কোর্ট ইনসাইড

রিজেন্ট সাহেদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৩ এপ্রিল

প্রকাশ: ০১:১৭ পিএম, ০৭ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৩ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। বিচারক বদলি হওয়ায় এবং মামলার কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় বিশেষ জজ আদালত-৬ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইকবাল হোসেন সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী জাহিদুর রহমান বিষয়টি জানিয়েছেন।

অভিযোগপত্রে উল্লিখিত অন্য আসামিরা হলেন— স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম।

২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী মামলাটি দায়ের করেন। হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকার পরও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এই মামলা করা হয়। সেখানে আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা হয়নি। তবে তদন্তে নাম আসায় পরবর্তীতে অভিযোগপত্রে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করেছেন। ওই হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগী প্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্য কর্মকর্তাদের মাসিক খাবার খরচ হিসেবে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তুলে ধরাসহ এর খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।



মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

আগাম জামিন পেলেন ইশরাক

প্রকাশ: ০৫:০১ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর বিভিন্ন থানার নাশকতার ১২ মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজি এবাদত হোসেনের দ্বৈত বেঞ্চ এ আগাম জামিনের আদেশ দেন।

ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, ২৮ অক্টোবরকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের ধারাবাহিক মামলার অংশ হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধেও রাজধানীর রমনা, মতিঝিল, ওয়ারি এবং যাত্রাবাড়িসহ বিভিন্ন থানায় নাশকতার মামলা হয়। এসব মামলার আগাম জামিন চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করলে আদালত তা মুঞ্জুর করেন।
 
এর আগে ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় হঠাৎ হাইকোর্টে এসে জামিন চেয়ে আবেদন করেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ইশরাক হোসেনের পক্ষে জামিন আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান এ আবেদন করেন। 
 

বিএনপি   ইশরাক হোসেন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিতেই হবে: আপিল বিভাগ

প্রকাশ: ০৩:২৬ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ১৫ শতাংশ আয়কর দিতেই হবে বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বোরহান উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২৮ জুন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অনুমোদিত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং অপরাপর বিশ্ববিদ্যালয় যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নয়, তাদের উদ্ভূত আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ হারে আয়কর পুনঃনির্ধারণ করা হলো। ১ জুলাই থেকে এটা কার্যকর হবে। ’

২০১০ সালের ১ জুলাই এনবিআরের আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ, বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ, বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বা শুধু তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষাদানে নিয়োজিত বেসরকারি কলেজ ও উদ্ভূত আয়ের উপর প্রদেয় আয়করের হার হ্রাস করে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলো। ’

পরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রিট আবেদন করলে উচ্চ আদালত ২০১৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর কর ধার্য করাকে অবৈধ ঘোষণা করেন। এর বিরুদ্ধে সরকারের আপিলের পর আপিল বিভাগ ২০২১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এক আদেশের মাধ্যমে সরকারের আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর কর আরোপ না করার আদেশ দিয়েছিলেন।

২০২৩ সালের ৬ এপ্রিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে আয়কর দিতে হবে না বলে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার ওমর সাদাত। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ। একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত রিট আবেদনগুলোর হাইকোর্টে চূড়ান্ত শুনানির আদেশও বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়   ট্যাক্স   আপিল বিভাগ  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ব্যক্তি পর্যায়ে হাতি পালনের লাইসেন্স স্থগিত

প্রকাশ: ০৩:০৭ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ব্যক্তি পর্যায়ে হাতি পালনের লাইসেন্স প্রদান ও বিদ্যমান লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। 

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। 

রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাকিব মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত। এর আগে অভিনেত্রী জয়া আহসান ও প্রাণী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন পিপল ফর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রিটটি দায়ের করা হয়। 

সার্কাস, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান ও চাঁদা তোলার মতো কাজে হাতিকে ব্যবহার করতে নির্যাতনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ করা হয় রিটে।

লাইসেন্স স্থগিত   ব্যক্তি পর্যায় হাতি পালন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

দুই দেশের বিচার বিভাগ প্রায় একই: ভারতের প্রধান বিচারপতি

প্রকাশ: ০২:৪৩ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ভারতের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশোবন্ত চন্দ্রচূড় বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বিচার বিভাগ প্রায় একই। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। দুই দেশের বিচার বিভাগ ও সংস্কৃতি প্রায় একই।

আজ রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে আপিল বিভাগে বিচারিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ শেষে বিচারপতি ধনঞ্জয় যশোবন্ত চন্দ্রচূড় এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও আপিল বিভাগের অপর পাঁচ বিচারপতির সঙ্গে আজ সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে এজলাসে (প্রধান বিচারপতির কোর্ট) আসেন ভারতের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশোবন্ত চন্দ্রচূড়। তার সঙ্গে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দুজন বিচারপতি। তারা হলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস।

বাংলাদেশের আপিল বিভাগের অপর পাঁচ বিচারপতি হলেন বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন।

এজলাসে আসন গ্রহণের পর প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, ‘আমাদের জন্য আজকের দিনটি বিশেষ। ভারতের প্রধান বিচারপতি ও দেশটির দুজন বিচারপতি উপস্থিত আছেন।’

এরপর ভারতের প্রধান বিচারপতি ও অপর দুই বিচারপতিকে অভিনন্দন জানান অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তিনি বলেন, ভারতের প্রধান বিচারপতি ও দুজন বিচারপতির উপস্থিতি অত্যন্ত সম্মানের। তিনজন বিচারপতির উপস্থিতি এই প্রথম, যা ইতিহাসের অংশ।

অতিথিদের ভবিষ্যতে আবার বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানান সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির। তিনি বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য ভারতে বিচারিক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব দেন।

এরপর আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। কার্যতালিকার ১ থেকে ৫ নম্বর ক্রমিক থাকা মামলার শুনানি গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত দেন আপিল বিভাগ। যা পর্যবেক্ষণ করেন ভারতের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশোবন্ত চন্দ্রচূড় ও দেশটির সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস। এরপর ভারতের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশোবন্ত চন্দ্রচূড় বলেন, ‘আমি ও আমার সিনিয়র দুজন সহকর্মীর জন্য বিষয়টি অত্যন্ত সম্মানের।’

পর্যবেক্ষণ করা মামলার শুনানির বিষয়ে ভারতের প্রধান বিচারপতি বলেন, এ ক্ষেত্রে তিনিও অনুরূপ আদেশ দিতেন। আইনজীবীরা প্রশিক্ষণের জন্য আগ্রহী হলে সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন ভারতের প্রধান বিচারপতি।

সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে এজলাস ত্যাগ করেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও আপিল বিভাগের অপর পাঁচ বিচারপতি। তাদের সঙ্গে এজলাস ত্যাগ করেন ভারতের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশোবন্ত চন্দ্রচূড় ও দেশটির অপর দুই বিচারপতি।


ভারত   বিচারপতি   বাংলাদেশ   ভারত  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

গর্ভে থাকা শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ যাবে না: হাইকোর্ট

প্রকাশ: ১২:৫৩ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

মাতৃগর্ভে থাকা শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে কঠোরভাবে এ নির্দেশ মানার কথা বলা হয়েছে। 

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তীর্থ সলিল রায়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় অনাগত শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না মর্মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গঠিত কমিটির প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। 

এই নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ল্যাবরেটরি কোনো লেখা বা চিহ্ন বা অন্য কোনো উপায়ে শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করতে পারবে না। 

পরে ১৯ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ নীতিমালা দাখিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বিষয়ে আজ রায় দেন হাইকোর্ট্। 

রুল জারির পর রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেছিলেন, ভারতে আইন করে গর্ভজাত সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গর্ভের শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করা হলে প্রসূতি মায়ের মানসিক চাপ তৈরি হয়। অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক চাপে গর্ভপাত করার ঘটনাও ঘটে।

২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি গর্ভের শিশুদের লিঙ্গ পরিচয় জানার উদ্দেশে পরীক্ষা ও লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে জনস্বার্থে রিট করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।


মাতৃগর্ভ   শিশু   লিঙ্গ   পরিচয়  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন