গে শুক্রবার রাজধানীর কুড়িলের শপিং মলের চলন্ত সিঁড়িতে ঘটে যায় দুর্ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে এক দিন পরে কথা বলেছেন অভিনেত্রী।র্ঘটনার সময় তাঁর সঙ্গে বাবা ও ভাই না থাকলে তিনি হয়তো প্রাণে বাঁচতেন না বলে জানান তিনি। 

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ফারিন ফেসবুকে লিখলেন, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার আশেপাশে যমুনা ফিউচার পার্কের প্রথম ফ্লোর থেকে গ্রাউন্ড ফ্লোরে নামার সময় গেট দিয়ে ঢুকেই যে মেইন অ্যাস্কেলেটরটা, সেখানটায় আমার দুর্ঘটনা ঘটে।

সিঁড়ির নিচে যে অ্যালুমিনিয়ামের নাকি স্টিলের সেটা জানি না, সে পাত খুলে বের হয়ে ধারালো কোনা আমার পায়ে আঘাত করে। বাবা ধাক্কা না দিলে দুজনই মারা যেতে পারতেন জানিয়ে তাসনিয়া ফারিন বলেন, আমি সিঁড়ির ডান পাশে ছিলাম। আর ওটা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। আমার পরনের প্যান্ট ছিঁড়ে যায় অনেকটুকু আর পায়ের বিভিন্ন স্থানে ছিলে যায় ও ডিপ কাট হয়, যেটা পরবর্তী সময়ে টের পাই। কিন্তু ওই মুহূর্তে শুধু একটা ইমেজ আমার মাথায় ঘুরেফিরে বারবার আসছে, তা হলো- কিছু বোঝার আগে সবাই গগনবিদারি চিৎকার করে উঠল আর আমি দেখলাম ডান পা স্ক্র্যাচ করে পায়ের পাশ দিয়ে মাঝখান হয়ে বাঁ পায়ের ওপরের দিকে একটা পাত ঢুকে যাচ্ছে আর চলন্ত সিঁড়িটিও আমাকে আরো সেদিকেই ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে! যদি গতকাল কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আমাকে আমার ভাই পেছন থেকে টান দিয়ে না সরাত বা আমার বাবা যদি আমাদের দুইজনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে না দিতেন, আমি জানি না আজকে এই স্ট্যাটাস লেখার জন্য আমি বেঁচে থাকতাম কি না। 

ফারিন বলেন, মজার ব্যাপার হলো, আমার এই ঘটনাকে আমি অ্যাকসিডেন্ট মানতে নারাজ। কারণ আমার এই ঘটনা ঘটার কমপক্ষে পনেরো মিনিট আগে আরেক ব্যক্তির সঙ্গে একই ঘটনা ঘটে। তার পায়ের মাংস ভেদ করে ওই পাতের কোনা ঢুকে যায়। উনি নিজে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে লোকজনকে নাকি সাবধান করছিলেন এবং দায়িত্ববান কাউকে খুঁজছিলেন। শেষে কাউকে না পেয়ে হেল্প ডেস্কে যান এবং এর মধ্যে আমার এই ঘটনা ঘটে, সাথে আরো একজন ভুক্তভোগী খুঁজে পাই। আমার চিৎকার-চেঁচামেচিতে ফাইনালি একজন স্টাফ আসে এবং অনেকবার বলার পর ম্যানেজার কল করে। ততক্ষণে প্রচুর মানুষ জড়ো হয়ে যাচ্ছে আর ব্যথার চেয়ে বেশি ফিল হচ্ছিল হিউমিলিয়েশন। 

অভিনেত্রী বলেন, ওখানে কোনো সিনক্রিয়েট করার চেয়ে আমার মনে হয়েছে ঠাণ্ডা মাথায় এটার সমাধান করা দরকার। তাই আমি বলার পর দুজন কর্মচারী আমাদের তিনজন আহত ব্যক্তি ও তাদের সঙ্গে যারা ছিল, সবাইকে বেজমেন্ট ১-এ নিয়ে যায়। আমাদের ধারণা ছিল, নিশ্চয়ই দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। আশ্চর্য বিষয় হলো, এত বড় মলে কোনো অ্যাম্বুল্যান্স অথবা ফাস্ট রেসপন্ডার তো দূরে থাক, একটা ফাস্ট এইড বক্স-ও নেই! পনেেরা-বিশ মিনিট তারা শুধু এই ফার্মেসি-সেই ফার্মেসি ফোন করল। কেউ নাকি দোকান ছেড়ে আসতে পারবে না। অবশেষে আধা ঘণ্টা পর একজন আসে আর ওই দুই ব্যক্তির চিকিৎসা করে। 

‘কারাগার’খ্যাত অভিনেত্রী বলেন, ফিমেল ডক্টর ছাড়া আমার চিকিৎসা সম্ভব ছিল না। এর মধ্যে আমার ভাইকে পাঠালাম একটা ট্রাউজার কিনে আনার জন্য। যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষের মতে, এই দুর্ঘটনা নাকি বেশি লোক ওঠার কারণে হয়েছে! তার মানে কি আপনারা আগে থেকেই জানতেন? নাকি ধারণক্ষমতার বেশি লোড নিয়ে আগে থেকেই এই অবস্থায় ছিল তা আপনারা টেরই পাননি? আর একজনের সাথে এটা হওয়ার পরও কেন কোনো অ্যাকশন নেননি আপনারা? এস্কেলেটরের দায়িত্বে থাকা কাউকে ডাকতে বললে বলে সে আসেনি। আর আমার এই পরিস্থিতিতে তারা আমাকে চা-কফি অফার করে, যেখানে আমার বসার মতো পরিস্থিতিও নেই। 


ফারিন খান   দুর্ঘটনা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ম্যারাডোনা-মেসিকে নিয়ে কটাক্ষ, তোপের মুখে মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান

প্রকাশ: ০৪:৪০ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

প্রয়াত আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ফুটবলার ম্যারাডোনা ও লিওনেল মেসিকে কটাক্ষ, অশালীন ভাষায় ফেসবুকে উপস্থাপন করায় তোপের মুখে পড়েছেন প্রখ্যাত গীতিকার মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।

অস্ট্রেলিয়া ও আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় পর্বের নক আউট ম্যাচ ছিল গত রাতে। ম্যাচ চলাকালীন মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে সক্রিয় ছিলেন। একের পর এক পোস্ট দিয়ে যাচ্ছিলেন।

 একপর্যায়ে ম্যারাডোনাকে নিয়ে লেখেন, একজন ছিল 'মরদই না', সে হাত দিয়ে গোল করত। সেই হাত নাড়ার ভঙ্গি ছিল হিজড়াদের মতো। ওদের কেউ 'আর জেন্টই না'। আবার লেডিও না। তাই হিজড়াই বলতে হবে। 

বিষয়টিকে সহজভাবে নেননি অনেক সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সংগীতজ্ঞ। এটিকে ‘বর্ণবাদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন তাঁরা।  

ফেসবুক পোস্টটি মুছে ফেলার অনুরোধ জানিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। তিনি অনুরোধ জানিয়ে লিখেছেন, বাবা, বটবৃক্ষ, পোস্টটা আপনি মুছেই দেন প্লিজ!’ কিন্তু গীতিকার এ কথায় কর্ণপাত করেননি।   আরেকটি পোস্টে মেসিকে নিয়েও তিনি ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, ‘মাছি সারা মাঠে বন বন করে বেড়াচ্ছে। 

স্টপ রেসিজম হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে অভিনেত্রী নিশাত প্রিয়ম লিখেছেন, ওনার আর্জেন্টিনা নিয়ে এত জেলাসি কেন? কোনো দলের প্রতি মানুষের ভালো লাগা, মন্দ লাগা থাকতেই পারে; কিন্তু ওনার মতো একজন কিংবদন্তির মুখে এ ধরনের কথা মানায় না!

সংগীতশিল্পী বেলাল খান প্রতিবাদ করে মন্তব্য করেছেন, ‘ম্যারাডোনা কিংবা মেসি তাঁদের চেহারা, শারীরিক গঠন দিয়ে নয়, স্রষ্টা প্রদত্ত বিশেষ ক্রীড়ানৈপুণ্য দিয়ে পৃথিবীর মানুষের হৃদয় জয় করেছেন। আপনি বা আপনারা আরো যতই বিশ্রী ভাষা ব্যবহার করেন না কেন, তাঁদের প্রতি সাধারণ মানুষের এই ভালোবাসা, এই মুগ্ধতা একটুও কমবে না, বরং বাড়বে। পৃথিবীর মানুষ যাঁদের কিংবদন্তির মর্যাদা দিচ্ছে, তার বিপরীতে গিয়ে আপনার এমন স্ট্যাটাস আমাদেরকে মর্মাহত করে। ক্ষমা করবেন। ’

গীতিকার ও কথাসাহিত্যিক ইকবাল খন্দকার লিখেছেন,  ‘কী নোংরা ভাষা আপনার!’

গীতিকার সোমেশ্বর ওলি বিস্ময় প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন, এ কী দেখছি!’ তিনি ফেসবুক থেকেও তাঁকে আনফ্রেন্ড করেছেন। নেটিজেনরাও মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের এই পোস্ট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন।  

অবশ্য মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ও দুঃখ প্রকাশ করে আরেকটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে লিখেছেন, মানুষের সেন্স অব হিউমার এত দুর্বল এবং গাত্রদাহ এত প্রবল হলে কোনো তীক্ষ্ণ হিউমারই তো করা যাবে না।   যা-ই হোক, আমার পোস্টে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করছি। ডিলিট করে দিতে পারতাম, কিন্তু যা প্রকাশ হয়ে গেছে তা মুছে দিলে আহতদের ক্ষত তো মুছবে না। তাই ওটা ওভাবেই রয়ে যাক। 

সেই রেললাইনের ধারে মেঠোপথটার পারে দাঁড়িয়ে, বন্ধু হতে চেয়ে তোমার শত্রু বলে গণ্য হলাম, দুঃখ আমার বাসর রাতের পালঙ্ক, আমার মতো এত সুখী নয় তো কারো জীবন, ভালোবাসা যত বড় জীবন তত বড় নয়-এর মতো জনপ্রিয় গান লিখেছেন মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।



ম্যারাডোনা   মেসি  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

পরীর পর মেসির প্রেমে পূজা

প্রকাশ: ০৩:১৬ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

এবারের বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে আর্জেন্টিনা। অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেছে মেসি-আলভারেসরা।

রাউন্ড অব সিক্সটিনের ম্যাচে ৩৫ মিনিটে অনবদ্য এক গোলে আলবিসেলেস্তেদের উল্লাসে ভাসান এলএমটেন। এবারের বিশ্বকাপে চার ম্যাচে এটি তার তৃতীয় গোল। শুধু গোল দিয়ে খুদে যাদুকরকে বিচার করলে ভুল হবে। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই নিজের সেরা ছন্দে আছেন মেসি। এদিনও দৌড়েছেন, খেলেছেন পুরো মাঠ জুড়ে।

আর্জেন্টিনা এবং মেসির দারুণ ভক্ত ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পূজা চেরি। বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার উত্তরসূরীদের প্রতিটি ম্যাচই ভীষণ উপভোগ করছেন ‘পোড়ামন’ তারকা। এদিনও রাত জেগে মেসিদের খেলা দেখেছেন এই নায়িকা।

মেসির করা গোলটিতে আনন্দে ভেসেছেন পূজা। আর সেই অনুভূতি ভাগ করে নিয়েছেন বন্ধুদের সঙ্গেও। মেসির গোলের পর পরই উল্লাস প্রকাশ করে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে পূজা লেখেন, লাভ ইউ মেসি’। সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার চারটি ইমোজি।

পূজার পোস্ট থেকেই বোঝা যায়, মেসির গোলটি তিনি কতটা উপভোগ করেছেন। এরপর আর্জেন্টিনার দেওয়া দ্বিতীয় গোলেও উদযাপন করেন এই তারকা। লেখেন, আরেহ আরেকটা’। সঙ্গে যোগ করেন, ‘#গোল২’।

কাতার বিশ্বকাপটি নিজের প্রিয় খেলোয়াড় মেসির হাতে উঠবে বলেই বিশ্বাস পূজার। মনে মনে সেই পূজাই করছেন তিনি।

মেসি   আর্জেন্টিনা   পরীমনি   পূজা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ভক্তদের চাপে স্কুটি নিয়ে পালালেন অজয়

প্রকাশ: ০২:৩৩ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

স্কুটি চালিয়ে যাচ্ছেন অজয় দেবগন। স্কুটি যখন ধীর গতিতে চলছে তখন কেউ কেউ সেলফি তুলছেন। স্কুটির গতি কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় তার পেছনে মোবাইল হাতে ছুটছেন অসংখ্য মানুষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এমন দৃশ্য দেখা যায়। মূলত, অজয় দেবগনের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রথমে এ ভিডিও পোস্ট করা হয়। যা পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।

পিংকভিলা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পরিচালক অজয় দেবগন নির্মাণ করছেন ‘ভোলা’ সিনেমা। বর্তমানে এ সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। এ সিনেমার শুটিং সেটে অজয় ভক্তরা তাকে এভাবে তাড়া করেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি ‘ভোলা’ সিনেমা প্রযোজনাও করছেন অজয়। সিনেমাটির কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করছেন— টাবু, অমলা। কিছুদিন আগে এ সিনেমার টিজার মুক্তি পায়। টিজার মন কেড়েছে দর্শকদের। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের ৩০ মার্চ মুক্তি পাবে এই সিনেমা।

অজয় দেবগন অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘দৃশ্যম টু’। গত ১৮ নভেম্বর মুক্তি পাওয়া এ সিনেমা ভারতজুড়ে মোট ৩ হাজার ৩০২টি স্ক্রিনে প্রদর্শিত হচ্ছে। মুক্তির পর থেকে বক্স অফিস দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সিনেমাটি। মুক্তির প্রথম সপ্তাহে সিনেমাটি শত কোটির ক্লাব পেরিয়েছে; এখন দুই শত কোটির ক্লাবের দ্বারপ্রান্তে এ সিনেমা। দীর্ঘদিন পর এ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডের বক্স অফিসে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।  

অজয়  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন